পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কত সালে শেরে বাংলা লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩৭ সালে
  3. গ) ১৯৪০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ মুসলিমলীগের লাহোর অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোন সীমানা কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভারত বিভাগ হয়?
  1. ক) স্যাডলার কমিশন
  2. খ) সাইমন কমিশন
  3. গ) র‌্যাডক্লিফ কমিশন
  4. ঘ) হান্টার কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) র‌্যাডক্লিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) র‌্যাডক্লিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‌্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয় যার ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
অনুশীলন সমিতি কোন অঞ্চলের সশ্বস্ত্র বিপ্লবী সংগঠন ছিলো?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কলকাতা
  4. ঘ) আসাম
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতে বাংলায় বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরই অংশ হিসেবে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে অনেকগুলো গোপন বিপ্লবী সশস্ত্র সংগঠন গড়ে উঠে। অনুশীলন সমিতি ছিলো ঢাকায় গড়ে উঠা একটি বিপ্লবী সশ্বস্ত্র সংগঠন। এর প্রধান সংগঠক ছিলেন পুলিন বিহারী দাস। এই সমিতি গুপ্ত হত্যা, সশ্বস্ত্র আক্রমণ প্রভৃতির মাধ্যমে সরকারকে ব্যতিব্যস্ত রাখে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ভারতের স্বাধীনতা লাভের প্রশ্নে সশ্বস্ত্র সংগ্রামের পক্ষপাতি ছিলেন-
  1. ক) জওহরলাল নেহরু
  2. খ) সুভাষচন্দ্র বসু
  3. গ) আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
খ) সুভাষচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
ভারতের স্বাধীনতা লাভের প্রশ্নে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সশ্বস্ত্র সংগ্রামের পক্ষপাতি ছিলেন। এরূপ মনোভাবের জন্যে তিনি কংগ্রেসের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ফরোয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি গোপনে জার্মানি ও জাপান যান এবং সেখানে আজাদ হিন্দ ফোর্স বা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি বাহিনীর সাথে এই বাহিনী ভারতের পূর্বাঞ্চলে লড়াই করে। কিন্তু বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ব্যর্থতার পর সুভাষ বসু অন্তর্ধান হয়ে যান। তার শেষ পরিণতি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং আমি সুভাষ বলছি : প্রথম খণ্ড)