পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বাংলাদেশের সংবিধান: ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিল। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বাংলাদেশের সংবিধান।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
‘খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি’ কতটি বৈঠকের মাধ্যমে প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে?
  1. ক) ৭০
  2. খ) ৭৪
  3. গ) ৭৮
  4. ঘ) ৮০
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রীর আদেশক্রমে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়।
- গণপরিষদ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে (১১ এপ্রিল) আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি (Draft Constitution Committee) গঠিত হয়।
- ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধানটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন ড. কামাল হোসেন এবং তা পর্যালোচনা শেষে ৪ নভেম্বর গণপরিষদে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

.
রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিসমূহ বাংলাদেশের কত নং অনুচ্ছেদে অলোচিত হয়?
  1. ক) ৭-২৫
  2. খ) ৮-২৫
  3. গ) ৭-২২
  4. ঘ) ৮-২২
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ অনুসারে)

৮. মূলনীতিসমূহ
৯. জাতীয়তাবাদ
১০. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩. মালিকানার নীতি
১৪. কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক. পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯. সুযোগের সমতা
২০. অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১. নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২. নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩. জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪. জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি
২৫. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন

উৎসঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বিদেশী নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ১৭
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ পর্যিন্ত মৌলিক অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

- সংবিধানে মোট ১৮ টি মৌলিক অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এদেশের নাগরিকদের জন্য সবকটি (১৮টি) মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য এবং বিদেশীদের জন্য প্রযোজ্য ৬ টি মৌলিক অধিকার। 

- যে ৬ টি মৌলিক অধিকার উভয়ই ভোগ করতে পারে। সেগুলো হলোঃ

- জীবন ও ব্যাক্তি স্বাধীনতার অধিকার (৩২ নং অনুচ্ছেদ)

- ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

- জবরদস্তি শ্রমের কাজ থাকবে নিষিদ্ধ (৩৪ নং অনুচ্ছেদ)

- অপরাধ সংগঠন কালে আইনের লংঘন ও বিচার, নিজের কাজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, প্রকাশ্য বিচার লাভ করার অধিকার।

- ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র
.
কত সালে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৭
  3. গ) ১৯৭৮
  4. ঘ) ১৯৭৯
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান এক আদেশ বলে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করেন যা পরবর্তিতে পঞ্চম সংশোধনীতে স্থান লাভ করে । 

- নতুন সংযোজিত এই নিয়ম অনুসারে সংবিধানের প্রস্তাবনা, রাষ্ট্রীয় মুলনীতি ৯ অনুচ্ছেদ ৮ রাষ্ট্রপ্রতি নির্বাচন ও তার ক্ষমতা মর্যাদা (অনুচ্ছেদ ৪৮) ) প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীসভার সদস্যের নিয়োগদান ৯ অনুচ্ছেদ-৫৬) সংক্রান্তকোন সংশোধনী বিল নিয়মানুযায়ী গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপনের সাতদিনের মধ্যে তিনি বিলটিত সম্মতি দান করবেন না এ প্রশ্নটির সমাধানের জন্য বিলটি গণভোটে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন দেশের পার্লামেন্টকে ‘Mother of Parliaments’ বলা হয়?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার গোরাপত্তন ঘটেছে ব্রিটেনে।
- এই জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কে ‘Mother of Parliaments’ বলা হয়ে থাকে ।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ঐতিহ্য অনুসরন করে ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। 
- ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়। 
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলীর আলোকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী নির্ধারন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বছরে কমপক্ষে কতবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন হওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের অধিবেশন সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখিত অনুচ্ছেদ মতে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া ব্যাতীত বছরে কমপক্ষে দুবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন বাধ্যতামূলক।

৭২ নং অনুচ্ছেদ টি নিম্নরূপ 
সংসদের অধিবেশন
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
[তবে শর্ত থাকে[১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে]যে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:

তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।]

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহ্বান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান.

.
জাতীয় সংসদের অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হন কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) বিচারপতি
ব্যাখ্যা

- সংসদের প্রধান নির্বাহী হিসেবে স্পিকারের মর্যাদা অনেক উপরে।
- সকল দেশের সংসদেই স্পিকার কে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়।
- সংসদের অভিভাবক হিসেবে তিনি সরকারী এবং বিরোধী উভয় দলের নিকট শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদের কাজ পরিচালনা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য ক্ষমতা প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্পিকার আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নন।
- স্পিকারকে দেয় পারিশ্রমিক সংযুক্ত তহবিলে দায়মুক্ত বলে গণ্য।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ।
.
জাতীয় সংসদের সুপারিশ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ন্যায়পাল গঠনের দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) বিচারপতি
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

ন্যায়পাল শব্দের অর্থ প্রতিনিধি বা মুখপত্র।
- ইংরেজী 'Ombudsman' থেকে ন্যায়পালের শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনু্যায়ী ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে জাতীয় সংসদ ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করে।
- সংবিধান অনুযায়ী ৩ বছরের জন্য ন্যায়পাল নিযুক্ত হবেন।
- জাতীয় সংসদের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ন্যায়পাল নিয়োগ করবেন।
- ন্যায়পাল কে বলা হয় 'তলোয়ারহীন যোদ্ধা'।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭৩ সালের ৮ জুন
  3. গ) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের ১০ জুন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল। 
- কর্মকমিশন গঠন সম্পর্কে ১৩৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

অনুচ্ছেদ - ১৪০: কমিশনের দায়িত্ব
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশ দান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫৭
  2. খ) ১৪৭
  3. গ) ১৩৭
  4. ঘ) ১২৭
ব্যাখ্যা

 -মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষায় সর্বদা নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কত ১২৭ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের হিসাব পরিচালনার জন্য একজন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান রাখা হয়েছে।
- এর মেয়াদকাল ৫ বছর।
- সংবিধান অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা

অনুচ্ছেদ - ১২৭: মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
(১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর ''মহা হিসাব-নিরীক্ষক'' নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
(২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

১১.
জাতীয় সংসদের কতটি সংশোধনী জাতীয় সংসদের ক্ষমতা, অবস্থান তথা রাষ্ট্র ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের ৩ টি সংশোধনী জাতীয় সংসদের ক্ষমতা, অবস্থান তথা রাষ্ট্র ব্যাবস্থার সঙ্গে সরাসরী সংযুক্ত।
সেগুলো হচ্ছে-

- ৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫ সালে)
- ৫ম সংশোধনী (১৯৭৯ সালে)
- ১২তম সংশোধনী (১৯৯১ সালে)

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।