পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 4” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক সমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সর্বোচ্চ গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী নিচের কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
গ্রীণ হাউস গ্যাস:
- গ্রীন হাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউস গ্যাস।
- গ্রীন হাউস গ্যাস সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে এবং আবার মহাশুন্যে ফিরিয়ে দেয়, ফলে আমাদের দেহ বেগুনি রশ্মি গুলি থেকে রক্ষা পায়।
- গ্রীন হাউস গ্যাস পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখে ফলে পৃথিবিতে সবসময় প্রায় একই তাপমাত্রা বিরাজ করে। 
- গ্রীণ হাউস গ্যাস গুলি হচ্ছে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন ইত্যাদি।

গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ -
১। চীন।
২। যুক্তরাষ্ট্র।
৩। ভারত।
৪। রাশিয়া।
৫। জাপান।

উৎস: Investopedia ওয়েবসাইট।
.
দার্শনিক প্লেটো রচিত বিখ্যাত গ্রন্থের নাম -
  1. দি রিপাবলিক
  2. দি গড ফাদার
  3. দি পলিটিক্স
  4. দি প্রিন্স
সঠিক উত্তর:
দি রিপাবলিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দি রিপাবলিক
ব্যাখ্যা
The Republic:
- The Republic গ্রন্থটির লেখক প্লেটো। 
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় 'The Republic' গ্রন্থে।

উৎস: Britannica.
.
ওজন স্তরের সর্বোচ্চ ক্ষতি করে কোন গ্যাস?
  1. হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. সিএফসি
  3. ব্রোমিন
  4. কার্বন ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএফসি
ব্যাখ্যা
ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক:
- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়।
- এই সিএফসি গ্যাস বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান সহায়ক।
- CFC-এর ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ওজোন স্তরে ছিদ্র দেখা দিয়েছে। 
- ওজোন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হলে সূর্য থেকে ক্ষতিকর অতিবেগুনীরশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে, যা ত্বক ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্নক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড; কার্বন ডাই-অক্সাইড এ প্রভাবের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ দায়ী।
- অন্যান্য গ্রীন হাউজ গ্যাস এর প্রভাব যেমন: মিথেন- ১৮%, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সি. এফ সি)- ১৪%, নাইট্রাস অক্সাইড ৬% এবং অন্যান্য কারণে ১৩%।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
'ব্লু ইকোনমি' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বনজ অর্থনীতি
  2. বেস্টিক অর্থনীতি
  3. সমুদ্র অর্থনীতি
  4. খনিজ অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। 
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। 

Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক
- পরিসেবা
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি
- খনিজ পদার্থ
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি
- সামুদ্রিক পণ্য
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ
- সামুদ্রিক বাণিজ্য
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
- শিক্ষা এবং গবেষণা

উৎস: United Nation ওয়েবসাইট।
.
'বাসেল কনভেনশন'-এর বর্তমান সদস্য দেশ -
  1. ১৮৯টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯৩টি
  4. ১৯৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
ব্যাখ্যা
 বাসেল কনভেনশন:
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) বিপজ্জনক বা বিষাক্ত বর্জ্য এবং এটির আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বাসেল কনভেনশন নামে একটি কনভেনশন গ্রহণ করে।
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য: উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।

উল্লেখ্য,
-  বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।
.
প্রাচীন মিসরের ফারাও রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কৃত হয় কোন সালে?
  1. ১৮১২ সালে
  2. ১৮২২ সালে
  3. ১৯১২ সালে
  4. ১৯২২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিসরের বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কার:
- প্রাচীন মিসরের সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেন।
- মিসরের হাজার বছরের মমি, পিরামিড ও রাজাদের বিচিত্র ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন তিনি।
- এই তরুণ রাজা মাত্র ৯ বছর বয়সে ‘ফারাও’ হন এবং ১০ বছর রাজত্ব করার পর মাত্র ১৯ বছর বয়সে মারা যান।
- ইতিহাসবেত্তাদের মতে, তুতেনখামেনের জন্ম ১৩৪১ খ্রিষ্টপূর্ব।
- রাজা তুতেনখামেন ছিলেন প্রভাবশালী ফারাও তৃতীয় আমেনহোটেপের নাতি এবং আখেনাতেনের পুত্র।
- তুতেনখামেন মারা যাওয়ার পর মিসরের ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুসারে তাঁকে মমি করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কার্টার তুতেনখামেনের সমাধির খোঁজে পুনরায় নিবিড় অনুসন্ধান শুরু করেন।
- এই খননকার্যের অর্থায়ন করেন ব্রিটিশ ধনকুবের লর্ড কার্নারভন।
- দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে ১৯২২ সালের ৪ নভেম্বর তিনি ‘ভ্যালি অব কিংস’ নামক স্থানে রাজা ষষ্ঠ রামসেসের সমাধির প্রবেশদ্বারের কাছে পাথরের টুকরার তলায় চাপা পড়ে থাকা ফারাও রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৪ নভেম্বর ২০২২, প্রথম আলো।
.
প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা -
  1. কনস্টানটাইন
  2. অগাস্টিন সিজার
  3. পোপ ফ্রান্সিস
  4. মার্টিন লুথার
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টান ধর্ম:
- খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের দুটি ধারায় বিভক্ত।
- যথা:
• ক্যাথলিক:
- পোপের অনুসারীরা সাধারণত ক্যাথলিক নামে পরিচিত।

• প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম:
- প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন প্রথম শুরু হয় জার্মানিতে।
- প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা মার্টিন লুথার।
- ১৫২৭ সালে মার্টিন লুথার প্রনিত গ্রন্থ 'দ্য নাইন্টি ফাইভ থিসিস' গ্রন্থে তিনি রোমন যাজকীয় নীতি, তাদের প্রচলিত খ্রীস্ট বিশ্বাস নিয়ে অনেক ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।
- ষোড়শ শতকে তার অনুসারীরা জার্মান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রতিষ্ঠা করে লুথিয়ান চার্চ।
- হাঙ্গেরী, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও একই আদলে চার্চের সংস্কার করা হয়।

উৎস: Britannica.
.
'জলবায়ু পরিবর্তন' সম্পর্কে এসডিজির কত নং অভীষ্টে বলা হয়েছে?
  1. ১২ নং
  2. ১৩ নং
  3. ১৪ নং
  4. ১৫ নং
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
'ই-৮' ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. ব্রাজিল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
ই - ৮:
- ই - ৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দূষণকারী দেশ।
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন-কানুন জারি করে। 
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, রাশিয়া, জাপান, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

উৎস: Britannica.