পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪: বাংলা পরীক্ষা – ১ বিষয়: বাংলা টপিক: সমাস, প্রকৃতি-প্রত্যয়, কাল ও কালের প্রয়োগ, এক কথায় প্রকাশ। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
  1. কাঁচাপাকা
  2. আলুসিদ্ধ
  3. নিরামিষ
  4. দুধভাত
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।

অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- জেলার সদৃশ = উপজেলা;
- ঈষৎ নত = আনত;
- আমিষের অভাব = নিরামিষ।

অন্যদিকে,
• সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ; যা কাঁচা তাই পাকা = কাঁচাপাকা; সাধারণ কর্মধারয় সমাস।
• দুধ মিশ্রিত ভাত = দুধভাত; মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘দায়িত্বটি আমি পালন করেছিলাম।’ - বাক্যটি কোন কালের দৃষ্টান্ত?
  1. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
  2. সাধারণ অতীত কাল
  3. ঘটমান অতীত কাল
  4. পুরাঘটিত অতীত কাল
ব্যাখ্যা
• অতীত কাল:
যে ক্রিয়া পুর্বে ঘটে গেছে, তাকে অতীত কাল বলে। অতীত কালের চারটি রূপ। যথা:

• সাধারণ অতীত কাল:
 যে ক্রিয়া সাধারণভাবে অতীত অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত।
যেমন:
- বিড়াল ইঁদুরটিকে ধরল।
- পুলিশ সন্ত্রাসী ছেলেটিকে মেরে ফেলল।

• ঘটমান অতীত কাল:
 অতীতে কোনো কাজ চলছিল এবং তখনও কাজটি শেষ হয়নি; এরূপ অর্থে ঘটমান অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- কাল সন্ধ্যায় আমরা টেলিভিশনে খেলা দেখছিলাম।

• পুরাঘটিত অতীত কাল: 
যে ক্রিয়া অতীতে ঘটেছে এবং এর প্রভাবও শেষ হয়ে গেছে। তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- দায়িত্বটি আমি পালন করেছিলাম।
- প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের বাড়ি গিয়েছিলেন।
- আমি ঐ কাজ করেছিলাম।
[বাক্যে কাজ গুলো অতীতে হয়ে গিয়েছে এবং এর রেশ এবং প্রভাবও শেষ হয়ে গিয়েছে]

• নিত্যবৃত্ত অতীত কাল: 
অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'ত্বরিত গমন করতে পারে যে' এক কথায় কী বলে?
  1. তুগর
  2. তুরক
  3. তুরগ
  4. তুরন্ত
ব্যাখ্যা
• 'ত্বরিত গমন করতে পারে যে' এক কথায় প্রকাশ - তুরগ।

অন্যদিকে,
• ‘তুরন্ত’ শব্দের অর্থ - শীঘ্র, সত্বর, বিলম্ব না করা।
• ‘তুরক’ শব্দের অর্থ - তুরস্কের আধিবাসী; তুর্কি জাতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘সকালে সূর্য উঠে।’- বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ বর্তমান
  2. ঘটমান বর্তমান
  3. নিত্যবৃত্ত অতীত
  4. সাধারণ অতীত
ব্যাখ্যা
‘সকালে সূর্য উঠে।’- বাক্যটি সাধারণ বর্তমান কালের উদাহরণ।

-----------------------
• সাধারণ বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে। যেমন: তৃণা স্কুলে যায়।
সাধারণ বর্তমানে দুটি রূপ পাওয়া যায়। যথা:

১. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া সাধারণভাবে নিত্য বা সব সময় ঘটে অর্থাৎ ক্রিয়া সংঘটনের স্বাভাবিকতা বা অভ্রস্ততা বোঝালে সাধারন বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- সকালে সূর্য উঠে।
- আমি প্রত্যহ সকালে চা খাই।

২. ঐতিহাসিক বর্তমান কাল:
ঐতিহাসিক বর্তমান কাল অতীত অর্থে বর্তমান। অতীত কালের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় অনেক ক্ষেত্রে নিত্য বর্তমান কালের প্রয়োগ বা ব্যবহার হয়। এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণ বর্তমান বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপ শ্রীচৈতন্য দেবের জন্ম হয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় কোনটি?
  1. আরু
  2. অট
  3. ইল
  4. ইয়া
ব্যাখ্যা
• তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য , - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণিক, ষ্ণ্য, ইত, ইমন, ইল, তর, তা, ত্ব, ইষ্ঠ, ঈন্, বতু্প্, নীন, নীয়, বিন্, র, ল প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত কিছু শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো:
- মধুর + ষ্ণ = মাধুর্য;
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী;
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক;
- কুসুম + ইত = কুসুমিত;
- পঙ্ক + ইল্ = পঙ্কিল;
- সর্বজন + নীন = সর্বজনীন;
- নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।

-------------------
অন্যদিকে,
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয়কে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: আরু, ইয়া, অট, লা, আটিয়া, উক, উয়া, আই, আ, উরিয়া ইত্যাদি।
যেমন:
- কেষ্ট + আ = কেষ্টা।
- বোমা + আরু = বোমারু।
- নিম + আই = নিমাই।
- ভাদর + ইয়া = ভাদরিয়া > ভাদুরে।
- চোর + আমি = চোরামি।
- ভরা + অট = ভরাট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ঘটমান বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
  2. আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি।
  3. ছন্দা গান গাইছে।
  4. রাফিন ও রিজন বল খেলছে।
ব্যাখ্যা
• ঘটমান বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

---------------------
• বর্তমান কাল:

যে ক্রিয়া দ্বারা বর্তমানের কোনো কাজ করা, অভ্যাস বা চিরসত্য বোঝায় তাকে বর্তমান কাল বলে। বর্তমান কালের চারটি রূপ। যথা:
১. সাধারণ বর্তমান কাল।
২. ঘটমান বর্তমান কাল।
৩. পুরাঘটিত বর্তমান কাল।
৪. বর্তমান অনুজ্ঞা।

• সাধারণ বর্তমান কাল: যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- তৃণা স্কুলে যায়।
- বর্ণ বই পড়ে।

• ঘটমান বর্তমান কাল: যে ক্রিয়ার কাল শেষ হয়নি, এখন চলছে এরূপ অর্থ বোঝালে ঘটমান বর্তমান হয়।
যেমন:
- ছন্দা গান গাইছে।
- রাফিন ও রিজন বল খেলছে।

• পুরাঘটিত বর্তমান কাল: যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।

• বর্তমান অনুজ্ঞা: বর্তমানে কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের আদেশ, উপদেশ, আশীবার্দ, অভিশাপ, অনুরোধ, প্রার্থনা প্রভৃতি বোঝানোর জন্য বর্তমান অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সকলের মঙ্গল হোক।
- সদা সত্য বলো।
- আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘজীবী করুন।
- আল্লাহ তোমাকে সুস্থতা দান করুক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. দাতা
  2. ঘাটতি
  3. শ্রমী
  4. ভাবুক
ব্যাখ্যা
• ‘তি’ বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়: বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ‘তি’ প্রত্যয় হয়।
যেমন:
- √ঘাট্ + তি = ঘাটতি,
- √বাড় + তি = বাড়তি।

অন্যদিকে,
• সংস্কৃৃৃত তৃচ্‌-প্রত্যয়: প্রথমা একবচনে 'তৃ' থাকলে 'তৃ' থলে 'তা' হয়।
যেমন:
√দা + তৃচ = √দা+তা = দাতা।
√মা + তৃচ = √মা+তা = মাতা।

• সংস্কৃত ইন্- প্রত্যয় এ (ইন্ = ঈ-কার হয়)।
যেমন:
- √শ্রম্ + ইন্ = শ্রমী।

• সংস্কৃত অল্-প্রত্যয় এর (ল ইৎ হয়ে, অ থাকে):
- √ভূ + উক = ভাবুক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘বজ্জাত’ কোন তৎপুরুষ সমাসের দৃষ্টান্ত?
  1. উপপদ তৎপুরুষ
  2. তৃতীয়া তৎপুরুষ
  3. অলুক তৎপুরুষ
  4. পঞ্চমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পেয়ে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে যে সমাস গঠিত হয়, তাকে বলা হয় তৎপুরুষ সমাস।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরূপে বুঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। 
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনাে বিভক্তি থাকতে পারে আর পূর্বপদের বিভক্তি হিসেবে এদের নামকরণ হয়।

• পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তির (হইতে, থেকে, চেয়ে) লােপ পায় তাকে বলা হয় পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস।
যেমন:
- বদ থেকে জাত = বজ্জাত।
- আগা থেকে গোড়া = আগাগোড়া।
- জন্ম হতে অন্ধ = জন্মান্ধ।
- রোগ হতে মুক্ত = রোগমুক্ত।
-  ঋণ হতে মুক্ত = ঋণমুক্ত।

তেমনই- স্বর্গভ্রষ্ট, লোকভয়, মেঘমুক্ত, মুখভ্রষ্ট, পদচ্যুত, ধর্মভীরু ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘আল’ কোন ধরনের প্রত্যয়ের উদাহরণ?
  1. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  2. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. সংস্কৃত বাংলা প্রত্যয়
  4. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• ‘আল’ বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়ের উদাহরণ।

বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়য়োগে গঠিত কিছু শব্দ:
• আ-কারান্ত প্রযোজক (ণিজন্ত) ধাতুর পরে 'আন' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'আনো' হয়৷
যেমন:
- √জানা + আন = জানানো।
এরূপ- শোনানো, ভাসানো ইত্যাদি৷

• আও-প্রত্যয়: ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে 'আও' প্রত্যয় যুক্ত হয়।
যেমন:
- √পাকড় + আও = পাকড়াও;
- √চড়্ + আও = চড়াও।

• ‘অনি’ (বিকল্পে) উনি-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে:
- √বাঁধ + অনি = বাাঁধনি;
- √চির + অনি = চিরনি। 

• ‘অন্ত’ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে:
- √উড় + অন্ত = উড়ন্ত;
- √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত।

• ‘অক’ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে:
- √মুড় + অক = মোড়ক;
- √ঝল্ + অক = ঝলক।

• আল-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ-
- √মাত্‌ + আল = মাতাল;
- √মিশ্‌ + আল = মিশাল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
নিচের কোন বাক্যের ঘটনা ভবিষ্যতের, কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত?
  1. শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
  2. তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে।
  3. যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম।
  4. আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলমা।
ব্যাখ্যা
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

• ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:

অনেক সময়ে ক্রিয়াবিভক্তি যে কালের হয়, ঘটনা সেই কালের হয় না। এগুলো ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ।নিচের বাক্য দুটির দিকে তাকানো যাক:
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি

[প্রথম বাক্যে ক্রিয়ার কাল অতীত এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। কিন্তু দ্বিতীয় বাক্যে ক্রিয়ার কাল বর্তমান কালের এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। দ্বিতীয় বাক্যটি কালের বিশিষ্ট প্রয়োগের নমুনা।]

• সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)
- সবাই যেন সভায় হাজির থাকে। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

• ঘটমান বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

• সাধারণ অতীত কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল (ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমানের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত।)
- 'যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত।

• সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে (ঘটনা অতীতের; কিন্তু কাল ভবিষ্যৎ।)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
'যা চিন্তা করা যায় না' এক কথায় বলে-
  1. অচিন্তিত
  2. অচিন্ত্য
  3. অচিন্ত্যপূর্ব
  4. অচিন্ত
ব্যাখ্যা
• 'যা চিন্তা করা যায় না' এক কথায় বলে - অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য।

- অপশনে প্রদত্ত ‘অচিন্ত’ বানানটি অশুদ্ধ।

অন্যদিকে,
• পূর্বে চিন্তা করা যায়নি এমন - অচিন্ত্যপূর্ব।
• পূর্বে চিন্তা বা অনুমান করা হয়নি এমন - অচিন্তিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
রূপক কর্মধারায় সমাস নয় কোনটি?
  1. মোহনিদ্রা
  2. দিলদরিয়া
  3. কবিগুরু
  4. জীবনবারি
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারায় সমাস নয়- কবিগুরু।
- কবির গুরু = কবিগুরু; ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

---------------------
• রূপক কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।

রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ:
- দিল রূপ দরিয়া = দিলদরিয়া;
- কাল রূপ চক্র = কালচক্র;
- প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি;
- মোহ রূপ নিদ্রা = মোহনিদ্রা;
- বিদ্যা রূপ ধন = বিদ্যাধন;
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- জীবন রূপ বারি = জীবনবারি;
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি;
- সংসার রূপ সমুদ্র = সংসার সমুদ্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘বাদী’ শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √বদ্ + ই
  2. √বাদ্ + ইন্
  3. √বাদ্ + ঈ
  4. √বদ্ + ইন্
ব্যাখ্যা
• ইন্’ তদ্ধিত কৃৎ-প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দে ইন্- প্রত্যয় (ইন্ = ঈ-কার হয়) :
যেমন:
- √শ্রম্ + ইন = শ্রমী;
- √দুষ্ + ইন = দোষী;
- √বদ্ + ইন্ = বাদিন > বাদী;
- √যুজ্ + ইন = যোগিন > যোগী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
‘ঝংকার’ কীসের ধ্বনি?
  1. নূপুরের ধ্বনি
  2. বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি
  3. অলঙ্কারের ধ্বনি
  4. ধনুকের ধ্বনি
ব্যাখ্যা
• 'বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - ঝংকার।

তাছাড়া,
- 'নূপুরের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - নিক্বণ।
- 'অলঙ্কারের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- শিঞ্জন।
- 'ধনুকের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - টঙ্কার।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- ‘ময়ূরের ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - কেকা।
- 'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - মন্দ্র।
- ‘হাতির গর্জন’ এর এক কথায় প্রকাশ - বৃংহিত।
- ‘ঘোড়ার ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - হ্রেষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
‘আমি প্রত্যহ খুব সকালে ঘুম থেকে উঠি।’- বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
  2. ঘটমান বর্তমান কাল
  3. সাধারণ অতীত কাল
  4. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
ব্যাখ্যা
• সাধারণ বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে। যেমন: তৃণা স্কুলে যায়।
সাধারণ বর্তমানে দুটি রূপ পাওয়া যায়। যথা:

১. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া সাধারণভাবে নিত্য বা সব সময় ঘটে অর্থাৎ ক্রিয়া সংঘটনের স্বাভাবিকতা বা অভ্রস্ততা বোঝালে সাধারন বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- সকালে সূর্য উঠে।
- আমি প্রত্যহ সকালে চা খাই।
- আমি প্রত্যহ খুব সকালে ঘুম থেকে উঠি।

২. ঐতিহাসিক বর্তমান কাল:
ঐতিহাসিক বর্তমান কাল অতীত অর্থে বর্তমান। অতীত কালের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় অনেক ক্ষেত্রে নিত্য বর্তমান কালের প্রয়োগ বা ব্যবহার হয়। এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণ বর্তমান বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপ শ্রীচৈতন্য দেবের জন্ম হয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
‘দুধে ও ভাতে’ ব্যাসবাক্যটি কোন ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক দ্বন্দ্ব
  2. একশেষ দ্বন্দ্ব
  3. নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
  4. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন:
- কোলে ও পিঠে = কোলেপিঠে;
- দুধে ও ভাতে = দুধেভাতে;
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে;
- হাতে ও কলমে = হাতেকলমে ইত্যাদি।

---------------------
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
দ্বন্দ্ব সমাস নিম্নোক্ত কয়েক প্রকার হতে পারে-
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব,
- অঙ্গবাচক দ্বন্দ্ব,
- বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব,
- সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব,
- সমার্থক দ্বন্দ্ব,
- একশেষ দ্বন্দ্ব,
- অলুক দ্বন্দ্ব,
- নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
‘ঈষৎ উষ্ণ’ এক কথায় প্রকাশ বলে-
  1. উষ্ণক
  2. কবোষ্ণ
  3. উষ্ণত্ব
  4. উষ্ণা
ব্যাখ্যা
• ‘ঈষৎ উষ্ণ’ এক কথায় প্রকাশ - কবোষ্ণ।
‘কবোষ্ণ’ অর্থ: কুসুম কুসুম গরম।

অন্যদিকে,
• ‘উষ্ণক’ অর্থ: কর্মতৎপর, ক্ষিপ্রকারী।
• ‘উষ্ণত্ব’ অর্থ: তাপ, তাপমাত্রা, আন্তরিকতা।
• ‘উষ্ণা’ অর্থ: সেদ্ধ করা হয়েছে এমন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
‘দ্রুতগামী’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. উপমান কর্মধারয়
  2. উপপদ তৎপুরুষ
  3. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
  4. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
• উপপদ তৎপুরুষ:
কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়  তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।
যেমন:
- দ্রুত গমন করে যে = দ্রুতগামী;
- গায়ে পড়ে যে = গায়েপড়া;
- জাদু করে যে = জাদুকর;
- শিরো ধার্য যা = শিরোধার্য;
- বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
‘নশ্বর’ শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √নশ্ + বর
  2. √নশ্ + ওর
  3. √নশ্ + অর
  4. √নশ্ব + র
ব্যাখ্যা
কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে কতিপয় কৃৎ-প্রত্যয় হলো:
• বর-প্রত্যয়:
- √ঈশ্ + বর = ঈশ্বর;
- √নশ্ + বর = নশ্বর;
- √ভাস্ + বর = ভাস্বর।

• র-প্রত্যয়:
- √নম্ + র = নম্র;
- √ক্ষুদ্ + র = ক্ষুদ্র;
- √হিন্স্ + র = হিংস্র।

• ইষ্ণু-প্রত্যয়:
- √চল্ + ইষ্ণু = চলিষ্ণু।

এরূপ- ক্ষয়িষ্ণু, বর্ধিষ্ণু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
'যা লাফিয়ে চলে' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. পন্নগ
  2. প্লবগ
  3. প্লবন
  4. প্লবচর
ব্যাখ্যা
• 'যা লাফিয়ে চলে' এর এক কথায় প্রকাশ - প্লবগ। 

অন্য অপশনে,
- 'পা দিয়ে যে চলে না' এর এক কথায় প্রকাশ - পন্নগ।
- ‘প্লবন’ শব্দের অর্থ: ভাসন, সন্তরণ, লাফ দিয়ে গমন।
- ‘প্লবচর’ শব্দের অর্থ: হাঁস ডাহুক প্রভৃতি উভচর পাখি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২১.
‘মমতারস’ কোন সমাস?
  1. সমার্থক দ্বন্দ্ব
  2. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
  3. মধ্যপদলােপী কর্মধারয়
  4. দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলােপী কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ হয়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা-
- জ্যোৎস্না শোভিত যে রাত = জ্যোৎস্নারাত;
- চালে আশ্রিত কুমড়া = চালকুমড়া;
- মমতা মিশ্রিত রস = মমতারস;
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা;
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন;
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ।
২২.
‘রাত্রির শেষভাগ' এক কথায় কী বলে?
  1. তামসী
  2. পররাত্র
  3. সৌপ্তিক
  4. মহানিশা
ব্যাখ্যা
• ‘রাত্রির শেষভাগ' এর এক কথায় প্রকাশ - পররাত্র।  

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
- ‘রাত্রির প্রথম ভাগ’ এক কথায় বলে -পূর্বরাত্র।
- ‘রাত্রির মধ্যভাগ’ এক কথায় বলে - মহানিশা। 
- ‘রাত্রির তিনভাগ একত্রে' এক কথায় বলে - ত্রিযামা। 
- ‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ এক কথায় বলে - সৌপ্তিক।
- ‘ঘোর অন্ধকার রাত্রি’ এক কথায় বলে - তমিস্রা।
- ‘অন্ধকার রাত্রি’ এক কথায় বলে - তামসী।
- ‘কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি’ এক কথায় বলে - অমাবস্যা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
‘যা উচ্চারণ করা যায় না’ এক কথায় বলে -
  1. দুরাচরণীয়
  2. দুরুচ্চার্য
  3. অনুচ্চার্য
  4. অনির্বাচ্য
ব্যাখ্যা
• ‘যা উচ্চারণ করা যায় না’ এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ-
• ‘পালন করা কষ্টসাধ্য এমন’ এক কথায় বলে - দুরাচরণীয়।
• ‘বাক্যে প্রকাশ করা যায় না এমন’ এক কথায় বলে - অনির্বাচ্য।
• ‘যা প্রকাশ করা হয় নি’ এক কথায় বলে - অব্যক্ত। 
• ‘যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়’ এক কথায় বলে - অনির্বচনীয়। 
• ‘যা উচ্চারণ করা কঠিন’ এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।