পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 4 & 5] [Live Class - 5, 6, 7, 8 & 9 ক্লাস মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি] এছাড়াও [Live Class - 4 ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
'নৃপতি তিলক' উপাধি লাভ করেন বাংলার কোন শাসক?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. মাহমুদ শাহ
  4. কুতুবুদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
• আলাউদ্দিন হোসেন শাহ:
- সুলতান হোসেন শাহ একজন পরধর্ম সহিষ্ণু ও নিষ্ঠাবান শাসক ছিলেন।
- জ্ঞানতাপস ও সুফি-সাধকদের তিনি ভক্তি করতেন।
- তাঁর উজির ছিলেন পুরন্দর খান।
- অনেক হিন্দু কবি-সাহিত্যিকও তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
- তাঁর উদারতায় মুগ্ধ হয়ে হিন্দু প্রজাগণ হোসেন শাহকে 'নৃপতি তিলক' 'জগৎভূষণ' 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধি দিয়েছিলেন।
- এ সময়ই শ্রী চৈতন্যদেবের অভ্যুদয় হয় এবং তিনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক ছিলেন।
- হিন্দু ও মুসলমানদের মিলনের যোগসূত্র হিসেবে তিনি 'সত্যপীর' নামে একটি নতুন কৃষ্টি প্রবর্তন করেন।

এছাড়াও, 
- সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শিল্প স্থাপত্যের একজন শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিলেন।
- গৌড়ের বিখ্যাত ছোট সোনা মসজিদ, মানিকগঞ্জ জেলার নাচাইল মসজিদ, গোমতি ফটক ছাড়া অগণিত মসজিদ, মাদ্রসা, সমাধি ও দূর্গ নির্মাণ করেন।
- তিনি 'বাদশাহী সড়ক' সহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের চলাচলের জন্য অনেক রাস্তাঘাট নির্মাণ করেন।
- সুদীর্ঘ ২৬ বছর গৌরবময় রাজত্ব শেষে ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে হোসেন শাহ ইন্তেকাল করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯ জুলাই ১৯০৫
  2. ১ সেপ্টেম্বর ১৯০৫
  3. ১৬ অক্টোবর ১৯০৫
  4. ১২ ডিসেম্বর ১৯০৬
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ কার্যকর: 
- ১৯০৩ সালে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা প্রবল গণ অসন্তোষের সৃষ্টি করে।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বাঙালি এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে।
- ১৯০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লর্ড কার্জন পূর্ব বঙ্গ সফরে আসেন।
- ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে প্রদত্ত বিভিন্ন ভাষণে তিনি নতুন প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের বেশি সুযোগ-সুবিধা লাভের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
- ফলে পূর্ব বঙ্গেরমুসলমানদের মনোভাবের পরিবর্তন ঘটে।
- এমতাবস্থায় কার্জন ১৯০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনাটি অনুমোদনের জন্য ভারত সচিবের কাছে পাঠান।
- ১৯ জুলাই পরিকল্পনাটি সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নতুন প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা কার্জনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

এছাড়াও,
 - অন্যদিকে উচ্চ বর্ণের হিন্দুরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
- কংগ্রেস এর বিরুদ্ধে একটি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে।

উৎস: সমাজ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. পাবনা
  3. গাজীপুর
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ডাল গবেষণা:
-
বাংলাদেশের ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী, পাবনায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্রের ১ (এক) টি আঞ্চলিক কেন্দ্র মাদারীপুর।
- এবং একটি উপকেন্দ্র (গাজীপুর) রয়েছে।
- বর্তমানে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে  হতে প্রায় ৯ টি ডাল জাতীয় ফসলের এ পর্যন্ত মোট ৪৩ টি জাত।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।
- আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র  হতে বেগুন, পটল ও বাতাবিলেবুসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় ৭ (সাত) টি জাত ।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া।
-  উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
-  উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
.
তিতুমীর বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মাণ করেন?
  1. কলকাতা
  2. নদীয়া
  3. নারিকেলবাড়িয়া
  4. সরফরাজপুর
ব্যাখ্যা
• তিতুমীরের কৃষক বিদ্রোহ: 
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর (১৭৮২-১৮৩১) পশ্চিম বাংলার চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- নদীয়া জেলার জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
-  ওহাবী আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমদ বেরেলভির সান্নিধ্য লাভ করেন। 
-  জমিদার, নীলকর ও ব্রিটিশ বাহিনীর নির্মম অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেন।
- শীঘ্রই পশ্চিম বাংলার বিশাল অঞ্চল জুড়ে তিতুমীরের নেতৃত্বে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়।
- অত্যাচারী নীলকর, জমিদার ও ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে একাধিক জায়গায় তিতুমীরের বাহিনীর সংঘর্ষ হয়।
- চূড়ান্ত সংঘর্ষ বাঁধে বারাসাতের অদূরে নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে।
- নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে শাসকগোষ্ঠির আক্রমণের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

অপরদিকে,
- আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত কর্ণেল সুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বাহিনী।
- কামানের গোলার আঘাতে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ সম্মুখ যুদ্ধে ৫০ জন সহযোদ্ধাসহ তিতুমীর শহীদ হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ’ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ কবে দেখা দেয়?
  1. ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
  2. ১১৭৬ বঙ্গাব্দ
  3. ১১৭০ বঙ্গাব্দ
  4. ১১৫০ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- দিউয়ানী ও দ্বৈত শাসনের পরিণাম ছিল বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ধ্বংসলীলা।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দ (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- কোম্পানির মুর্শিদাবাদের প্রতিনিধি রিচার্ড বেচারের ভাষায় 'দেশের কয়েকটি অংশে যে জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করিতেছে তাহা গুজব নয়, অতিসত্য।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- ইংরেজ সরকার বাংলার জনগণকে এই বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
- বরং ১৭৬৫-৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাৎসরিক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ যা ছিল, দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল।
- ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- দুর্ভিক্ষের কারণে জনগণকে খাজনার দায় থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।
- তদুপরি পরের বছর শতকরা ১০ টাকা খাজনা বৃদ্ধি করা হয়। ফলে

উৎস: - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
’ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের’- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. সুরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস:
- সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন হলো ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
- ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
- ব্রিটিশ সরকারের নিকট শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভারতীয়দের দাবী-দাওয়া পেশের মাধ্যম হিসেবে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে।
- এতে সভাপতিত্ব করেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কোনটি?
  1. বিলেতি শিক্ষা বর্জন
  2. বিলেতি পণ্য বর্জন
  3. দেশী খাদ্য বর্জন
  4. দেশী বস্ত্র বর্জন
ব্যাখ্যা
• স্বদেশী আন্দোলন:
- ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থী অংশের নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাকেই স্বদেশী আন্দোলন বলা হয়।
- আন্দোলনের মূল কর্মসূচি ছিল দুইটি- বয়কট ও স্বদেশী।
- 'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- ক্রমে ক্রমে 'বয়কট' শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার হতে থাকে।
- বয়কট শুধু বিলেতি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
- বিলেতি শিক্ষা বর্জনও কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।
- ফলে স্বদেশী আন্দোলন শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনে রূপ নেয়।

এছাড়াও,
- বিলেতি শিক্ষা বর্জনের মতো পণ্য বর্জনের জন্যও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- স্থানে স্থানে সমিতির মাধ্যমে বিলেতি পণ্য বর্জন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারে শপথ নেওয়া হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলা।
- এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে থাকেন।
- একই সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে এ সময় দেশি তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি।
.
রাজা টোডরমল কে ছিলেন?
  1. আকবরের ধর্মমন্ত্রী
  2. আকবরের অর্থমন্ত্রী
  3. আকবরের সমরমন্ত্রী
  4. আকবরের সভাকবি
ব্যাখ্যা
• আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- আকবরের মন্ত্রীসভা:
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আবুল ফজল।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন টোডরমল।
- সেনাপ্রধান ছিলেন মান সিংহ।

• রাজা টোডরমল:
- টোডরমল  চাষের জমি সমূহকে ৪ ভাগে ভাগ করেন।
-  পোলাজ জমি এ সমস্ত জমি প্রতি বছর চাষ করা হত।
- পরাউতি জমি- এ ধরনের জমি একবার চাষের পর উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য কিছুদিন অনাবাদী রাখা হত।
- চাচর জমি এ সমস্ত জমি তিন বা চার বছর পর পর চাষ করা হত।
- বনযার জমি এ ধরনের জমি পাঁচ বছরের জন্য অনাবাদী থাকত।
- প্রথম দুই ধরনের ভূমি থেকে উৎপন্ন শস্যের এক তৃতীয়াংশ ভূমি রাজস্ব হিসেবে গৃহীত হতো। 
- এই ভূমি রাজস্ব নীতি 'যাবতী' বা টোডরমলের 'রায়তওয়ারী' প্রথা নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া, দৈনিক নয়া দিগন্ত।
.
উপমহাদেশে প্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন কে?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. সম্রাট আকবর
  3. শায়েস্তা খান
  4. লর্ড কর্ণওয়ালিশ
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংস:
- ১৭৫৮ সাল থেকে হেস্টিংস মুর্শিদাবাদে নতুন নওয়াব  মীরজাফর-এর দরবারে কোম্পানির রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন সর্বশেষ গভর্নর এবং প্রথম গভর্নর জেনারেল।
- উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন।
- দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান।
- কলকাতা রাজধানী করেন।
- পাঁচশালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথম ভারতীয় সংবাদপত্র 'বেঙ্গল গেজেট' প্রকাশ করেন।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট পাস করান।

অপরদিকে,
-  লর্ড কর্ণওয়ালিশ: জমিদারি প্রথার সুত্রপাত, চিরস্থায়ী বন্দ্যেবস্ত, সুর্যস্ত আইন প্রবর্তন।
- সম্রাট আকবর: জিজিয়াকর, মনসবদারী প্রথা, স্বর্ণমন্দির নির্মান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন কে?
  1. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  2. আবু সায়েম সাদাত
  3. ফরাস উদ্দিন আহম্মেদ
  4. সালেহ উদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১.
পানি পথের দ্বিতীয় যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল কে?
  1. আহমদ শাহ আবদালি
  2. বৈরাম খাঁ
  3. ইব্রাহিম লোদী
  4. হিমু
ব্যাখ্যা
• পানি পথের যুদ্ধ:
-
পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:

- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

↔ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

↔পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।