পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
বিষয়: বাংলা টপিক: সন্ধি, কারক-বিভক্তি, প্রবাদ প্রবচন, শব্দার্থ, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, বাগধারা। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
কোনটি অনুভূতিজাত কাল্পনিক দ্বিরুক্তি?
  1.  ঝমঝম 
  2. ঝিকিমিকি 
  3. ঘচাঘচ
  4. মড়মড়
ব্যাখ্যা

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্ত শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়।

যেমন:
• মানুষের ধ্বনির অনুকার: ভেউ ভেউ – মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি। এরূপ-ট্যা ট্যা, হি হি ইত্যাদি।
• জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ধ্বনি)। এরূপ-মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), কুহু কুহু (কোকিলের ডাক), কা কা (কাকের ডাক) ইত্যাদি।
• বস্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘচাঘচ (ধান কাটার শব্দ)। এরূপ- মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ), ঝমঝম (বৃষ্টি পড়ার শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ) ইত্যাদি।
অনুভূতিজাত কাল্পনিক: ঝিকিমিকি (ঔজ্জ্বল্য)। এরূপ- ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা), কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি)। অনুরূপভাবে- মিন মিন, পিট পিট, ঝি ঝি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
'চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটে।' - এখানে 'কাস্তে' কোন কারক?
  1. করণ
  2. কর্ম
  3. অধিকরণ
  4. কর্তা
ব্যাখ্যা

করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।

যেমন:
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটে।
- বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-২০১৯ সংস্করণ)।

.
'ধাম' শব্দের অর্থ কী?
  1. মূল্য
  2. কূল
  3. বাসগৃহ
  4. কপোল
ব্যাখ্যা

• 'ধাম' শব্দের অর্থ - বাসগৃহ, তীর্থ ক্ষেত্র, পাত্র, আধার।

অন্যদিকে,
'কপোল' শব্দের অর্থ - গাল, গণ্ড।
'কূল' শব্দের অর্থ - তীর, তট, সৈকত।
'মূল্য' শব্দের অর্থ - দাম, পারিশ্রমিক, বেতন, ভাড়া, মাশুল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. মার্তণ্ড
  2. বিজুরি
  3. শশধর
  4. প্রভাকর
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

অন্যদিকে,
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোনটি পদাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
  1. ভেউ ভেউ
  2. ভয়ে ভয়ে
  3. ট্যা ট্যা
  4. মিউ মিউ
ব্যাখ্যা

পদাত্মক দ্বিরুক্তি:
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। এগুলো দুই রকমে গঠিত হয়। একই পদের অবিকৃত অবস্থায় দুইবার ব্যবহার।

যথা
- ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেলাম।
- হাটে হাটে বিকিয়ে তোর ভরা আপণ।

অন্যদিকে,
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি - মিউ মিউ, ট্যা ট্যা, ভেউ ভেউ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।

.
'নিষ্প্রভ' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নিসঃ + প্রভ
  2. নির + প্রভ
  3. নিষঃ + প্রভ
  4. নিঃ + প্রভ
ব্যাখ্যা

বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
- বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনি বা উ-ধ্বনির পর ক/খ/প/ফ থাকলে সন্ধির ফলে বিসর্গ (ঃ) স্থানে ষ্‌ হয়। এবং বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনির পর ক/খ/প/ফ থাকলে সন্ধির ফলে বিসর্গ (ঃ) স্থানে স-ধ্বনি হয়। স পরবর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।

যেমন:
- নিঃ + পত্তি = নিষ্পত্তি,
- নিঃ + পন্ন = নিষ্পন্ন,
- নিঃ + প্রভ = নিষ্প্রভ,
- চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ, 
- ভ্রাতুঃ + পুত্র = ভ্রাতুষ্পুত্র,
- তিরঃ + কার = তিরস্কার ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'রুষ্ট' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. রাগান্বিত
  2. ক্রুদ্ধ
  3. তুষ্ট
  4. উদাসীনতা
ব্যাখ্যা

• 'রুষ্ট' এর বিপরীতার্থক শব্দ - তুষ্ট

উল্লেখ্য,
'রুষ্ট' শব্দের অর্থ - রাগান্বিত, ক্রুদ্ধ।
'তুষ্ট' শব্দের অর্থ - তৃপ্ত, সন্তুষ্ট, আনন্দিত, খুশি।

অন্যদিকে,
প্রবনতা - উদাসীনতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'শুক্রবার থেকে পরীক্ষা শুরু।' - এখানে 'শুক্রবার' কোন কারক?
  1. কর্ম
  2. অধিকরণ
  3. করণ
  4. অপাদান
ব্যাখ্যা

অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।

যেমন:
- বিচ্যুত: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
- গৃহীত: সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে।
- জাত: জমি থেকে ফসল পাই।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
- দূরীভূত: দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
- রক্ষিত: বিপদ থেকে বাঁচাও।
- আরম্ভ: শুক্রবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
- ভীত: বাঘকে ভয় পায় না কে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'মধুবন' শব্দের অর্থ কী?
  1. কলা
  2. কোকিল
  3. বৃক্ষ
  4. কাক
ব্যাখ্যা

'মধুবন' শব্দের অর্থ - বৃন্দাবনের অরণ্যবিশেষ, কোকিল

অন্যদিকে,
'কাক' শব্দের অর্থ - বায়স, পরভৃৎ।
'বৃক্ষ' শব্দের অর্থ - গাছ, পাদপ, তরু।
'কলা' শব্দের অর্থ - কদলী, রম্ভা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
'অন্বীক্ষা' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অণু + ঈক্ষা
  2. অনু + ঈক্ষা
  3. অনু + ইক্ষা
  4. অণু + ইক্ষা
ব্যাখ্যা

স্বরসন্ধির নিয়ম:
- উ-ধ্বনি বা ঊ-ধ্বনির পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ অথবা ঊ-ধ্বনির জায়গায় ব-ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- মনু + অন্তর = মন্বন্তর,
- সু + আগত = স্বাগত,
- পশু + আচার = পশ্বাচার,
- অনু + ঈক্ষা = অন্বীক্ষা,
- তনু + ঈ = তন্বী,
- গুরু + ঈ = গুবী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'জবরজং' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. সামান্য ব্যক্তি
  2. বড়ো বড়ো কথা বলা
  3. গুরুভার
  4. জমকালো কিন্তু বেমানান
ব্যাখ্যা

'জবরজং' বাগ্‌ধারার অর্থ - জমকালো কিন্তু বেমানান

অন্যদিকে,
জগদ্দল পাথর - গুরুভার।
ছক্কাপাঞ্জা করা - বড়ো বড়ো কথা বলা। 
চুনোপুটি - সামান্য ব্যক্তি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২.
অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ কোনটি?
  1. মোটাসোটা
  2. শোঁ শোঁ
  3. খক খক
  4. জ্বর জ্বর
ব্যাখ্যা

অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। তাতে শব্দের খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।

যেমন:
- ঝাল-টাল,
- মোটাসোটা,
- নরম-সরম,
- ব্যাপার-স্যাপার,
- বুঝে-সুঝে ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব - জ্বর জ্বর। 
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব - শোঁ শোঁ, খক খক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৩.
'ত্বরা' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. নিম্নস্থ
  2. নিস্তেজ
  3. লঘু
  4. বিলম্ব
ব্যাখ্যা

‘ত্বরা’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিলম্ব

অন্যদিকে,
তেজ - নিস্তেজ।
পদস্থ - নিম্নস্থ।
তীব্র - লঘু।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৪.
‘সংহত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. অসংযত
  2. প্রসারণ
  3. বিভক্ত
  4. ম্লান
ব্যাখ্যা

• ‘সংহত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিভক্ত

অন্যদিকে,
ডাগর - ম্লান।
আকুঞ্চন - প্রসারণ।
সংযত - অসংযত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
কোন কারকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে?
  1. কর্তা
  2. করণ
  3. কর্ম
  4. অধিকরণ
ব্যাখ্যা

কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে '-কে' বিভক্তি হয়।

যেমন:
→ সে রোজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
শিক্ষককে জানাও।

• কাব্যভাষায় কর্ম কারকে 'রে' বিভক্তি হয়।
যেমন:
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৬.
'ধামাধরা' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. অলীক কল্পনা
  2. অপচয়
  3. তোষামুদে
  4. বেহায়া
ব্যাখ্যা

'ধামাধরা' বাগ্‌ধারার অর্থ - তোষামুদে।

অন্যদিকে,
দুকান কাটা - বেহায়া / নির্লজ্জ।
নয়-ছয় - অপচয়/বিশৃঙ্খল অবস্থা।
দিবাস্বপ্ন - অলীক কল্পনা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
'রাজা' শব্দের অর্থ -
  1. রাজ্ঞী
  2. ভূপাল
  3. গোপাল
  4. কেশব
ব্যাখ্যা

• 'রাজা' শব্দের অর্থ - নরপতি, ভূপতি, ভূপাল

অন্যদিকে,
'রানি' শব্দের অর্থ - বেগম, রাজ্ঞী, রাজপত্নী।
'গোপাল' শব্দের অর্থ - গোরক্ষক, রাখাল; গোয়ালা।
'কেশব' শব্দের অর্থ - বিষ্ণু, কৃষ্ণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
'সংহার' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. সং + হার
  2. সঙ + হার
  3. সম্‌ + হার
  4. সৎ + হার
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- ম্‌- এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি যথা: য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্‌- স্থলে অনুস্বার (ং) হয়।

যেমন:
- সম্‌ + লাপ = সংলাপ,
- সম্‌ + শয় = সংশয়,
- সম্‌ + হার = সংহার,
- স্বয়ম্‌ + বরা = স্বয়ংবরা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
'থই পাওয়া' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. সত্যবাদিতার ভান করা
  2. অন্তরঙ্গতা
  3. অবস্থা নাগালে আসা
  4. প্রধান সহযোগী
ব্যাখ্যা

• 'থই পাওয়া' বাগ্‌ধারার অর্থ - পথ পাওয়া/ অবস্থা নাগালে আসা

অন্যদিকে,
দহরম মহরম - অন্তরঙ্গতা।
দক্ষিণ হস্ত - প্রধান সহযোগী।
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির - সত্যবাদিতার ভান করা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
'ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে।' - এখানে 'দাদা দাদা' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. আগ্রহ 
  2. ধারাবাহিকতা
  3. সামান্য 
  4. আধিক্য
ব্যাখ্যা

পদের দ্বিরুক্তির প্রয়োগ:

যেমন:
বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার: 
- আধিক্য বোঝাতে- রাশি রাশি ধান, ধামা ধামা ধান।
- সামান্য বোঝাতে- আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
- ধারাবাহিকতা- তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ, তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।
- আগ্রহ বোঝাতে- ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
'পাথার' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. পৃথিবী
  2. পাহাড়
  3. মেঘ
  4. সমুদ্র
ব্যাখ্যা

'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
'পাহাড়' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- পর্বত, ভূধর, অচল, অদ্রি ইত্যাদি।
 
'পৃথিবী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জগৎ, ভুবন, সংসার, বিশ্ব, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুমতী, বসুন্ধরা, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভূ, ভূমণ্ডল, মর্ত্য, বসুধা, অবনী, মহী, মেদিনী, ক্ষিতি।

'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
'আকাশে চাঁদ উঠেছে।' - বাক্যে 'আকাশ' কোন কারক?
  1. অধিকরণ
  2. অপাদান
  3. করণ
  4. কর্তা
ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বোঝায়। অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনো বিষয় বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়।

​যেমন:
​- পুকুরে মাছ আছে। 
- বনে বাঘ আছে।
- আকাশে চাঁদ উঠেছে

​এরূপ- 'আকাশে চাঁদ উঠেছে।'- বাক্যকে কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'আকাশে'। সুতরাং 'আকাশে' অধিকরণ কারক।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।