পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। ৫. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ৬. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৭. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৮. ক্লায়েন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৯. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ১০. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, রোবটিক্স, ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
UNIVAC I-এর কোন বৈশিষ্ট্য এটিকে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে?
  1. প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল
  2. প্রথম কম্পিউটার যা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ব্যবহার করেছিল
  3. প্রথম কম্পিউটার যা সৌর শক্তিতে চলে
  4. প্রথম কম্পিউটার যা বহনযোগ্য ছিল
ব্যাখ্যা

​• UNIVAC I (Universal Automatic Computer I) ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল। এটি ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ হওয়া প্রথম বড় কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে UNIVAC I তাত্ক্ষণিক গণনা করতে সক্ষম হয়, যা আগের যান্ত্রিক কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ছিল। এর মাধ্যমে বড় আকারের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হয় এবং সরকারি ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের পথ প্রশস্ত হয়। এটি কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।

সঠিক উত্তর: ক) প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল।

​• UNIVAC:
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)। এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিয়ে UNIVAC I জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

উৎস:
১।মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
NFC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো:
  1. ইথারনেট সংযোগ
  2. এইচডি ভিডিও সম্প্রচার
  3. ওয়্যারলেস পেমেন্ট
  4. লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা

• NFC বা Near Field Communication একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম। এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো ওয়্যারলেস পেমেন্ট। NFC প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন বা NFC-enabled কার্ড দিয়ে দ্রুত এবং নিরাপদে পেমেন্ট করতে পারে। এই পদ্ধতিতে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য সরাসরি প্রেরণ করা হয় না, বরং এনক্রিপ্টেড টোকেন ব্যবহার করে লেনদেন সম্পন্ন হয়। এছাড়াও NFC ট্যাগ স্ক্যান, পরিচয় যাচাই, এবং ছোট ডেটা ট্রান্সফারেও ব্যবহৃত হয়। অন্য অপশন যেমন ইথারনেট সংযোগ, এইচডি ভিডিও সম্প্রচার বা লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই NFC-র কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোন প্রোডাক্টটি মাইক্রোসফট উদ্ভাবন করেনি?
  1. উইন্ডোজ ওএস
  2. মাইক্রোসফট অফিস
  3. গুগল ক্রোম
  4. এক্সবক্স
ব্যাখ্যা

​• চারটি প্রোডাক্টের মধ্যে গ) গুগল ক্রোম মাইক্রোসফট তৈরি করেনি। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট অফিস, এবং এক্সবক্স সবই মাইক্রোসফটের তৈরি। উইন্ডোজ হলো তাদের জনপ্রিয় কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়। মাইক্রোসফট অফিস হলো অফিস প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যারের একটি সেট, যেমন ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদি। এক্সবক্স হলো তাদের গেমিং কনসোল। অন্যদিকে, গুগল ক্রোম হলো গুগলের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) গুগল ক্রোম।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ২১ আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: মাইক্রোসফট এবং তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

.
যেসব রোবট ঘূর্ণন ছাড়াই একাধিক দিক দিয়ে চলতে সক্ষম, সেগুলোকে বলা হয়:
  1. হুইল্ড রোবট
  2. লেগ রোবট
  3. হিউম্যানয়েড রোবট
  4. ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট
ব্যাখ্যা

• যেসব রোবট ঘূর্ণন ছাড়াই একাধিক দিক দিয়ে চলতে সক্ষম, সেগুলোকে ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট বলা হয়। এই রোবটগুলোতে বিশেষ ধরনের চাকা থাকে, যা একদিকে ঘোরার পাশাপাশি পাশের দিকে বা তির্যকভাবে চলার ক্ষমতা দেয়। ফলে রোবটটি কোন স্থান পরিবর্তনের জন্য ঘূর্ণন করতে হয় না, বরং সরাসরি যেকোনো দিক দিয়ে চলতে পারে। এর ফলে ঘনবসতি বা জটিল পরিবেশে দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে গতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। সাধারণ হুইল্ড বা লেগ রোবটের তুলনায়, ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট স্থানসংকুলে বা ফ্যাক্টরিতে মালামাল পরিবহনে অনেক বেশি কার্যকর। এটি স্বয়ংচালিত গাড়ি ও অটোমেশন সিস্টেমেও ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: ঘ) ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট। 

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রথম স্মার্টফোনটি কোন প্রতিষ্ঠান ডিজাইন করেছিল?
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. গুগল
  4. অ্যাপল
ব্যাখ্যা

• প্রথম স্মার্টফোনটি আইবিএম (IBM) ডিজাইন করেছিল। ১৯৯৩ সালে IBM তাদের সাইমন পার্সোনাল কমিউনিকেটর (Simon Personal Communicator) তৈরি করে, যা ১৯৯৪ সালে বাজারে আসে। এটি কেবল ফোন হিসেবে নয়, বরং ই-মেইল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নোট করা এবং অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটার ফাংশনও করতে সক্ষম ছিল। স্মার্টফোন ধারণা তখনকার সময়ে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করে, যেখানে ফোন এবং কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রিত হয়। IBM-এর এই উদ্ভাবন আধুনিক স্মার্টফোনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল: খ) আইবিএম।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
নিচের কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. লজিক বোম
  4. মাল্টিপারটাইট
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস সাধারণত এমন একটি প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার ফাইল বা সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজেকে প্রতিলিপি করতে পারে এবং ক্ষতি করতে পারে। এর মধ্যে ওয়ার্ম এবং লজিক বোম সরাসরি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। ওয়ার্ম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ায় এবং সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রবেশ করে। লজিক বোম নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে সক্রিয় হয়। মাল্টিপারটাইট ভাইরাসও এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা একাধিক ফাইল ও সেক্টরে সংক্রমণ ছড়ায়। তবে অ্যাডওয়্যার ভাইরাস নয়; এটি ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দেখায়, যা বিরক্তিকর কিন্তু সাধারণত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয়। তাই সঠিক উত্তর ক) অ্যাডওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি একটি AI মডেলের উদাহরণ?
  1. রাউটার
  2. ব্রাউজার
  3. স্প্রেডশীট
  4. ডিসিশন ট্রি
ব্যাখ্যা

• AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল হলো এমন একটি প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম যা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিসিশন ট্রি হল একটি জনপ্রিয় AI মডেল, যা ডেটা থেকে শিখে বিভিন্ন সিদ্ধান্তমূলক পাথ তৈরি করে। এটি শাখা-প্রশাখা আকারে ডেটাকে বিভাজন করে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, রাউটার, ব্রাউজার বা স্প্রেডশীট মূলত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার টুল, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করে, কিন্তু নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না। তাই ডিসিশন ট্রি একটি AI মডেলের উদাহরণ।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

Source: Britannica.

.
হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ হিসেবে কোনটি উল্লেখযোগ্য?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি
  2. অ্যাবাকাস
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল রিস্টওয়াচ
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ ইনপুট থেকে তথ্য গ্রহণ করে তা ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে প্রক্রিয়াজাত করে এবং ফলাফল আবার অ্যানালগ আউটপুট হিসেবে প্রদান করতে পারে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত এমন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে দ্রুত ও সঠিক হিসাবের পাশাপাশি রিয়েল টাইম সেন্সর ডেটা প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি (ECG)। ইসিজি রোগীর হার্টের অ্যানালগ সিগনাল নেয় এবং তা ডিজিটাল ফর্মে বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি।

​• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
এম্বেডেড সিস্টেমে স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য সাধারণত কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. রম
  2. র‍্যাম
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. রেজিস্টার মেমোরি
ব্যাখ্যা

​• এম্বেডেড সিস্টেমে স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য সাধারণত রম (ROM) ব্যবহার করা হয়। ROM হল রিড-অনলি মেমোরি, যা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এতে সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার সংরক্ষণ করা হয়, যা সিস্টেম চালু হওয়ার সময় সরাসরি পড়া যায়। অন্যদিকে র‌্যাম (RAM) অস্থায়ী মেমোরি, যা শুধুমাত্র চলমান প্রোগ্রামের ডেটা ধারণ করে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলে তথ্য মুছে যায়। ক্যাশ মেমোরি এবং রেজিস্টার মেমোরি দ্রুত তথ্য অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়। তাই স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য ROM হলো সবচেয়ে উপযুক্ত।

উত্তর: ক) রম। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
হাফ ডুপ্লেক্সের তুলনায় ফুল ডুপ্লেক্স:
  1. ভয়েস কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় না
  2. সবসময় ধীর
  3. ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে
  4. কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা

• ফুল ডুপ্লেক্স হল একটি কমিউনিকেশন সিস্টেম যেখানে ডেটা একই সময়ে দুই দিকেই প্রেরণ এবং গ্রহণ করা যায়, যা হাফ ডুপ্লেক্সের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি বৃদ্ধি করে। হাফ ডুপ্লেক্সে একটি সময়ে কেবল একদিকে ডেটা পাঠানো যায়, তাই যোগাযোগ ধীর হয়, কিন্তু ফুল ডুপ্লেক্সে উভয় দিকের ট্রান্সমিশন একসাথে ঘটতে পারে। এটি ভয়েস বা ডেটা কমিউনিকেশনের জন্য পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য এবং ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে না, বরং আরও দক্ষভাবে ব্যবহার করে। তাই ফুল ডুপ্লেক্সের মূল সুবিধা হলো হাফ ডুপ্লেক্সের তুলনায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

উত্তর: ঘ) কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। 

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
Slack নামকরণ করা হয়েছে একটি এক্রোনিম থেকে। এটি কী বোঝায়?
  1. Searchable Log of All Conversation and Knowledge
  2. Simple Language and Knowledge
  3. Slackers’ Lounge and Communication
  4. Systematic Link for All Communication
ব্যাখ্যা

• Slack নামকরণ করা হয়েছে “Searchable Log of All Conversation and Knowledge” থেকে। এটি একটি কমিউনিকেশন এবং সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম, যা টিমগুলিকে এক জায়গায় চ্যাট, ফাইল শেয়ারিং, এবং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করতে সাহায্য করে। Slack মূলত একটি ডিজিটাল ওয়ার্কস্পেস, যেখানে সকল কথোপকথন, নোট, এবং তথ্য সার্চযোগ্য আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পূর্বের আলোচনা দ্রুত খুঁজে পেতে পারে এবং কার্যক্রমের প্রগতি ট্র্যাক করতে পারে। তাই Slack নামটি কেবল সংক্ষিপ্ত আকার নয়, বরং এর উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতার প্রতিফলন, যা দলীয় যোগাযোগ ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:
1. Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
2. Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3. Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
ড্রপবক্স মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব হোস্টিং
  2. গ্রাফিক ডিজাইন
  3. ক্লাউড স্টোরেজ
  4. ভিডিও সম্পাদনা
ব্যাখ্যা

​• ড্রপবক্স মূলত ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের ফাইল অনলাইনে সংরক্ষণ, ব্যাকআপ এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে সহজে শেয়ার করার সুবিধা দেয়। ব্যবহারকারী একটি ফাইল ড্রপবক্সে আপলোড করলে তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। এছাড়াও ড্রপবক্স দলীয় কাজকে সহজ করে, কারণ একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইল বা ফোল্ডারে পরিবর্তন আনতে পারে এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। তাই ড্রপবক্স মূলত ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য সংরক্ষণ ও শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ক্লাউড স্টোরেজ। 

• Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
কোনটি IMEI-এর প্রধান ব্যবহার?
  1. ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা
  2. ক্যামেরার গুণমান বাড়ানো
  3. ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধি করা
  4. হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
ব্যাখ্যা

​• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি ইউনিক শনাক্তকরণ নম্বর। এর প্রধান ব্যবহার হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন সনাক্ত ও ট্র্যাক করা। যখন ফোনটি নেটওয়ার্কে সংযোগ করে, তখন এই নম্বর ব্যবহার করে অপারেটর ফোনের অবস্থান চিহ্নিত করতে পারে এবং প্রয়োজনে নেটওয়ার্কে ফোনটি ব্লক করা যায়। এটি ব্যবহারকারীকে নিরাপত্তা দেয় এবং চুরি প্রতিরোধে সাহায্য করে। IMEI-এর কাজ ইন্টারনেটের গতি, ক্যামেরার গুণমান বা ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাই IMEI-এর মূল উদ্দেশ্য হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা।

সঠিক উত্তর: ঘ) হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা। 

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪.
ফায়ারওয়াল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য
  2. ফাইল নিরাপদ করার জন্য
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য
  4. তথ্য সংরক্ষণের জন্য
ব্যাখ্যা

​• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সিস্টেম বা ডিভাইস, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ট্রাফিককে অনুমতি দেয় এবং অননুমোদিত বা সন্দেহজনক ট্রাফিককে ব্লক করে। এর ফলে হ্যাকার বা ম্যালওয়্যার থেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত থাকে। এছাড়াও, এটি সংবেদনশীল তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট এবং লোকাল নেটওয়ার্কে নিরাপদভাবে যোগাযোগ করতে পারে। তাই মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করা।

সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
P2P নেটওয়ার্কে কোনটি সঠিক বিবৃতি?
  1. এটি উচ্চ মূল্যের বিশেষ হার্ডওয়্যার দাবি করে
  2. প্রতিটি কম্পিউটার ক্লায়েন্ট ও সার্ভার উভয় রূপে কাজ করতে সক্ষম
  3. নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে
  4. তথ্য কেবল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে প্রবাহিত হয়
ব্যাখ্যা

• P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার শুধুমাত্র ক্লায়েন্ট নয়, বরং সার্ভারের মতো কাজ করতে পারে। অর্থাৎ, যেকোনো কম্পিউটার অন্য কম্পিউটার থেকে ডেটা গ্রহণ এবং নিজেই ডেটা সরবরাহ করতে পারে। এটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত নয়। ফলে তথ্য একেবারেই সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং প্রতিটি পিয়ার একে অপরের সাথে তথ্য বিনিময় করতে পারে। এছাড়া, P2P নেটওয়ার্ক সাধারণত অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হার্ডওয়্যার দাবি করে না। সুতরাং সঠিক বিবৃতি হলো: “প্রতিটি কম্পিউটার ক্লায়েন্ট ও সার্ভার উভয় রূপে কাজ করতে সক্ষম।”

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাংশন কোনটি?
  1. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা
  2. কেবলমাত্র ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন করা
  3. অ্যাপ্লিকেশন ডিবাগ করা
  4. প্রোগ্রাম কম্পাইল করা
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাংশন হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা। এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উপাদানের মধ্যে মধ্যস্থতা করে এবং ব্যবহারকারীর জন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে। অপারেটিং সিস্টেম প্রক্রিয়া পরিচালনা, মেমরি ব্যবস্থাপনা, ফাইল সিস্টেম পরিচালনা এবং ডিভাইস ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। এছাড়াও, এটি বিভিন্ন প্রোগ্রাম একসাথে চলার সময় সংস্থানগুলি সুষ্ঠুভাবে বরাদ্দ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবহার করে। অন্য অপশনগুলো যেমন ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, অ্যাপ্লিকেশন ডিবাগ বা প্রোগ্রাম কম্পাইল করা, অপারেটিং সিস্টেমের মূল কাজের মধ্যে পড়ে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা।

• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়‍্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়‍্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
EDSAC কে নিয়ে আমরা মূলত কী জানি?
  1. এটি ছিল প্রথম ট্রানজিস্টর-নির্ভর কম্পিউটার
  2. এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিক পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. এটি ছিল প্রথম স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার
  4. এটি ছিল প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর-নির্ভর কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) ছিল প্রথম স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে কাজ করা শুরু করে। এটি কার্যকরভাবে বিভিন্ন অঙ্কন ও বৈজ্ঞানিক হিসাব সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। EDSAC এর মূল বৈশিষ্ট্য ছিল প্রোগ্রাম ও ডেটা মেমরিতে সংরক্ষণ করা, যা ব্যবহারকারীদের প্রোগ্রাম পরিবর্তন ও পুনরায় চালানোর সুবিধা দিত। এটি ট্রানজিস্টর বা মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করত না, বরং ভ্যাকুয়াম টিউবের মাধ্যমে কাজ করত। EDSAC-এর সাহায্যে প্রথমবারের মতো বাস্তব জটিল অ্যাপ্লিকেশন সম্পাদিত হয়, যা আধুনিক কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) এটি ছিল প্রথম স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার।

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১৮.
মেটা মূলত কোন কাজের জন্য পরিচিত?
  1. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. ভিডিও গেম তৈরি করা
  3. স্মার্টফোন উৎপাদন
  4. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা
ব্যাখ্যা

মেটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের অনলাইন কমিউনিটি তৈরি, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন ধরনের ভার্চুয়াল পরিবেশে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়। মেটা বিভিন্ন সামাজিক অ্যাপ ও VR প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষদের একসাথে অনলাইনে আসার এবং বাস্তবসম্মত ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ প্রদান করে। এতে ব্যবহারকারীরা ছবি, ভিডিও, পোস্ট শেয়ার করতে পারে এবং ভার্চুয়াল মিটিং, গেমিং বা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে। সংক্ষেপে, মেটা মূলত ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য পরিচিত।

উত্তর: ক) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। 

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)।

- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোন ওপেন-সোর্স ফাইল কম্প্রেশন টুল .7z এবং .zip এর মতো ফরম্যাট সাপোর্ট করে?
  1. StuffIt
  2. PeaZip
  3. 7-Zip
  4. WinRAR
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) 7-Zip.

7-Zip একটি জনপ্রিয় ওপেন-সোর্স ফাইল কম্প্রেশন টুল যা .7z, .zip, .tar, .gzip, .bzip2 এবং আরও অনেক ফরম্যাট সাপোর্ট করে। এটি উচ্চ কম্প্রেশন রেট এবং শক্তিশালী AES-256 এনক্রিপশন প্রদান করে। ব্যবহারকারীরা 7-Zip ব্যবহার করে বড় ফাইল ছোট আকারে রূপান্তর করতে পারে এবং ডেটা সংরক্ষণ ও স্থান সাশ্রয় করতে পারে। এছাড়া, এটি উইন্ডোজ সহ বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উপলব্ধ এবং সহজ ইন্টারফেসের কারণে নতুন ব্যবহারকারীরাও দ্রুত ফাইল কম্প্রেশন ও এক্সট্র্যাকশন করতে সক্ষম। ওপেন-সোর্স হওয়ায় এটি বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য এবং সম্প্রদায় দ্বারা নিয়মিত আপডেট হয়।

• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২০.
স্মার্টফোনে কোন কম্পোনেন্ট অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত করে?
  1. DAC
  2. CPU
  3. GPU
  4. ADC
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনে অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত করার কাজটি করে ADC (Analog-to-Digital Converter)। যখন আমরা ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা সেন্সর ব্যবহার করি, তখন যে সিগন্যালগুলি আসে তা মূলত অ্যানালগ, অর্থাৎ ধারাবাহিক মানযুক্ত। কিন্তু স্মার্টফোনের প্রসেসর শুধুমাত্র ডিজিটাল তথ্য অর্থাৎ ০ এবং ১-এর ধারা বুঝতে পারে। ADC এই অ্যানালগ সিগন্যালগুলিকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তরিত করে, যাতে CPU বা অন্যান্য ডিজিটাল কম্পোনেন্ট সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোফোনের অডিও সিগন্যাল ADC-এর মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালে পরিণত হয়, যা রেকর্ডিং বা কল প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। তাই স্মার্টফোনের অ্যানালগ-ডিজিটাল রূপান্তরের মূল যন্ত্র হলো ADC।

উত্তর: ঘ) ADC.

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
রিয়েল-টাইম OS কেন এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে
  2. শক্তি বেশি লাগে
  3. প্রোগ্রামিং সহজ
  4. সস্তা হওয়ায়
ব্যাখ্যা

• রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহার করা হয় কারণ এটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। এমবেডেড ডিভাইস যেমন রোবট, অটোমোবাইল বা মেডিকেল ডিভাইসে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। RTOS সময়মিতি বজায় রেখে কাজ করে, ফলে সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, ইভেন্ট হ্যান্ডলিং এবং নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়। এটি শক্তি বেশি খরচ করে বা সস্তা হওয়া বা প্রোগ্রামিং সহজ হওয়ার কারণে নয়, বরং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রতিক্রিয়া প্রদানের সক্ষমতার কারণে এমবেডেড সিস্টেমে প্রাধান্য পায়। সুতরাং সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য কাজের জন্য RTOS অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: ক) নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
জিএসএম এর পূর্ণরূপ কী ?
  1. General Signal Modulation
  2. Global Satellite Mobile
  3. General System for Messaging
  4. Global System for Mobile communications
ব্যাখ্যা

• জিএসএম (GSM) এর পূর্ণরূপ হলো Global System for Mobile communications। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি যা মোবাইল ফোনে ভয়েস কল এবং ডেটা ট্রান্সমিশন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। GSM প্রযুক্তি সেলুলার নেটওয়ার্ক ভিত্তিক, যেখানে এলাকা ভাগ করা হয় সেল বা সেল টাওয়ার হিসেবে। প্রতিটি সেলে নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কমিউনিকেশন করা হয়, যা একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারীকে সেবা প্রদান করতে সক্ষম। GSM নেটওয়ার্ক নিরাপদ, এবং এটি সিম কার্ড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত রাখে। এটি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত মোবাইল কমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Global System for Mobile communications।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৩.
ব্যবহারকারী CUI-এর সাথে কীভাবে ইন্টার‍্যাক্ট করে?
  1. টেক্সট কমান্ড টাইপ করে
  2. আইকনে ক্লিক করে
  3. ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে
  4. স্ক্রিন স্পর্শ করে
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারকারী CUI (Command-Line User Interface)-এর সাথে টেক্সট কমান্ড টাইপ করে ইন্টার‍্যাক্ট করে। এখানে গ্রাফিক্যাল উপাদান যেমন আইকন, বোতাম বা মেনু থাকে না। ব্যবহারকারী কীবোর্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কমান্ড লিখে সিস্টেমকে নির্দেশ দেয়, এবং সিস্টেম সেই কমান্ড অনুযায়ী কাজ করে। CUI-তে প্রতিটি ক্রিয়া স্পষ্টভাবে কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা কার্যকর এবং দ্রুত হতে পারে, বিশেষ করে অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর জন্য। ভয়েস কমান্ড, টাচ বা আইকন ক্লিক সাধারণত GUI (Graphical User Interface)-তে ব্যবহৃত হয়, তাই CUI-এর ক্ষেত্রে এগুলো প্রযোজ্য নয়। এটি প্রায়শই প্রশাসক বা প্রোগ্রামারদের মধ্যে জনপ্রিয়।

সঠিক উত্তর: ক) টেক্সট কমান্ড টাইপ করে। 

​• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

২৪.
চ্যাটজিপিটির কোন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?
  1. রিকারেন্ট নিউরাল নেটওয়ার্ক
  2. কনভল্যুশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক
  3. জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইন্ড ট্রান্সফরমার
  4. নিয়ম-ভিত্তিক AI
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি হলো জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইন্ড ট্রান্সফরমার (GPT) ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাই সঠিক উত্তর হলো গ)। এটি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক মডেল, যা বিশাল পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে শেখে। প্রি-ট্রেইনিং ধাপে এটি ভাষার প্যাটার্ন, শব্দের সম্পর্ক এবং বাক্যের কাঠামো শিখে। পরে ফাইন-টিউনিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রশ্নের প্রাসঙ্গিক ও স্বাভাবিক উত্তর দেওয়ার জন্য দক্ষ হয়। এটি রিকারেন্ট বা কনভল্যুশনাল নেটওয়ার্কের মতো সীমিত কাঠামোর নয়, বরং ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে প্রসঙ্গ বুঝে দীর্ঘ এবং জটিল টেক্সট তৈরি করতে পারে, যা নিয়ম-ভিত্তিক AI-এর তুলনায় অনেক বেশি নমনীয় ও মানবসদৃশ প্রতিক্রিয়া দেয়।

​​• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্শন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• চ্যাটজিপিটির বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: www.openai.com.

২৫.
“বিগ ব্লু” নামে পরিচিত শব্দটি কোনটির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আইবিএমের প্রথম অফিসের অবস্থান
  2. আইবিএমের প্রতিষ্ঠাতা
  3. আইবিএমের লোগোর রঙ
  4. আইবিএমের কম্পিউটার মডেল
ব্যাখ্যা

• “বিগ ব্লু” শব্দটি মূলত বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম (IBM)–এর সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নামটি জনপ্রিয় হয়েছে মূলত আইবিএমের কর্পোরেট রঙ নীল হওয়ায় এবং তাদের লোগোতে নীল রঙ ব্যবহারের কারণে। অনেক সময় এটি আইবিএমের বিশাল আকার, প্রযুক্তি জগতে তাদের আধিপত্য এবং নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। ষাটের দশক থেকে আইবিএমকে ‘বিগ ব্লু’ নামে অভিহিত করা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে তাদের একটি পরিচিত ডাকনাম হয়ে ওঠে। তাই প্রশ্নে দেওয়া চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – গ) আইবিএমের লোগোর রঙ।

• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৬.
IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির মূল সুবিধা কী?
  1. যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগাযোগ ও কাজ করে
  2. সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ ক্ষমতা বৃদ্ধি
  4. ডেটা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• IoT বা Internet of Things প্রযুক্তির মূল সুবিধা হলো যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগাযোগ ও কাজ করতে পারে। বিভিন্ন সেন্সর, নেটওয়ার্ক এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করে IoT ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান–প্রদান করে এবং মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। যেমন স্মার্ট হোমে লাইট, ফ্যান বা এয়ার কন্ডিশনার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু–বন্ধ হয়, আবার শিল্পক্ষেত্রে মেশিন একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সময় ও খরচ কমে এবং ব্যবহারকারীর জীবন আরও সহজ হয়।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ সম্পাদন করা। এর ফলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সিস্টেম আরও স্মার্ট এবং দক্ষ হয়ে ওঠে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অথবা একটি স্মার্ট লাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ও নিভে যেতে পারে।
- IoT ডিভাইসগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা ব্যবহারকারীকে যেকোনো স্থান থেকে তাদের যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
- এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ করে AI বা মেশিন লার্নিং দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

২৭.
ভাল পারফরম্যান্স এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাধারণত উইন্ডোজ কোন ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়?
  1. Pendrive
  2. H drive
  3. C drive
  4. G drive
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়। এর প্রধান কারণ হলো, কম্পিউটার প্রস্তুতকারকরা ডিফল্টভাবে প্রাইমারি পার্টিশনকে C ড্রাইভ হিসেবে নির্ধারণ করে, যেখানে সিস্টেম ফাইল, ড্রাইভার ও প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন থাকে। C ড্রাইভকে প্রাইমারি করার ফলে হার্ডওয়্যারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ হয়, ফলে পারফরম্যান্স ভালো থাকে। এছাড়া স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উইন্ডোজ গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো আলাদা রেখে দেয়, যাতে অন্যান্য ড্রাইভে ডেটা থাকলেও সিস্টেম অক্ষত থাকে। Pendrive বা H, G ড্রাইভে ইনস্টল করলে তা স্থিতিশীল ও কার্যকর হয় না। তাই ভালো পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্বের জন্য C ড্রাইভেই উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৮.
নিচের কোনটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়?
  1. BIOS
  2. Blaster
  3. ILoveYou
  4. Melissa
ব্যাখ্যা

• BIOS কোনো ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে Blaster, ILoveYou, এবং Melissa সবই বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার বা কম্পিউটার ভাইরাস, যেগুলো সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ডেটা নষ্ট করতে পারে বা ব্যবহারকারীর অজান্তে কাজ সম্পাদন করে। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায়, BIOS হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, ভাইরাস নয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

২৯.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Firefox
  2. Chrome
  3. Safari
  4. Outlook
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আমরা ওয়েব পেজ খুলতে, সার্চ করতে এবং অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারি। Firefox, Chrome এবং Safari সবগুলোই জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যেগুলো ওয়েবসাইট প্রদর্শনের কাজ করে। কিন্তু Outlook মূলত একটি ইমেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার, যা ইমেইল পাঠানো, গ্রহণ করা এবং মেইল ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়। তাই প্রদত্ত চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) Outlook.

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
 
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।