পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৮ বাংলা পরীক্ষা - ৯ (সাহিত্য) টপিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বনফুল
  2. কবিকাহিনী
  3. গীতাঞ্জলি
  4. সোনার তরী
ব্যাখ্যা
• 'কবি-কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'কবি-কাহিনী'।
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- 'ভারতী' পত্রিকায় পৌষ-চৈত্র ১২৮৪ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় এর কবিতাগুলো ছাপা হয়।
- ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দেই কবিতাগুলো নিয়ে 'কবি-কাহিনী' গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- চার সর্গে বিভক্ত এই নাতিদীর্ঘ কাব্যের নায়ক এক কবি এবং নায়িকা নলিনী।

উল্লেখ্য,
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা - 'হিন্দুমেলার উপহার' (১৮৭৪)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস - বৌঠাকুরাণীর হাট।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক - বাল্মীকি প্রতিভা।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোট গল্প - ভিখারিনী।

- তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
 বনফুল, মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, কল্পনা, ক্ষণিকা, গীতাঞ্জলি, বলাকা, পূরবী, পুনশ্চ, পত্রপূট, সেঁজুতি, শেষলেখা, কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

- বনফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় প্রকাশিত (১৮৮০) কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
  1. সম্বাদ প্রভাকর
  2. বঙ্গদর্শন
  3. তত্ত্ববোধনী
  4. ভারতী
ব্যাখ্যা
• বঙ্গদর্শন পত্রিকা:
- ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) কর্তৃক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
- বঙ্গদর্শনের ভাষা ছিল খুব উন্নত মানের সাধু বাংলা।
- সাহিত্য, সমাজ, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মূল্যবান প্রবন্ধ এবং উপন্যাস এতে প্রকাশিত হতো।
- বঙ্গদর্শনকে তখন শিক্ষিত বাঙালি সমাজের প্রথম মুখপত্র বলা হতো, কেননা বাঙালি জাতির আধুনিক চিন্তা ও মনন এর মাধ্যমেই প্রথম প্রকাশ লাভ করে।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

অন্যদিকে,
- সম্বাদ প্রভাকর সম্পাদনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তত্ত্ববোধনী সম্পাদনা করেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
- ভারতী সম্পাদনা করেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপ?
  1. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  2. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  3. স্বরবৃত্ত ছন্দ
  4. বর্ণবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• অমিত্রাক্ষর ছন্দ:
- উনিশ শতকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- 'অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো এর অন্ত্যমিল বা অন্ত্যানুপ্রাস নেই।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ ইংরেজি হচ্ছে Blank verse।
- 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রকৃত পক্ষে বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নব সংস্করণ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'পদ্মাবতী' নাটকে (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে) প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন।

অক্ষরবৃত্ত:
- উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বাংলা কাব্যের প্রধান ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তানপ্রধান ছন্দও বলে।
- পয়ার হচ্ছে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ৮/৬ মাত্রার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি শ্রেণিবিভাগ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ; বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য?
  1. বীরাঙ্গনা কাব্য
  2. ব্রজঙ্গনা কাব্য
  3. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
  4. মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা
মেঘনাদবধ কাব্য:
- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- তিনি এই মহাকাব্যের রচয়িতা।
- এর কাহিনী 'রামায়ণ' থেকে সংগৃহীত।
- কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- 'রামায়ণ' এর রাবণের সীতা হরণ, রাম রাবণের লঙ্কাযুদ্ধ এবং যুদ্ধে রাবণের পরাজয়ের কাহিনী নিয়ে এ মহাকাব্য রচিত হয়েছে।
- সর্গ সংখ্যা: ৯টি।
- চরিত্র: মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, বিভীষণ, রাবণ, রাম প্রভৃতি।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:

- মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) যশোর জেলার সাগরদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি 'মধুকবি' নামে পরিচিত।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি (তাঁর রচিত প্রথম মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য')।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি।
- তিনি প্রথম বাঙালি সনেটকার।
- তিনি বাংলা নাটকের পথিকৃৎ।
- ছদ্মনাম: টিমোথি পেনপয়েম।
- উপাধি: দত্তকুলোদ্ভব।

• তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ-
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গণা কাব্য,
- হেক্টরবধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন প্রহসনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত?
  1. বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
  2. সধবার একাদশী
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা
• বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ:
- এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রহসন।
- প্রথমে এ প্রহসনের নাম ছিল 'ভগ্ন-শিবমন্দির'।
- এক লম্পট জমিদারের আচার-ব্যবহার ও দরিদ্র প্রজাদের দ্বারা উচিত শিক্ষা এই উপভোগ্য প্রহসনের মূলকাহিনী।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ভক্তপ্রসাদ বাবু, পঞ্চানন বাচস্পতি, গদাধর, পুঁটি, ফতেমা, ভগী, হানিফ, গাজি প্রমুখ।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন:

- একেই কি বলে সভ্যতা,
- বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা, 
- পদ্মাবতী , 
- কৃষ্ণকুমারী, 
- মায়াকানন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বিখ্যাত 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. মানসী
  2. চিত্রা
  3. গীতাঞ্জলি
  4. প্রভাতসঙ্গীত
ব্যাখ্যা
• প্রভাতসঙ্গীত:
- কাব্যগ্রন্থটি ১৮৮৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়েছে।
- এতে একুশটি কবিতা আছে।
- এ কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ কবিতা 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ'।

• 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার বিখ্যাত কয়েকটি লাইন:

"আজি প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের 'পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
না জানি রে কেন এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।"

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত মোট কাব্যগ্রন্থ-
  1. ৪৫ টি
  2. ৫৪ টি
  3. ৫৫টি
  4. ৫৬ টি
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ৫৬টি।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- কবি-কাহিনী (প্রথম কাব্যগ্রন্থ), 
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- চৈতালী,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা (শেষ কাব্যগ্রন্থ),
- প্রভাতসঙ্গীত,
- বনফুল, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস-
  1. দেবদাস
  2. পল্লীসমাজ
  3. আমার জীবনী
  4. শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা
• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্রের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি চারটি খণ্ডে রচিত।
- ১ম খণ্ড বালক শ্রীকান্তের নানা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয়।
- ২য় খণ্ডে যুবক শ্রীকান্তের রেঙ্গুন যাত্রার জীবন্ত উপস্থাপনা আছে।
- ৩য় খণ্ডে অসুস্থ শ্রীকান্ত রাজলক্ষ্মীর সেবায় সুস্থ হলেও তাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
- ৪র্থ খণ্ডে শ্রীকান্ত ও পুটুর বিয়ের দিন ধার্য হয়, রাজলক্ষ্মী সন্যাসীবেশ ত্যাগ করে এবং কমললতার নিরুদ্দেশ হওয়ার মাধ্যমে উপন্যাসের সমাপ্তি ঘটে।
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের বিখ্যাত কিশোর চরিত্র হচ্ছে- 'ইন্দ্রনাথ'।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: শ্রীকান্ত, রাজলক্ষ্মী,পুটু, অন্নদাদিদি, অভয়া, রোহিণী, কমললতা প্রমুখ।

অন্যদিকে,
- দেবদাস শরৎচন্দ্রের বিয়োগাত্মক রোমান্টিক উপন্যাস।
- পল্লীসমাজ উপন্যাসে বাংলার পল্লীসমাজের নীচতা ও ক্ষুদ্র রাজনীতির পটভূমিকায় এক আদর্শবাদী যুবক যুবতীর সম্পর্ক ও বিশেষ করে তাদের অভিশপ্ত প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসের মূল বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'কমলাকান্তের দপ্তর' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের কোন ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. উপন্যাস
  3. ছোট গল্প
  4. ভ্রমণকাহিনী
ব্যাখ্যা
'কমলাকান্তের দপ্তর' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের- প্রবন্ধ।

• কমলাকান্তের দপ্তর:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রবন্ধ সংকলন "কমলাকান্তের দপ্তর"।
- এটি নকশা জাতীয় রম্য রচনা।
- এর তিনটি অংশ - ১. কমলাকান্তের দপ্তর, ২. কমলাকান্ত পত্র ও ৩. কমলাকান্তের জবানবন্দি।
- "কমলাকান্তের দপ্তর" বঙ্কিমচন্দ্রের একটি রম্যরচনার সংগ্রহ, যেখানে তিনি সমাজের নানা দিক ও ব্যক্তিদের নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেছেন।
- এই গ্রন্থে কমলাকান্ত নামের একজন চরিত্র মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি ও বিচিত্র স্বভাবের মানুষদের নিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ইংরেজ সাহিত্যিক ও সমালোচক ডি-কুইনসির Confession of an English Opium Eater-এর প্রেরণায় রচিত।
- 'কমলাকান্তের দপ্তর' (১৮৭৫) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিভিন্ন মেজাজের লঘু ঢঙে লেখা ব্যক্তিগত প্রবন্ধ।
- কমলাকান্ত নামক এক চরিত্রের জবানিতে প্রবন্ধগুলি লিখিত।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- কমলাকান্তের দপ্তর, 
- লোকরহস্য,
- বিজ্ঞানরহস্য,
- বিবিধ প্রবন্ধ,
- কৃষ্ণচরিত্র
- সাম্য,
- ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।