পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য: ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন ধাতুটি অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) ব্রোঞ্জ
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিকেল
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন (Electroplating) : তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর ওপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে। সাধারণত কোনো কম দামি ধাতু (যেমন তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা করার জন্য কিংবা সুন্দর দেখানোর জন্য সেগুলোর ওপর সোনা, রুপা, নিকেল এরকম মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। যে ধাতব বস্তুটিকে প্রলেপ দিতে হবে, সেটি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এটি হবে ক্যাথোড ইলেকট্রোড। যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। তড়িৎ দ্রব হিসেবে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে, তার কোনো একটি লবণের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। এখন ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোডে রাখা ধাতব বস্তুর ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
.
ব্যাটারি সেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন দিকে হয়?
  1. ক) ক্যাথোড থেকে অ্যানোডে
  2. খ) অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে
  3. গ) অ্যানোড থেকে ইলেক্ট্রোলাইটে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাথোড থেকে অ্যানোডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাথোড থেকে অ্যানোডে
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোডে জমা হয়। এতে অ্যানোড ও ক্যাথোড এ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থায়  অ্যানোড ও ক্যাথোড পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে অ্যানোড ইলেকট্রন গুলো ক্যাথোডের দিকে প্রবাহিত হয়। ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিক বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক ধরা হয়। তাই উত্তর হবে ক্যাথোড থেকে অ্যানোডে।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
.
BTS এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) Base Transceiver System
  2. খ) Base Transceiver Station
  3. গ) Base Transmission System
  4. ঘ) Base Transmission Station
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
ব্যাখ্যা
প্রত্যেক টি সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS-Base Transceiver Station) থাকে । একটি এলাকার অনেকগুলো বেস স্টেশন একটা বেস স্টেশন কন্ট্রোলারের(BSC-Base station controller) মাধ্যমে মোবাইল সুইচিং কেন্দ্রের (MSC - Mobile service switching) সাথে যোগাযোগ করে ।  

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
.
তড়িৎ পরিবাহিতার উপর ভিত্তি করে কঠিন পদার্থ কে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায় ?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
 তড়িৎ পরিবাহিতার উপর ভিত্তি করে কঠিন পদার্থ কে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায় - পরিবাহী,  অর্ধ পরিবাহী,  অপরিবাহী ।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই
.
পরমাণুর সবচেয়ে বাইরের ইলেকট্রন কে বলা হয় -
  1. ক) মেসন
  2. খ) ইলেক্ট্রোলাইট
  3. গ) যোজনী
  4. ঘ) যোজন ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোজন ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোজন ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর সবচেয়ে বাইরের ইলেকট্রন কে যোজন ইলেকট্রন বলে।
যোজন ইলেকট্রনের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ড কে যোজন ব্যান্ড বলে। পরমাণুতে অবস্থিত মুক্ত যোজন ইলেকট্রন গুলো পরিবহনে অংশ নিলে তাদের পরিবাহী ইলেকট্রন বলে। পরিবাহী ইলেকট্রনের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ডকে পরিবাহী ব্যান্ড বলে।

পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবাহী ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান থাকেই না , বরং উপরিলেপন ঘটে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্যে তড়িৎ প্রবাহের সূচনা হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই
.
নিম্নের কোন খনিজ পদার্থ দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে?
  1. ক) কোয়ার্টজ
  2. খ) ক্যালসাইট
  3. গ) অ্যারাগনাইট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• কিছু খনিজ পদার্থ স্বচ্ছ হয় যার ফলে এর মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে।
যেমন- সিলিকা বা কোয়ার্টজ।

• কিছু খনিজ পদার্থ দিয়ে আলো প্রবেশ করলেও এর মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু দেখা যায় না।
যেমন- অ্যারাগনাইট

• অন্যদিকে কিছু খনিজ পদার্থ দিয়ে আলো মোটেই আলো প্রবেশ করতে পারে না।
যেমন - ক্যালসাইট বা চুনাপাথর

অতএব, কোয়ার্টজ ও অ্যারাগনাইট উভয়ের মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে।

[অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
.
একটি ব্যাটারি সেলে কোন ধরণের শক্তির রুপান্তর ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) তাপ শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোড  এ জমা হয় । এতে অ্যানোড ও ক্যাথোড এ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থায়  অ্যানোড ও ক্যাথোড পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রন গুলো  অ্যানোড এ প্রবাহিত হয় । 

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
.
সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) ম্যাগনেটাইট
  2. খ) মাইকা
  3. গ) জিপসাম
  4. ঘ) ধাতব পাইরাইটস
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
ব্যাখ্যা
ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) - লোহা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
মাইকা (Mica) - বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়
জিপসাম(CaSO4.2H2O) - সিমেন্টপ্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল
ধাতব পাইরাইটস - সালফার এবং নানা রকমের ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
.
এনার্জি সেভিং বাল্বে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় ?
  1. ক) ২০-৮০ %
  2. খ) ২০-৫০%
  3. গ) ৭০-৯০ %
  4. ঘ) ১০০%
সঠিক উত্তর:
ক) ২০-৮০ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০-৮০ %
ব্যাখ্যা
দুই ধরণের  এনার্জি সেভিং বাল্ব রয়েছে - সি এফ এল ( Compact fluroscent lamp) এবং এল ই ডি (Light emitting diode) । এনার্জি সেভিং বাল্বে ২০-৮০ % পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় । সাধারণ বাল্বের তুলনায় এটি ৩-২৫ গুণ সময় বেশী  টিকে থাকতে পারে। 


উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১০.
p-n  জংশনে বহিস্থ ভোল্টেজ কয় ভাবে হতে পারে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
p-n  জংশনে বহিস্থ ভোল্টেজ দুই  ভাবে হতে পারে । 
সম্মুখী বায়াস - ভোল্টেজ যদি এমনভাবে প্রয়োগ  করা হয় যে কোষের ধনাত্মক প্রান্ত p  টাইপ বস্তুর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত n টাইপ বস্তুর সাথে যুক্ত থাকে। 
বিমুখী বায়াস - ভোল্টেজ যদি বিপরীত অভিমুখে প্রয়োগ করা হয় , কোষের ধনাত্মক প্রান্ত n টাইপ এবং ঋণাত্মক প্রান্ত p টাইপ বস্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই


১১.
টেলিফোনে কয়টি উপাংশ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫
ব্যাখ্যা
টেলিফোনে ৫ টি উপাংশ থাকে । ১) সুইচ : যেটি মুল টেলিফোন নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ করে বা বিচ্ছিন্ন করে ২) রিংগার - শব্দ করে জানিয়ে দেয় কেউ যোগাযোগ করছে। ৩) কি-প্যাড - এর মাধ্যমে একজন আরেকজনকে ডায়াল করতে পারে ৪) মাইক্রোফোন - এটি শব্দশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তরিত করে ৫) স্পিকার - এটি তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রুপান্তরিত করে

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১২.
ইউরেনিয়াম কে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে শক্তির কিরূপ পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) রাসায়নিক শক্তি থেকে শব্দ শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) তাপশক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
  4. ঘ) পারমাণবিক শক্তি থেকে শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
ইউরেনিয়াম কে নিউট্রন দিয়ে  আঘাত করলে ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে যায় , ছোটো ছোটো মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় । এতে প্রচুর শক্তি ও নিউট্রন উৎপন্ন হয় ।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১৩.
p টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে গরিষ্ঠ আধান বাহক কোনটি ?
  1. ক) ধনাত্মক আধান
  2. খ) ঋণাত্মক আধান
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
ব্যাখ্যা
p টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে গরিষ্ঠ আধান বাহক ধনাত্মক আধান । p টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে চতুর্যোজী মৌলের সাথে ত্রিযোজী মৌলের ডোপিং করা হয় । ফলে সহযোজী বন্ধনের সময় একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে, হোলের সৃষ্টি হয় । এই হোল পূরণ করতে ইলেকট্রনের প্রয়োজন হয় । এই ইলেকট্রন যেখান থেকে আসে সেখানে আবার হলের সৃষ্টি হয় । এতে মনে হয় ধনাত্মক হল পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেক্ট্রনের বিপরীত দিকে চলমান । তাই গরিষ্ঠ বাহক হল ধনাত্মক হোল। p টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে লঘিষ্ঠ বাহক ইলেকট্রন বা ঋণাত্মক আধান।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই