পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes২০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
পরিবেশ অধিদপ্তর সম্প্রতি কোন উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে?
  1. দোহার, ঢাকা
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ধামরাই, ঢাকা।
  4. কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা

• ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- পরিবেশ অধিদপ্তর গত ১৭ আগস্ট, ২০২৫ (রোববার) এক পরিপত্রে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে।
- বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫-এর ক্ষমতাবলে সমগ্র সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিধি ৫ অনুযায়ী, কোনো এলাকার বায়ুমান নির্দিষ্ট মানমাত্রা অতিক্রম করে মারাত্মক দূষিত এলাকায় পরিণত হলে এলাকাটিকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা যাবে।

• কেন 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করা হয়?
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়।
- এই ঘোষণার পর এলাকাটিতে বিশেষ পরিবেশ আইন ও বিধি প্রযোজ্য হয়।
- শিল্পকারখানা ও প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রগুলোর তথ্য-উপাত্তের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে।
- জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যের ওপর এই মাত্রাতিরিক্ত দূষিত বায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনায় ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা মারাত্মক বায়ুদূষণযুক্ত এলাকায় পরিণত হয়েছে।

- বায়ুদূষণের একটি বড় উৎস ইটভাটা।
- পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সাভার উপজেলায় ১০৭টি ইটভাটা আছে। এর মধ্যে মাত্র দুটি ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব উপায়ে ইট তৈরি করা হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (বায়ুমান ব্যবস্থাপনা) মো. জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৩ সালে সাভার উপজেলায় ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৬৪ দিনের বায়ু ছিল মানমাত্রা–বহির্ভূত। আর ঢাকার বায়ু মাত্রা–বহির্ভূত ছিল ১৫৬ দিন। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। লিংক

.
কোন জেলা ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সাথেও সীমান্ত ভাগ করেছে?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:
- মোট জেলা: ৬৪ (৮ বিভাগে)
- সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি
- ভারতের সাথে: ৩০ জেলা
- মিয়ানমারের সাথে: ৩ জেলা
- দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে: রাঙামাটি জেলা
- ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সব বিভাগেই সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ডিএমপি নিউজ ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী কোনটি বায়ুপ্রবাহের দিক?
  1. দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে ও উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে
  2. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  4. উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, "বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।"
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
নিম্নের কোনটি যমুনার উপনদী নয়?
  1. ধরলা
  2. করতোয়া
  3. আত্রাই
  4. কপোতাক্ষ
সঠিক উত্তর:
কপোতাক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপোতাক্ষ
ব্যাখ্যা

• যমুনা নদী:
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্র নদীর একটি শাখা নদী।
- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে একটি সরু খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়, যা পরবর্তীতে যমুনা নদী নামে পরিচিত হয়।
- নদীটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়।
- এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নদী নামে প্রবাহিত হয়।

» শাখা নদী
- যমুনার প্রধান শাখা নদী হলো:
• ধলেশ্বরী নদী,
• ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা নদী।

» উপনদী
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
• ধরলা
• তিস্তা
• করতোয়া
• আত্রাই
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশে মাঝারি শিল্পের উদাহরণ কোনটি?
  1. তাত শিল্প
  2. দিয়াশলাই শিল্প
  3. পাট ও বস্ত্র শিল্প
  4. বাঁশ ও বেত শিল্প
সঠিক উত্তর:
দিয়াশলাই শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিয়াশলাই শিল্প
ব্যাখ্যা

আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ:
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত:

১. বৃহৎ শিল্প:
সংজ্ঞা: যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক এবং প্রচুর কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য উৎপাদন করা হয়।
শ্রমিক সংখ্যা: ২৩০ জনের বেশি শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: পাট শিল্প, বস্ত্র শিল্প, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি।

২. মাঝারি শিল্প:
সংজ্ঞা: বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যবর্তী অবস্থান; উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলকভাবে কম।
শ্রমিক সংখ্যা: ২০-২৩০ জনের মধ্যে শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবন শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প:
সংজ্ঞা: ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না।
শ্রমিক সংখ্যা: সর্বোচ্চ ২০ জন।
বৈশিষ্ট্য: স্থানীয় কাঁচামাল, কম মূলধন, পরিবারের সদস্য দ্বারা উৎপাদন।
উদাহরণ: তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?  
  1. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি 
  2. রুমা,  বান্দরবান
  3.  জাফলং, সিলেট
  4.  মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
 জাফলং, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 জাফলং, সিলেট
ব্যাখ্যা

• সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সিলেটের জাফলং-এ অবস্থিত।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

.
বাংলাদেশে শ্রম শক্তির বৃহৎ অংশ কোন শিল্পের সাথে জড়িত?
  1. বৃহৎ শিল্প
  2. মাঝারি শিল্প
  3. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
  4. ভারী শিল্প
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে শ্রম শক্তির বৃহৎ অংশ কোন শিল্পের সাথে জড়িত?
→ বাংলাদেশে শ্রম শক্তির বৃহৎ অংশ তৈরি পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত।

উল্লেখ্য, প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প:
- সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে সুক্ষ্ম অর্থে এ দুয়ের পার্থক্য আছে।
- সাধারণত মালিকের গ্রামেই স্থাপিত হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে এর উৎপাদন কাজ পরিচালিত হয়।
- তবে এখানে উল্লেখ্য ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া করা শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহার হয়।
- বাংলাদেশে কারখানা ও শিল্প আইন অনুযায়ী, যে কারখানায় সর্বোচ্চ ২০ জন শ্রমিক কাজ করে তাকে ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের ১৯৯১ সনের শিল্প নীতিতে যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের পরিমান অনুর্ধ্ব ৫ লক্ষ টাকা সেগুলোকে কুটির শিল্প বলে। 
- হস্ত চালিত তাঁত শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, মৃৎ শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, কাষ্ঠ শিল্প, বিড়ি শিল্প প্রভৃতি আমাদের কুটির শিল্পের উদাহরণ।

- বাংলাদেশে বৃহদায়তন শিল্পে দেশের মোট শিল্পোৎপাদনের সিংহভাগ উৎপাদিত হলেও এখানে কর্মসংস্থানের পরিমান কম।
- পক্ষান্তরে, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উৎপাদনের পরিমান কম হলেও কর্মসংস্থানের পরিমান বেশি।
- দেশের শ্রম শক্তির প্রায় ৮৭ শতাংশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে নিয়োজিত রয়েছে।
- যদিও এখানে মোট উৎপাদন ক্ষমতা বাংলাদেশের মোট শিল্পোৎপাদনের ১৮ শতাংশ মাত্র।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিরক্ষরতা কোন ধরনের সমস্যা?
  1. সামাজিক সমস্যা
  2. ব্যক্তিত্বর দ্বন্দ্বজনিত সমস্যা
  3. মূল্যবোধগত সমস্যা
  4. আদর্শিক সমস্যা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যা
ব্যাখ্যা

 • সামাজিক সমস্যার আন্তসম্পর্ক:
- সমাজের বিভিন্ন অংশ পরস্পর অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।
- সমাজের একদিকে অসংহতি বা বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে অন্যদিকেও এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
- অনুরূপ সামাজিক সমস্যা একটির সাথে অপরটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- কোনো সমাজে একটি সামাজিক সমস্যা উদ্ভব হলে সেই সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

- সমাজ একটি অখন্ড যৌগিক সত্তা যার অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক, পরিবেশগত প্রভৃতি দিক পরস্পর নির্ভরশীল ও অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।
- এজন্য কোন সামাজিক সমস্যাই একক এবং বিচ্ছন্নভাবে সমাজে বিরাজ করে না।
- একটি সামাজিক সমস্যা অন্যটির কারণ হিসেবে বিরাজ করে।
- সামাজিক সমস্যার নির্ভরশীলতা এবং ক্রমাগত প্রতিক্রিয়া (chain reaction) থেকেই সামাজিক সমস্যার উদ্ভব ঘটে।
- উদাহরণস্বরূপ কোনো সমাজে দারিদ্র্য থাকলে এর প্রভাবে পুষ্টিহীনতা, স্বাস্থ্যহীনতা, নিরক্ষরতা, ভিক্ষাবৃত্তি প্রভৃতি সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
- আবার স্বাস্থ্যহীনতার ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পেয়ে উপার্জন ব্যাহত হলে মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হতে পারে।

তথ্যসূত্র: সমাজকর্ম ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
গ্রামীণ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামের অতি স্বল্প জমির মালিক, ভূমিহীন এবং অন্যান্য অতি দরিদ্র নারী-পুরুষের মাঝে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো গ্রামীণ ব্যাংক।
- জনসাধারণকে এ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে।
- ১৯৮৩ সালে একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক আত্মপ্রকাশ করে। 
- এটি সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক নয়।
-আইনত এর প্রধান মালিক হচ্ছেন এর দরিদ্র ত্রিশ লক্ষ গ্রাহকবৃন্দ।

• গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি ও অবদান:
১। সহজ শর্তে ঋণ প্রদান:
- গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামের ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদেরকে জামানত ছাড়াই সহজ শর্তে ঋণ দেয়।

২। কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা:
- শাকসবজি চাষ, গাভী পালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ ও জমি চাষাবাদে ঋণ প্রদান করে।

৩। মহাজনের উপর নির্ভরতা হ্রাস:
- কৃষকদের চড়া সুদের মহাজনি ঋণ থেকে মুক্তি দেয়।

৪। অকৃষি খাতে সম্পৃক্তকরণ:
- গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে (যেমন: বাঁশ-বেত, বিড়ি, সাবান, কাপড়, মিষ্টি তৈরি ইত্যাদি) ঋণ ও উপকরণ সরবরাহ করে।

৫। পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ:
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে।


তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেনী।

১০.
সাজেক উপত্যকা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি 
  2. রাঙামাটি 
  3. বান্দরবান 
  4.  সিলেট 
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• সাজেক:

- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেকে সর্বত্র মেঘ, পাহাড় আর সবুজের দারুণ মিতালী চোখে পড়ে । 
- এখানে তিনটি হেলিপ্যাড বিদ্যমান ; যা থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায় ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১.
সুতা শিল্প কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভোগ্য দ্রব্য শিল্প
  2. মূলধনী দ্রব্যের শিল্প
  3. মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প
  4. প্রাথমিক দ্রব্য শিল্প
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প
ব্যাখ্যা

• কাঠামো অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণী বিভাগ
- কাঠামো অনুযায়ী বাংলাদেশের শিল্পসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

১। ভোগ্য দ্রব্য শিল্প:
- সে সব শিল্পকারখানা সরাসরি মানুষের ভোগ উপযোগী দ্রব্য তৈরি করে তাকে ভোগ্য দ্রব্য শিল্প বলে।
- যেমন- সাবান শিল্প, চিনি শিল্প, সিগারেট শিল্প ইত্যাদি।
- বাংলাদেশ একটি অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশ। তাই এখানে ভোগ্য শিল্পের গুরুত্ব অত্যাধিক।

২। মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প:
- যে সকল উৎপাদিত পণ্য পুনরায় অন্য দ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে মাধ্যমিক দ্রব্য বলে।
- আর এই মাধ্যমিক দ্রব্য যে সকল কারখানায় তৈরি হয় তাকে মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প বলে।
- যেমন- সুতা একটি উৎপাদিত দ্রব্য যা বস্ত্র শিল্পে উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সুতা শিল্পকে মাধ্যমিক শিল্প বলে।

৩। মূলধনী দ্রব্যের শিল্প:
- বাংলাদেশে মূলধনী বা ভারী শিল্প নেই বললেই চলে।
- তবে একটি দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে হলে অবশ্যই প্রয়োজন মূলধনী শিল্প।
- মূলধনী দ্রব্য যে কারখানায় তৈরি হয় তাকে মূলধনী শিল্প বলে।
- যেমন- জয়দেবপুর মেশিন ও টুলস ফ্যাক্টারী, চিটাগাং স্টিল মিল ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নিম্নের কোনটি ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জমির গুণাগুণ
  2. শ্রম ও যন্ত্রপাতির অভাব
  3. কৃষকের নৈপুণ্য হ্রাস
  4. কৃষি ঋণের সুদের হার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
কৃষি ঋণের সুদের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি ঋণের সুদের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

• ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতা:
১. প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা: আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, সার ও সেচ সুবিধার অভাব।
২. জমির গুণাগুণ: সব জমি সব ধরনের ফসলের উপযোগী নয়, ফলে বৈচিত্র্য আনা কঠিন।
৩. শ্রম ও যন্ত্রপাতির প্রাপ্যতা: সময়মতো দক্ষ শ্রমিক ও কৃষি যন্ত্রপাতি না পাওয়া।
৪. নৈপুণ্য হ্রাস: একাধিক ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান 'চন্দ্রনাথ পাহাড়' কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

•বাংলাদেশের পাহাড়:
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড়  সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৪কি.মি. পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত

-  কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, সীতাকুন্ড উপজেলা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

১৪.
বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. টিলা
  2. ঢিবি
  3. খাড়ি
  4. গিরি
সঠিক উত্তর:
টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিলা
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।

• প্রকারভেদ: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

তথ্যসূত্র: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
কোনটি সামাজিক সমস্যার জন্য দায়ী নয়?
  1. মূল্যবোধগত দ্বন্দ্ব
  2. শিল্পায়ন ও শহরায়ন
  3. সামাজিক আদর্শ
  4. মৌলিক চাহিদার অপূরণ
সঠিক উত্তর:
সামাজিক আদর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক আদর্শ
ব্যাখ্যা

• সামাজিক সমস্যার সাধারণ কারণসমূহ:

১। মূল্যবোধগত দ্বন্দ্ব
- মূল্যবোধ মানুষের আচরণের চালিকা শক্তি।
- সাংস্কৃতিক শূন্যতা ও মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে।

২। শিল্পায়ন ও শহরায়নের প্রভাব
- দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে বস্তুগত পরিবর্তন ঘটে।
- সমাজের অন্যান্য উপাদান সমানভাবে পরিবর্তিত না হলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

৩। মৌলিক চাহিদার অপূর্ণতা
- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা পূরণ না হলে সামাজিক সমস্যা তৈরি হয়।

সামাজিক সমস্যার অন্যন্য কারনগুলো মধ্যে রয়েছে -
• সামাজিক কাঠামোর ত্রুটি
• সম্পদ ও সুযোগের অসম বণ্টন
• মানসিক চাপ ও বিচ্যুত আচরণ
• সামাজিক পরিবর্তন

তথ্যসূত্র: সমাজকর্ম ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. পলি
  2. এঁটেল
  3. দো-আঁশ
  4. বেলে
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
ব্যাখ্যা

• পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে কি বলে?
  1. নদীর উৎস
  2. নদীর মোহনা
  3. দোয়াব
  4. নদীসঙ্গম
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
ব্যাখ্যা

• নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ ও সংজ্ঞা:

১। নদীর উৎস (Source): নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

২। নদীর মোহনা (Mouth): নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

৩। দোয়াব অঞ্চল: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

৪। নদীসঙ্গম (Confluence): পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়।
- এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়।
- ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়।
- এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
'V' আকৃতির উপত্যকা প্রধানত কোন প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয়?
  1. পার্শ্বক্ষয়ের ফলে
  2. পার্শ্বক্ষয় তলদেশের ক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  3. তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  4. পাহাড়ের স্খলনের ফলে
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
ব্যাখ্যা

• 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি প্রক্রিয়া:

- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি।
- তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি।
- নদী উপত্যকার মধ্যভাগ ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
- পরে পার্শ্বক্ষয় বৃদ্ধি পেলে উপত্যকা প্রশস্ত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
বাংলাদেশের শিল্পখাতে কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের শিল্পখাতের উপখাত:
বাংলাদেশের শিল্পখাতে বর্তমানে ৫টি উপখাত রয়েছে। যথা-
- খনিজ ও খনন খাত
- নির্মাণ খাত
- ম্যানুফ্যাকচারিং খাত
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

২০.
সাঁওতালদের গ্রামগুলোকে কী নামে ডাকা হয়?
  1. পুঞ্জি
  2. আদাম
  3. রোয়া
  4. দিশাম
সঠিক উত্তর:
দিশাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিশাম
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গ্রাম পরিচিতি:

সাঁওতাল: গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।
খাসিয়া: গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত।
চাকমা: গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।
মারমা: গ্রামগুলো রোয়া নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।

২১.
বাংলাদেশের কোন পাহাড় ‘পাহাড়ের রানী’ নামে খ্যাত?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. চিম্বুক পাহাড়
  3. কেওক্রাডাং পাহাড়
  4. তাজিনডং পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা

• চিম্বুক পাহাড়:
অবস্থান: বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিমি দূরে।
উচ্চতা: সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০০ ফুট।
পরিচিতি: বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী নামে পরিচিত।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়।
খ্যাতি: “বাংলার দার্জিলিং” নামেও পরিচিত।
অন্যান্য নাম: কালাপাহাড় নামেও ডাকা হয়।
অবস্থান জেলা: বান্দরবান।

তথ্যসূত্র: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।