পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: টপিক: পদ প্রকরণ বা ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি (বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ও অনুসর্গ) [লাইভ ক্লাস - ২৩ ও ২৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
ব্যাকরণিক শব্দ কয় প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণগত চরিত্র ও ভূমিকা অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে যে কয়ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, তাকে ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি বলে।
ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা যায়।
১. বিশেষ্য
২. সর্বনাম  
৩. বিশেষণ
৪. ক্রিয়া
৫. ক্রিয়া বিশেষণ
৬. যোজক
৭. অনুসর্গ
৮. আবেগ শব্দ

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটি নামবাচক বিশেষ্য নয়?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) গোমতী
  3. গ) হিমালয়
  4. ঘ) মানুষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানুষ
ব্যাখ্যা
যে বিশেষ্য বিশেষ ব্যক্তি, স্থান, দেশ, শিল্পকর্ম, পত্রিকা, বই, মাস, দিন ইত্যাদির সুনির্দিষ্ট নাম বুঝায় তাকে সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঢাকা, পদ্মা, বৈশাখ, মঙ্গলবার ইত্যাদি।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ বই।
.
নিচের কোনটি ক্রিয়াবিশেষ্য নয়?
  1. ক) চলন
  2. খ) বলানো
  3. গ) খাওয়া
  4. ঘ) দরিদ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) দরিদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দরিদ্র
ব্যাখ্যা
যে বিশেষ্য দ্বারা ক্রিয়ার নাম বা ক্রিয়ার ভাব বুঝায় তাকে ক্রিয়া বিশেষ্য বলে।
যেমন : করা, দেখা, বলা, খাওয়া, দর্শন, ভোজন, করানো, বলানো, পঠন ইত্যাদি।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ বোর্ড বই।
.
নিচের কোনটি গুণবাচক বিশেষ্য?
  1. ক) তরল
  2. খ) সরল
  3. গ) ধীরতা
  4. ঘ) মধুর
সঠিক উত্তর:
গ) ধীরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধীরতা
ব্যাখ্যা
যে বিশেষ্য দ্বারা গুণের নাম বুঝায় তাকে বিশেষণজাত বা গুণবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন : তরলতা, ধীরতা, মধুরতা, দ্রুততা, চালাকি, নষ্টামি, পটুত্ব ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে,
তরল, সরল, মধুর হলো বিশেষণ। 

উৎস : বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ।
.
কেউ কেউ ঘটনাটা জানবেন। এখানে 'কেউ কেউ' কোন পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
গ) সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
যে সর্বনাম দ্বারা অনির্দিষ্ট ও পরিচয়হীন কোনো কিছুকে বুঝায় তাকে অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম বলে।
- এ ধরনের সর্বনাম হলো : কেউ, কেউ; কিছু, কিছু,  

যেমন : 
- কেউ কোথাও আছে বলে মনে হয় না।
- কেউ কেউ ঘটনাটা জানবেন।
- কোনো কিছু আমার জানা নেই।
- কিছু না খেলে আর পারছি না।
- যে কেউ এর নিন্দা করবে। 
- চলো কোথাও ঘুরে আসি।

উৎস : মাধ্যমিক ব্যাকরণ (নতুন) এবং বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ।
.
তুমি কাকে চাও? - এ বাক্যে ‘কাকে’ কোন পদ?
  1. ক) সর্বনাম
  2. খ) বিশেষ্য
  3. গ) অনুসর্গ
  4. ঘ) বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক) সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
যে সর্বনাম দ্বারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রশ্ন করা বুঝায় তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে।
এ জাতীয় সর্বনাম হলো : কে, কী, কোন, কার, কাকে, কীসে ইত্যাদি।

যেমন : 
- ওখানে কে? 
- তুমি কাকে চাও? 
- কারা পড়ে আসেনি?

উৎস : মাধ্যমিক ব্যাকরণ (নতুন) এবং বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ।
.
আমি বলি কী, পরীক্ষাটা এবার দিয়ে দাও।। - এ বাক্যে ‘কী’ কোন পদ?
  1. ক) অনুসর্গ
  2. খ) সর্বনাম
  3. গ) বিশেষণ
  4. ঘ) বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
যে সর্বনাম দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটায় তাকে সংযোগবাচক সর্বনাম বলে।
যেমন : 
- কলেজে গিয়ে দেখি যে, ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে। 
- আমি বলি কী, পরীক্ষাটা এবার দিয়ে দাও।

উৎস : মাধ্যমিক ব্যাকরণ (নতুন) এবং বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ।
.
প্রেমিকা থাকার পরেও অন্য মেয়ের দিকে তাকিয়ো না। - এখানে ‘অন্য’ কোন পদ?
  1. ক) সর্বনাম
  2. খ) অনুসর্গ
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষণ
ব্যাখ্যা
যে বিশেষণ সর্বনাম পদ থেকে সৃষ্টি হয় তাকে সর্বনামজাত বিশেষণ বলে।
যেমন : কবেকার কথা, কোথাকার লোক, স্বীয় উদ্যোগ, তদীয় সম্পত্তি।

কিছু কিছু সর্বনাম শব্দ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন : অন্য লোক, কত দিন ইত্যাদি।

উৎস : মাধ্যমিক ব্যাকরণ (নতুন) এবং বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটি বিশেষণ নয়?
  1. ক) তুমি কী খাবে?
  2. খ) কবেকার গল্প মারছ!
  3. গ) তদীয় বইয়ের প্রতি আমার কোনো লোভ নেই।
  4. ঘ) স্বীয় উদ্যোগে প্রস্তুতি গ্রহণ করো।
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি কী খাবে?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি কী খাবে?
ব্যাখ্যা
প্রশ্নবোধক সর্বনাম: মূলত সর্বনাম। প্রশ্নবোধক সর্বনামে যে প্রশ্ন থাকে তার উত্তর হিসেবে কোনো বিশেষ্যের নাম আসে।
সর্বনামজাত বিশেষণ: সর্বনামের সঙ্গে ‘ঈয়’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অথবা কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্নবোধক সর্বনাম: শব্দটি দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাবে, অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের পরিবর্তে বসে।
সর্বনামজাত বিশেষণ: শব্দটি দ্বারা সাধারণত কোনো বিশেষ্যকে বিশেষিত করবে।

প্রশ্নবোধক সর্বনাম: সাধারণত শব্দটির পরে ক্রিয়া থাকে।
সর্বনামজাত বিশেষণ: সাধারণত শব্দটির পরে বিশেষ্য থাকে। 

প্রশ্নবোধক সর্বনাম: 
- ওখানে কে
- তুমি কাকে চাও? 
- কারা পড়ে আসেনি?
- তুমি কোথায় যাবে?
- তুমি কী খাবে?

সর্বনামজাত বিশেষণ: 
- অন্য লোকের দিকে তাকিয়ো না। 
- কত দিন না খেয়ে থাকবে?
- কবেকার কথা বলছ? একটু স্পষ্ট করে বলো।
- তদীয় সম্পত্তিতে আমার কোনো লোভ নেই। 
- স্বীয় উদ্যোগে করিম সাহেব কাজটি করলেন।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১০.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. ক) বালিকাটি সুন্দর
  2. খ) নারীটি সুন্দর
  3. গ) মেয়েটি বিদ্বান
  4. ঘ) সুন্দর নারী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দর নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দর নারী
ব্যাখ্যা
বিধেয় বিশেষণ স্ত্রীবাচক হয় না, পুরুষবাচক হয়।
যেমন : 
‘মেয়েটি সুন্দরী’ বলা যাবে না। বলতে হবে :
- মেয়েটি সুন্দর।
- সুন্দরী নারী।
- বালিকাটি সুন্দর।
- নারীটি সুন্দর। 
- মেয়েটি বিদ্বান। 
- মেয়েটি পাগল। 
- বালিকাটি অস্থির।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ বই।
১১.
মেট্রোরেল অতি দ্রুত চলে। এ বাক্যে ‘অতি’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) বিশেষণের বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ
ব্যাখ্যা
এ বাক্যে দ্রুত ক্রিয়া বিশেষণ আর দ্রুতকে অতি শব্দ বিশেষিত করেছে বলে অতি ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ব্যবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।
১২.
নিচের কোনটি বিশেষণ নয়?
  1. ক) নিশীথে কল কইরো ওগো আমার ফোনের বন্ধু।
  2. খ) পড়া বই আর কত পড়ো?
  3. গ) পাতলা দুধ খাইতে মজা নেই।
  4. ঘ) এত অল্প প্রস্তুতিতে ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণিতে ভালো নম্বর পাওয়া যাবে না।
সঠিক উত্তর:
ক) নিশীথে কল কইরো ওগো আমার ফোনের বন্ধু।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিশীথে কল কইরো ওগো আমার ফোনের বন্ধু।
ব্যাখ্যা
প্রথম বাক্যে ‘নিশীথ’ অর্থ রাত, এটি কোনো পদকে বিশেষিত করেনি, বরং নিজেই বিষয় হিসেবে বসেছে। 
বাকি বাক্যগুলোতে বিশেষণ হিসেবে বসেছে। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ব্যবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।
১৩.
নিচের কোনটিতে বিশেষণের অতিশায়ন আছে?
  1. ক) তিল থেকে তৈল হয়।
  2. খ) আসমান হতে বৃষ্টি পড়ে।
  3. গ) তুমি আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়।
  4. ঘ) চিনির চেয়ে মধু মিষ্টি বেশি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিনির চেয়ে মধু মিষ্টি বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিনির চেয়ে মধু মিষ্টি বেশি।
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ:
বিশেষণের মধ্যে তুলনা থাকবে না।
যেমন:
- তিল থেকে তৈল হয়। 
- আসমান হতে বৃষ্টি পড়ে।
- তুমি আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়।

বিশেষণের অতিশায়ন:
বিশেষণের মধ্যে তুলনা থাকবে।
- গোরুর থেকে ঘোড়ার দাম বেশি।
- পদ্ম হতে গোলাপ বেশি সুন্দর। 
- বাঘের চেয়ে সিংহ বলবান।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ব্যবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।
১৪.
নিচের কোনটিতে ফারসি অনুসর্গ নেই?
  1. ক) বাসটি কুমিল্লা অভিমুখে ঢাকা ছেড়েছে।
  2. খ) বৃষ্টির দরুন খেলা পণ্ড হলো।
  3. গ) প্রেমের বদলে বিয়ে করো।
  4. ঘ) আজ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার খেলা।
সঠিক উত্তর:
ক) বাসটি কুমিল্লা অভিমুখে ঢাকা ছেড়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাসটি কুমিল্লা অভিমুখে ঢাকা ছেড়েছে।
ব্যাখ্যা
ফারসি ভাষা থেকে আগত অনুসর্গকে ফারসি অনুসর্গ বলে।
এ জাতীয় অনুসর্গ হলো : দরুন, বদলে, বনাম, বাদে, বাবদ, বরাবর ইত্যাদি।
যেমন : 
- বৃষ্টির দরুন খেলা পণ্ড হলো। 
- ফেইসবুকের বদলে বুক নিয়ে বসো। 
- আজ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার খেলা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ব্যবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।
১৫.
নাম অনুসর্গ কয় প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে আগত অনুসর্গকে নাম বা বিশেষ্য অনুসর্গ বলে। 
নাম অনুসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা :
- তৎসম
- তদ্ভব
- ফারসি

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ বোর্ড বই।
১৬.
নিচের কোনটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ নেই?
  1. ক) মন দিয়ে পড়ালেখা করলে চাকরি হবে।
  2. খ) আমি তোমার সাথে থাকব না।
  3. গ) তুমি আছ বলেই আমার ভরসা।
  4. ঘ) সে বাড়ি ফিরবে না বলে পণ করেছে।
সঠিক উত্তর:
খ) আমি তোমার সাথে থাকব না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমি তোমার সাথে থাকব না।
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া থেকে নির্মিত অনুসর্গকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
এ জাতীয় অনুসর্গ হলো : করে, থেকে, দিয়ে, ধরে, হতে ইত্যাদি।
যেমন : 
- মন দিয়ে কাজ করা উচিত।
- তুমি আছ বলেই আমার ভরসা। 
- সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে। 
- আপনি সাহায্য করেছন বলেই কাজটা হলো।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ বোর্ড বই
১৭.
অনুসর্গের ক্ষেত্রে কোনটি ঠিক নয়?
  1. ক) অনুসর্গ শব্দের সঙ্গে জুড়ে বসে না, পৃথক শব্দ হিসেবে বসে।
  2. খ) অনুসর্গ কারকের ধারণা দেয়।
  3. গ) অনুসর্গের অর্থবাচকতা নেই।
  4. ঘ) অনুসর্গ পদের পরে বসে।
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের অর্থবাচকতা নেই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের অর্থবাচকতা নেই।
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ সাধারণভাবে অব্যয় হলেও বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া থেকে সৃষ্টি হয়।
- অনুসর্গ পদের পরে বসে।
- অনুসর্গ শব্দের সঙ্গে জুড়ে বসে না, পৃথক শব্দ হিসেবে বসে।
- অনুসর্গ কারকের ধারণা দেয়।
- অনুসর্গের স্বতন্ত্র ব্যবহার আছে।
- অনুসর্গের অর্থবাচকতা আছে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ব্যবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।