পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
Exam - 1 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-1 Topic ➝ Section: 1 - 153 • Preliminary • The constitution of criminal courts and offices • Powers of courts • Aid and information to the magistrates • The police and persons making arrests • Arrest, Escape and Retaking • Processes to compel appearance • Processes to compel the production of documents and other movable property, and for the discovery of persons wrongfully confined • Security for keeping the peace and for good behaviour •Unlawful assemblies • Public nuisances •Temporary orders in urgent cases of nuisance or apprehended danger • Disputes as to immovable property, Preventive action of the police
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ কার পরামর্শে করা হয়?
  1. Sessions Judge
  2. District Magistrate
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ (বা ক্ষমতা অর্পণ) সরকার কর্তৃক করা হয়, তবে এটি High Court Division-এর সাথে পরামর্শক্রমে (in consultation with the High Court Division) সম্পন্ন হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-----------------
The Code of Criminal Procedure- Section-12: Special Magistrate:
1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, এই কোড কোনো বিশেষ আইন, বিশেষ এখতিয়ার বা বিশেষ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ১(১)
  2. ধারা ১(২)
  3. ধারা ২
  4. ধারা ৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ধারা ১(২)
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোড বাংলাদেশে সর্বত্র প্রযোজ্য হলেও এটি কোনো বিশেষ আইন (special law), বিশেষ এখতিয়ার বা ক্ষমতা (special jurisdiction or power), অথবা অন্য কোনো আইন দ্বারা নির্ধারিত বিশেষ কার্যপ্রণালী (special form of procedure) কে প্রভাবিত করবে না।
- অর্থাৎ, যদি অন্য কোনো বিশেষ আইন কার্যকর থাকে বা কোনো বিশেষ আদালত/প্রক্রিয়া নির্ধারিত থাকে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি সেই আইন বা প্রক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করবে না।
- এটি মূলত একটি সাধারণ পদ্ধতিগত আইন (procedural law), যা সাধারণ ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু যেখানে বিশেষ আইন বা বিশেষ আদালতের বিধান আছে, সেখানে সেই বিশেষ বিধানই কার্যকর হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "It extends to the whole of Bangladesh; but, in the absence of any specific provision to the contrary, nothing herein contained shall affect any special law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by any other law for the time being in force."

.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে সাহায্য করতে বাধ্য? 
  1. শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধে
  2. আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে
  3. রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২-এ বলা হয়েছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে সহায়তা দাবি করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তি সেই সহায়তা দিতে আইনত বাধ্য। এই ধারার উপধারা (ক) ও (খ)-এ সহায়তা দানের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ আছে:
(ক) আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে:
- কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন রোধ করা, যাকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আছে।
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়:
- শান্তিভঙ্গ (breach of the peace) প্রতিরোধ বা দমন করা।
- রেলপথ (railway), খাল (canal), টেলিগ্রাফ (telegraph) বা সরকারি সম্পত্তিতে (public property) কোনো ক্ষতি করার প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করা।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত ক, খ ও গ- এই তিনটি ক্ষেত্রই ধারা ৪২-এর আওতাভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর "উপরোক্ত সবগুলো"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-
(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা কখন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. জারির তারিখ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।
  2. শুধুমাত্র জারির বছরের শেষ পর্যন্ত।
  3. যতক্ষণ না আদালত বাতিল করে বা কার্যকর হয় 
  4. যতক্ষণ না বাদী পক্ষ পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৭৫(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।"
অর্থাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা বলবৎ থাকে:
- যতক্ষণ না আদালত তা বাতিল করে, অথবা
- যতক্ষণ না তা কার্যকর (গ্রেফতার সম্পন্ন) হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৭৫: গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম ও কার্যকরতার মেয়াদ:
(১) এই সংহিতা অনুসারে কোন আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যেক গ্রেফতারি পরোয়ানা লিখিত আকারে হতে হবে, আদালতের প্রধানের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে উক্ত বেঞ্চের কোন সদস্যের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং আদালতের সীলমোহর সংযুক্ত করতে হবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা (Additional powers) কে প্রদান করতে পারেন? 
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সাধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত (Additional powers) চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ:
১. সরকার (Government) - যেকোনো বিচারিক (Judicial) বা নির্বাহী (Executive) ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিতে পারেন।
২. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) - বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের (Judicial Magistrate) ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
৩. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate) - নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের (Executive Magistrate) ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- প্রথম প্রভিসো: সরকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমতা দিতে পারেন যে, তিনি তার অধীনস্থ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সরকারের পক্ষ থেকে চতুর্থ তফসিলের যেকোনো ক্ষমতা প্রদান করতে পারবেন।
- দ্বিতীয় প্রভিসো: কোনো বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ বাধ্যতামূলক।

যেহেতু সরকার, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট—এই তিন কর্তৃপক্ষই নির্দিষ্ট শর্তে এবং ক্ষেত্রমতো ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন, তাই সঠিক উত্তর "উপরোক্ত সবাই"।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 37. Additional powers conferrable on Magistrates.
In addition to his ordinary powers, any Judicial or Executive Magistrate may be invested by the Government or the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, as the case may be, with any powers specified in the schedule IV: 
Provided that, the Government may authorize a District Magistrate to invest any Executive Magistrate subordinate to him with any of its powers specified in the schedule IV: 
Provided further that any Judicial Magistrate may be invested with such additional powers in consultation with the High Court Division.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুসারে “complaint” এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ
  2. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হবে – খ) পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(h) অনুযায়ী “অভিযোগ” (Complaint) বলতে বোঝায়— ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক বা লিখিতভাবে দাখিলকৃত অভিযোগ, যার মাধ্যমে অভিযোগকারী জানায় যে কোনো ব্যক্তি (চেনা বা অচেনা) অপরাধ করেছে এবং উদ্দেশ্য থাকে ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্বুদ্ধ করা। তবে এই সংজ্ঞার মধ্যে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মৌখিক অভিযোগ কিংবা লিখিত অভিযোগ সবই “অভিযোগ”-এর মধ্যে পড়ে, কিন্তু পুলিশ রিপোর্ট কখনোই “অভিযোগ” হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ কর্মকর্তার করণীয় কী?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো
  2. তাকে জামিন দেওয়া
  3. তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া 
  4. তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ কর্মকর্তাকে অবশ্যই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা। গ্রেফতারের সময়ই কারণ জানানো বাধ্যতামূলক, যা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা:
- পরোয়ানা ছাড়া যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের সময়, যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সেই কারণসমূহ তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১২ অনুসারে, ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০-এর অধীনে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশে নিচের কোন তথ্যটি উল্লেখ করতে হবে না?
  1. প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ
  2. বন্ডের পরিমাণ
  3. বন্ডের মেয়াদকাল
  4. অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১১২-তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০-এর অধীনে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে:
- প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ (substance of the information received)
- বন্ডের পরিমাণ (amount of the bond to be executed)
- বন্ডের মেয়াদকাল (term for which it is to be in force)
- জামিনদারের (যদি থাকে) সংখ্যা, চরিত্র এবং শ্রেণি (number, character and class of sureties (if any) required)
এই তালিকায় অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ (details of property of the accused) উল্লেখ করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 112.Order to be made:
When a Magistrate acting under section 107, section 108, section 109 or section 110 deems it necessary to require any person to show cause under such section, he shall make an order in writing, setting forth the substance of the information received, the amount of the bond to be executed, the term for which it is to be in force, and the number, character and class of sureties (if any) required.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মূলত কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. প্রথাগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. আন্তর্জাতিক আইন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ না করে বরং ফৌজদারি মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে। যেমন: অভিযোগ দায়ের, গ্রেপ্তার, তদন্ত, জামিন, বিচার, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায় প্রদান ও আপিলের নিয়মাবলী এই আইনে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মৌলিক আইন (Substantive Law): অপরাধ ও শাস্তির সংজ্ঞা দেয় (যেমন: দণ্ডবিধি)।
- প্রথাগত আইন: সমাজের রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আইন।
- আন্তর্জাতিক আইন: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

১০.
যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী আদালত কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করবে
  2. সতর্কবার্তা নোটিশ দেবে
  3. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
  4. মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু নির্ধারিত সময়ে হাজির না হন, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
- এই পরোয়ানার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানো হয়।
- অর্থাৎ, আদালত কেবল সতর্কবার্তা বা সমন নয়, বরং সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

১১.
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি খুঁজে না পাওয়া গেলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে সমন দেওয়ার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৬৯
  2. ধারা ৭০
  3. ধারা ৭১
  4. ধারা ৭২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭০ অনুযায়ী, যদি সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যথাযথ চেষ্টা সত্ত্বেও খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে সমন তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে রেখে দেওয়া যায়। সেই সদস্যকে প্রয়োজনে সমনের অন্য কপির পিছনে স্বাক্ষর করতে হবে। এভাবে প্রদত্ত সমনকে আইনগতভাবে যথাযথ সেবা (due service) হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতি:
- যে ব্যক্তিকে সমন জারি করা হয়েছে, যথাযথ অধ্যবসায় প্রয়োগ করেও যদি তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, তাহলে সমনের একটি নকল তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট রেখে সমন জারি করা যাবে। এবং যার নিকট এভাবে সমন রেখে যাওয়া হয়েছে, জারিকারী কর্মকর্তা চাইলে সেই ব্যক্তি অপর নকলের পিছনে একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য থাকবেন।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 70. Service when person summoned cannot be found:
Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ এর মাঝে  বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত তাকে প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা দণ্ড দিতে পারে।
- যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তবে আদালত নির্দেশ না দিলে এগুলো ক্রমিকভাবে (consecutive) চলবে।
- তবে মোট দণ্ডের মেয়াদ কোনোভাবেই ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।
- ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে, তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, তার দ্বিগুণের বেশি মোট শাস্তি দেওয়া যাবে না।
- আপিলের উদ্দেশ্যে, একই বিচারে একাধিক অপরাধে প্রদত্ত ক্রমিক দণ্ডগুলোকে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য করা হবে।
- তাই একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে ধারা ৩৫ এর মাঝে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত একটি আদেশ সাধারণত কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. ছয় মাস
  4. বাতিল না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪(৬) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে।
- তবে যদি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ থাকে অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকে, তখন সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সময়সীমা বাড়াতে পারে।
- সাধারণ পরিস্থিতিতে সময়সীমা ২ মাস এর বেশি হয় না।
- এছাড়া, ধারা ১৪৪(৭) অনুযায়ী, এই বিধান মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য নয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 144 Power to issue order:
-(6) No order under this section shall remain in force for more than two months from the making thereof; unless, in cases of danger to human life, health or safety, or a likelihood of a riot or an affray, the Government, by notification in the official Gazette, otherwise directs. 
-(7) The provisions of this section shall not apply to a Metropolitan Area.

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কত শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, Judicial Magistrate-দের চারটি শ্রেণি রয়েছে। এই শ্রেণিগুলো হলো: 
(ক) Chief Metropolitan Magistrate (মেট্রোপলিটন এলাকায়) এবং Chief Judicial Magistrate (অন্যান্য এলাকায়);
(খ) Magistrate of the first class, যিনি মেট্রোপলিটন এলাকায় Metropolitan Magistrate নামে পরিচিত;
(গ) Magistrate of the second class;
(ঘ) Magistrate of the third class।

Explanation অংশে আরও বলা হয়েছে যে, “Chief Metropolitan Magistrate” এবং “Chief Judicial Magistrate” শব্দের মধ্যে Additional Chief Metropolitan Magistrate এবং Additional Chief Judicial Magistrate-কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6(3): There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও গ্রেপ্তার করলে, কত ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন।"
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ এই ধারা ৪৬ক সন্নিবেশিত করা হয়েছে, যা গ্রেপ্তারের পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য নির্ধারণ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর ১২ ঘণ্টা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬ অনুসারে, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং যা তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত, সেগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. সাধারণ ক্ষমতা
  4. অসাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬-এর শিরোনামই হচ্ছে "ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers of Magistrates)। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সকল বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Executive Magistrate)-এর ওপর যথাক্রমে যে ক্ষমতা অর্পিত হয়েছে এবং যা তৃতীয় তফসিলে (Third Schedule) বর্ণিত রয়েছে, সেগুলো তাদের "সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers) নামে পরিচিত।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
--------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
-All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন?
  1. দশ লাখ
  2. পাঁচ লাখ
  3. তিন লাখ
  4. দুই লাখ
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ধারা ৩২(১)(খ) এর অধীনে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত  সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস-সহ, সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
- সুতরাং, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যে-কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যে-কোনো আইনসংগত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely :-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five lac taka;.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding three lac taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two lac taka.
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ অনুসারে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা (bond) প্রদানের আদেশ দিলে এর সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ মাস 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.

১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১(১) ধারা অনুসারে, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা অধস্তন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪১(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করিতে পারবেন।"
অর্থাৎ, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা সরকারের অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তাকে যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, তা প্রত্যাহারের ক্ষমতা একমাত্র সরকারের (Government) আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুসারে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে-
  1. তদন্ত শেষে। 
  2. গ্রেফতারের সময়ই। 
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। 
  4. আদালতে হাজির করার সময়। 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, যদি কোনো পুলিশ অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেফতার করে, তবে তাকে গ্রেফতারের সময়ই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান, যা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ক ধারার বিধান: বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ অফিসার, গ্রেফতারের সময়, তাহাকে যে কারণে গ্রেফতার করা হইল সেই কারণ জ্ঞাপন করিবেন।

- সুতরাং, বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক এবং তা করতে হবে গ্রেফতারের ঠিক সময়েই (at the time of making arrest), অর্থাৎ গ্রেফতার করার মুহূর্তে বা সঙ্গে সঙ্গে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54A: Person arrested to be informed of reason of arrest:
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী আমলযোগ্য অপরাধের ষড়যন্ত্রের সংবাদ পেলে পুলিশ অফিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫০
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৫০-তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো পুলিশ অফিসার যদি কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পনার সংবাদ পান, তাহলে তিনি তা তাঁর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং যে কোনো অন্য কর্মকর্তাকে (যার দায়িত্ব সেই অপরাধ প্রতিরোধ করা বা তাতে আমল গ্রহণ করা) অবহিত করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ: 
কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য প্রাপ্ত প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা উক্ত তথ্য তার উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে এবং অন্য যেকোনো কর্মকর্তাকে, যার দায়িত্ব হলো এরূপ অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধ করা বা এ বিষয়ে আমল গ্রহণ করা, তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.

২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুসারে, পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যাতায়াতের সময় বাদে সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা আটক রাখা যায়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুযায়ী, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না।
- এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
- তবে, যদি ধারা ১৬৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ আদেশ দেন, তখন সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
- যাতায়াতের সময় (গ্রেপ্তারের স্থান থেকে আদালতে পৌঁছাতে যে সময় লাগে) এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) অনুসারে, ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে মুচলেকার মেয়াদ কবে থেকে শুরু হবে?
  1. আদেশ জারির তারিখ থেকে
  2. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর থেকে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. মুক্তি পাওয়ার ৩০ দিন পর থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১২০(১) অনুসারে ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকার মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪
  2. ধারা ৪ক
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫-এ দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫ (Section 5) দণ্ডবিধি (Penal Code) এবং অন্যান্য আইনের অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।


- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫: দণ্ডবিধির অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীন সকল অপরাধ এই কার্যবিধিতে পরবর্তীতে বর্ণিত বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
(২) অন্যান্য আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য কোনো আইনের অধীন সকল অপরাধ একই বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ঐ সকল অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি বা স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত যে কোনো প্রচলিত আইন সাপেক্ষে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(1):Trial of offences under Penal Code:
 All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(2):Trial of offences against other laws:
All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.

২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী নিম্নলিখিতদের মধ্যে কে পদাধিকারবলে (Ex-officio) Justice of the Peace নয়?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৫-এ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস কারা হবেন, তার একটি নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া আছে। এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস:
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (সমগ্র বাংলাদেশের জন্য)।
- দায়রা জজ (Sessions Judges) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrates) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
উপরোক্ত তালিকায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)-এর নাম উল্লেখ নেই। যদিও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদ, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির এই বিশেষ ধারা (২৫) অনুযায়ী তিনি পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস নয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।
- দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 22: Justice of the peace for the mafassal:
The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
Repealed
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

২৬.
বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা অনুসারে আবেদন করার সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো সংবাদপত্র, বই বা দলিল সম্পর্কে ৯৯ক ধারায় বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ দেওয়া হয়, তবে এতে স্বার্থসম্পন্ন ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস, যা গণনা করা হবে সরকারি আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে।
- আবেদন করার কারণ হতে হবে যে উক্ত দলিলে ৯৯ক(১)-এ বর্ণিত নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু ছিল না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুসারে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” বলতে কী বোঝায়?
  1. Executive Magistrate
  2. District Magistrate
  3. Judicial Magistrate
  4. Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” শব্দটি ব্যবহৃত হলে সেটি Judicial Magistrate বোঝাবে।
- অর্থাৎ, যদি “Executive Magistrate” বা “District Magistrate” এর মতো কোনো বিশেষণ যুক্ত না থাকে, তবে “Magistrate” বলতে সরাসরি বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে বোঝানো হয়।
-  তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: Judicial Magistrate.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "In this Code, unless the context otherwise requires, any reference— (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;"
- অর্থাৎ, কোডে যখন কোনো qualifying word (যেমন Executive, District, Chief ইত্যাদি) ছাড়া শুধু "Magistrate" শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তা Judicial Magistrate কে বোঝাবে।
- এই ধারা (Construction of references) মূলত Judicial Magistrate এবং Executive Magistrate-এর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে।

২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা অনুযায়ী "সাধারণ নাগরিক" (private person) কোন ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. জামিনযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  2. জামিন অযোগ্য ও আমলঅযোগ্য অপরাধ
  3. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  4. উল্লিখিত সকল অপরাধে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ নাগরিক শুধুমাত্র সেই ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন যেগুলো জামিন অযোগ্য (অর্থাৎ জামিন পাওয়া যায় না) এবং আমলযোগ্য (অর্থাৎ পুলিশ তদন্তের যোগ্য, মামলা নেওয়ার যোগ্য)।
- জামিন অযোগ্য (Non-bailable): যে অপরাধে জামিন পাওয়ার অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেই, আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।
- আমলযোগ্য (Cognizable): যে অপরাধে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে এবং তদন্ত করতে পারে।
- Proclaimed offender: আইনত ঘোষিত অপরাধী।
অতএব, ধারা ৫৯ অনুসারে, সাধারণ নাগরিক জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ বা ঘোষিত অপরাধী (proclaimed offender)-কে গ্রেপ্তার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.

২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী ১৫ বছরের কম বয়সী আসামির অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ছাড়া) বিচার করতে পারেন-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ)উপরোক্ত সবাই । 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.

৩০.
সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৪
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশী করার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্তত দুইজন নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে। তাদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাতে হবে এবং বাজেয়াপ্তকৃত জিনিসের তালিকা প্রস্তুত করে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। তবে আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে সাক্ষীদের আদালতে হাজিরা দিতে হবে না। এটি তল্লাশীর স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.