পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
Exam - 23 Optional Laws-1 topic: Full
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কয় ধরনের কাজকে ক্ষতিকর কাজ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৯ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারায় ৮ ধরনের কার্যকে ক্ষতিকর কার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিকর কার্য অর্থ এমন কোন কাজ যা-

১. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
২. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৩. বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা জননিরাপত্তা বিপন্ন বা জনশৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণীর বা অংশের মধ্যে ঘৃণ্য বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করে বা উহার উসকানি দেয় বা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৫. আইন প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপে উত্তেজিত বা উৎসাহিত করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৬. জনগণের মধ্যে বা জনগণের কোন অংশের মধ্যে ভীতি বা সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৭. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৮. ক্ষতিকর রিপোর্ট অর্থ এমন কোন রিপোর্ট, বিবৃতি বা দৃশ্যমান বিবরণ, তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, যা প্রকাশ একটি ক্ষতিকর কাজ বা ক্ষতিকর কাজ সংঘটনের উসকানি দান করে।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
.
শিশু আইনের অধীন কোন ধরনের শিশুকে গ্রেফতার করা বা আটক রাখা যাবে না?
  1. ১৬ বছরের নিম্নের
  2. ৯ বছরের নিম্নের
  3. ১২ বছরের নিম্নের
  4. ১১ বছরের নিম্নের
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি

(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
.
শিশু আদালত মোট কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে?
  1. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৪২০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

অর্থাৎ শিশু আদালত মোট ৪২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী কোনো নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
.
ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে বিরত রাখার জন্য সরকার 'খ' কে বাংলাদেশ হতে অপসারিত হবার নির্দেশ দেয়। কিন্তু 'খ' এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'খ' কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  3. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  4. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় সরকার কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য আটক করার এবং অপসারিত হওয়ার আদেশ উভয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং ৩(২) ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র কোন ব্যক্তিকে আটক আদেশ দিতে পারে।

সরকার ২(চ) ধারায় উল্লেখিত যে কোন ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য সরকার কোন ব্যক্তিকে আটক বা অপসারিত হওয়ার আদেশ দিতে পারে কিন্তু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২(চ) ধারার (৩), (৪), (৫); (৬), (৭) বা (৮) দফায় উল্লেখিত ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য শুধুমাত্র আটক আদেশ দিতে পারে।

৩(৫) ধারায় উল্লেখ আছে যে, ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখার জন্য সরকার বাংলাদেশ হতে সেই ব্যক্তিকে স্বয়ং অপসারিত হবার নির্দেশ দিলে এবং উক্ত ব্যক্তি এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে, তিনি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
.
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪ এর ১৪ ধারায় কে আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে?
  1. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকার
  3. উপদেষ্টা বোর্ড
  4. হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 14: Temporary release of persons detained

(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release. 
(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction. 
(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be. 
(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.
.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার জন্য একজন আইনজীবীর সর্বনিম্ন কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৩ বছরের
  2. ৭ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ১০ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যৌতুক বলতে বোঝায়-
  1. বিবাহের সময় দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  2. বিবাহের পূর্বে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  4. উল্লিখিত সকল সম্পদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(ঞ) “যৌতুক” অর্থ-

(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ;
.
'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ হয়, 'খ', 'ক' এর ক্ষতিসাধনের জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'খ' কি শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১৪ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
১০.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি কোন আইনে উল্লেখ রয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. শিশু আইন,২০১৩
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-

‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
১১.
সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ২,০০,০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪- সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ

(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 14: Prohibition on publishing acquaintance of a woman or a child oppressed, in new media

i. Any news, information or name & address or any other information regarding any offence, under this Act, committed or any legal proceeding thereof, of which a woman or a child is the victim, shall be published or presented as such that the acquaintance of the woman or the child shall be undisclosed.

ii. In case, where the provision under sub-section (і) is infringed, the person or persons liable for such infringement, each shall be punished with imprisonment for either description, which may extend to two years or with fine not exceeding one lac taka or both.
১২.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কয়টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ১ টি
  3. ২ টি
  4. নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩৪ক ধারা অনুযায়ী-
১/ ফাঁসি দিয়ে, বা
২/ নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে; মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেতে পারে।

Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.
১৩.
শিশু আইন অনুসারে শিশুর বয়স নির্ধারণের প্রাসঙ্গিক তারিখ কোনটা হবে?
  1. আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ
  2. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  3. গ্রেপ্তার করার তারিখ
  4. বিচারকার্য শুরু হওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
১৪.
নিম্নের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নয়?
  1. ভবঘুরে
  2. বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন কোনো ব্যক্তি
  3. আদর্শ গ্রামে ঘর বরাদ্ধপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি
  4. সকলেই যোগ্য
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
⇒ মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
১৫.
'ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন'- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৮- আপীল
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

Section 28: Appeal
The party aggrieved by the order, judgment or punishment imposed by the Tribunal, can appeal to the High Court Division within the period of sixty days against such order, judgment or punishment.
১৬.
কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে কী হবে?
  1. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
  2. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন কিন্তু অপরাধ একই সাথে আমলে গ্রহণ
  3. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ একইসাথে আমলে গ্রহণ
  4. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে
১৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Trial in Absentia' এর বিধান আছে?
  1. ১১ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২১ ধারায় Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার


(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং

(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১৮.
'ক' তার ৮ বছরের ছেলেকে একটি রিভলবার দিয়ে বলে তার বন্ধু 'খ' কে দিয়ে আসতে। উক্ত কাজের জন্য 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা
  3. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাবাস
  3. ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
ব্যাখ্যা
চোরাচালান

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ ধারায় চোরাচালান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা বা আইনের অধীন অরোপিত বাধানিষেধ লঙ্ঘন করে বা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীন আদায়যোগ্য কোন শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে-
ক. বাংলাদেশী পাট, স্বর্ণ বা রুপা, স্বর্ণ বা সিলভার প্রস্তুতির দ্রব্যাদি, মুদ্রা, খাদ্যপণ্য, ঔষধসমূহ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্যকোন পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যায়;
খ. যেকোন পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে তাহলে সেটা চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

শাস্তি
২৫খ (১) ধারায় চোরাচালানের (Smuggling) শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাবাস বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস কিন্তু ২ বৎসরের কম না এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫খ (২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন পণ্য বিক্রি করে বা বিক্রির প্রস্তাব দেয় বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে বা নিজ নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রাখে তাহলে সে ২৫খ(২) ধারায় উল্লেখিত চোরাচালানের জন্য দণ্ডিত হবে এবং ২৫খ (২) ধারায় উল্লেখিত শাস্তি অর্থাৎ ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
২০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. তৎক্ষণাত কার্যকর হবে
  2. দায়রা আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।

Section 29: Confirmation of death penalty

When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
২১.
কোনো ব্যক্তির নিকট লাইসেন্সবিহীন মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছরের
  2. ১ বছরের
  3. ৩ বছরের
  4. ৫ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড

লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
২২.
শিশু আইনে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিকল্প পন্থা গ্রহণ করবেন-
  1. শিশু আদালত
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  4. শিশুর আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
২৩.
শিশু আদালত শিশুর _______ ব্যতীত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না। 
  1. বৈধ অভিভাবক
  2. আইনানুগ অভিভাবক
  3. মাতা-পিতা
  4. আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫- আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি

(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
২৪.
কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা কোন বিষয় বিবেচনা করবেন না?
  1. সংশ্লিষ্ট অপরাধ গুরুতর কিনা
  2. সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্যে আসে কিনা
  3. সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
  4. উল্লিখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২- জামিন, ইত্যাদি

(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
২৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Safe custody' এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩০ ধারায়
  4. ৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ ধারায় নিরাপত্তামূলক হেফাজতের বিধান রয়েছে।

ধারা ৩১- নিরাপত্তামূলক হেফাজত
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে, কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত নারী বা শিশুকে কারাগারের বাহিরে ও সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বা ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যথাযথ অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখিবার নির্দেশ দিতে পারিবে৷

Section 31: Safe custody
if at any stage of the trial of an offence under this Act, the Tribunal thinks that any woman or child is needed to be kept in safe custody, the Tribunal can direct to keep the woman or the child, out of the jail and under the custody of a Govt. authority determined by the Govt. for this purpose or under the custody of a person or organization whom the tribunal thinks proper.
২৬.
কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে লিখিত আদেশ দ্বারা কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা

(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
২৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর অধীন কোনো অফিসার কর্তৃক বেআইনি তল্লাশির দণ্ড কী?
  1. অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোন অপরাধ আপসযোগ্য?
  1. মিথ্যা মামলা দায়ের
  2. নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা
  3. যৌতুকের জন্য নারীকে সাধারণ জখম
  4. মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি

(১) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণীয় হইবে, এবং ধারা ১১ এর দফা (গ) এ উল্লিখিত অপরাধ আপসযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত মূল এবং প্রত্যক্ষভাবে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হইবে না, যদি-
(ক) তাহাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদনের উপর অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানীর সুযোগ দেওয়া না হয়; এবং
(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোন ব্যক্তি নারী বা শিশু হইলে কিংবা শারীরিকভাবে অসুস্থ (sick or infirm) হইলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে তাহাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাইবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ব্যক্তি ব্যতীত এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত অন্য কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনাল জামিনে মুক্তি দিতে পারিবে।

ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 15[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় ডিএনএ পরীক্ষার বিধান রয়েছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩১ক ধারায়
  3. ৩৩ ধারায়
  4. ৩২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২ক- অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা

এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা করিতে হইবে।
৩০.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে?
  1. The Arms Act,1878
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনের
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015)] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
৩১.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কর্তৃক দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা

কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাবস্ত্য কোন ব্যক্তিকে এইরূপ যে কোন দণ্ডদান করতে পারবে যা উক্ত ব্যক্তির অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবে।
কিন্তু কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ৭ বৎসরে বেশি কারাদণ্ডে এবং ১০ হাজার টাকার বেশি জরিমানা করতে পারবে না।

Section 28: Powers of Special Tribunals


Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force,- 
(a) a Special Tribunal consisting of a Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted; 

(b) a Special Tribunal consisting of a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted except death, 26[imprisonment for life] or imprisonment for a term exceeding seven years and fine exceeding ten thousand taka.
৩২.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৩৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ২১ক- লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:

(১) সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিতে পারিবে। 
 
(২) লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে আইনে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় প্রেরণ করা হইলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকিবে।
৩৪.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনূর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৩৫.
শিশু আদালতে বিশেষ কোন ধরনের সুবিধার বিধান নেই?
  1. বিচার প্রক্রিয়ায় অভিভাবকের নিকট শিশুকে বসার সুযোগ
  2. প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ ধরনের আসন
  3. আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
  4. আদালতের কোন কর্মচারী ইউনিফরম পরিধান করবেন না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- শিশু আদালতের পরিবেশ ও সুবিধাসমূহ:

(১) আদালতকক্ষের ধরন, সাজসজ্জা ও আসন বিন্যাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(২) শিশু-আদালতের আসন বিন্যাস এমনভাবে করিতে হইবে যেন সকল শিশু বিচার প্রক্রিয়ায় তাহার মাতা-পিতা বা তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ বা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য এবং প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর, যতদূর সম্ভব, সন্নিকটে বসিতে পারে। 
 
(৩) উপ-বিধি (১) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া আদালতকক্ষে শিশুর জন্য উপযুক্ত আসনসহ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য, প্রয়োজনে, বিশেষ ধরনের আসন প্রদানের বিষয়টি শিশু-আদালত নিশ্চিত করিবে। 
 
(৪) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালীন, আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোন কর্মচারী আদালতকক্ষে তাহাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করিতে পারিবেন না।
৩৬.
শিশু আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু আদালত নিম্নবর্ণিত কোন বিষয় বিবেচনা করবে না?
  1. শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা
  2. শিশু ও তার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি
  3. শিশুর অভিভাবকের অভিমত
  4. শিশুর অভিমত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০- শিশু আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং 
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
৩৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়ের ক্ষেত্রে কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করা যাবে
  2. শুধুমাত্র বিদ্যমান সম্পদ হতে আদায় করা যাবে
  3. সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড এর দাবী প্রাধান্য পাবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- ভবিষ্যত সম্পত্তি হইতে অর্থদণ্ড আদায়:

এই আইনের ধারা ৪ হইতে ১৪ পর্যন্ত ধারাসমূহে উল্লিখিত অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবী প্রাধান্য পাইবে।
৩৮.
ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম লাভকারী শিশু কার পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার অধিকারী হবে?
  1. পিতার
  2. মাতার
  3. শিশুর ইচ্ছানুযায়ী ব্যক্তির
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:

(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।

(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
৩৯.
শিশু আইনের কত ধারায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৯ ধারায়
  3. ৮৬ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯- সুবিধাবঞ্চিত শিশু:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:- 
 
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে; 
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু; 
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু; 
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু; 
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু; 
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু; 
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
৪০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড কে বাতিল করার অধিকারী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সরকার
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩০ক ধারায় সরকার বিশেষ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড যেকোন সময় হ্রাস, বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।

Section 30A: Power of Government to remit, suspend or commute any sentence
Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.
৪১.
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত শাস্তির বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন

বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কোন আপীল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ দান বা ঘোষণা প্রকাশের তারিখ হতে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। 

Section 30: Appeals and confirmation of death sentences

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৪২.
কোনো ব্যক্তি সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কোন ধরনের সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য হবেন?
  1. আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ
  2. আইনগত পরামর্শ গ্রহণ
  3. বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির
  4. উল্লিখিত সকল সেবা
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪:

অনুচ্ছেদ ৪: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি


অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।