উত্তর
ব্যাখ্যা
ক্ষ = ক্+ষ
হ্ম = হ্+ম
জ্ঞ = জ্+ঞ
ষ্ণ = ষ্+ণ
Unlisted · ৩১ আগস্ট, ২০২০ · ৮০ প্রশ্ন
ক্ষ = ক্+ষ
হ্ম = হ্+ম
জ্ঞ = জ্+ঞ
ষ্ণ = ষ্+ণ
পর্তুগিজ শব্দ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
'রাখালী' পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে। তাঁর বিখ্যাত কবর কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙক্তি আছে। এটি কবি জসীম উদ্দীনের বহুল পঠিত ও নন্দিত কবিতা। এটি একটি শোক-প্রকাশক কবিতা।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
আবু ইসহাক রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প হলো মহাপতঙ্গ, হারেম এবং জোঁক ৷ তার বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ী।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
য, ব, র, ল বর্ণগুলোকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বা অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।
ড় ও ঢ় হচ্ছে তাড়নজাত ধ্বনি।
শ,ষ,স,হ হচ্ছে উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ক্ষয়মান - এরকম কোন শব্দ বাংলা একাডেমী অভিধানে নেই।
পাশপাশি, বাংলা একাডেমী অনুসারে - বিলীয়মান [বিলিয়োমান্] (বিশেষণ) ১ বিলীন হয়ে যাচ্ছে এমন।
এবং, বিলুপ্ত - বিলীন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
হাতি = হস্তী, গজ, করী, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরথ, নাগ, বারণ, মাতঙ্গ ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
ঈদৃশ, ঈদৃক্ (বিশেষণ) এর মতো; এরূপ; এতাদৃশ।
তাদৃশ (বিশেষণ) সেইরূপ; তদ্রূপ; সেই প্রকার; তত।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন-পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি ইত্যাদি।
প্রবীণ, বাঁশি, তৈল, সন্দেশ ইত্যাদি শব্দগুলো হলো রূঢ়ি শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
ঈই - কার যোগে গঠিত শব্দঃ শারীরিক, মরীচিকা।
ইঈ - কার যোগে গঠিত শব্দঃ গৃহিনী, মালিনী, বাঘিনী।
বিশেষ ব্যক্তিত্বের নামের বানানঃ পাণিনি, কৃত্তিবাস, দধীচি, বাল্মীকি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যাঃ কোন কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ অঙ্কে না লিখে ভাষায় লিখলে তাকে পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা বলে। যেমন- এক, দই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো, বার, বিশ, কুড়ি, সপ্তাহ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত - অবীরা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত - বীরা বা পুরন্ধ্রী।
যে নারী শিশু সন্তানসহ বিধবা - বালপুত্রিকা। যে নারীর সন্তান বাঁচে না - মৃতবৎসা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী,গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক, ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। জন্ম-৭ আগস্ট, ১৮৬৮,পিতার কর্মস্থল যশোরে।তার পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তার ছদ্মনাম -বীরবল, নীললোহিত। চলিত রীতির প্রবর্তনে যে পত্রিকার অবদান বেশি-সবুজ পত্র (১৯১৪)। তার চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা 'বীর বলের হালখাতা ' - ভারতী পত্রিকায় প্রকাশ হয়।
কাব্য গ্রন্থ -- সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), পদচারণ (১৯১৯)
গল্পগ্রন্থ-- চার ইয়ারি কথা (১৯১৬), আহুতি (১৯১৯)
নীললোহিত গল্প সংগ্রহ (১৯৪১)।
প্রবন্ধগ্রন্থ -- তেল- নুন -লাকড়ী (১৯০৬), বীর বলের হালখাতা (১৯১৬), নানাকথা (১৯১৯), আমাদের শিক্ষা (১৯২০), রায়তের কথা (১৯২৬), নানাচর্চা (১৯৩২), আত্নকথা (১৯৪৬)।
মাসিক সাহিত্য পত্রিকা -সবুজ পত্র (১৯১৪), বিশ্ব ভারতী পত্রিকা
বিখ্যাত উক্তি :--
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষত (বইপড়া)।
- ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে'-(ভাষার কথা)।
-জীবনে জ্যাঠামি, সাহিত্যে ন্যাকামি সহ্য করতে পারতেন না-প্রমথ চৌধুরী (সাহিত্যে খেলা)।
-মনোজগতে বাতি জ্বালানোর জন্যে সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন
-জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারদিক ছড়াইয়া পড়িবে।
-সাহিত্যের উদ্দেশ্যে সকলকে আনন্দ দান করা কারো মনোরঞ্জনের বিষয় নহে-সাহিত্যে খেলা।
-ব্যাধিই সংক্রামক স্বাস্থ্য নয়।
মৃত্যু- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সালে শান্তি নিকেতনে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী এবং শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসিনা নাজিলা।
ততোধিক হলো বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। এর যথাযথ সন্ধিবিচ্ছেদ হলো ততঃ+অধিক = ততোধিক।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ,নবম-দশম শ্রেণী।
কতগুলো শব্দের পুরুষবাচক হয় না। এদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়।
এগুলো হলো সতীন, সৎমা, সধবা, এয়ো, দাই, কুলটা, বিধবা, সপত্নি, অসূর্যস্পশ্যা, অর্ধাঙ্গিনী, অরক্ষণীয়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে ঢাকী, কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার ইত্যাদি হলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তিঃ
১. আধিক্য বোঝাতে : রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান
২. সামান্য বোঝাতে : আমার জ্বর জ্বর লাগছে। কবি কবি ভাব।
৩. পরস্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে : তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
৪. ক্রিয়া বিশেষণ : ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে চায়।
৫. অনুরূপ কিছু বোঝাতে : তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
৬. আগ্রহ বোঝাতে : ও দাদা দাদা বলে ডাকছে, শিশুটি মা মা বলে কাঁদছে।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
উন্নত প্রাণীবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় গণ (জনগণ, দেবগণ), বর্গ (পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রিবর্গ), মণ্ডলী (শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী) এবং বৃন্দ (সুধীবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ)।
পাল (গরুরপাল) এবং যূথ (হস্তীযূথ) কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
‘চালাক-চতুর’ এর ব্যাস বাক্য যে চালাক সেই চতুর। এটি কর্মধারয় সমাস।
সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড বই।
triumphant (adjective) বিজয়দৃপ্ত; বিজয়োন্মত্ত।
fragile (adjective) ভঙ্গুর; ঠুনকো; পলকা; ক্ষণভঙ্গুর; নশ্বর; নাজুক।
rigid (adjective) অনমনীয়; বাঁকানো যাবে না এমন; দৃঢ়; অপরিবর্তনীয়।
competent (adjective) (ব্যক্তি সম্বন্ধে) উপযুক্ত; সক্ষম; দক্ষ।
tactile (adjective) স্পর্শনেন্দ্রিয় সম্বন্ধীয়; স্পর্শনেন্দ্রিয়গ্রাহ্য; স্পর্শগ্রাহ্য; স্পর্শ।
predict (verb)- ভবিষ্যদ্বাণী করা।
present (verb) দেওয়া; দান/প্রদান করা; উপস্থাপন/পেশ করা; উপস্থিত/নিবেদন করা; উপহারস্বরূপ দেওয়া।
precinct (noun) বিশেষত গির্জার প্রাচীরবেষ্টিত অঙ্গন; প্রাঙ্গণ; পরিসর।
Heed এবং Attention এর ব্যবহার একেবারেই কাছাকাছি বলা যায়। তবে, Advice এর ক্ষেত্রে সাধারণত Heed ব্যবহার করা হয়।
Cambridge Dictionary অনুসারে Head means - to pay attention to something, especially advice or a warning.
Collins Dictionary -
Heed - If you heed someone's advice or warning, you pay attention to it and do what they suggest.
MacMillan Dictionary -
Heed: To consider someone’s advice or warning and do what they suggest
কোন কিছুতে মনযোগ দিয়ে দেখা বা করার ক্ষেত্রে Attention সরাসরি ব্যবহার করা যায়। যেমন, মনযোগ দিয়ে কোন কাজ করা বা খেলা দেখা ইত্যাদি। তবে, কোন পরামর্শ বা সতর্কতা শুনে পরে কিছু করতে হবে বা মানতে হবে এরকম ক্ষেত্রে Heed ব্যবহার হয়।
বলে রাখা প্রয়োজন যে এখানে Attention ব্যবহার করাটা ভুল হবে না। তবে, Better Answer হিসেবে Heed অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
good (adjective) modifies a person, place, or thing, whereas well (adverb) modifies an action.
If you’re having a good day, then your day is going well.
Incorrect: Did you do good on your exams?
Correct: Did you do well on your exams?
Awaken শব্দের অর্থ জাগানো; (কোনো কিছু সম্বন্ধে) সচেতন করা।
যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া awaken হলো transitive verb যার পরে object এর প্রয়োজন হয়।
তাই এ বাক্যে awaken এর পরিবর্তে wake up (ঘুম থেকে জাগা) হবে।
other than (PHRASE) Apart from; except.
It's simply unacceptable for anything other than the truth to be taught in schools.
I don't want to say anything other than I went down the wrong side of the lock and got stuck.
Source: Oxford Dictionary.
succeed (verb) সফল/সিদ্ধ/সাফল্যমণ্ডিত/সার্থক/কৃতকার্য হওয়া; সিদ্ধিলাভ করা।
success (noun) সাফল্য; সফলতা; সিদ্ধি; চরিতার্থতা; কৃতকার্যতা; কৃতকৃত্যতা, সমৃদ্ধি; সংবৃদ্ধি; সৌভাগ্য; সাফল্য।
put together (একত্র করা)- assemble; unite; collect.
call something off (ক) সরিয়ে/ফিরিয়ে নেওয়া/ডেকে পাঠানো: I asked him to call his dog off.
(খ) প্রত্যাহার/বাতিল ঘোষণা করা: The meeting has been called off.
come by something (ক) চেষ্টার মাধ্যমে পাওয়া: His wealth was honestly come by.
(খ) (হঠাৎ করে আঘাত ইত্যাদি) পাওয়া: How did you come by the injury?
wreckage (noun) [uncountable noun] ধ্বংসপ্রাপ্ত বিষয় আশ্রয়; ছিন্নভিন্ন অংশসমূহ।
anchorage (noun) নোঙর বাঁধার স্থান।
foliage [noun] [uncountable noun] কোনো গাছ বা গাছড়ার পত্রসমষ্টি; পত্রসম্ভার; পর্ণরাজি।
regalia (noun) (plural) [Countable noun] (১) (প্রায়ই singular- সহ) রাজচিহ্নাদি (মুকুট, রাজদণ্ড, রাজগোলক, যেমন অভিষেককালে ব্যবহৃত হয়); রাজোপচার।
(২) কোনো কোনো ধর্মসংঘের (যেমন ফ্রিম্যাসনদের) প্রতীক বা ভূষণ।
indiscernible (adjective) অপ্রত্যক্ষ; অলক্ষ্য; অদৃশ্য; আলোকনীয়।
inconsiderate (adjective) (ব্যক্তি ও তার কার্যকলাপ) অবিবেচক; অবিমৃশ্যকারী; অপরিণামদর্শী; অবিবেকী; বিবেচনাহীন; বিচারহীন; বিবেকহীন; অবিবেচনাপ্রসূত।
intelligible (adjective) বোধগম্য; বুদ্ধিগ্রাহ্য; সুবোধ্য; সুগম্য; সুগ্রাহ্য।
Irrational (adjective) (১) বিচারশক্তিহীন; বিচারবুদ্ধিরহিত।
(২) বিচারবুদ্ধির দ্বারা পরিচালিত নয় এমন, অযৌক্তিক, যুক্তিহীন।
Irresolute (adjective) অস্থিরমতি; চলচিত্ত; অস্থিরমনস্ক; অনবস্থিত।
Irrevocable (adjective) প্রত্যাহার করা যায় না এমন; চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়; অপারবর্ত্য।
Irresponsible (adjective) (১) আচরণের জন্য দায়ী নয়; দায়িত্বহীন।
(২) দায়িত্ব-জ্ঞানহীন/শূন্য বেপরোয়া।
Transform- রুপান্তর করা।
Reform- পুনর্গঠন করা।
Conform- মেনে চলা।
Perform- সম্পাদন করা, সম্পন্ন করা, কার্যে পরিণত করা।
Malpractice- অসৎ আচরণ, কদাচার, অন্যায় পদ্ধতি।
Malnutrition- অপুষ্টি, অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ।
Maladroit- আনাড়ি, অদক্ষ।
ধরি, হিমাগারের দৈর্ঘ্য x একক, প্রস্থ y একক এবং উচ্চতা z একক।
হিমাগারের আয়তন xyz ঘন একক।
30% বৃদ্ধিতে দৈর্ঘ্য (x + x এর 30/100) একক
= (x + 3x/10) = 13x/10 একক
50% বৃদ্ধিতে প্রস্থ (y + y এর 50/100) একক
= 3y/2 একক
20% হ্রাসে উচ্চতা (z - z এর 20/100) একক
= (z - z/5) = 4z/5 একক
হিমাগারের নতুন আয়তন (13x/10 × 3y/2 × 4z/5) ঘন একক
= 39xyz/25 ঘন একক
বৃদ্ধিপ্রাপ্ত অংশ = (39xyz/25 - xyz) ঘন একক
= (39xyz - 25xyz)/25 = 14xyz/25 ঘন একক
নতুন হিমাগারের আয়তন পুরনো হিমাগারের আয়তনের
= [(14xyz × 100)/(25 × xyz)] %
= 56%
নিয়ম-১ঃ
৩৬ = ২ x ২ x ৩ x ৩ = ২² x ৩²
৩৬ সংখ্যাটির ভাজক = (২+১) x (২+১) = ৯টি।
নিয়ম-২ঃ
৩৬ = ১ x ৩৬ = ২ x ১৮ = ৩ x ১২ = ৪ x ৯ = ৬ x ৬
৩৬ সংখ্যাটির ভাজক = ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৯, ১২, ১৮, ৩৬ = ৯টি।
ধরি,
ছাত্রাবাসে মোট ছাত্র থাকে = x জন
একজন ছাত্রের মাসিক খরচ = ১০x টাকা
প্রশ্নমতে,
x × ১০x = ৬,২৫০
১০ x২ = ৬,২৫০
x২ = (২৫)২
∴ x = ২৫
১৭-১৩=৪
২৫-১৭=৮
৪১-২৫=১৬
৭৩-৪১=৩২
সুতরাং ৪, ৮, ১৬, ৩২ ক্রম ঠিক রাখতে উত্তর ৭৩ হবে।
অনুপাতের যোগফল = ৫+১ = ৬
৩৬ জনের ঐ ক্লাসে বালকের সংখ্যা (৩৬ এর ৫/৬) জন = ৩০ জন।
এবং বালিকার সংখ্যা (৩৬ এর ১/৬) = ৬ জন।
বালকদের গড় বয়স বালিকাদের সংখ্যার দ্বিগুণ অর্থাৎ (৬ X ২) বা ১২ বছর।
বালকদের মোট বয়স (৩০ X ১২) = ৩৬০ বছর।
১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য (১০০ - ১০) = ৯০ টাকা
২০% কমে বইটির ক্রয়মূল্য (১০০ - ২০) = ৮০ টাকা
৪০% লাভে বিক্রয়মূল্য (১০০ + ৪০) = ১৪০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১৪০ টাকা
ক্রয়মূল্য ৮০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১৪০X৮০/১০০ টাকা
= ১১২ টাকা
বিক্রয়মূল্য (১১২ - ৯০) টাকা বা ২২ টাকা
২২ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
৪৪ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ক্রয়মূল্য ১০০X৪৪/২২ টাকা
= ২০০ টাকা।
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = a মিটার
তাহলে কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√2 মিটার
তাহলে তাকে কম হাটতে হয়েছে = 2a -a√2 = 2 - 1.414 = 0.586a মিটার
∴ কম হাটার শতকরা পরিমান = (0.586a/2a) ✕100=29.3%
ছাত্র সংখ্যা ক হলে,
প্রশ্নমতে, ক/৪ + ৩ = ক/৩ - ৬/৩
⇒ ক/৪ + ৩ = ক/৩ - ২
⇒ ক/৩ - ক/৪ = ৩+২
⇒ (৪ক - ৩ক)/১২ = ৫
∴ ক = ৬০
ধরি, বনভোজনে পুরুষ ছিল x জন এবং মহিলা ছিল x-20 জন।
∴ বনভোজনে শিশু ছিল x+(x-20)-20 জন = 2x-40 জন।
শর্তমতে,
x+(x-20)+(2x-40) = 240
বা, x+x-20+2x-40 = 240
বা, 4x-60 = 240
বা, 4x = 240+60
বা, 4x = 300
বা, x = 300/4
বা, x = 75
অতএব, বনভোজনে পুরুষ ছিল 75 জন।
অবশিষ্ট সময় (১২০ - ২৪) দিন = ৯৬ দিন,
অবশিষ্ট কাজ (১ - ১/৮) অংশ = ৭/৮ অংশ
২৪ দিনে ১/৮ অংশ কাজ করে = ১৬০ জনে
১ দিনে ১/৮ অংশ কাজ করে = ১৬০ X ২৪ জনে
১ দিনে ১ অংশ কাজ করে = ১৬০ X ২৪ X ৮ জনে
৯৬ দিনে ১ অংশ কাজ করে = ১৬০ X ২৪ X ৮ /৯৬ জনে
৯৬ দিনে ৭/৮ অংশ কাজ করে = (১৬০ X ২৪ X ৮ X ৭) /(৯৬ X ৮) জনে
= ২৮০ জন।
অতিরিক্ত শ্রমিক লাগবে (২৮০ - ১৬০) = ১২০ জন।
ধরি, ১ টি টিভির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
৪৫% লাভে টিভি বিক্রির সংখ্যা 'ক' টি
১ টি টিভিতে লাভ করে ৪৫ টাকা
'ক' টি টিভিতে লাভ করে ৪৫ক টাকা
১০% বেশি বিক্রিতে টেলিভিশনের সংখ্যা (ক + ক এর ১০%)
= ১১ক/১০ টি
৪০% লাভে মোট লাভের পরিমাণ (৪০ X ১১ক/১০) টাকা
= ৪৪ক টাকা
নতুন লাভ : আগের লাভ = ৪৪ক : ৪৫ক = ৪৪ : ৪৫
ধরি, মীমের বর্তমান বয়স x বছর
রিনার বর্তমান বয়স (x + ১০) বছর
প্রশ্নমতে,
২(x + ৭) = x + ১০ + ৭
⇒ ২x + ১৪ = x + ১৭
⇒ ২x - x = ১৭ - ১৪
∴ x = ৩
অতএব, রিনার বর্তমান বয়স (১০ + ৩) বা ১৩ বছর।
৪×৫×৬ = ১২০
৪+৫+৬ = ১৫
ধরি, ৭ জনের ওজনের সমষ্টি x কেজি
এবং নতুন ব্যক্তির ওজন p কেজি
(x+৬৫) /৮ + ২.৫ = (x+p) /৮
⇒ x + ৬৫ + ২০ = x+p
⇒ p = ৮৫ + x - x
∴ p = ৮৫
৩ টি পাম্প ২ দিনে খালি করে = ৮ ঘন্টায়
১ টি পাম্প ১ দিনে খালি করে = ৮×৩×২ ঘন্টায়
৪ টি পাম্প ১ দিনে খালি করে = ৮×৩×২/৪ ঘন্টায়
= ১২ ঘন্টায়।
১০৫৬ কে ২৩ দ্বারা ভাগ করলে ২১ অবশিষ্ট থাকে।
∴ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ২৩-২১ = ২
'ক' এর মুনাফা 'খ' এর মুনাফার [(৪০%/২৫%) X ১০০]% = ১৬০%
৫০% কমে দৈনিক মজুরী (১০০ - ১০০ এর ৫০%) টাকা
= (১০০ - ১০০ এর ৫০/১০০) টাকা
= ৫০ টাকা
৬০% বৃদ্ধিতে বর্তমান দৈনিক মজুরী = (৫০ + ৫০ এর ৬০%) টাকা
= (৫০ + ৫০ এর ৬০/১০০) ''
= (৫০ + ৩০) ''
= ৮০ টাকা
ধরি, n = 2 (জোড় সংখ্যা)
2.2 + 3 = 7 ইহা জোড় সংখ্যা নয়।
ক৪ + খ৪
= (ক২)২ + (খ২)২
= [(ক২ + খ২)২ + (ক২ - খ২)২]/২
= [(৪)২ + (-৪)২]/২
= (১৬+১৬)/২
= ৩২/২
= ১৬
সংবিধানের ৭৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের জন্যে ন্যূনতম ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি থাকতে হয়। একে কোরাম বলা হয়।
একইভাবে সংসদের বৈঠক চলাকালে যদি কখনো সদস্যের উপস্থিতি ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রে স্পিকার বৈঠক স্থগিত বা মূলতবি করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সর্বপ্রথম ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন’।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে এবং জুন-২০২০।
উগান্ডার ৮৫% এর উপরে জনসংখ্যা খ্রিস্টান। এবং, উগান্ডা ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য।
সূত্রঃ উগান্ডার জনসংখ্যা রিপোর্ট এবং ওআইসি।
NATO (North Atlantic Treaty Organization) 8 এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আঞ্চলিক সামরিক জোট। NATO'র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ - ১২টি ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৩০টি।
সর্বশেষ সদস্য দেশ - উত্তর মেসিডোনিয়া (সদস্যপদ প্রাপ্তি - ২৭ মার্চ, ২০২০)
উৎসঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট।
উল্লেখিত অপশনগুলাের মধ্যে অস্ট্রিয়া NATO'র সদস্য নয়।
APEC (Asia Pacific Economic Co-operation) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্য জোট। এটি ১৯৮৯ সালের ৬ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর সিঙ্গাপুর সিটিতে অবস্থিত। এর সদস্য ২১ টি। এপেকের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ৬-৭ নভেম্বর ১৯৮৯। সর্বশেষ সম্মেলন ২০১৯ সালে চিলির সান্তিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ এপেক ওয়েবসাইট।
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাপিডিয়া থেকে তথ্যটির নির্ভুলতা যাচাই করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার বেশ কয়েকটি ফিল্ড পোস্ট অফিস চালু করে এবং মুক্তাঞ্চলের ডাকঘরসমূহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর পরিবহণ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডাকবিভাগকে ন্যস্ত করে। ডাকটিকিট ডিজাইনার বিমান মল্লিক আটটি ডাকটিকিটের ডিজাইন করেন এবং তা ১৯৭১ সনের জুনে মুজিবনগর সরকারের কাছে পাঠান এবং সেগুলি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের রাজধানী 'সিডনি'। এটি অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দেশটির বৃহত্তম ও সবচেয়ে জনবহুল শহর এবং বন্দর নগরী।
বহুল প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, সিডনি কে ''দক্ষিণের রাণী'' বলা হয়।
বাংলাদেশ সংবিধান ৮০(৩): রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের (১৫) দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মোট আয়ের ৩৭.৩ শতাংশ আসে ভ্যাট থেকে। চলতি অর্থবছরে ভ্যাট থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৭.৮ শতাংশ। সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (৩৪ শতাংশ, ২০১৮-১৯ সময়ে)। তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।
সূত্রঃ এনবিআর ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর।
বাংলাদেশের জলবায়ুঃ
বাংলাদেশের জলবায়ু - ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহে দিক পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে এদেশের জলবায়ুকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শীতকাল।
এখানকার জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো -
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল,
- বৃষ্টিবহুল বর্ষাকাল এবং
- শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল।
গ্রীষ্মকালে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক পঞ্চমাংশ হয়ে থাকে। বর্ষাকালে প্রায় পাঁচ ভাগের চারভাগ বৃষ্টিপাত হয়। শীতকাল প্রায় বৃষ্টিহীন হলেও পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় সামান্য পরিমাণে বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। তিন ঋতুর কোনো সময়ই তাপমাত্রা চরমভাবাপন্ন হয় না। এপ্রিল উষ্ণতম এবং জানুয়ারি শীতলতম মাস।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই (উন্মুক্ত)।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা নদীর সমগ্র প্রবাহপথই 'পদ্মা' নামে বহুল পরিচিত, যদিও তা সঠিক নয়। বাংলাদেশে এর উপনদী কেবল একটি যা মহানন্দা নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
জাতিসংঘের ৬টি দাপ্তরিক ভাষা আছে। ভাষাগুলো হচ্ছে- আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ এবং স্প্যানিশ ভাষা। জাতিসংঘের সচিবালয়ে ইংরেজি ও ফরাসি/ফ্রেঞ্চ এই দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, রবিবার কলকাতার পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন অফিসের সব বাঙালি কর্মকর্তা–কর্মচারী একযোগে আনুগত্য প্রকাশ করল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। কার্যালয়ের নাম পাল্টে হয়ে গেল ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশন।’ মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করল।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
কম্পিউটারের মেমরি দুই প্রকার। যথা- ১। প্রধান মেমরি ও ২। সহায়ক মেমরি।
RAM ও ROM প্রধান মেমরির অন্তর্ভুক্ত। হার্ড ডিক্স, ফ্লাস ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, চৌম্বক ড্রাম, ক্যাম্প্যাক্ট ডিক্স, ডিভিডি হলো সহায়ক মেমরি।