পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিতে সকল উপকারভোগীকে কোন পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে?
  1. G2G পদ্ধতি
  2. G2B পদ্ধতি
  3. G2P পদ্ধতি
  4. G2C পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিসমূহের সকল উপকারভোগীকে G2P  পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। 
- প্রত্যেক উপকারভোগী ৩ মাস অন্তর ৪ বারে তার প্রাপ্য অর্থ স্বীয় মোবাইল হিসাব নম্বর (নগদ/বিকাশ) এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন।

উৎস: সমাজসেবা অধিদপ্তর
.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে কে?
  1. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কমিশন
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  3. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  4. জাতীয় উন্নয়ন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
বিবিএস এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? [মে, ২০২৫]
  1. ২৬৯৪ ইউএস ডলার
  2. ২৭৩৮ ইউএস ডলার
  3. ২৮৬৮ ইউএস ডলার
  4. ২৯৪৮ ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)।
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩,৩৬০ টাকা (২,৭৪৯ ইউএস ডলার)।
- ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় মুদ্রায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও ডলার মূল্যে কিছুটা কমেছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, একই সাথে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগেরও সচিব।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
.
জিডিপির ১৯টি খাত কয়টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.৩০%
  2. ১১.০২%
  3. ১১.২০%
  4. ১১.৫০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
WWW ব্যবহারের জন্য কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. SQL
  3. SMTP
  4. HTTP
ব্যাখ্যা

WWW:
ব্যবহৃত প্রোটোকল HTTP.
- পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- WWW এর জনক টিম বার্নাস লি(Tim Berners-Lee)
- WWW এর উদ্ভাবন ১৯৮৯ সালে এবং বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- HTML হলো একটি Markup language যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- SQL হলো এক ধরনের কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।
- FTP এর মাধ্যমে ফাইল ট্রান্সফার করা হয়।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম-দশম শ্রেণি), মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

.
নিচের কোন নেটওয়ার্কের সিস্টেমের ব্যাপ্তি ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ?
  1. Wide Area Network
  2. Campus Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Local Area Network
ব্যাখ্যা

LAN(Local Area Network):
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে তার মাধ্যম হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং তারবিহীন মাধ্যম হিসেবে রেডিও ওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- LAN এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) 802
- LAN-এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ 4 টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যাবে।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে ডব্লিউল্যান (WLAN) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- অধ্যাপক নরম্যান আব্রামসন (Norman Abramson) এর নেতৃত্বে একদল গবেষক স্বল্প মূল্যের আলোহানেট (ALOHANET) নামে বিশ্বের সর্বপ্রথম তারবিহীন কম্পিউটার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উদ্ভাবন করেন যা ১৯৭১ সালে কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি),মুজিবুর রহমান

.
শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  2. ভয়েস রিকগনিশন
  3. আইরিশ ও রেটিন স্ক্যানিং
  4. ডিএনএ পর্যবেক্ষণ
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন হলো আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি।

- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট(আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ)
- হ্যান্ড জিওম্যাট্রি(হাতের রেখা শনাক্তকরণ)
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ
- ফেইস রিকগনিশন 
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন 
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন
- কীস্ট্রোক(কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ)

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

১০.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ?
  1. রিবুটিং
  2. ডিবাগিং
  3. ফিশিং
  4. টেক্সট
ব্যাখ্যা

ফিশিং(Phishing) এক ধরনের সাইবার অপরাধ

সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং(Phishing):
- একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস) চুরি করার চেষ্টা করে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

এছাড়াও রয়েছে হ্যাকিং, স্নিকিং, Cyberstalking, DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

১১.
সারাদিন কিছুই না করে বসে থাকে, একেবারে ঘটিরাম।
এখানে, 'ঘটিরাম' বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. অপদার্থ
  2. মূর্খ
  3. লজ্জাহীন
  4. সামান্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সারাদিন কিছুই না করে বসে থাকে, একেবারে ঘটিরাম।
এখানে, 'ঘটিরাম' বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?

সমাধান:
• সারাদিন কিছুই না করে বসে থাকে, একেবারে ঘটিরাম।
- এখানে, 'ঘটিরাম' বাগ্‌ধারা অর্থ - অপদার্থ।
বাক্য: মুরাদ একটা ঘটিরাম, ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না।

অন্যদিকে, 
• 'গোবর গণেশ' অর্থ - মূর্খ।
• 'চশমখোর' অর্থ - লজ্জাহীন। 
• 'চুনোপুটি' অর্থ - সামান্য ব্যক্তি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
শর্বরীর আঁধারে হারিয়ে গেল সে একা পথিক।
এখানে, 'শর্বরী' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. চাঁদ
  2. রাত
  3. সমুদ্র
  4. সুন্দর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শর্বরীর আঁধারে হারিয়ে গেল সে একা পথিক।
'শর্বরী' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

সমাধান:
• শর্বরীর আঁধারে হারিয়ে গেল সে একা পথিক।
- এখানে, 'শর্বরী' শব্দের সমার্থক শব্দ - রাত।

• শর্বরী (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- রাত্রি; রজনী; ক্ষণদা; নিশা; বিভাবরী; যামিনী।

'রাত/রাত্রি' এর সমার্থক শব্দ:
রাত্রি, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী।

উৎস: অভিগম্য অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৩.
"এক চাকার ঠেলা গাড়ি" - কোন শ্রেণির লিভার?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "এক চাকার ঠেলা গাড়ি" - কোন শ্রেণির লিভার?

সমাধান:
লিভার যন্ত্র:
লিভার হলো এমন একটি দণ্ড বা অবলম্বন, যা কোনো বস্তুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে।
• লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল
- লিভারের দন্ডটি যে বিন্দুতে ওঠানামা করে তাকে ফালক্রাম বলে।
- বল যে বিন্দুতে প্রযুক্ত হয় তা থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো বলবাহুর দৈর্ঘ্য।
- ভার থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো ভারবাহুর দৈর্ঘ্য।

• প্রযুক্ত বল, ভার ও ফালক্রামের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে লিভারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:-
• প্রথম শ্রেণির লিভার:
- এই ক্ষেত্রে ফালক্রামের অবস্থান প্রযুক্ত বল ও ভারের মাঝখানে থাকে।
- যেমন: কাঁচি, সাঁড়াশি, নিক্তি, নলকূপের হাতল, পানি সেচের দোন, ঢেঁকি ইত্যাদি।

• দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার;
- এই ক্ষেত্রে ভার থাকে মাঝখানে এবং প্রযুক্ত বল ও ফালক্রাম দুই প্রান্তে অবস্থান করে।
- যেমন: যাঁতি, এক চাকার ঠেলা গাড়ি, বোতল খোলার যন্ত্র ইত্যাদি।

• তৃতীয় শ্রেণির লিভার:
- এই ক্ষেত্রে প্রযুক্ত বলটি মাঝখানে কার্যকর হয়।ভার ও ফালক্রাম থাকে দুই প্রান্তে।
- যেমন: চিমটা।
১৪.
’শশব্যস্ত’ কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. উপমান কর্মধারয়
  2. দ্বিগু কর্মধারয়
  3. উপমিত কর্মধারয়
  4. রূপক কর্মধারয়
ব্যাখ্যা
• ’শশব্যস্ত’  উপমান কর্মধারয় সমাস।

• দ্বিগু কর্মধারয় সমাস:
- যে কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলোকে দ্বিগু কর্মধারয় সমাস বলে।
- যেমন: 
- তিন ফলের সমাহার -ত্রিফলা।
- চার রাস্তার মিলন - চৌরাস্তা।

• উপমান কর্মধারয় সমাস :
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমানের সাথে গুণবাচক শব্দের সমাস হয় সেগুলোকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে যার সাথে তুলনা করা হয় তা উপমান।
- যেমন:
- কাজলের মত কালো - কাজলকালো।
- শশের মতো ব্যস্ত - শশব্যস্ত।

• উপমিত কর্মধারয় সমাস :
যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয় সেগুলোকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমিত।
- যেমন:
- পুরুষ সিংহের ন্যায় - সিংহপুরুষ।
- আখিঁ পদ্মের ন্যায় - পদ্মআখিঁ।
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় - চন্দ্রমুখ।

• রূপক কর্মধারয় সমাস :
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ করা হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু - বিষাদ সিন্ধু।
- মন রূপ মাঝি - মনমাঝি। 

উল্লেখ্য: যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
নিচের কোন শব্দে ’অভি’ উপসর্গটি 'সম্যক' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভিজ্ঞ
  2. অভিযান
  3. অভিমুখ
  4. অভিজাত
ব্যাখ্যা
- ’অভিজ্ঞ’ শব্দে ’অভি’ উপসর্গটি সম্যক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অভি একটি- তৎসম উপসর্গ। 

• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ :
- বাংলা ভাষায় যেসকল উপসর্গ তৎসম শব্দ থেকে এসেছে সেগুলোকে তৎসম উপসর্গ বলে।
- তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
- যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, সু, উৎ, অধি, পরি, প্রতি, উপ, অপি, অভি, অতি, আ।

• অভি উপসর্গের ব্যবহার :
- সম্যক অর্থে- অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত।
- উত্তম অর্থে - অভিজাত।
- সম্মুখ অর্থে - অভিমুখ, 
- গমন অর্থে - অভিযান, অভিসার। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
১৬.
’ডাক্তার ডাক’ বাক্যে ডাক্তার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
  2. কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
  3. কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
  4. কর্মকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• ’ডাক্তার ডাক, বাক্যে ডাক্তার শব্দটি- কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।

• কর্মকারক :
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম, গৌণ কর্ম।
- যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে।

• কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার: 
• প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি-
- ডাক্তার ডাক,
- আমাকে একখানা বই দাও
- রবীন্দ্রনাথ পড়লাম,
- নজরুল পড়লাম,

•  দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি, রে বিভক্তি : 
- তাকে বল,
- আমারে তুমি করিবে ত্রাণ,
- এ নহে মোর প্রার্থনা,

•  ষষ্ঠী বা র বিভক্তি:
- তোমার দেখা পেলাম না।

• সপ্তমীর এ বিভক্তি:
- জিজ্ঞাসিবে জনে জনে,

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
১৭.
'এ ধন-সম্পদ তোমার জন্যে।' - এখানে 'জন্যে' অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. কারণ
  2. নিমিত্ত
  3. ন্যায়
  4. মত
ব্যাখ্যা
• ’এ ধন সম্পদ তোমার জন্য ‘ বাক্যে ’জন্যে’ অনুসর্গটি 'নিমিত্ত' অর্থে প্রকাশ পায়।

• অনুসর্গ :
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
- অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।

• বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে : 
• যেমন- প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।

অনুসর্গের প্রয়োগ:
- হেতু: নিমিত্ত অর্থে 'কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া।'
- জন্যে: নিমিত্ত অর্থে 'এ ধন-সম্পদ তোমার জন্যে।'
- সহকারে : সঙ্গে অর্থে আগ্রহ সহকারে কহিলেন।
- বশত : কারণে অর্থে দুর্ভাগ্যবশত সভায় উপস্থিত হতে পারিনি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
১৮.
’যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।’ এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. জটিল বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. মৌলিক বাক্য
  4. যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• গঠন অনুযায়ী বাক্যের  তিন প্রকার।
যথা- 
১. সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যথা পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
এখানে 'পদ্মফুল' উদ্দেশ্য এবং 'জন্মে' বিধেয়।
- একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে সরল বাক্য।
- সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে পারে।

২. মিশ্র বা জটিল বাক্য :
- যে বাক্যে একটি প্রধান খন্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
- সাপেক্ষ সর্বনাম থাকলেই জটিল বা মিশ্র বাক্য।
- সাপেক্ষ সর্বনাম: যে-সে, যেমন-তেমন, যখন-তখন, যদিও-তবুও ইত্যাদি।
-যেমন: 
- যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করেন।
- যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।
- যতদিন জবিত থাকব, ততদিন সত্যকথা বলব।

৩. যৌগিক বাক্য:
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
-  যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত বা সমন্বিত থাকে।
- যেমন-
- তার বয়স হয়েছে কিন্তু  বুদ্ধি হয়নি।
- মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
১৯.
’গোলাপফুল’ কোন সমাসের উদহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. কর্মধারয়
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস :
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- গোলাপ নামের ফুল - গোলাপফুল।
- যা কাঁচা তাই মিঠা - কাচাঁ-মিঠা।

• দ্বন্দ্ব সমাস :
- যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
 যেমন - 
- ভালো ও মন্দ =ভালো-মন্দ।
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরে-সুস্থে।
- চলনে ও বলনে = চলনে-বলনে।

• তৎপুরুষ সমাস :
- সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- বিভক্তি লোপ পাওয়া তৎপুরুষ:
 যেমন -
- পথের রাজা = রাজপথ।
- গাছে পাকা = গাছপাকা।
- অকালে মৃত্যু = অকালমুত্যু।
- সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পাওয়া তৎপুরুষ:
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।
- রান্নার জন্যে ঘর = রান্নাঘর।
- বিয়ের জন্যে পাগল =  বিয়েপাগল।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
২০.
"সিকি পথ" - এখানে ’সিকি’ কোন বিশেষণের উদাহরণ হবে?
  1. ক্রমবাচক
  2. অংশবাচক
  3. অবস্থাবাচক
  4. পরিমাণবাচক
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ: যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম, ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বুঝায় তাকে বিশেষণ বলে। 
যেমন: সুন্দর ফুল, তাজা মাছ, রোগা ছেলে, ইত্যাদি।

• অংশবাচক বিশেষণ :
-যে বিশেষণ দ্বারা কোন বিশেষ্যের অংশবিশেষ বুঝায় তাকে অংশবাচক বিশেষণ বলে।
- যেমন:
- অর্ধেক সম্পত্তি,
- ষোল আনা দখল,
- সিকি পথ।

• পরিমাণবাচক বিশেষণ :

-যে বিশেষণ দ্বারা কোন বিশেষ্যের পরিমাণ বুঝায় তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- দশম শ্রেণি,
- সত্তর পৃষ্ঠা,
- প্রথমা কন্যা।

• ক্রমবাচক বিশেষণ :
- যে বিশেষণ দ্বারা কোন বিশেষ্যের ক্রম বুঝায় তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- বিঘাটেক জমি,
- পাঁচ শতাংশ ভূমি,
- হাজার টনী জাহাজ,
- এক কেজি চাল,
- দু কিলোমিটার রাস্তা।

• অবস্থাবাচক বিশেষণ :
- যে বিশেষণ দ্বারা কোন বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ পায় তাকে  অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- তাজা মাছ,
- রোগা ছেলে,
- খোঁড়া ছেলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
২১.
নিচের কোনটি ব্যক্তিবাচক সর্বনামের সম্ভ্রমাত্মক রূপ?
  1. আমরা
  2. তুমি
  3. তাঁর
  4. তোমাকে
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিবাচক সর্বনামের রূপ: 
সাধারণ রূপ : আমি, আমরা, আমাকে, আমাদিগকে, আমার, আমাদের,  তোমাদিগকে, তোমার, তোমাদের তুমি, তোমরা, তোমাকে, সে, তারা, তাহারা, তাকে, তাহাকে, মোর, মোরা।

• সম্ভ্রমাত্মক রুপ :  আপনি, আপনারা, আপনাকে, আপনার, আপনাদের, তিনি, তাঁরা, তাঁহারা, তাঁদের, তাঁহাদের, তাঁহাদিগকে, তাঁদেরকে, তাঁহাকে, তাঁকে, ইনি, এঁর, এঁরা, ইঁহাদের, এঁদের, ইহাকে, এঁকে, উনি, ওঁর, ওঁরা, ওঁদের।

• তুচ্ছার্থক বা ঘনিষ্ঠতা-জ্ঞাপক : ইহা, ইহারা, এই, এ, এরা, উহা, উহারা, ও, ওরা, ওদের।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
২২.
’এত শঠতা, এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা' - উক্তিটিতে 'মধুতে' শব্দটি কোন কারক কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে শূন্য
  2. অধিকরণে শূন্য
  3. করণে সপ্তমী
  4. অপদানে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
- করণ কারক :
• ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়।
- 'করণ' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
- যেমন : নীরা কলম দিয়ে লেখে। 

বাক্যটি - এত শঠতা, এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা।
বাক্যকে 'কী দ্বারা' বা 'কীসের উপায়ে' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় মধুতে। সুতরাং মধুতে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

• করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার :
-  প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি -
- ছাত্ররা বল খেলে। 
- ডাকাতেরা গৃহস্বামীর মাথায় লাঠি মেরেছে।

• তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি, দিয়া বিভক্তি :
- লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।
- মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন।

• সপ্তমী বিভক্তি বা এ বিভক্তি, তে বিভক্তি, য় বিভক্তি :
- ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।
- শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়।

- এত শঠতা, এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা।'
- লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।
- চেষ্টায় সব হয়।
- এ সুতায় কাপড় হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।
২৩.
Who wrote 'Lycidas'?
  1. John Milton
  2. Alexander Pope
  3. P.B. Shelley
  4. W. Blake
ব্যাখ্যা
• Lycidas (elegy):
- এটি একটি শোকগাঁথা।
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৪.
Dryden's 'Absalom and Achitophel' is a/an -
  1. autobiography novel
  2. play
  3. novel
  4. verse satire
ব্যাখ্যা
• Absalom and Achitophel:
- এটি John Dryden রচিত একটি কবিতা, তিনি Neoclassical period এর লেখক তাই এটি Neoclassical period এর রচনা।
- এটি প্রকাশিত হয় 1681 সালে।
- তার রচিত একটি ‘verse satire’ বা ব্যঙ্গাশ্রয়ী রূপক কাব্য।
- কবিতাটি লেখা হয়েছিল heroic couplets এ।

• John Dryden:
- John Dryden হচ্ছেন the restoration Period এর একজন author.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist ও literary critic

• Notable works:
- Absalom and Achitophel,
- Annus Mirabilis,
- Astraea Redu,
- The Essay of Dramatic Poesy,
- All for Love.

Source: Britannica.
২৫.
The Way of the World is a ____ act play.
  1. one
  2. three
  3. four
  4. five
ব্যাখ্যা
• The Way of the World:
- Comedy of Manner এর ধারায় লেখা 5acts বিশিষ্ট এই playটি ১৭০০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই play টিকে William Congreve এর অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- Way of The World এ লেখক তাঁর তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং এর রীতিনীতি গুলোকে বিশেষ করে প্রেম এবং বিবাহ সম্পর্কিত বিষয় গুলোকে নিয়ে উপহাস করেছেন।
- The plot concerns the efforts of the lovers Millamant and Mirabell to obtain the permission of Millamant’s aunt for their marriage. Despite a scheme that goes awry and after several misunderstandings and other complications are cleared up, the two finally obtain her consent.

• William Congreve was famous for the Comedy of Manners.
- তিনি Restoration period এর একজন স্বনামধন্য লেখক।
- He shaped the English comedy of manners through his brilliant comic dialogue, his satirical portrayal of the war of the sexes, and his ironic scrutiny of the affectations of his age.

• His famous plays:
- The Way of The World,
- Love for Love,
- The Double Dealer,
- The Old Bachelor etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
২৬.
The famous character 'Fanny Price' is from -
  1. Emma
  2. Pride and Prejudice
  3. Sense and Sensibility
  4. Mansfield Park
ব্যাখ্যা
The famous character 'Fanny Price' is from - Mansfield Park.

• Mansfield Park:
- এটি Jane Austen রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- এই উপন্যাসটিকে ধরা হয় Jane Austen এর সবচেয়ে সিরিয়াস গুরুগম্ভীর উপন্যাস হিসেবে।

- উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ধরা যায়, Fanny Price নামের এক তরুনীকে।
- কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের Fanny Price কে তার পরিবার ধনী আত্মীয় Bertram family এর কাছে পাঠায়।
- কিশোরী Fanny Price এর সাথে সেই পরিবারের অনেকেই রুঢ় আচরণ করে ।
- কিন্তু শেষপর্যন্ত তার অবিচল ব্যক্তিত্ব এবং নৈতিকতায় মুগ্ধ হয়ে পরিবারের সবাই তাকে সমাদরে গ্রহন করে।
- Edmund Bertram এর সাথে বিয়ে হয় Fanny Price এর।

• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815),
-Northanger Abbey,
- Persuasion.

Source: Britannica.
২৭.
''Alone, alone, all, all alone, Alone on a wide wide sea!" - Who said it?
  1. Shelley
  2. Keats
  3. Wordsworth
  4. Coleridge
ব্যাখ্যা
• ''Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide wide sea!"
- এটি "The Rime of the Ancient Mariner" কবিতা থেকে উদ্ধৃত, যা Samuel Taylor Coleridge রচনা করেছেন।

• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem 'The Rime of the Ancient Mariner' is a Lyric poem written by Samuel Taylor Coleridge.
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Albatross নামক একটি পাখিকে কোনো কারণ ছাড়াই হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- The title character detains one of three young men on their way to a wedding feast and mesmerizes him with the story of his youthful experience at sea—his slaughter of an albatross, the deaths of his fellow sailors, his suffering, and his eventual redemption.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads' এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি -
• ''Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea.''

• ''Water, water everywhere,
Not any drop to drink.''

• "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small."

• 'A sadder and a wiser man,
He rose the morrow morn.'

• The important character of this poem -
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Life in Death.

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাঁকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Long narrative unfinished ballad);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (unfinished poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা' দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৪০ নং
  3. ৪১ নং
  4. ৪২ নং
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

• অনুচ্ছেদ- ৪০: 

- আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হয়ে থাকলে;
- অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো কোন ভাগে রয়েছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. চতুর্থ ভাগ
  4. তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে:
- মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধানসমূহ তৃতীয় ভাগে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই ভাগের অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭(ক) পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩০.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক’ কোন ভাগে দেওয়া আছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. নবম ভাগে
  4. অষ্টম ভাগে
ব্যাখ্যা
→ অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক।
- ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।