পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: আইন বিষয়াবলী - ৬ Subject: The Specific Relief Act, 1877 Topic: Section 31-57 (Rectification of Instruments, Rescission of Contracts, Cancellation of Instruments, Declaratory Decrees, Appointment of Receivers, Injunctions, Perpetual Injunctions).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. ২৪ ধারার
  2. ৪১ ধারার
  3. ৪২ ধারার
  4. ৪৪ ধারার
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি। ঘোষণামূলক মোকদ্দমার মাধ্যমে আদালত একটি ব্যক্তি বা পক্ষের আইনগত পরিচয় বা অধিকার সম্পর্কে পরিষ্কার ঘোষণা দেয়, যা তাদের আইনগত অবস্থানকে সুস্পষ্ট করে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অধীন ২টি বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে-
১. বাদীর আইনগত পরিচয়ের জন্য; অথবা
২. সম্পত্তিতে বাদীর কোন অধিকার বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে।
.
Who must be restored to their original position for a contract to be rescinded due to mistake under Section 36?
  1. Both parties involved
  2. The party who made the mistake
  3. The court deciding the case
  4. The party against whom rescission is adjudged
ব্যাখ্যা
Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
.
কে দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. যে কোনো ব্যক্তি
  2. কেবল আদালত
  3. শুধু দলিল প্রণয়নকারী পক্ষ
  4. দলিল প্রণয়নকারী পক্ষ বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
.
'C', 'D' সম্পর্কে একটি বিবৃতি প্রকাশের হুমকি দিয়েছে, যা দণ্ডবিধি এর অধ্যায় XXI অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। প্রকাশনাটি প্রতিরোধ করার জন্য আদালত -
  1. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর হলে শুধু নিষেধাজ্ঞা দিবে
  2. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলে, নিষেধাজ্ঞা দিবে না
  3. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলেও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা/ Mandatory Injunction-
কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যেই কাজ করতে বাধ্য, তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে, আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

উদহারণ:
'এ' 'বি' সম্পর্কে একটি বিবৃতি প্রকাশের হুমকি দিয়েছে, যা দণ্ডবিধি এর অধ্যায় XXI অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে। আদালত প্রকাশনাটি প্রতিরোধ করার জন্য একটি নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যদিও এটি প্রমাণিত হতে পারে যে এটি 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর নয়।

[A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the Penal Code. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property.]
.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে 'গ' কী সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. উইল সংশোধনের
  2. জাল দলিল বাতিলের
  3. দলিল সংশোধনের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী,
আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
.
Under Section 43, a declaration made is binding on which of the following parties?
  1. Only the plaintiff
  2. Any interested third party
  3. The general public
  4. The parties to the suit and their claimants
ব্যাখ্যা
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
.
'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারী করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ'-এর কাছে বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে 'খ' বা তার যে কোন সন্তান কী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ঘোষণামূলক মােকদ্দমা রুজু করতে পারে
  2. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. প্রতারণা সংশ্লিষ্ট মােকদ্দমা রুজু করতে পারে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- যখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের আওতাধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক অথবা অনুমিত হোক, ভঙ্গ করাকে নিরোধের জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে। যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন-
ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লংঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদন্ড নেই;
গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লংঘন এমন ধরণের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লংঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নেবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়ােজনীয়।

ব্যাখ্যা- অত্র ধারার লক্ষ্য অনুসারে ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে গণ্য হবে।

উদহারণ:
ছ) ক, খ ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারী করে। ক তারপর উক্ত সম্পত্তি গ-এর কাছে বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য খ বা তার যে কোন সন্তান মােকদ্দমা রুজু করতে পারে।
.
আদালত লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় কোন বিষয়ে অনুসন্ধান করবে?
  1. দলিলটির উদ্দেশ্য
  2. দলিলের ভাষা
  3. দলিলের আইনগত পরিণতি
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৩: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
.
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  2. 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  3. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবী করতে পারে
  4. 'খ' চুক্তি রদ করার অধিকারী নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫- যখন বিচারপূর্বক রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদের লক্ষ্যে মােকদ্দমা রুজু করতে পারে এবং আদালত নিম্নে বর্ণিত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন-
ক) যেক্ষেত্রে চুক্তি বাতিলযােগ্য বা বাদীর মাধ্যমে সমাপনীয়;
খ) যেক্ষেত্রে আপাততঃ দৃশ্যমান নয় এমন কোন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর তুলনায় প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
গ) যেক্ষেত্রে একটি বিক্রয় চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশােধে অক্ষম হয়েছে, যা আদালত তাকে পরিশােধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন, সেখানে আদালত তাকে, তেমন দখলকারী হিসেবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মােকদ্দমায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমােতাবেক কাজ করা হয় নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মােকদ্দমার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা অনুসারে রদ করে দিতে পারেন।

উপধারা-ক এর-
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে খ-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন এটর্নি ক তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা খ-কে খ-এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তরে প্ররােচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং খ হস্তান্তরের দলিল রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
১০.
What does Section 41 allow the Court to do?
  1. Rewrite the cancelled instrument
  2. Automatically restore the cancelled instrument
  3. Close the case without further action
  4. Require the party to pay compensation to the other party
ব্যাখ্যা
Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধানমতে, আদালত কয় ভাবে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৪ ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
১২.
সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৪ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
১৩.
মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে, আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করবে
  4. নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
১৪.
বাদী আদালতে দাবি করে যে, বিবাদী তার বৈধ সন্তান নয় এবং বাদীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করা যাবে না। আদালত বিবাদীকে বাদীর বৈধ সন্তান হিসেবে ঘোষণা করে। আদালত কর্তৃক এই ডিক্রি কীভাবে জারি করা যাবে?
  1. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. বাদীকে কারাদণ্ড দিয়ে
  3. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে
  4. জারি করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি।

যে যে ক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করা যায়:
- দত্তক বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার মোকদ্দমা;
- সম্পত্তি গ্রহণের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- মৃত পিতার সম্পত্তিতে বৈধ উত্তরাধিকারী হিসাবে সম্পত্তি দখলের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- বৈধতা সংক্রান্ত ঘোষণার মামলা রক্ষণীয়। যেমন বাদী বিবাদীর বৈধ সন্তান বা বাদী বিবাদীর পিতা না এবং এই কারণে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য না বা কোন পদের অধিকারী মর্মে ঘোষণা যেমন কলেজের অধ্যক্ষের পদ।
- বিবাহ সংক্রান্ত ঘোষণা; যেমন বাদী বিবাদীকে বিবাহ করেনি বা মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে ঘোষণা।

ঘোষণামূলক ডিক্রি জারি:
ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার কোনো প্রয়োজন নেই বা ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য কোন জারি মামলা দায়ের করার প্রয়োজন নেই। এমনকি ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য আদালতে অবমাননার কোন মোকদ্দমা করার প্রয়োজন হয় না।
১৫.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, বাদী কোন ধরনের বিকল্প আর্জি জানাতে পারেন?
  1. চুক্তি রদের
  2. চুক্তি সম্পাদনের
  3. চুক্তির শর্ত পরিবর্তনের
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মােকদ্দমার বিকল্প হিসেবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মােকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসেবে আবেদনে অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হােক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হােক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং তদমােতাবেক ত্যাগের নির্দেশ দিতে করতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
১৬.
'ক', এক মামলায় 'খ' কে নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। আদালত 'খ' কে, 'ক' এর স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে 'গ' নামক এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, 'খ' তার স্ত্রী এবং তিনি 'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কে ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা করে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মামলার রায়-
  1. স্থগিত থাকবে
  2. বাতিল হবে
  3. 'গ' এর উপর কার্যকর হবে
  4. 'গ' এর উপর কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।

এক্ষেত্রে,
'ক' ও 'খ' এর মধ্যকার মামলার রায় 'গ' এর উপর বাধ্যকর নয়। কারণ 'গ' সেই মামলার পক্ষ ছিলেন না। সুতরাং তার দাবি আদালতে নতুন করে বিচার করা হবে এবং পূর্বের রায় তার উপর প্রযোজ্য হবে না।
১৭.
চুক্তি রদের ক্ষেত্রে আদালত কোন পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. তৃতীয় পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চায়
  3. যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
  4. কোনো পক্ষকে নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১৮.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. মামলা দীর্ঘস্থায়ী হলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে বিবাদমান বিষয় না পাওয়া গেলে
  3. বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে
  4. মামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

• বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা/ Mandatory Injunction-
কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সে জন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।
১৯.
তত্ত্বাবধায়কের অধিকার ও ক্ষমতা কিভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. আদালতের মৌখিক নির্দেশ দ্বারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
  3. তত্ত্বাবধায়কের নিজের ইচ্ছা দ্বারা
  4. পক্ষগুলোর চুক্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
২০.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এক্ষেত্রে-
  1. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী
  2. অন্যত্র গান গাওয়া হতে A কে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
 
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustration: A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।
⇒ দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
২২.
'A', 'B' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'B' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'A' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'A', 'B' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'A' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'A' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'B'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, একটি দলিলের কোনো অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. দলিলের কোনো অংশ বাতিল হবে না
  3. শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
  4. সম্পূর্ণ দলিল বলবৎ থাকবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
২৪.
বাদী 'A' একটি জমির উপর তার মালিকানা দাবি করে, কিন্তু সেই জমি বর্তমানে বিবাদী 'B'-এর দখলে রয়েছে। যদি 'A' আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত -
  1. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে
  2. A এর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
  4. B-এর পক্ষে মালিকানা ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
আনুষঙ্গিক প্রতিকার:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্ত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না। এইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করবে না কিন্তু দাবীকৃত ঘোষণাও মঞ্জুর করবে না। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, সেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা না করলে, আদালাত কোনভাবেই ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। 

এক্ষেত্রে, A আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত A-র মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। কারণ, B-র দখলে থাকা জমির উপর A-কে অবশ্যই দখল দাবি করতে হবে।

আদালত কোন ঘোষণা মঞ্জুর করবে না, তার কারণ হলো মোকদ্দমার বহুত্ব নিবারণ করার জন্য। যেমন- যেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে দখল দাবী করা উচিত ছিল কিন্তু তা দাবী না করে শুধুমাত্র ঘোষণার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, যদি আদালত ঘোষণাটি মঞ্জুর করে, তাহলে পুনরায় দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অথচ দখল এবং ঘোষণা দুইটি বিষয় কিন্তু একই মোকদ্দমায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব ছিল। তাই আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে না।
২৫.
Under Section 32, if the Court is not satisfied with the intent of the parties, what can happen?
  1. The contract is automatically void
  2. The contract cannot be rectified
  3. The contract can still be enforced
  4. The contract must be renegotiated
ব্যাখ্যা
Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
২৬.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  2. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায়
  3. মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে
  4. শুনানি শেষে মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২৭.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের সময় গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১ম তফসিলের _________ প্রযোজ্য হবে।
  1. ১০ অনুচ্ছেদ
  2. ১১০ অনুচ্ছেদ
  3. ১২০ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
২৮.
How is preventive relief granted?
  1. By the choice of the plaintiff
  2. By the discretion of the Court
  3. By the discretion of the defendant
  4. By mutual agreement of both parties
ব্যাখ্যা
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় কোন কোন ব্যক্তি দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. দলিলের পক্ষগণ
  2. যে কেউ যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. যে ব্যক্তি দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে
  4. উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ শুধুমাত্র দলিলের পক্ষরাই যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। ৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
১. দলিলের পক্ষ;
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য; বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

অর্থাৎ, দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে দলিলের পক্ষ হতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তবে সেই ব্যক্তি মামলার জন্য যোগ্য।