১.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য কী হিসাবে বর্ণিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে "গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা" করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই সমাজব্যবস্থায় আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।
সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;"
অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে "শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা" রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।
অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা: সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ধর্মীয় শাসনের ধারণার বিপরীত।
খ) সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম: সংবিধানে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী।
ঘ) জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা: সংবিধানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্বীকৃতি থাকলেও রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;"
অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে "শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা" রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।
অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা: সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ধর্মীয় শাসনের ধারণার বিপরীত।
খ) সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম: সংবিধানে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী।
ঘ) জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা: সংবিধানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্বীকৃতি থাকলেও রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।