উত্তর
ব্যাখ্যা
শবরপা'র জীবনকাল ৬৮০ থেকে ৭৬০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।
সেই সূত্রে শবরপা চর্যার কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। (মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে)
- তিনি চর্যাপদের ২৮ ও ৫০-তম পদ রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৬ প্রশ্ন
শবরপা'র জীবনকাল ৬৮০ থেকে ৭৬০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।
সেই সূত্রে শবরপা চর্যার কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। (মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে)
- তিনি চর্যাপদের ২৮ ও ৫০-তম পদ রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
একটি সম্পূর্ণ মঙ্গলকাব্যে সাধারণত ৫টি অংশ বিদ্যমান
- বন্দনা
- আত্মপরিচয়
- দেবখন্ড
- মর্ত্যখন্ড
- শ্রুতিফল
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
শাহ মুহম্মদ সগীরের হাতে রচিত হয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’।
- এই কাব্য রচনার কারণে শাহ মুহম্মদ সগীরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাইবেল ও কোর’আনে ইউসুফ জুলেখার কাহিনী বর্ণিত আছে।
এই কাব্যের অংশঃ
"ব্যাধি এ পীড়িত মোর বিকল শরীর।
ঔষধ দর্শনে প্রাণ শান্ত নহে স্থির॥
এহেন নির্জন পুরী বিরল সম্ভোগ।
পরিহরি লজ্জা ভীতি কর উপভোগ॥
না জানি কেমন আছে নিষেধ কারণ।
বুঝিলু তোমার ইচ্ছা আমার মরণ॥"
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
"আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমারি আঙিনা দিয়া" - এটি দ্বিজ চন্ডীদাসের রচনা।
মধ্যযুগে বাংলা কাব্যে অন্তত চারজন চন্ডীদাসের কবিতা পাওয়া যায়।
তারা হলেনঃ
- বড়ু চন্ডীদাস
- দ্বিজ চন্ডীদাস
- দীন চন্ডীদাস
- চন্ডীদাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হল 'শেষলেখা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৪১ সালে।
'দুখের আধাঁর রাত্রি বারেবারে' কিংবা 'তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকর্ণ করি' কবিতাগুলি "শেষলেখা" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলার মফস্বল থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র মাসিক ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’।
১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে তৎকালীন নদীয়া বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি থেকে কুমারখালি বাংলা পাঠশালা'র প্রধান শিক্ষক হরিনাথ মজুমদারের (কাঙাল হরিনাথ) সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্প -
- খোঁয়ারি,
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- দুধেভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম
তাঁর রচিত উপন্যাস -
- চিলেকোঠার সেপাই ও
- খোয়াবনামা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পুঁই ডালিমের কাব্য - শামসুদ্দিন আবুল কালাম রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
তার অন্যান্য গল্পগ্রন্থ -
- অনেক দিনের আশা,
- ঢেউ,
- পথ জানা নেই,
- দুই হৃদয়ের তীর,
- শাহের বানু ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
২৯ আগস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পার্শ্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে।।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
কবি জসিমউদ্দীনের জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে এবং জীবনাবসান হয় ১৪ই মার্চ ১৯৭৬ সালে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর
বাংলা সাহিত্যে বাংলা কবিতা সত্যিকার অর্থে আধুনিকতার চূড়ান্ত মুখী হয় শহীদ কাদরী রচিত 'উত্তরাধিকার' কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।
গত শতাব্দীর সত্তর দশকের অনেক প্রতিষ্ঠিত কবি নির্মলেন্দু গুণের প্রভাবেই কবি হয়েছেন৷
তাই তাকে বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ - ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, মিঠেকড়া, অভিযান, হরতাল, গীতিগুচ্ছ ইত্যাদি।
তাঁর বিখ্যাত কিছু উক্তি -
- 'হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে।',
- 'অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি।',
- 'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।',
- 'সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।',
- 'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার অঙ্গীকার।'
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।
'জাহান্নম হইতে বিদায়' উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
এটি লিখেছেন শওকত ওসমান।
১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতা বসে লেখা মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এক অনবদ্য সৃষ্টি উপন্যাসটি।
দেশ পত্রিকার সম্পাদক শারদীয় সংখ্যায় প্রকাশের জন্য তাড়া দিয়ে উপন্যাসটি লেখান।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও কালিকলম পত্রিকা
প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে প্রজ্বলন।
- নিরব শব্দের শুদ্ধ বানান - নীরব।
- নূন্যতম শব্দের শুদ্ধ বানান - ন্যূনতম।
- প্রাতঃরাশ শব্দের শুদ্ধ বানান - প্রাতরাশ।
উৎসঃ;ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।
যেমন- দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
কঞ্জ শব্দের সমার্থক শব্দ - পদ্ম, কমল, শতদল, উৎপল, নলিনী, পঙ্কজ, সরোজ, কুমুদ, পুষ্কর, কুবল, কুবেল, অন্তোজ, কুবলয়, রাত্রিহাস, নীরজ, ইন্দিরালয়, কুশেশয় ইত্যাদি।
রাত্রি - নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ক্ষণদা
‘হাতি’ এর সমার্থক শব্দ- কুঞ্জর, করী, গজ, মাতঙ্গ, হস্তী।
সদন - আলয়, ভবন, নিলয়, নিকেতন, আগার, বাড়ি, আবাস, বাটি, বাটিকা, গেহ, নিকেত।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এমন ক্ষেত্রে ন হয়।
যেমন - ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
শুভ্র (বিশেষণ)
অর্থ - সাদা; শ্বেত; শুক্ল; ধবল; নির্মল।
বিপরীতার্থক শব্দ - অন্ত্যজ।
অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দঃ
শিথিল - সুদৃঢ়।
লেশ - যথেষ্ট।
কালো - ফরসা।
ঘাতক - পালক।
ঐহিক - পা্রত্রিক।
গণ্য - নগণ্যস
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি ডিকশনারী।
ধ্যানে যিনি মগ্ন = ধ্যানস্থ।
ধ্যান করেন যিনি = ধ্যানী।
ধী আছে যার = ধীমান।
ধনের দেবতা = কুবের।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না = অনপনেয়।
যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর = দূরপনেয়।
যা পূর্বে দেখা যায় নি = অদৃষ্টপূর।
যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব।
যা পূর্বে কখনো হয় নি = অভূতপূর্ব।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমনঃ
- দশ আনন যার = দশানন,
- চার পা বিশিষ্ট প্রাণী = চতুষ্পদ,
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ ইত্যাদি।
- সমান তীর্থ যাদের = সতীর্থ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
ঘঞ্-প্রত্যয় (কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে:
√বস্ + ঘঞ্ = বাস
√যুজ্ + ঘঞ্ = যোগ
√ক্রুধ্ + ঘঞ্ = ক্রোধ
√খুদ্ + ঘঞ্ = খেদ ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে। এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশী
বাংলা উপসর্গঃঅ, অঘা, অজ, অনা, আ, কদ, কু, নি, সু, সা, হা, ভর, রাম, পাতি এ রূপ একুশটি (২১) টি উপসর্গ রয়েছে।
বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে।
অনা
অর্থদ্যোতকতা - ব্যতীত।
উদাহরণ - অনাছিষ্টি, অনাচার ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রত্যেকটি ভাষার শব্দ ভান্ডারে ঐতিহ্যসূত্রে বা উত্তরাধিকারসূত্রে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিতভাবে কিছু প্রাচীন শব্দ থেকেই যায়।
এর সঙ্গে থাকে প্রাচীন বা চলমান সময়ের ধার করা শব্দ। পাশাপাশি ধর্মপ্রচার, রাজ্যজয়, সাংস্কৃতিক বা ব্যবহারিক সূত্রে বিভিন্ন ভাষার শব্দের আদান-প্রদানও চলতে থাকে।
উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
যথাঃ
১. সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ
২. প্রাকৃত বা তৎভব শব্দ
৩. বাংলা বা দেশি শব্দ ও
৪. বিদেশি বা বিভিন্ন ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খন্ড)।
মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করনেও (২০২১) ৪ শ্রেণীর কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এখানে "অর্ধ-তৎসম" শ্রেণিটিকে রাখা হয় নি।
অন্যদিকে,
মাধ্যমিক ব্যাকরণ পুরাতন সংস্করণ ও হায়াৎ মামুদের ভাষা শিক্ষা বই অনুসারে,
উৎসগত দিক থেকে শব্দ ৫ প্রকার।
যথা-
১. তৎসম শব্দ,
২. অর্ধতৎসম শব্দ,
৩. তদ্ভব শব্দ,
৪. দেশি শব্দ ও
৫. বিদেশি শব্দ।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্তঃ
১. যেহেতু ভাষা ও ব্যাকরণের জন্য বাংলা একাডেমীর তথ্য সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য, তার উপর মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের নতুন সংস্করনে একই ধরণের তথ্য দেওয়া আছে, তাই আমরা ৪ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হচ্ছে। এখন থেকে ৪ প্রকারকেই সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
২. যদি প্রশ্নের অপশনে ৪ প্রকার না থাকে, সেক্ষেত্রে ৫ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
আবার,
অর্থগত দিক থেকে শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক শব্দ, রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ ও যোগরূঢ় শব্দ।
গঠনগত দিক থেকে শব্দ দুই প্রকার: মৌলিক ও সাধিত শব্দ।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দসমূহ হলো-
আইন, আওয়াজ, আচার, আরাম, আশমান, কারিগর, দর্জি, দালান, পোশাক, বাগান, নমুনা, জর্দা, শিরোনাম, আতশবাজি, শুমারি, ইত্যাদি।
বাকি, ফায়দা, নগদ ইত্যাদি হলো আরবি শব্দ।
পেয়ারা, আনারস, বালতি ইত্যাদি হলো পর্তুগিজ শব্দ।
তুর্কি শব্দ - কোর্মা, বাবুর্চি, উজবুক , কাঁচি, কাবু, কুলি, চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা,ড. হায়াৎ মামুদ।
ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
যেমন-
- সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র,
- সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র,
- পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা,
- রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র,
- অতি + ইত = অতীত ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বারো সতেরো বাগধারাটির অর্থ খুঁটিনাটি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
বারো মাসে তেরো পার্বণ - উৎসবের আধিক্য।
ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ - অপচয়জনক ব্যাপার।
ভাঁড়ে মা ভবানী - একেবারে দরিদ্র।
ভূঁইফোড় - নতুন আগমন।
কাকভূষণ্ডী - দীর্ঘজীবী।
পায়া ভারি - অহঙ্কার।
কানকাটা - বেহায়া।
বকধার্মিক - ভণ্ড।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
Circulation = প্রচারণ, সংবহন।
License = অনুজ্ঞাপত্র।
Censor = বিবাচক।
Cognizable = আদালতগ্রাহ্য।
Concession শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো রেয়াত, সুবিধা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, ইংলিশ ও বেঙ্গলি অনলাইন ডিকশনারি ও গ্রামার।
Christopher Marlowe, (baptized Feb. 26, 1564, Canterbury, Kent, Eng.—died May 30, 1593, Deptford, near London), Elizabethan poet and Shakespeare’s most important predecessor in English drama, who is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.
His famous quote - ''There is no sin but ignorance.''
- This quote is taken from "The Jew of Malta"
Source: Britannica and SparksNotes.
The Duchess of Malfi, a five-act tragedy by English dramatist John Webster, performed 1613/14 and published in 1623.
The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward Antonio.
Important characters:
Bosola - Bosola is the tool through which the Cardinal and Ferdinand perpetrate most of their evil in The Duchess of Malfi.
Besides The Duchess, Ferdinand, The Cardinal, Antonio, Delio are some other important characters of this tragedy.
Source: Britannica and SparksNotes
Lord Byron is a British Romantic poet and satirist whose poetry and personality captured the imagination of Europe.
- Don Juan and The Vision of judgement are two famous satiric poem.
- Childe Harold's Pilgrimage is a long narrative poem.
Source: Britannica.com
"O Goddess! hear these tuneless numbers, wrung
By sweet enforcement and remembrance dear,
And pardon that thy secrets should be sung
Even into thine own soft-conched ear:
Surely I dreamt to-day, or did I see
The winged Psyche with awaken'd eyes?
I wander'd in a forest thoughtlessly,
And, on the sudden, fainting with surprise,
Saw two fair creatures, couched side by side
In deepest grass, beneath the whisp'ring roof
Of leaves and trembled blossoms, where there ran
A brooklet, scarce espied:"
- Ode to Psyche
By John Keats.
Robert Browning (1812-89):
He is famous for his dramatic monologues.
Works:
- Dramatic Lyrics (1842)
- Men and Women (1855)
- Dramatis Personae (1864)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman.
Matthew Aronld (1822-88):
He was a poet and a critic, known for his strong moral voice.
Works:
- “Essays in Criticism” (1888)
- Culture and Anarchy (1867) and some poems.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Thomas Stearns Eliot (1888-1965):
He was a poet, dramatist, literary critic, and an editor. His theory of 'objective co-relative' is very famous.
Works:
Prufrock and Other Observations (1917)
“The Waste Land'' (1922)
Poems (1919)
Selected Essays 1917-1932 (1932)
Four Quartets (1942)
Murder in the Cathedral (1935)
The Family Reunion (1939)
The Cocktail Party (1950), published in the Post-modern age.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
A Tale of Two Cities is a novel by Charles Dickens that was first published in 1859. The story is set in the late 18th century against the background of the French Revolution.
Some important characters from this novel -
- Charles Darnay,
- Sydney Carton,
- Doctor Manette,
- Lucie Manette,
- Monsieur Defarge etc.
Source: Britannica.com
Julius Caesar, tragedy in five acts by William Shakespeare, produced in 1599–1600 and published in the First Folio of 1623 from a transcript of a promptbook. Based on Sir Thomas North’s 1579 translation (via a French version) of Plutarch’s Bioi parallēloi (Parallel Lives), the drama takes place in 44 BCE, after Caesar has returned to Rome. Fearing Caesar’s ambition, Cassius forms a conspiracy among Roman republicans.
Important characters from this tragedy- Brutus, Julius, Caesar, Antony, Cassius, Casca, Portia.
Source: britannica and SparksNotes
Vaccination (noun),
Meaning: treatment with a vaccine to produce immunity against a disease
Bengali Meaning: টিকা
Synonym: inoculation; shot, immunization, injection, dose
Source: Oxford languages and Collins Dictionary
Surge(noun)
Meaning: a sudden powerful forward or upward movement, especially by a crowd or by a natural force such as the tide.
Synonym: gush, rush, outpouring, stream, flow, tide, roll
Antonym: decrease, descend, descent, stay in place
Source: Oxford Languages and synonym.com
Paragraph-এর প্রথম বাক্য বা Topic Sentence-এ সাধারণত প্রস্তাবনা (proposition) গোটা প্যারাগ্রাফটির বিষয়বস্তুর একটি ধারণা দেওয়া থাকে।
তাই, The proposition হল সঠিক উত্তর।
Source: English Grammar and Composition by Wren and Martin
যেসব শব্দ দ্বারা কোন বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু, স্থানকে নির্দেশ করা হয় তাদেরকে determiner বলে। নিম্নলিখিত Wordগুলো Determiner-এর অন্তর্ভূক্ত:
• Articles: a, an, the
• Demonstratives: this, that, these, those
• Possessives: my, your, our, his, her, their
• Numerals: One, two, three, four, five
• Quantifiers: all, any, both, some, no, every, either, neither, few, little, many, much ইত্যাদি।
It’s not rocket science (Idiom)
Bengali Meaning: এটি মোটেও জটিল কিছু নয়।
Meaning: Very easy to learn or understand
Source: Collins Dictionary
show up একটি Phrasal Verb
বাক্যের অর্থ: দুইদিন পরে আমরা তার বাড়িতে হাজির হয়েছিলাম।
Meaning: arrive or turn up for an appointment or gathering
Bengali Meaning: উপস্থিত হওয়া, আবির্ভূত হওয়া
Source: Oxford Languages and Samsad Dictionary
Bengali Meaning: অস্পষ্টকরণ, জ্ঞান ও সংস্কার প্রসারে বাধাদান
Meaning: the action of hiding or concealing something
Synonym: Concealment, Hiding, Shrouding, Cloud, mystery, cloudiness
Antonym: Revelation, disclosure, manifestation
Source: Oxford languages and Samsad Dictionary
বাক্যের অর্থ: আমি খেতে, পান করতে, এবং খেলতে চাই।
যখন কোন বাক্যে ধারাবাহিকভাবে কতকগুলো তথ্য দেওয়া থাকে তখন প্রতিটি তথ্যকে প্রকাশ করার জন্যই একই গঠণরূপ ব্যবহার করতে হয়।
প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে শুধু প্রথমটি সঠিক কারণ যে তিনটি Verb আছে সেগুলো সবই want-এর পরের to দ্বারা সম্পর্কিত। কিন্ত পরবর্তী অপশনগুলোতে তিনটি Verb-এর দুটি gerund form-এ, একটি infinitive form-এ, আবার দুটি infinitive form-এ এবং একটি gerund form-এ আছে।
অর্থাৎ, তিনটি Verb একই Form-এ নেই। এই ধরণের ভুলকে আমরা Faulty parallelism বলি।
কেবল মাত্র প্রথম অপশনটিতে তিনটি একই form-এ ব্যবহৃত হয়েছ।
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir hussain
xyz = 256
বা, x.x.(x/2) = 256
বা, x3 = 512
বা, x3 = 83
∴ x = 8
log7(1/343)
= log7(1/73)
= log77-3
= -3log77
= -3.1
= -3
এখানে, ১ম পদ, a = 2
সাধারণ অনুপাত, r = -2/2 = -1
(2n+3) পদের সমষ্টি =
a.(1-r2n+3) / (1-r)
= 2.{1-(-1)(2n+3)} / 1-(-1)
= 2.{1-(-1)} / 1+1
= 2.(1+1) / 2
= 2
10-8x
= (10x)-8
= (1/2)-8
= 1/2-8
= 28
= 256
ধরি,
Y এর বেতন ১০০ টাকা
সুতরাং X এর বেতন = ১০০+১৫ = ১১৫ টাকা
Y এর বেতন কম = ১১৫-১০০ = ১৫ টাকা
১১৫ টাকায় বেতন কম ১৫ টাকা
১০০ টাকায় বেতন কম = (১৫×১০০)/১১৫
= ১৩(১/২৩) টাকা
ধরি,
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য x সে,মি
শর্তমতে,
(১০)২ = x২ + x২
বা, ২x২ = ১০০
বা, x২ = ৫০
বা, x = ৫√২
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ১/২×(সমকোণ সংলগ্ন বাহুদুটির গুণফল)
= ১/২ × ৫√২ × ৫√২
= ২৫
ধরি,
প্রস্থ ক ফুট
দৈর্ঘ্য = ক × ৫/২ ফুট
= ৫ক/২ ফুট
ক্ষেত্রফল = ৫ক/২ × ক = ৫ক২/২ বর্গফুট
শর্তমতে,
৫ক২/২ = ১০০০
বা, ক২ = (১০০০×২)/৫
বা, ক২ = ৪০০
বা, ক = ২০
দৈর্ঘ্য = (৫× ২০)/২ = ৫০
পরিসীমা = ২(৫০+২০) = ১৪০ ফুট
বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাস বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উড়োজাহাজের চাকায় হিলিয়াম গ্যাস ভর্তি করা হয়।
- গিরিচূড়ায় নিয়নের লাল সংকেত উড়োজাহাজকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে সতর্ক করে।
- ডুবুরিরা শ্বাসকার্যের জন্য অক্সিজেনের সাথে হিলিয়াম ব্যবহার করেন।
- বিজ্ঞাপনের আলো সৃষ্টির জন্য নিয়ন, আর্গন এবং ক্রিপটন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন সেখানে আর্গন ব্যবহার করা হয়।
- ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়ার জন্য র্যাডন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- ফটোগ্রাফিক ফ্লাস প্রস্তুতের জন্য আজকাল ক্রিপটন ও জেনন গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে।
সুত্রঃ রসায়ন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগ হতে বিজ্ঞানের আবিষ্কার অতি দ্রুত গতিতে চলতে থাকে। এ সময় পদার্থ বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েলের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গবাদ, প্ল্যাংক -এর কণিকা তত্ত্ব, আইনস্টাইন -এর আপেক্ষিক তত্ত্ব বিস্ময়কর আবিষ্কার, এসময়ে মার্কনি এবং আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু বিদ্যুৎ তরঙ্গের সাহায্যে বার্তা প্রয়োগ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এভাবে বেতারের আবিষ্কার সম্ভব হয়।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Har Gobind Khorana
The Nobel Prize in Physiology or Medicine 1968
Prize motivation: "for their interpretation of the genetic code and its function in protein synthesis."
Source: nobelprize.org
সিলিং ফ্যান মূলত একটি মোটরের মাধ্যমে ঘুরে।
বৈদ্যুতিক মোটর হল এমন একটি কৌশল এবং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4, 5H2O) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ।
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সার হিসাবে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, অ্যামোনিয়াম ফসফেট, পটাশিয়াম নাইট্রেট ইত্যাদি লবণ ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
এক্সরে বা এক্স-রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি :
১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
তিনি নিম্নচাপে তড়িৎক্ষরণ নল নিয়ে ক্যাথোড রশ্মি সংক্রান্ত গবেষণাকালে লক্ষ্য করেন যে, ক্ষরণ নলের পাশে রাখা বেরিয়াম প্লাটিনোসায়ানাইডের পাতের উপর ক্যাথোড রশ্মি পড়ে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি হয়। নলটিকে আবৃত করেও পাতের উপর প্রতিপ্রভা লক্ষ্য করেন। এমন কি, পাত ও ক্ষরণ নলের মধ্যে পুরুধাতব পাত স্থাপন করেও একই ফল পাওয়া যায়। এরপর তিনি ক্ষরণ নল ও পিছনে রাখা পর্দার মাঝে হাত রেখে দেখেন যে, পর্দার উপর হাতের হাড়ের স্পষ্ট ছবি ফুঁটে রয়েছে। এতে তিনি সিদ্ধান্তে আসেন যে, এই রশ্মিসমূহ ক্যাথোড রশ্মি নয়। বরং ক্যাথোড রশ্মি ক্ষরণ নলে আঘাত করার পর নল থেকে এক প্রকার অজ্ঞাত রশ্মির উৎপত্তি হয়, যার ফলে ঐ প্রতিপ্রভা সৃষ্টি হয়। এই রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তিনি এ অজ্ঞাত রশ্মির নাম দেন এক্স-রশ্মি। গণিতে অজানা রাশির মান নির্ণয়ে X বর্ণটি ব্যবহৃত হয় বলে এর নামকরণ করা হয় এক্স রশ্মি (X-Ray)। একে আবিষ্কারকের নামানুসারে রনজেন রশ্মিও বলে। X-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৯০১ সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি।
শব্দের বেগঃ
বৃষ্টির দিনে বজ্রপাতের সময় আমরা বজ্রপাতের ঝলকানি দেখতে পাই, তারপর কিছুক্ষণ পর শুনতে পাই বজ্রপাতের শব্দ। কিন্তু বজ্রপাতের ঝলকানির সাথে সাথেই শব্দ তৈরি হয়। অথচ শব্দ পৌঁছতে বেশ কিছু সময় লাগে। এ সময় কয়েক সেকেন্ড হতে পারে। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে, শব্দ নির্দিষ্ট বেগে এক স্থান হতে অন্যস্থানে গমন করে। এক সেকেন্ডে শব্দ যে পথ অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।
শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে। যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার। কিন্তু
প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
অঙ্কুরোদগম (Germination) প্রধানত তিন প্রকার। যথাঃ
১. মৃৎগত বা হাইপোজিয়্যাল
২. মৃৎভেদী বা এপিজিয়্যাল ও
৩. জরায়ুজ বা ভিভিপেরাস
সুত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং এসএসসি লেভেল।
পরমাণুর নিউক্লিয়াসই পরমাণুর শক্তির উৎস। নিউক্লিয়াস থেকে বিপুল পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায়।
১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর বিখ্যাত আপেক্ষিক তত্ত্বে পদার্থের ভর ও শক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখিয়েছেন।
পদার্থকে সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে (তাপে) রূপান্তরিত করা যায়। বাস্তবপক্ষে পদার্থ ও শক্তি পরস্পর রূপান্তর যোগ্য।
কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ ভরকে (m) সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তরিত করলে যে শক্তি পাওয়া যায় তার পরিমাণ হল E = mc2। এক্ষেত্রে c আলোর বেগ (৩ × ১০৮) মি./সে. যেহেতু c২ রাশিটি খুবই বড় সুতরাং পদার্থের সামান্য ভর থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি পাওয়া সম্ভব।
সুত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি।
আল্ট্রাসনোগ্রাফি
আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত একটি বিশেষ ধরণের প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। সাধারণত শরীরের অভ্যন্তরের নরম পেশীজনিত সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ড কাজে লাগিয়ে তা সনাক্ত করা হয়। এছাড়াও হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি।
প্রকৃতির সবচেয়ে শক্ত পদার্থ হীরা (অধাতু)। হীরা কার্বনের একটি রূপ।
উল্লেখ্য, প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন।
সঠিক উত্তরঃ ঘ) কোনটিই নয়।
মাইক্রোফোন থেকে বিবর্ধিত অডিও সিগনাল এবং অসিলেটরের বাহক তরঙ্গমডুলেটরে প্রেরণ করা হয়।
অডিও সিগনাল বাহক তরঙ্গের উপর উপরিপাতিত হয়। ফলে, মডুলেটেড তরঙ্গ বা বেতার তরঙ্গের সৃষ্টি হয় এবং যে পদ্ধতিতে এ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাকে মডুলেশন বলে।
তড়িৎ সংকেতের উৎস হিসেবে বাহক তরঙ্গ অডিও সিগনালকে দূরে পাঠাতে সাহায্য করে।
From Microsoft-
NTFS can support volumes as large as 8 petabytes on Windows Server 2019 and newer and Windows 10, version 1709 and newer (older versions support up to 256 TB).
And, FAT32 Max Volume size is - 16 TB (Theoretical; while Practically it's 8 TB)
প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ পিংগালা (Pingala) শূন্য (“০”) আবিষ্কারের মাধ্যমে খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে প্রথম বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ধারণা দেন। সতের শতাব্দীতে জার্মান দার্শনিক গটফ্রেইড লিবনিজ (Gottfried Leibniz) একটি আর্টিকেলে আধুনিক বাইনারি সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দেন। তিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ এবং ১ ব্যবহার করেন।
প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল (George Boole) ১৮৫৪ সালে সত্য এবং মিথ্যা এ দুই যুক্তি বা লজিকের উপর ভিত্তি করে বুলিয়ান বীজগণিত রচনা করেন। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হওয়ার পর সত্য এবং মিথ্যাকে যথাক্রমে বাইনারি ১ ও ০ দিয়ে পরিবর্তন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে সমস্ত গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এ সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া সকল আধুনিক কম্পিউটারে বইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
দার্শনিক এরিস্টটল সর্বপ্রথম অসীম (∞) এর সংকেত প্রচলন করেন।
ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটরে ক্যাথোড রশ্মি টিউবের (Cathode Ray Tube – CRT) পরিবর্তে এলসিডি (Liquid Crystal Display-LCD) বা এলইডি (Light Emitting Diode-LED) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
বর্তমানে ডেস্কটপ থেকে শুরু করে নোটবুক, ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ক্যাথোড রশ্মি টিউবের পরিবর্তে এলসিডি বা এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
এ মনিটরের প্রধান সুবিধাগুলো হলো- কম বৈদ্যুতিক শক্তির ব্যবহার, কম খরচ এবং কম জায়গা দখল।
√{156(1/4)}
= √39
= 6.25
(6+7) × 5 = 65
(3+2) × 4 = 20
(x+4) × 9 = 45
বা, x+4 = 5
বা, x = 1
কনিষ্ঠ (বিশেষণ)
১ সকলের ছোট (কনিষ্ঠ পুত্র)।
২ বয়সে ছোট (বয়ঃকনিষ্ঠ)।
৩ অনুজ (কনিষ্ঠ ভ্রাতা)।
- (বিশেষ্য) কড়ে আঙুল।
{(তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) যুবন্+ ইষ্ঠ(ইষ্ঠন্)}
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল মোটরগাড়ি চুক্তি (বিবিআইএন এমভিএ) - চুক্তি স্বাক্ষর হয় ১৫ জুন, ২০১৫ সালে।
- ভুটানে মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে এই চার দেশের মধ্যে এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই হয়।
উৎসঃ সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীঃ
- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন এবং তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ৩ জুলাই।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে যে অনুচ্ছেদ ও বিষয়গুলো পরিবর্তিত হয়, সেগুলো হচ্ছে -
১. সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংশোধন,
২. ২ক অনুচ্ছেদে পরিমার্জন।
৩. ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন (জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত)
৪. ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ।
৫. সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত)।
৬. সংবিধানের ৯, ১০, ১২ নং অনুচ্ছেদের সংযোজন ও পরিমার্জন।
৭. সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান)।
৮. সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্পর্কিত)।
৯. ৪২ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন ও ৪৪ নং অনুচ্ছেদের প্রতিস্থাপন।
১০. ৫৮ক অনুচ্ছেদের বিলোপ (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)। ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
- বাংলার পাল রাজগণ নালন্দার প্রতি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখেন। এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে ধর্মপাল বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
- উল্লেখ্য, ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য আরেক পাল রাজা 'দেবপাল' বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
তেভাগা আন্দোলনঃ
তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন। তেভাগা শব্দের আভিধানিক অর্থ ফসলের তিন অংশ।
- প্রচলিত অর্থে ভাগচাষি তাদের ভাগচাষের অধিকারস্বরূপ উৎপাদনের সমান অংশ বা দুই ভাগের এক ভাগ পাওয়ার অধিকারী। ভূমি নিয়ন্ত্রণের শর্তাদি অনুযায়ী শস্য ভাগাভাগির বিভিন্ন পদ্ধতি বর্গা, আধি, ভাগি ইত্যাদি নামে পরিচিত।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে ভূমিমালিক এবং ভাগচাষিদের মধ্যে উৎপাদিত শস্য সমান দুই ভাগ করার পদ্ধতির বিরুদ্ধে বর্গাদাররা প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ১৯৪৬ সালে আমন ধান উৎপাদনের সময়কালে বাংলার উত্তর এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহের কিছুসংখ্যক ভাগচাষি এবং তাদের সমর্থক নিজেদের উৎপাদিত ফসল কাটতে নিজেরাই মাঠে নামে, এমনকি নিজেদের খলানে তা ভানতে নিয়ে যায়। এটি ছিল বিদ্রোহ।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ এই আন্দোলনের অন্যতম পুরধা ব্যক্তি ছিলেন।
- হাজী দানেশ ১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কমিউনিস্ট পার্টির অঙ্গসংগঠন কৃষক সমিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং উত্তরবঙ্গে কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাঁর নেতৃত্বে দিনাজপুর জেলায় টোল আদায় বন্ধ ও জমিদারি উচ্ছেদের দাবিতে কৃষক আন্দোলন জোরদার হয়। আন্দোলনকালে তিনি গ্রেফতার হন এবং কারাভোগ করেন (১৯৩৮)।
- নীলফামারি জেলার ডোমারে ১৯৪২ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় কৃষক সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন হাজী দানেশ। সম্মেলনের পরপরই তিনি গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন।
- বর্গাচাষীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি উত্তরবঙ্গে তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন।
- এই আন্দোলনের নারী নেত্রী ছিলেন - ইলা মিত্র।
তেভাগা আন্দোলন সফল হওয়ার ফলে শতকরা ৪০ ভাগ বর্গাচাষি ভূমিমালিকদের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় তেভাগা প্রাপ্ত হন। এ আন্দোলন আবওয়াবএর নামে বলপূর্বক অর্থ আদায় বন্ধত বা সীমিত করে।
তবে পূর্ববাংলার জেলাসমূহে আন্দোলনটির সফল্য ছিল সীমিত। ১৯৪৮-৫০ সালের দিকে তেভাগা আন্দোলনে আরেক দফা সংগঠিত হয়। সরকার এ আন্দোলন ভারতীয় দালালদের আন্দোলন বলে চিহ্নিত করে।
সাধারণ মানুষও তা বিশ্বাস করে এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ থেকে নিজেদের বিরত রাখে।
তবে, আন্দোলনটি নিশ্চিতভাবেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ প্রণয়নে প্রভাব বিস্তার করেছিল।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৮৮) বাংলার মুগল সুবাহদার।
- শায়েস্তাখানের আসল নাম ছিল মির্জা আবু তালিব। জাহাঙ্গীর তাঁর রাজত্বের একুশতম বছরে তাঁকে ‘শায়েস্তা খান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বাংলায় সুবাহদার হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রাদেশিক পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে কংগ্রেস, মুসলিমলীগ ও কৃষক প্রজা পার্টি কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় মুসলিমলীগ ও কৃষক প্রজা পার্টি কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।
- এই সরকারে বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
তিনি (১৯৩৭-১৯৪১) এবং (১৯৪১-১৯৪৩) দুটো মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি স্মরণীয় দিন।
- গণপরিষদের ভাষা তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ঐ দিন ঢাকা শহরে প্রথম ধর্মঘট পালিত হয়।
- ধর্মঘটের পক্ষে ‘রাষ্ট্রভা্ষা বাংলা চাই’ এই স্লোগানে মিছিল করার সময় শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুব, শওকত আলী, আবদুল ওয়াহেদ প্রমুখ গ্রেফতার হন।
- একজন পুলিশের নিকট থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের আঘাতে মোহাম্মদ তোয়াহা মারাত্মকভাবে আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১২-১৫ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
মহান মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ার একটি বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। এখান থেকেই যেমন মুক্তিবাহিনী গঠন, মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ও রাজনৈতিক সরকার গঠনের প্রস্তাব তথা মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রথম পাঠের অনুশীলন হয় তেমনি এখানে সংগঠিত হয়েছে বহু সম্মুখ সমর।
- ২৮ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত সময়ে এখানে সংগঠিত নানা বিষয় যেমন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইতিহাসের অমূল্য উপাদান; তেমনি সম্মুখ সমরক্ষেত্র হিসেবেও এ স্থানের রয়েছে অতুলনীয় গৌরব-গাঁথা।
২৫ মার্চ পাক বাহিনীর বর্বোরোচিত হামলার পর বাঙ্গালি অনেক সেনা অফিসার বিদ্রোহ করেন। বিদ্রোহী অফিসারদের অনেকেই (খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল, জিয়াউর রহমান, এস এম রেজা, কে এম সফিউল্লাহ প্রমুখ এম.এ.জি ওসমানীর উপস্থিতি বৈঠক করেন। তেলিয়াপাড়া তখন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার। সেখান থেকে পূর্ব যোগাযোগের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় তেলিয়াপাড়া বিওপি-এর কাছে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষের আলোচনায় ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তাদের একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।
৪ এপ্রিল সকালের মধ্যেই সেনা কর্মকর্তাদের সকলে তেলিয়াপাড়া বাংলোতে উপস্থিত হন। ১০টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে ও আগরতলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমেস সায়গল বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে সঙ্গে নিয়ে তেলিয়াপাড়াস্থ সেনা সদরে এসে উপস্থিত হন। ৭ সকাল ১১টায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
এখানেই সিদ্ধান্ত হয় যে, বিদ্রোহী অফিসাররা যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। এখানেই প্রথম বিদ্রোহী সকল ইউনিটের সমন্বয়ে 'মুক্তিফৌজ' গঠন করে।
এই বৈঠকের স্থানের নাম অনুসারে এখানে গৃহীত যুদ্ধকৌশলকে "তেলিয়াপাড়া রণকৌশল" নামে অভিহিত করা হয়। এটাই মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রথম রণকৌশল হিসাবে পরিগণিত।
তেলিয়াপাড়া সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের আগে। তাই নিকট অতীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার উদাহরণ বিশ্লেষণ করে সভার লিখিতাকারে কোনো সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ করা হয়নি।
- ‘মৌখিকভাবে বাহিনীর সংগঠন, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার যে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পায়।
- ১১ এপ্রিল নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বেতার ভাষণে এই সভার সিদ্ধান্তের কিছু অংশ উচ্চারিত হয়েছিল। উক্ত ভাষণে 'মুক্তিফৌজ' গঠনের কথাও বলা হয়।
পরে এই সভার সিদ্ধান্তগুলোকে পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজনের মাধ্যমে আরও সময়োপযোগী করে তোলা হয়’।
- সভা শেষে কর্নেল ওসমানী তাঁর রিভলভার থেকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।’
- ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তানুযায়ী ১০ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় ২য় সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ মূলধারা ৭১, বাংলাপিডিয়া ও তেলিয়াপাড়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন একটি অন্যতম গবেষণা কেন্দ্র।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।
সূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৬.৬৫ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাতঃ ১০০.২ঃ১০০।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১২৫ জন।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.২৪%।
- মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতির গড় ৫.৬৫ শতাংশ।
- শিশু মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে)- ২১ জন।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশ।
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশ।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে,
- শিল্পখাতের অবদান- ৩৫.৩৬ শতাংশ,
- সেবাখাতের অবদান- ৫১.৩০ শতাংশ এবং
- কৃষিখাতের অবদান- ১৩.৩৫ শতাংশ।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশ।
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশ।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক রেট হচ্ছে ৪%।
- ২০২০ এর জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংক রেট ছিল ৫% কিন্তু জুলাই থেকে বর্তমান পর্যন্ত ব্যাংক রেট কমে দাড়ায় ৪%।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার, লাইভ এমসিকিউ।
- সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়।
উৎসঃ সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)।
- এই চুক্তি সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।
- তবে এ সংখ্যা পরবর্তীতে আলাপ-আলােচনার মাধ্যমে বৃদ্ধি করা হতে পারে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সালতামামী
সংবিধানের ১৪১(খ) উপ দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানে উল্লিখিত কিছু মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা
- ৩৯ নং স্বাধীনতা : চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ : সম্পত্তির অধিকার।
অন্যদিকে, ৪১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা এর আওতাধীন নয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৯৩ঃ অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা
(১)[সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(খ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থা কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০% সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠনগুলো চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
যেমন- আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক ইত্যাদি।
প্রশ্নে উল্লেখিত "প্রশাসনের কর্মচারী" বা "সরকারি কর্মচারী" বাদে সকলেই চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক যে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
- জাতীয় সংসদ
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।
অন্যদিকে বাংলা একাডেমি, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
সূত্রঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী এবং বাংলাদেশ সংবিধান
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- শাপলা ফুলটিকে বেষ্টন করে আছে ধানের দুটি শীষ। চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - পটুয়া কামরুল হাসান।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর আর্কাইভ।
জহির রায়হান (১৯৩৫ - ১৯৭২):
জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক। ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তার আসল নাম - মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। বিতর্ক সাপেক্ষে তাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার ধরা হয়।
- ৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। ২১ ফেব্রুয়ারি যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম। অন্যান্যদের সঙ্গে তাঁকে মিছিল থেকে গ্রেফতার করে কারারুদ্ধ করা হয়।
- জহির ১৯৫২ সালে ফটোগ্রাফি শিখতে কলকাতা গমন করেন এবং প্রমথেশ বড়ুয়া মেমোরিয়াল স্কুলে ভর্তি হন।
- ১৯৫৬ সালে তিনি চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
তারপর একের পর এক তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে -
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- জীবন থেকে নেয়া,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম এবং
- বাহানা।
জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড নির্মাণ করেন। ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- ১৯৭২ সালে তাঁকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রদান করা হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
ছোট সোনামসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যাত।
- এটি বাংলার রাজধানী গৌড়-লখনৌতির ফিরোজপুর কোয়াটার্স এর তাহখানা কমপ্লেক্স থেকে অর্ধ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কোতোয়ালী দরওয়াজা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে (চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা) অবস্থিত। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে। তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
উৎসঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
আইনের খসড়া বা আইনের পাশের জন্যে সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবকে বিল বলে।
- মন্ত্রীগণ উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল এবং
- মন্ত্রী ব্যতীত সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি বিল বলে।
বিল পাশ হলে তা আইনে পরিণত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী - এস. জয়শঙ্কর (সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর)।
- তিনি ৩১ মে, ২০১৯ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি গুজরাট থেকে ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
উৎসঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া রিপোর্ট।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত দেশসমূহকে একত্রে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র বলা হয়।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
যথা-
নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
আবার,
নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা -
আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
সূত্রঃ worldatlas.com ও ব্রিটানিকা.কম
অনেকেই ভৌগোলিক বৈশিষ্ঠ্য প্রায় একই রকম হওয়ায় আইসল্যান্ড ও ফিনল্যান্ড - সহ পুরো নর্ডিক অঞ্চলটিকে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চল বলে থাকেন। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলের রাষ্ট্র সংখ্যা হয় - ৫টি।
Ben Nevis, the highest mountain of the British Isles, in the Highland council area, Scotland.
- Its summit, reaching an elevation of 4,406 feet (1,343 metres), is a plateau of about 100 acres (40 hectares), with a slight slope to the south and a sheer face to the northeast.
- Snow lies in some parts all year, and permafrost conditions are almost reached.
- The mountain consists of a superstructure of volcanic rocks surmounting the ancient schists, with granites intruded, of the Highlands.
Source: Britannica.com
Homo heidelbergensis, extinct species of archaic human (genus Homo) known from fossils dating from 600,000 to 200,000 years ago in Africa, Europe, and possibly Asia.
- The name first appeared in print in 1908 to accommodate an ancient human jaw discovered in 1907 near the town of Mauer, 16 km (10 miles) southeast of Heidelberg, Germany.
- Among the fossils found with the Heidelberg jaw were those of several extinct mammals that lived about 500,000 years ago.
Source: Britannica.com
Cape of Good Hope, rocky promontory at the southern end of Cape Peninsula, Western Cape province, South Africa.
- It was first sighted by the Portuguese navigator Bartolomeu Dias in 1488 on his return voyage to Portugal after ascertaining the southern limits of the African continent.
- One historical account says that Dias named it Cape of Storms and that John II of Portugal renamed it Cape of Good Hope (because its discovery was a good omen that India could be reached by sea from Europe); other sources attribute its present name to Dias himself.
Source: Britannica.com
বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৫ জুন ১৮১৫ সালে। এই যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হোন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। এর ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল। তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ ফ্রান্সের সরকারি ওয়েবসাইট।
ইয়াল্টা কনফারেন্সঃ
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘ গঠনের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন -
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
- সোভিয়েত নেতা - জোসেফ স্টালিন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - উইনস্টন চার্চিল
এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ সদস্যদের 'ভেটো' ক্ষমতা দেওয়া হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
- ১৯৬৬ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মাও সেতুং এর আহ্বানে চীনে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূত্রপাত হয়।
- ১০ বছর এই বিপ্লব চলমান ছিল।
- ১৯৭৬ সালে মাও সেতুং এর মৃত্যুর মাধ্যমে এই বিপ্লবের পরিসমাপ্তি ঘটে।
উৎসঃ চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ঐকমত্যে পৌঁছে। এই কারণে এই চুক্তির নাম - ডেটন চুক্তি।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং ওয়াশিংটন পোস্ট।
- ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল - সিয়াচেন হিমবাহ।
- এছাড়াও চীনের সাথে বিরোধ রয়েছে - ডোকালাম অঞ্চল নিয়ে যা ভূটানের অংশ।
- নেপালের সাথে ভারতের একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল - কালাপানি ও লিপুলেখ অঞ্চল। উল্লেখ্য, সম্প্রতি এই 'লিপুলেখ' অঞ্চল নিয়ে ভারত ও নেপালের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের দুটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল - হাড়িয়াভাঙ্গা নদী (নিউ মুর) ও ফেণীর মুহুরীর চরের অমীমাংসিত অঞ্চল।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)।
"The Potato Eaters" ডাচ চিত্রশিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যান গগের একটি তৈলচিত্র।
তার আঁকা আরো কিছু শিল্পকর্মঃ
- The Starry Night
- Van Gogh self-portrait
- Café Terrace at Night
- The Yellow House
- Almond Blossoms ইত্যাদি।
উৎসঃ ভ্যানগগ মিউজিয়াম।
‘When You Say Badminton, You Say Indonesia’
Badminton is part of the national identity.
- New York Times
Based on our research -
- Badminton is actually the national sport of only Indonesia and Singapore.
- মালয়শিয়ার জাতীয় খেলার নাম Sepak Takraw বা কিক ভলিবল।
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে ৩ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা -
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ও
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই (উন্মুক্ত)।
বাংলাদেশে পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) - ২০০০ সালে গঠিত হয়।
- এটি দেশব্যাপী পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, গবেষণা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে।
- এর দপ্তর - লালমাটিয়া, ঢাকা।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ১০-১১ জানুয়ারি বাপার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সুলতানা কামালক প্রেসিডেন্ট হিসাবে হন।
উৎসঃ বাপা ওয়েবসাইট।
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ (লোনা পানি) - কাস্পিয়ান সাগর।
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ (মিঠা পানি) - লেক সুপিরিয়র।
বিশ্বের গভীরতম হ্রদ - বৈকাল হ্রদ।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
ভূমিধ্বসের মানবসৃষ্ট কারনগুলো হলঃ
- পাহাড় কাটা
- পাহাড়ে অপরিকল্পিত বসতি নির্মাণ
- জুম চাষ
- পাহাড়ের বৃক্ষ নিধন ইত্যাদি।
ইভিলিন হল (১৮৬৮ - ১৯৫৬) একজন ইংরেজ লেখক। তিনি মূলত Life of Voltaire গ্রন্থের জন্য বিখ্যাত।
তার একটি বিখ্যাত উক্তি - "I disapprove of what you say, but I will defend to the death your right to say it."
তার আরো কয়েকটি বই -
- The Life Of Mirabeau
- The Friends of Voltaire
- The Women of the Salons: And Other French Portraits
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারণ করা হয়।
- এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
সূত্রঃ SDG ওয়েবসাইট।
শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান অর্থ্যাৎ ১৬ নং লক্ষ্যটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত।
সামরিক শাসনামলে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে এবং অকার্যকর করে রাখা হয়।
এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সুদূরপরাহত হয়ে পড়ে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন – প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি হলো সরকারের তিনটি বিভাগ।
যথা: শাসন, আইন ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতা ও কাজকে পৃথক বা স্বতন্ত্র করে দেওয়া। প্রত্যেক বিভাগ তার কর্মক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবে।
- প্রাচীন গ্রিসের এরিস্টটটল থেকে শুরু করে মধ্যযুগে মার্সিলিও অনেক দার্শনিকই ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করছেন।
- তবে ১৭৪৮ সালে ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু সর্বপ্রথম তার The Spirit of Laws বইয়ে ‘ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি’র আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
যার কারণে মন্টেস্কু কে ‘ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি’র প্রবক্তা বলা হয়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র।
যথার্থ আইনের শাসন গণতান্ত্রিক সরকারের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।
যে সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকে, জনসাধারণের জান-মালের নিরাপত্তা বজায় থাকে, সমাজের সকল মানুষ সমান আইনগত ও বিচারিক সুবিধা পেয়ে থাকে - এমন সমাজকে বলা হয় সভ্য সমাজ।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড বই।