পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 3 The Penal Code-1860: Test-1 Topic: Section 1-140 • Introduction • General explanations • Punishments • General exceptions • Abetment • Criminal conspiracy • Offences against the state • Offences relating to the army, navy and air force
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শারীরিক ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. পরিবেশগত ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে শারীরিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি ও সম্পত্তির ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত কিন্তু পরিবেশগত ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- পরিবেশগত ক্ষতি (Environmental Injury): প্রাকৃতিক সম্পদ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব। যেমন: বন উজাড়, জলদূষণ।
- দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি": "ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।
----------------------
- The Penal Code, 1860 Section-44: “Injury”- The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
.
দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে

অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------------
- The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) একাদিক্রমে সর্বোচ্চ কত দিনের বেশি হবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না। অর্থাৎ দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) একাদিক্রমে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের বেশি হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ Section 73: Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ Section 74: Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ বলতে কী বুঝায়?
  1. রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
  2. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
  3. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
  4. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি করা
সঠিক উত্তর:
সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
---------------------
Section 124A. Sedition:
 Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা কত?
  1. অপরাধ সংঘটনের ১০ বছরের মধ্যে।
  2. অপরাধীর মৃত্যুর ৫ বছরের মধ্যে।
  3. দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ বছরের মধ্যে।
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
------------------
⇒ Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
 The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
.
The Penal Code, 1860 কোন প্রকারের আইন?
  1. Private Law
  2. Procedural Law
  3. Adjective Law
  4. Substantive Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

- ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য Private Law প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। যেমন- চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন।

.
দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত কোনটি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়?
  1. গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা।
  2. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  3. চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  4. ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
ব্যাখ্যা
→ "চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ" দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-------------------
The Penal Code, 1860- Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
-The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
.
'চ' একজন চিকিৎসক এবং 'ছ' একটি গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগী। 'চ' জানত যে, 'ছ' এর অপারেশন করলে তার মৃত্যু হতে পারে, তবে 'চ' তার মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে অপারেশনটি করে। এর ফলে 'ছ' মারা যায়। এই পরিস্থিতিতে, 'চ' এর দ্বারা কৃত কাজ -
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারানুযায়ী মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য ব্যতিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপকারে সরল বিশ্বাসে সম্মতিক্রমে কোন কাজ করলে তা অপরাধ নয়।
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি অন্যকে উপকার করতে গিয়ে তার সম্মতিতে কোনো কার্য সম্পাদন করেন, এবং কাজটি এমনভাবে করা হয় যে এতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে, তবে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি:
- কাজটি করার সময় তার সদিচ্ছা এবং সরল বিশ্বাস ছিল যে এটি ওই ব্যক্তির উপকারে আসবে।
- কাজটি করার উদ্দেশ্য ছিল না কারো মৃত্যু ঘটানো।
- কাজটি সম্পাদনের পর যদি কোনো ক্ষতি হয়, তবে তা এই কারণে যে, সেই ব্যক্তি জানত যে এ ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি এটি আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে না করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৮৮ ধারার বিধান মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:
যে ব্যক্তির উপাকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
-------------
- Section 88. Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) প্রমাণ করার জন্য কোনটি প্রয়োজন নয়?
  1. একই অভিপ্রায় থাকা।
  2. পূর্ব পরিকল্পনা থাকা।
  3. সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
  4. অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হওয়া।
সঠিক উত্তর:
সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
ব্যাখ্যা

→ উল্লিখিত প্রশ্নে দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) প্রমাণ করার জন্য 'সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা' প্রয়োজন নয়।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:  যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
অর্থাৎ, এক দল ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধের পরিকল্পনা করে এবং তা সম্পাদন করে, তবে তাদের সবাইকে ওই অপরাধের জন্য সমান দায়ী করা হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে আলাদাভাবে অপরাধটি করতে পারে না।
- তাদের প্রত্যেকে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হবে, কারণ তারা সবাই একসাথে এবং একই উদ্দেশ্যে কাজ করেছে।

→ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে।
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।

এখানে, সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা এই শর্তটি প্রয়োজন নয়। কারণ, সাধারণ অভিপ্রায় থাকতে হবে, কিন্তু অপরাধ সংঘটিত করতে সকল ব্যক্তি একসাথে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তারা আলাদাভাবে অংশ নিতে পারে, তবে তাদের অভিপ্রায় ও পরিকল্পনা এক হতে হবে।
অতএব,সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention)  প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।
---------------
- The Penal Code, 1860 Section-34: Acts done by several persons in furtherance of common intention: 
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

১০.
Under Section 95 of The Penal Code, what type of harm is not considered an offence?
  1. Severe harm
  2. Harm caused by accident
  3. Harm with the intent to injure
  4. Slight harm that no ordinary person would complain about
সঠিক উত্তর:
Slight harm that no ordinary person would complain about
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Slight harm that no ordinary person would complain about
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা মতে সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
- সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।
------------
→ Section 95. Act causing slight harm:
- Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
১১.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার অধীনে সরকার কোন শাস্তি হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
→ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে ।
- দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
অর্থাৎ, 
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ক ধারা: ৫৪ ও ৫৫ ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা বা শাস্তি কমানোর ক্ষমতায় বাধা দেয় না।
১২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
-৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
--------------
- The Penal Code, 1860, Section 97: Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend 
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body; 
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১৩.
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

→দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব  চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
উদাহরণ:
ক) একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
খ) যদি জরিমানার পরিমাণ ১০০ টাকা হয়, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ মাস হতে পারে।
গ) যদি জরিমানা ১০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-------------
→ The Penal Code,1860- Section 67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
 If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.

১৪.
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে কোন ধরনের নিরাপত্তা দেয়?
  1. বিচারককে কারাদণ্ড থেকে রক্ষা করে
  2. বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করতে সহায়তা করে
  3. বিচারককে আইন লঙ্ঘনের জন্য সুরক্ষা দেয়
  4. বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
সঠিক উত্তর:
বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে।

→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
১৫.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সদবিশ্বাসের (Good faith) সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৫
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫২ক
সঠিক উত্তর:
৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 52: “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
১৬.
নিচের কোন ধারাটি দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম?
  1. দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৮ ধারামতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন অপরাধের দোষী, অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধ সংঘটন করলেও দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি পেতে পারে।
- দণ্ডবিধির ৩৮ ধারাটি ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম; কেননা ৩৪ ধারায় অপরাধী যৌথভাবে দায়ী হলেও ৩৮ ধারায় অপরাধী পৃথকভাবে দায়ী হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান-কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:
⇒ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
⇒ কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.
⇒ Section 38: Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
- Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act.
১৭.
অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হলে, অর্থদণ্ডের অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল তা কী হবে?
  1. কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
  2. কারাদণ্ড বহাল থাকবে
  3. কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
  4. কারাদণ্ডের আংশিক সমাপ্তি হবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধিত হলে বা আদায় হয়ে গেলে আসামী মুক্তি পাবে এবং তার কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে।

→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে। 
অর্থাৎ অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হইলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া আছে তা সমাপ্ত হবে।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 68. Imprisonment to terminate on payment of fine:
- The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১৮.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধিতে ৫ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।

- দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53: Punishments:
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

-Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'বিচারালয়' এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৯
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২০ ধারার বিধান 'বিচারালয়' বা 'আদালত':- 'বিচারালয়' বা 'আদালত' বলতে শুধু বিচার কার্য করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিচারক বা বিচারক সংস্থাকে বুঝাবে, যেক্ষেত্রে এইরূপ বিচারক বা বিচারক সংস্থা বিচার কার্য করছেন।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 20: "Court of Justice":- The words "Court of Justice" denote a Judge who is empowered by law to act judicially alone, or a body of Judges which is empowered by law to act judicially as a body, when such Judge or body of Judges is acting judicially.
২০.
দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসারে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৭৫ ধারা
  2. ৭৬ ধারা
  3. ৭৭ ধারা
  4. ৭৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসরণ করে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
- Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
২১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে যে, মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি সংঘটিত অপরাধ শাস্তিযোগ্য হবে না?
  1. ৮২ ধারায়
  2. ৮৩ ধারায়
  3. ৮৪ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধি ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 84: Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
২২.
দণ্ডবিধির কোন ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারকে সুরক্ষা দেয়?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৫ক ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৫-ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষাধিকার সংরক্ষণ: ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।
অন্যদিকে,
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
-----------
→ The Penal Code,1860- Section 55A: Saving for President’s prerogative: 
-Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
২৩.
কারাদণ্ড ৬ মাসের বেশি তবে একবছরের কম হলে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:
- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
-----------------
→ The Penal Code,1860- Section 73. Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
২৪.
দণ্ডবিধিতে মোট কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২৩টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩টি
ব্যাখ্যা
→ The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS)
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS)
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS)
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT)
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY)
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE)
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY)
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION)
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
২৫.
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায়, সহায়তাকারী যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তা করে এবং অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ,
- যদি অপরাধ ঘটানো না হয়:
কোনো ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে, কিন্তু সেই অপরাধটি ঘটে না, তবে সেই ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এছাড়াও, তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

-যদি অপরাধ ঘটে এবং আঘাত হয়:
যদি অপরাধটি সংঘটিত হয় এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে সহায়তাকারীকে ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। তাছাড়া, তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
----------------
Section 115: Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
 Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
২৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কখন ৩০ বছর ধরা হয়?
  1. অর্থদণ্ড দেওয়ার সময়
  2. দণ্ডবিধির শাস্তির সময়
  3. আমৃত্যু কারাদণ্ডের সময়
  4. দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
ব্যাখ্যা
→ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।
----------
→ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
 
২৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১১৫
  2. ১১৬
  3. ১১৭
  4. ১১৮
সঠিক উত্তর:
১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ:
- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 117: Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons: 
- Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২৮.
What is meant by "Special Law" under The Penal Code,1860?
  1. A law applicable generally
  2. A law applicable only to judges
  3. A law applicable to a particular subject or area
  4. A law applicable to all citizens of the country
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
ব্যাখ্যা
 - দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।
→ The Penal Code,1860, Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

- দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।
-The Penal Code,1860- Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
২৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় যৌথ দায় বা Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে ?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১৪৯ ধারায়
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ যৌথ দায় (Joint Liability) বলতে বোঝায়, যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধে যুক্ত হন, তখন তাদের মধ্যে কে কীভাবে অপরাধে অংশ নিয়েছেন তা বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল যে, সমস্ত অপরাধের জন্য তারা সমানভাবে দায়ী হবেন।
- দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮ এবং ১৪৯ ধারায় যৌথ দায়ের বিধান রয়েছে।
- ৩৪ ধারায় যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধ করেন, তাদের প্রত্যেকেই সমানভাবে শাস্তি পাবে।
- ১৪৯ ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে, তবে সমাবেশের সকল সদস্যকেই দায়ী করা যাবে।
- ৩৯৬ ধারায় যদি ৫ বা তার বেশি ব্যক্তি ডাকাতি করতে গিয়ে এক জন খুন করে, তবে "খুনসহ ডাকাতি" এর অপরাধে সব ডাকাতকেই শাস্তি দেওয়া হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশ নেননি।
উপরোক্ত ধারায় Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একাধিক অপরাধীকে একযোগভাবে দায়ী করা হয়।
৩০.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সদবিশ্বাসে করা যোগাযোগ অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. যদি তা অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়
  2. যদি তা অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে
  3. যদি তা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে করা হয়
  4. যদি তা অন্যের মঙ্গলের জন্য এবং সদবিশ্বাসে করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি তা অন্যের মঙ্গলের জন্য এবং সদবিশ্বাসে করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তা অন্যের মঙ্গলের জন্য এবং সদবিশ্বাসে করা হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 -কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ: ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
Illustration:
- A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৩১.
A এবং B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, A এবং B মিলে বিষ প্রয়োগ করলে C মারা যায়। A এবং B এর দোষ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  3. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
-যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কিছু কাজের মাধ্যমে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়, তখন কেউ যদি ঐ কাজগুলির মধ্যে একটি সম্পাদন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি অপর অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে। এর মানে হল যে, একই অভিপ্রায় না থাকলেও যদি একজন অপরাধীর কাজ অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তবে উভয়েই অপরাধে দায়ী হবে।

উদাহরণ: ক ও খ আলাদাভাবে, ভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ-কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। তাদের দ্বারা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ মারা যায়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করতে সহায়তা করেছে এবং তারা প্রত্যেকে এমন কাজ করেছে যার ফলে মৃত্যু ঘটেছে। তাই, যদিও ক ও খ এর কাজ পৃথক, তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
---------------
→ The Penal Code, 1860 Section- 37: Co-operation by doing one of several Acts constituting an offence:
- When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.
 
Illustrations:
(a) A and B agree to murder Z by severally and at different times giving him small doses of poison. A and B administer the poison according to the agreement with intent to murder Z. Z dies from the effects of the several doses of poison so administered to him. Here A and B intentionally co-operate in the commission of murder and as each of them does an act by which the death is caused, they are both guilty of the offence though their acts are separate. 
 
(b) A and B are joint jailors, and as such, have the charge of Z, a prisoner, alternately for six hours at a time. A and B, intending to cause Z's death, knowingly co-operate in causing that effect by illegally omitting, each during the time of his attendance, to furnish Z with food supplied to them for that purpose. Z dies of hunger. Both A and B are guilty of the murder of Z.
৩২.
দণ্ডবিধির ৮০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তি আইনানুগ কাজ করার সময় দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন?
  1. যদি দুর্ঘটনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে না ঘটে
  2. যদি তার উদ্দেশ্য অপরাধমূলক না হয়
  3. যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে
  4. যদি সে কাজটি আইনানুগভাবে এবং সতর্কতা সহকারে করে
সঠিক উত্তর:
যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে
ব্যাখ্যা
→দণ্ডবিধির ৮০ ধারায়,  একজন ব্যক্তি আইনানুগ কাজ করার সময় দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন- যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে।

→ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

- কিন্তু যদি তার কাজটি অবহেলায় হয়ে থাকে তাইলে সে দুর্ঘটনার জন্য অপরাধী হতে পারেন।
--------------
→ The Penal Code,1860- Section 80: Accident in doing a lawful act:
- Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 

Illustration:
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৩৩.
"ক" একটি শিশুকে "খ" এর খাবারে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। তবে শিশুটি ভুলবশত "গ" এর খাবারে বিষ মেশায় এবং "গ" মারা যায়। এই ক্ষেত্রে "ক" -
  1. "গ" কে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা জন্য দায়ী হবে
  3. "গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি অন্যকে কোনো কাজ করার জন্য সহায়তা করে, তবে যদি সেই সহায়তার কারণে কোনো ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তাহলে সেই সহায়তাকারী ব্যক্তি সেই ভিন্ন কাজের জন্যও দণ্ডিত হতে পারে। তবে, সহায়তা দেয়া কাজটি, মূলত, সেই সহায়তার দ্বারা সম্পাদিত একটি সম্ভবনা হিসেবে হতে হবে এবং সেই কাজটি সহায়তার প্রভাবেই করা হয়েছে।

উদাহরণ:  'ক' একটি শিশুকে 'চ'-এর খাদ্যে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। কিন্তু শিশুটি ভুলক্রমে 'গ'-এর খাদ্যে বিষ মেশায়। এখানে, শিশুটি 'ক'-এর প্ররোচনায় 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশিয়েছে। তাই 'ক', শিশুটিকে 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশাতে প্ররোচিত করার জন্য এবং যতটুকু দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডিত হবে।
--------------
→ The Penal Code, 1860 Section-111: Liability of abettor when one act abetted and different act done:
- When an act is abetted and a different act is done, the abettor is liable for the act done, in the same manner and to the same extent as if he had directly abetted it:

Provided the act done was a probable consequence of the abetment, and was committed under the influence of the instigation, or with the aid or in pursuance of the conspiracy which constituted the abetment.

Illustrations:
(a) A instigates a child to put poison into the food of Z, and gives him poison for that purpose. The child, in consequence of the instigation, by mistake puts the poison into the food of Y, which is by the side of that of Z. Here if the child was acting under the influence of A's instigation, and the act done was under the circumstances a probable consequence of the abetment, A is liable in the same manner and to the same extent as if he had instigated the child to put the poison into the food of Y.