পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ প্রাচীন যুগ: প্রাচীন বাংলার জনপদ, বিভিন্ন রাজ্য ও রাজবংশ। মধ্যযুগঃ মুসলমান শাসন (দিল্লী সালতানাত, মুঘল আমল, সুলতানি আমল, নবাবী আমল ইত্যাদি)। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি প্রাচীন বাংলার জনপদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) পুণ্ড্র
  2. খ) বঙ্গ
  3. গ) সমতট
  4. ঘ) চট্টলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টলা
ব্যাখ্যা
চট্টলা প্রাচীন বাংলা জনপদের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

- প্রাচীন বাংলা জনপদসমূহ- বঙ্গ, গৌড়, সমতট, পুণ্ড্র, রাঢ় ইত্যাদি। 

উত্তীর্ণ শিলালিপি ও বিভিন্ন সাহিত্যগ্রন্থে প্রায় ১৬টি জনপদের কথা জানা যায়। তবে একেকটি জনপদের সীমা এক এক রকম ছিল। এই জনপদগুলাে ধীরে ধীরে বর্ধিত হয়ে বর্তমান বাংলার রূপ পরিস্ফুটন হয়েছে। তাই এই জনপদগুলাের গুরুত্ব অপরিসীম।

নিচে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য জনপদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলাে- 

পুন্ড্র:  প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ছিল পুন্ড্র। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত পুন্ড্রদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর যা পরবর্তীকালে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত হয়। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যে পুন্ড্রই ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। পাথরের চাকতিতে খােদাই করা প্রাপ্ত লিপিগুলােকেই মনে করা হয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি।

বঙ্গ:  বঙ্গ নামের সাথে বাংলা নামটি জড়িয়ে আছে। এটি অতি প্রাচীন জনপদ। বর্তমান বাংলাদেশের বিক্রমপুর, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি পর্যন্ত ছিল বঙ্গ জনপদের বিস্তৃতি। বঙ্গ জনপদ ছিল খুবই শক্তিশালি অঞ্চল। এই বঙ্গ’ নাম থেকেই বাঙালি জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল। 

গৌড়: প্রাচীন বাংলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় জনপদ ছিল গৌড়। তবে এই জনপদটির প্রাথমিক অবস্থান ঠিকমতাে জানা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয় ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য নামে স্বাধীন এক রাজ্য। ছিল। যার রাজা ছিলেন শশাঙ্ক এবং রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। রাজা শশাঙ্ক ছিলেন শক্তিশালী রাজা।
তার শাসনামলে প্রাচীন বাংলায় গৌড় জনপদ অনেক সমৃদ্ধ হয়েছিল।

হরিকেল: সপ্তম শতকের লেখকদের বর্ণনায় হরিকেল জনপদের অবস্থান যে পূর্ব বাংলায় ছিল সেটা জানা যায়। বর্তমান সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই জনপদ ছিল সমৃদ্ধ। সমতট অনেকেই মনে করেন সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম। গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মােহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত সমতট বলঅ হতাে। কামতা ছিল এর রাজধানী।

সূত্র: ২৮ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'মাৎস্যন্যায়' বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) নতুন শাসকের আবির্ভাব
  2. খ) নতুন রাজ্যের জন্ম সময়কাল
  3. গ) অরাজক পরিস্থিতি
  4. ঘ) শান্তি প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
গ) অরাজক পরিস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অরাজক পরিস্থিতি
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায় বলতে এক অরাজক পরিস্থিতিকে বোঝায়।  

- মাৎস্যন্যায়  রাজা শশাঙ্ক এর মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের অব্যবহিত পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়ম্’ বলে উল্লেখ করা হয়।
- শশাঙ্কের (৬০০-৬২৫ খ্রি) মৃত্যুর পর বঙ্গে (গৌড়-বাংলায়) বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়।
- হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর (৬৪৬/ ৬৪৭ খ্রিস্টাব্দ) পর তাঁর সাম্রাজ্যেও নৈরাজ্য ও সংশয় দেখা দিলে, মন্ত্রীরা বলপূর্বক রাজ্য দখল করে নেয়।
- আনুমানিক ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এক শতক কালেরও বেশি সময় ধরে গৌড়ের ইতিহাস অস্পষ্ট ছিলো। 
- শশাঙ্কের রাজত্বের পরবর্তী শতকে বাংলায় শাসন খুব অল্পই স্থিতিশীল ছিল।
- দেশটি অনেক ছোট ছোট রাজ্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং তাদের পারস্পরিক যুদ্ধবিগ্রহের ফলে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- আইন-শৃঙ্খলা বিধানে সক্ষম কোন শক্তির অনুপস্থিতির ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তাই মাৎস্যন্যায়ম্।
- সে সময়ে দৈহিক শক্তির প্রাধান্যে দেশ জুড়ে চলছিল অবাধ্য শক্তির উত্তেজনা।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এ বিশৃঙ্খল অবস্থায় রাজ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং মাৎস্যন্যায়মের অবসান ঘটান।

সূত্র: ৩৪ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) কুতুবউদ্দিন আইবক
  2. খ) মুহাম্মদ ঘোরী
  3. গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
  4. ঘ) সুলতানা রাজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
ব্যাখ্যা
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ইলতুৎমিশ। 

- ইলতুৎমিশ (১২১০-১২৩৬) দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ তুর্কিস্তানের ইলবারি গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- জনশ্রুতি আছে যে, ইলতুৎমিশের বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা ও সুদর্শন চেহারা তাঁর ভাইদের মনে ঈর্ষার উদ্রেক করে এবং তারা তাঁকে বাল্যকালে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দেয়।
- দিল্লির শাসনকর্তা কুতুবউদ্দীন তার নৈপূণ্যে আকৃষ্ট হয়ে তাকে উচ্চমূল্যে ক্রয় করেন।
- ইলতুৎমিশের পদমর্যাদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দীনের অধীনে বদায়ুনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন এবং তার সঙ্গে সুলতানের এক কন্যার বিবাহ দেওয়া হয়।
- ইলতুৎমিশ ১২১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
.
উইলিয়াম হকিন্স কোন মুঘল সম্রাটের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে এসেছিলেন?
  1. ক) হুমায়ুন
  2. খ) আকবর
  3. গ) বাবর
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে উইলিয়াম হকিন্স ভারতবর্ষে এসেছিলেন। 

- জাহাঙ্গীর, সম্রাট (১৬০৫-১৬২৭)  মুগল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট।
- তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র এবং তাঁর নাম রাখা হয় সেলিম।
- তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি জনকল্যাণমূলক বারোটি অনুজ্ঞা জারি করেন এবং বিখ্যাত ন্যায় বিচারের শিকল ঝুলিয়ে দেন।
- পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সময় যারা তাঁর বিরোধিতা করেছিল তাদের সবার প্রতি তিনি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন।
- জাহাঙ্গীরের প্রধান সামরিক অর্জন ছিল পূর্ব বাংলার বারো ভূঁইয়া ও আফগানদের দমন।
- ইসলাম খান বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করেন এবং বাদশাহর নামে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দে কাশ্মীর থেকে ফিরে আসার পথে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয় এবং লাহোরের নিকটে শাহদারাতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে কোন বিদেশী পর্যটক ভারতে এসেছিলেন?
  1. ক) ডে-লায়েট
  2. খ) স্যার টমাস রো
  3. গ) রালফ ফিচ
  4. ঘ) এডওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
গ) রালফ ফিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রালফ ফিচ
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে রালফ ফিচ (ইংরেজ পর্যটক) ভারতে এসেছিলেন। 

- এডওয়ার্ড ভারতবর্ষে এসেছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে।
- স্যার টমাস রো ভারতবর্ষে এসেছিলেন রাজা প্রথম জেমস এর দূত হিসেবে সম্রাট আগমন করেন। 
- ডে-লায়েট একজন পরিব্রাজক ভারতবর্ষে এসেছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে।
- জাহাঙ্গীর, সম্রাট (১৬০৫-১৬২৭)  মুগল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট।
- তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র এবং তাঁর নাম রাখা হয় সেলিম। তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ - জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দে কাশ্মীর থেকে ফিরে আসার পথে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয় এবং লাহোরের নিকটে শাহদারাতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
.
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘঠিত হয়?
  1. ক) ১৫৫৪ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ১৫৫৭ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘঠিত হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। 

- পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতবর্ষের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
- হিমুর পতনের কিছুদিন পর আদিল শাহের পতন ঘটে, ফলে মোঘলরা ভারতের শক্তিশালী প্রদেশগুলো নিজেদের দখলে নিতে সক্ষম হয়।
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধের মাধ্যমে যে মোঘল শাসনের সূচনা হয়েছিল, তা দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে পূর্ণতা পায়।
- কয়েক বছরের মধ্যে ভারতবর্ষে  আফগানদের সম্পূর্ণ পতন ঘটে।

সূত্র: ৪৫ পৃষ্ঠা, ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
দিল্লী সালতানাতে আরোহণকারী প্রথম নারী শাসক-
  1. ক) সুলতানা রাজিয়া
  2. খ) খাদিজা সুলতানা
  3. গ) রাবেয়া সুলতানা
  4. ঘ) রাজিয়া আইবক
সঠিক উত্তর:
ক) সুলতানা রাজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুলতানা রাজিয়া
ব্যাখ্যা
দিল্লী সালতানাতে আরোহণকারী প্রথম নারী শাসক হলেন সুলতান রাজিয়া

- ইলতুৎমিশ এর সুযোগ্য কন্যা হলেন সুলতান রাজিয়া।
- তিনি একাধারে একজন ভাল প্রসাশক ও সেনাপতি ছিলেন।
- তাছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে একজন দক্ষ সৈন্য হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।
- সুলতান ইলতুতমিশের সবথেকে যোগ্য পুত্র সুলতানের জীবদ্দশায় মৃত্যু বরণ করলে সুলতান তার কন্যা রাজিয়া কে দিল্লির শাসক হিসেবে মনোনিত করে যান।

সূত্র: ৩১ পৃষ্ঠা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, ওপেন স্কুল।
.
'উলুঘ খান' উপাধিটি কার?
  1. ক) সুলতান রুকুন উদ্দিনের
  2. খ) সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন
  3. গ) সুলতান নাসির উদ্দিনের
  4. ঘ) সুলতান মুইয উদ্দিনের
সঠিক উত্তর:
খ) সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন
ব্যাখ্যা
'উলুঘ খান' উপাধিটি সুলতান গিয়াস উদ্দিনের। 

- এই উপাধিটি দেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ।
- গিয়াসউদ্দীন বলবন (১২৬৬-১২৮৭ খ্রি.)  ভারতের মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক যুগের সুলতান।
- ইলতুৎমিশ (১২৩৬)-এর রাজত্বের দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ বছরের অরাজক পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে গিয়াসউদ্দীন বলবন রাজ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা এবং পূর্ববর্তী - সুলতানদের মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হন।
- তিনি শামসুদ্দীন  ইলতুতমিশ এর গুলামান-ই-চিহিলগানী বা চল্লিশজন ক্রীতদাসের একজন ছিলেন।
- তুর্কিস্থানের ইলবারী বংশোদ্ভুত বলবন ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
- বলবন প্রাথমিক তুর্কি সুলতানী আমলের প্রসিদ্ধ সুলতানদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

সূত্র: ৩৩ পৃষ্ঠা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, ওপেন স্কুল।
.
সিরাজউদ্দৌলা বাংলা ও বিহারের সিংহাসনে আরোহণ করেন কত বছর বয়সে?
  1. ২১ বছর বয়সে
  2. ২৬ বছর বয়সে
  3. ২৩ বছর বয়সে
  4. ২৫ বছর বয়সে
সঠিক উত্তর:
২৩ বছর বয়সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ বছর বয়সে
ব্যাখ্যা
সিরাজউদ্দৌলা বাংলা ও বিহারের সিংহাসনে আরোহণ করেন মাত্র ২৩ বছর বয়সে। 

- সিরাজউদ্দৌলা  বাংলার শেষ স্বাধীন নওয়াব।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর ইংরেজরা বাংলার নওয়াবদেরকে তাদের হাতের পুতুলে পরিণত করে এবং নিজেরাই - বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়।
- মির্জা মুহম্মদ সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন  আলীবর্দী খানের দৌহিত্র এবং  জৈনুদ্দীন আহমদ খান ও  আমিনা বেগমের পুত্র।
- ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে সিরাজউদ্দৌলা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁর জন্মের পরপরই আলীবর্দী খান বিহারের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন।
- এ কারণে পরিবারে সিরাজ ‘সৌভাগ্য সূচক সন্তান’ হিসেবে বিবেচিত হন।
- সিরাজের প্রতি তাঁর পিতামহের ছিল বিশেষ স্নেহ ও পক্ষপাত।

সূত্র: ১৮১ পৃষ্ঠা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল [লিঙ্ক]