পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: [ভূগোলের গুরত্বপূর্ণ বিষয়াবলি] ১. দীর্ঘতম, উচ্চতম, বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম প্রভৃতি সম্পর্কিত। ২. নদী, সাগর, মহাসাগর, পর্বত, খাল, প্রণালি, সমুদ্রবন্দর, সীমারেখা প্রভৃতি সম্পর্কিত। ৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা। ৪. ভৌগোলিক উপনাম
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ 'টিটিকাকা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. প্যারাগুয়ে
  3. গায়ানা
  4. চিলি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ 'টিটিকাকা' বলিভিয়ায় অবস্থিত।

টিটিকাকা হ্রদ:

- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ টিটিকাকা।
- বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- হ্রদটির তীরে ৩০ লাখ মানুষের বাস।
- হ্রদটি পেরু ও বলিভিয়া সীমান্ত জুড়ে ৩ হাজার ২০০ বর্গমাইলের বেশি এলাকায় বিস্তৃত।
- হ্রদ ঘিরে আয়মারা, কেচুয়া আর উরোস আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস।
- হ্রদটি মধ্য আন্দিজ পর্বতশ্রেণিতে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, যা এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

উৎস: Britannica.
.
আমাজন নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিমি।
- নদীটি সাধারণত ১৯ - ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত, যার সর্বোচ্চ প্রস্থ ১০০ কিলোমিটার। 
- উৎপত্তিস্থান: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার নেভাদো মিস্মি (Nevado Mismi) পর্বত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- নদীটি পেরু, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, বলিভিয়া, ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

⇒ আমাজন নদী বিশ্বের বৃহত্তম জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি কারণ এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট আমাজনের অবস্থান।
- এটি ২.৫ মিলিয়ন বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড়, ২,২০০ প্রজাতির মাছ, হাজার হাজার উদ্ভিদ প্রজাতি এবং ২,৮০০ প্রজাতির পাখি এবং প্রাণীর আবাসস্থল।
- এই জলরাশি বিভিন্ন ধরণের বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থল। 

উৎস: Worldatlas.
.
নরসিংদী জেলায় নিম্নের কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয়?
  1. মহাস্থানগড়
  2. তাজহাট জমিদার বাড়ি
  3. উয়ারী বটেশ্বর
  4. ময়নামতি
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

অন্যদিকে,
- মহাস্থানগড়: বাংলাদেশের এই প্রাচীনতম শহুরে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান গ্রামে অবস্থিত। 
- ময়নামতি: অষ্টম শতাব্দীর এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার নিচু ও মৃদু টোল পড়া পাহাড়ি এলাকা ময়নামতিতে। 
- তাজহাট জমিদার বাড়ি: রংপুরের উপকণ্ঠ তাজহাটে অবস্থিত বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদের আরেক নাম তাজহাট জমিদার বাড়ি। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ইউফ্রেটিস নদীর অপর নাম কী?
  1. ফোরাত
  2. টাইগ্রিস
  3. বিতাস্তা
  4. দজলা
ব্যাখ্যা
ইউফ্রেটিস নদী:
- ইউফ্রেটিস নদী দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। 
- এর আরেক নাম ফোরাত।
- এর উৎপত্তি তুরস্কতে হয়ে ইরাক ও সিরিয়ার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দজলা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- তারপর শাত ইল আরব নামে পরিচিত পারস্য উপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নদীর তীরঘেঁষা প্রধান শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে সিরিয়ার রাক্কা ও দাইর আজ জর, ইরাকের রামাদি। 

উল্লেখ্য,
- এই নদী দুটির (ইউফ্রেটিস নদী ও টাইগ্রিস নদী) অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- প্রাচীন সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় এবং আসিরীয় সভ্যতাগুলোও এখানে বিকাশ লাভ করেছে।

উৎস: Britannica.
.
'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. কায়রো
  2. শিকাগো
  3. রোম
  4. টোকিও
ব্যাখ্যা
সাত পাহাড়ের দেশ:
- 'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত রোম।
- কারন ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল।
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- রোমুলাসের আদি শহর প্যালাটাইন পাহাড়ের উপর নির্মিত হয়েছিল।
- রোম রোমা প্রভিন্সিয়া (প্রদেশ), ল্যাজিও অঞ্চল এবং ইতালি দেশের রাজধানী।

উৎস: Britannica.
.
যে দেশের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে -
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: রুশ।
- মুদ্রা: রুবল।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন।
- দেশটির পার্লামেন্ট: ডুমা।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ও চীনের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে। উভয় দেশের সাথে ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

⇒ সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত:
• রাশিয়া:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

• .চীন:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

• ব্রাজিল:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ফ্রান্স (ফরাসি গায়ানা), গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।

উৎস: Worldatlas.

.
'বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০১ সালে
  2. ১৯১০ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
'বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর' ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রত্ন সংগ্রহে সমৃদ্ধ।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
‘সাগরকন্যা’ কোন স্থানের ভৌগলিক উপনাম?
  1. পটুয়াখালী
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. সেন্টমার্টিন
  4. মহেশখালী
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
'আনন্দবিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।

⇒ চন্দ্রবংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
কোন দেশকে "Playground of Europe" বলা হয়?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. বেলজিয়াম
  3. ফ্রান্স
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- পশ্চিম ইউরোপের ছোট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড।
- এটি সুইস কনফেডারেশন নামে পরিচিত।
- সুইজারল্যান্ড দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত পার্বত্য দেশ।
- এর উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিশটেনস্টাইন, দক্ষিণে ইতালি এবং পশ্চিমে ফ্রান্স।
- সুইজারল্যান্ড একটি ক্ষুদ্র পর্বতময় দেশ।
- এটি কেন্দ্রীয় আল্পস পর্বতমালা এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রাক-আল্পস পর্বতমালা নিয়ে গঠিত।
- রাজধানী: বের্ন।
- বিখ্যাত শহর মধ্যেগুলোর মধ্যে জেনেভা এবং জুরিখ অন্যতম।
- মুদ্রা: সুইস ফ্রাঙ্ক।
- সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু পর্বতের নাম মন্টি রোজা।

উল্লেখ্য,
- সুইজারল্যান্ডকে "Playground of Europe" বা ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন  বলা হয়।

উৎস: Britannica.
১১.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ভারত ও চীন
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ):
- 'লাইন অব কন্ট্রোল' ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে।

এছাড়াও, আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
১২.
ষাট গম্বুজ মসজিদে মোট গম্বুজের সংখ্যা কত?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৭৯টি
  4. ৮১টি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৩.
নিম্নের কোনটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ?
  1. মিশরের পিরামিড
  2. তাজমহল
  3. কুতুব মিনার
  4. আইফেল টাওয়ার
ব্যাখ্যা
মিশরের পিরামিড:
- পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ হিসেবে সাধারণভাবে মিশরের গ্রেট পিরামিডকে উল্লেখ করা হয়।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের মধ্যে একমাত্র যা এখনও অক্ষত রয়েছে।

⇒ পিরামিড মূলত সমাধিক্ষেত্র।
- প্রাচীন মিশরের শাসনকর্তা ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের সমাহিত করা হতো এই বিশাল সমাধিক্ষেত্রে।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৮০ অব্দের দিকে ধাপে ধাপে উঠে যাওয়া আকৃতির পিরামিড নির্মাণের জন্য একটির ওপর আরেকটি– এভাবে ছয়টি ধাপে প্রথম পিরামিড নির্মাণ করা হয়েছিল।
- জোসের নামের একজন ফারাওয়ের জন্য নির্মাণ করা এই পিরামিডের কোনাগুলো মসৃণ না হলেও এটাকেই প্রথম সত্যিকারের পিরামিড হিসেবে ধরা হয়।

উল্লেখ্য,
- যদি আমরা আরও প্রাচীন স্থাপনার কথা বিবেচনা করি, তাহলে তুরস্কের গ্যোবেকলি তেপে (Göbekli Tepe) নামক স্থানটি উল্লেখযোগ্য। এটি প্রায় ১১,০০০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। তবে এটি একটি ধর্মীয় স্থান, পিরামিডের মতো কীর্তিস্তম্ভ নয়।

অন্যদিকে,
- ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল সত্যিকারের ভালোবাসার প্রতীক। সপ্তদশ শতকে মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার প্রয়াত স্ত্রী মুমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশে গড়ে তোলেন রাজকীয় এই সমাধিস্তম্ভ।
- কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিলিতে অবস্থিত একটি স্তম্ভ বা মিনার, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ইটনির্মিত মিনার। দিল্লির সালতানাতের প্রথম শাসক কুতুবুদ্দিন আইবেকের আদেশে ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দে কুতুব মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। 
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। ১৮৮৭ সালে ফ্রান্স সরকার যখন ফরাসী বিপ্লবের স্মৃতি শর্তবাষিকী পালনের তোড়জোড় করছিলেন তখন সেই ঘটনাটিকে স্মরণীয় এক নিদর্শনে ধরে রাখার জন্যই এই প্রতীক মিনারটি তৈরীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তারা।

উৎস: Worldatlas.
১৪.
'গ্রিন স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. মস্কো
  2. কায়রো
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ত্রিপোলি
ব্যাখ্যা
গ্রিন স্কয়ার:
- গ্রিন স্কয়ার লিবিয়ার ত্রিপোলিতে অবস্থিত।
- সরকার বিরোধী বিক্ষোভের স্থান, গাদ্দাফি সমর্থকদের বিক্ষোভ এবং নেতার নিজের জ্বালাময়ী বক্তৃতার জন্য গ্রিন স্কয়ার বিখ্যাত।
- গ্রিন স্কয়ার দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ক্ষমতার প্রতীক ছিল।
- কিন্তু বিদ্রোহের সময় এটি পরিবর্তিত হয়েছে, বিদ্রোহীরা স্কোয়ারে ঝড় তুলে এবং এটির নামকরণ করে 'শহীদ স্কয়ার'।

এছাড়াও,
- তাকসিম স্কয়ার: তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত একটি স্থানের নাম তাকসিম স্কয়ার।
- তাহরির স্কয়ার: মিশরের কায়রোতে অবস্থিত। এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।
- রেড স্কয়ার: রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে এই রেড স্কয়ার অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
১৫.
'Land of White Elephant' বলা হয় -
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. কিউবা
ব্যাখ্যা
Land of White Elephant:
- Land of White Elephant বা সাদা হাতির দেশ বলা হয় থাইল্যান্ডকে।

⇒ থাইল্যান্ডএটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- থাইল্যান্ড উত্তর সীমান্তের পাহাড়ী বনাঞ্চল, কেন্দ্রীয় সমভূমির উর্বর ধানের ক্ষেত্র, উত্তর-পূর্বের বিস্তৃত মালভূমি এবং সংকীর্ণ দক্ষিণ উপদ্বীপের বর্বর উপকূল সহ বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- মুদ্রা: বাথ।

উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম শ্যাম দেশ।
- থাইল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত শ্যাম বলা হত।
- একে কখনও ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক আধিপত্যের অধীনে আনা হয়নি।
- স্বাধীন শ্যাম ১৯৩২ সালে একটি বিপ্লব হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত ছিল।
- সেই সময় থেকে, থাইল্যান্ড একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল এবং পরবর্তী সমস্ত সংবিধান একটি নির্বাচিত সংসদের ব্যবস্থা করেছে।

উৎস: Britannica.
১৬.
গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. নিতাই
  2. গণেশ্বরী
  3. সিমসাং
  4. বাঙালি
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড় গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণি।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের মোট আয়তন প্রায় ৮ হাজার ১৬৭ বর্গকিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক, যা ভারত অংশে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৪ হাজার ৬৫২ ফুট বা এক হাজার ৪০০ মিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- তবে গারো পাহাড়ের প্রধান শহর তুরা।

⇒ সোমেশ্বরী/সিমসাং নদী:
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড়ের বিঞ্চুরীছড়া ও বাঙাছড়া প্রভৃতি ঝর্ণাধারা ও পশ্চিম দিক থেকে রমফা নদীর স্রোতধারা একত্র হয়ে সোমেশ্বরী নদীর সৃষ্টি হয়।
- এক সময় এই নদীটি সিমসাং নামে পরিচিত ছিল।
- নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী সুমেশ্বরী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বাউলাই (বালই) নদীতে মিশেছে।

অন্যদিকে,
- নিতাই নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলা এবং দক্ষিণ গারো পাহাড় জেলা এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার একটি নদী।
- গণেশ্বরী নদী নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নের সাত শহীদের মাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। নদীটি ভারতের মেঘালায় রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশের নেত্রকোনা হয়ে প্রবেশ করেছে। 
- বাঙালি নদীর উৎপত্তি নীলফামারী জেলার তিস্তা নদী থেকে। নদীটি গাইবান্ধা ও বগুড়া অংশে এসে বাঙালি নাম ধারণ করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭.
বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

⇒ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।

উৎস: Britannica.