পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বাংলাবিদ ব্যাকরণ: পরীক্ষা – ১০ টপিক: দ্বিরুক্ত শব্দ, সংখ্যাবাচক শব্দ, বচন, পুরুষ ও স্ত্রী-বাচক শব্দ, পদাশ্রিত নির্দেশক, উক্তি [লাইভ ক্লাস - ৩৪ ও ৩৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
’বচন’ এর অর্থ কী?
  1. ক্রমের ধারণা
  2. গণনা ধারণা
  3. সংখ্যার ধারণা
  4. পরিমাণের ধারণা
সঠিক উত্তর:
সংখ্যার ধারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যার ধারণা
ব্যাখ্যা
• বচন:
- 'বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারণা।
- ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন।
- বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার: একবচন ও বহুবচন।

একবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
- যেমন- সে এলো। মেয়েটি স্কুলে যায়নি।

বহুবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহু বচন বলে।
যেমন: তারা গেল। মেয়েরা এখনও আসেনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মেঘকুঞ্জ
  2. মেঘসমূহ
  3. মেঘগুচ্ছ
  4. মেঘমালা
সঠিক উত্তর:
মেঘমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘমালা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে
’মেঘমালা ’ অর্থ: মেঘরাশি, পুঞ্জীভূত মেঘ।
--------------------------------------------------
• অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ:

আবলি,
গুচ্ছ,
দাম,
নিকর,
পুঞ্জ,
মালা,
রাজি,
রাশি।
যেমন-গ্রন্থাগারে রক্ষিত পুস্তকাবলি, কুসুমদাম, কমলনিকর, মেঘমালা, পর্বতমালা, তারকারাজি, বালিরাশি, কুসুমনিচয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ।
.
অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ কোনটি?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    • অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ:
    আবলি,
    গুচ্ছ,
    দাম,
    নিকর,
    পুঞ্জ,
    মালা,
    রাজি,
    রাশি।

    • উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
    গণ;
    বৃন্দ;
    মণ্ডলী;
    বর্গ;

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    .
    নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ কোনটি?
    1. শিক্ষয়িত্রী
    2. কুলটা
    3. সভানেত্রী
    4. স্ত্রী
    সঠিক উত্তর:
    কুলটা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কুলটা
    ব্যাখ্যা
    • নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ:
    সতীন,
    অর্ধাঙ্গিনী,
    কুলটা,
    বিধবা,
    অসূর্যম্পশ্যা,
    অরক্ষণীয়া,
    সপত্নী, ইত্যাদি।

    অন্যদিকে,
    • কোনো কোনো পুরুষবাচক শব্দ থেকে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
    যেমন-
    নর-নারী,
    বন্ধু-বান্ধবী,
    দেবর-জা,
    শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রী,
    স্বামী - স্ত্রী,
    পতি-পত্নী,
    সভাপতি - সভানেত্রী, ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)
    .
    কোনটি ক্রমবাচক শব্দ?
    1. অর্ধ
    2. তৃতীয়
    3. তেসরা
    4. দুই
    সঠিক উত্তর:
    দুই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুই
    ব্যাখ্যা

    ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
    একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
    যেমন: এক, দুই, তিন ইত্যাদি।

    পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
    - পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। 
    - যেমন 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ' প্রথম', 'পহেলা', 'প্রথমা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।

    পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়, 
    সাধারণ পূরণবাচক: যেমন- তৃতীয়, একাদশ;
    তারিখ পূরণবাচক: যেমন- তেসরা;
    ভগ্নাংশ পূরণবাচক: যেমন- অর্ধ, আধ, সাড়ে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।

    .
    বিদেশি স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
    1. সম্রাজ্ঞী
    2. খানম
    3. রানি
    4. অরক্ষণীয়া
    সঠিক উত্তর:
    খানম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খানম
    ব্যাখ্যা
    • বিদেশি স্ত্রীবাচক শব্দ:
    খান - খানম,
    মরদ - জেনানা,
    মালেক - মালেকা,
    মুহতারিম - মুহতারিমা,
    সুলতান - সুলতানা।

    অন্যদিকে,
    • কোনো কোনো পুরুষবাচক শব্দ থেকে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
    যেমন-
    সম্রাট - সম্রাজ্ঞী,
    রাজা - রানি

    • নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ: অরক্ষণীয়া, ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)
    .
    ’পহেলা’ কোন ধরনের শব্দ?
    1. সংখ্যাবাচক
    2. তারিখবাচক
    3. গণনাবাচক
    4. পূরণবাচক
    সঠিক উত্তর:
    তারিখবাচক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তারিখবাচক
    ব্যাখ্যা
    • তারিখবাচক শব্দ:
    বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
    যেমন-
    - পহেলা বৈশাখ,
    - বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।

    - তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
    - বাকি শব্দ বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    .
    নিচের কোনটি যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত শব্দ?
    1. ছি ছি
    2. জারিজুরি
    3. ডেকে ডেকে
    4. কে কে
    সঠিক উত্তর:
    জারিজুরি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জারিজুরি
    ব্যাখ্যা
    • যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত শব্দের গঠন:
    - একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলে যুগ্মরীতি। যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।
    যেমন-
    •. শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন করে:
    - চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি

    • শব্দের অন্ত্যস্বরের পরিবর্তন করে:
    - মারামারি, হাতাহাতি, সরাসরি, জেদাজেদি।

    • দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনে:
    - ছটফট, নিশপিশ, ভাতটাত।

    অন্যদিকে,
    - অব্যয়ের দ্বিরুক্ত শব্দ = ছি ছি।
    - ক্রিয়া দ্বিরুক্ত শব্দ = ডেকে ডেকে।
    - সর্বনাম দ্বিরুক্ত শব্দ = কে কে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    .
    কোনটি নির্দেশক নয়?
    1. টা
    2. তম
    3. টি
    4. খানা
    সঠিক উত্তর:
    তম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তম
    ব্যাখ্যা
    ’তম’ -একটি প্রত্যয়বিশেষ শব্দ।
    অর্থ:
    -  সংখ্যার পূরক (সপ্ততিতম)। ।
    -------------------------------------------
    অন্যদিকে,
    • নির্দেশক: 
    - যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
    যেমন-
    টা, টি, খানা, -খানি, -জন, -টুকু।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
    ১০.
    ’তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ’ বাক্যে ’দিন দিন’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    1. সামান্য
    2. ধারাবাহিকতা
    3. আধিক্য
    4. আগ্রহ
    সঠিক উত্তর:
    ধারাবাহিকতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধারাবাহিকতা
    ব্যাখ্যা
    • পদের দ্বিরুক্তির প্রয়োগ:
    - বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণরূপে ব্যবহার
    • আধিক্য বোঝাতে:
    - রাশি রাশি ধন,
    - ধামা ধামা ধান।

    • সামান্য বোঝাতে:
    - আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি।

    • পরস্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে:
    - তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
    - তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।

    • ক্রিয়া বিশেষণ:
    - ধীরে ধীরে যায়,
    - ফিরে ফিরে চায়।

    • অনুরূপ কিছু বোঝাতে:
    - তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।

    •আগ্রহ বোঝাতে:
    - ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    ১১.
    মানুষের বেলায় কোন নির্দেশক ব্যবহার হয়?
    1. খানি
    2. জন
    3. খানা
    4. টুকু
    সঠিক উত্তর:
    জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জন
    ব্যাখ্যা
    • নির্দেশক: 
    - যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
    যেমন-
    টা, টি, খানা, -খানি, -জন, -টুকু।

    নিচে কয়েকটি নির্দেশকের প্রয়োগ দেখানো হলো।
    • -টা, -টি
    বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে-টা, -টি নির্দেশক বসে।
    এর দুটি রূপান্তর:-টো ও-টে।
    যেমন-
    বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা, কিছুটা, একটা, সারাটা, করাটা; দিনটি, মেয়েটি, একটি, কয়েকটি, আরেকটি; দুটো; তিনটে ইত্যাদি।

    • -খানা, -খানি
    বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে-খানা, খানি নির্দেশক বসে।
    যেমন
    -ব্যাপারখানা, ভাবখানা, একখানা, আধখানা, মুখখানি, অনেকখানি ইত্যাদি।
    যেসব ক্ষেত্রে-টা বাটি বসে, সেসব ক্ষেত্রেখানা বা-খানি বসতে পারে।
    যেমন, বাড়িটা বা বাড়িটি না বলে বাড়িখানা বা বাড়িখানিও বলা যায়।

    • -জন
    শুধু মানুষের বেলায়-জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়। যেমন-বিজ্ঞজন, লোকজন, অনেকজন, কয়জন, এতজন, পণ্ডিতজন।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
    ১২.
    ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ কোনটি?
    1. ভয়ে ভয়ে
    2. ঝি ঝি
    3. হাটে হাটে
    4. হাতে নাতে
    সঠিক উত্তর:
    ঝি ঝি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঝি ঝি
    ব্যাখ্যা
    • ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
    - কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
    - এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
    - ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্ত শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়।

    যেমন-
     অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার:
    - ঝিকিমিকি (ঔজ্জ্বল্য)।
    - এরূপ ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা),
    - কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি)।

    অনুরূপভাবে- মিন মিন, পিট পিট, ঝি ঝি ইত্যাদি।

    অন্যদিকে,
    •পদাত্মক দ্বিরুক্তি:
    - বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। এগুলো দুই রকমে গঠিত হয়।
    যেমন-
    • একই পদের অবিকৃত অবস্থায় দুইবার ব্যবহার।
    যথা
    - ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেলাম।
    - হাটে হাটে বিকিয়ে তোর ভরা আপণ। 1

    • যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরক্ত পদের ব্যবহার।
    যথা-
    হাতে নাতে, ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    ১৩.
    ’টা, টি, খানা’ ইত্যাদি কী?
    1. বিশেষ্য
    2. সর্বনাম
    3. পদাশ্রিত নির্দেশক
    4. নির্দেশক সর্বনাম
    সঠিক উত্তর:
    পদাশ্রিত নির্দেশক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পদাশ্রিত নির্দেশক
    ব্যাখ্যা
    পদাশ্রিত নির্দেশক:
    - কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
    বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The'-এর স্থানীয়।
    বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকেরও বিভিন্নতা প্রযুক্ত হয়।

    •  একবচনে, টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি নির্দেশক ব্যবহৃত হয়।
    যেমন-
    - টাকাটা, বাড়িটা, কাপড়খানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

    • বহুবচনে, গুলি, গুলা, গুলো, গুলিন প্রভৃতি নিদের্শক প্রত্যয় সংযুক্ত হয়।
    যেমন-
    - মানুষগুলি, লোকগুলো, আমগুলো, পটলগুলিন ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    ১৪.
    নিন্মে কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
    1. অন্যান্য বিষয়গুলো আলোচনা করো।
    2. ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত।
    3. অনেক ছাত্ররা পরীক্ষা দিচ্ছে।
    4. আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হবে।
    সঠিক উত্তর:
    আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হবে।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হবে।
    ব্যাখ্যা
    • শুদ্ধ বাক্য : আলোচনার মাধ্যমে সব  সমস্যার সমাধান হবে।
    -----------------------------------------------------------
    • অশুদ্ধ বাক্য:অন্যান্য বিষয়গুলো আলোচনা করো।
    • শুদ্ধ বাক্য : অন্য বিষয়গুলো আলোচনা করো।

    • অশুদ্ধ বাক্য: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত।
    • শুদ্ধ বাক্য : ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী উপস্থিত।

    • অশুদ্ধ বাক্য: অনেক ছাত্ররা পরীক্ষা দিচ্ছে।
    • শুদ্ধ বাক্য : অনেক ছাত্র পরীক্ষা দিচ্ছে।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
    ১৫.
    'ঘরে ঘরে লেখাপড়া হচ্ছে।'-এখানে ’ঘরে ঘরে’ কোন ধরনের শব্দ?
    1. শব্দের দ্বিরুক্তি
    2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত
    3. পদের দ্বিরুক্ত
    4. ছড়ার শব্দ
    সঠিক উত্তর:
    পদের দ্বিরুক্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পদের দ্বিরুক্ত
    ব্যাখ্যা
    • পদের দ্বিরুক্তি:
     বাক্যে একই পদ বার বার ব্যবহার করাকে বলা হয় পদের দ্বিরুক্তি। 
    - দুটি পদে একই বিভক্তি প্রয়োগ করা হয়, শব্দ দুটি ও বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে।
    যেমন-
    - ঘরে ঘরে লেখাপড়া হচ্ছে।
    - দেশে দেশে ধন্য ধন্য করতে লাগল।
    - মনে মনে আমিও এ কথাই ভেবেছি।

    • দ্বিতীয় পদের আংশিক ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে, কিন্তু পদ-বিভক্তি অবিকৃত থাকে।
    যেমন-
    - চোর হাতে নাতে ধরা পড়েছে।
    - আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
    ১৬.
    উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ-
    1. রাশি
    2. রাজি
    3. মণ্ডলী
    4. মালা,
    সঠিক উত্তর:
    মণ্ডলী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মণ্ডলী
    ব্যাখ্যা
    • উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
    গণ;
    বৃন্দ;
    মণ্ডলী; শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ইত্যাদি।

    • অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ:
    মালা,
    রাজি,
    রাশি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।