পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩সময়35 minutes৪১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর পদের নাম: ফায়ারফাইটার (গ্রেড-১৭) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ০২.০৯.২০২১ -----------------[For iPad Mania (Season - 2)]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ · ৪৩ প্রশ্ন

.
'Skeptical' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. Beautiful
  2. Doubtful
  3. Spurious
  4. Powerful
ব্যাখ্যা
• 'Skeptical' - (adjective) সন্দেহপ্রবণ; সংশয়বাদী; সন্দিগ্ধচিত্ত।

• অপশনে উল্লেখিত শব্দ গুলোর অর্থ - 
ক) Beautiful - সুন্দর, চমৎকার; মন ও ইন্দ্রিয়কে আনন্দ দেয় এমন
খ) Doubtful - সন্দিগ্ধ; সন্দেহাপন্ন; দ্বিধাগ্রস্ত; অনিশ্চিত।
গ) Spurious -  মেকি; মিথ্যা; জাল; ভেজাল
ঘ) Powerful - শক্তিশালী; পরাক্রান্ত; প্রবল; বলিষ্ঠ; জোরালো।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Doubtful শব্দটি Skeptical' এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: Bangla Academy Dictionary.
.
Fill in the gap with appropriate word: The teacher was sure ______ his success.
  1. about
  2. for
  3. at
  4. of
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায়, উত্তর নেয়া সম্ভব হয় নি।

• be/feel sure (about something) নিঃসন্দিগ্ধ/নিঃসন্দেহ হওয়া: I am not sure (about it).
• be/feel sure of something/that ...., নিঃসংশয়/নিশ্চিত হওয়া: How can you be sure of his probity! sure be/feel sure of oneself আত্মবিশ্বাস থাকা।

- অর্থাৎ, নিঃসংশয়/নিশ্চিত হওয়া বুঝাতে sure এরপর of/about বসে।
.
A _____ in time saves nine.
  1. stick
  2. strict
  3. stich
  4. stitch
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হচ্ছে - stitch.
- প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যটি হচ্ছে একটি প্রবাদ বা proverb.

• সম্পূর্ণ প্রবাদটি হচ্ছে - A stitch in time saves nine
- Bangla Meaning; - সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।
- এর দ্বারা timely action বোঝায়।
.
Which one is the correct spelling?
  1. Carbohydrate
  2. Carbhohydrate
  3. Carbohidrete
  4. Carbochydrate
ব্যাখ্যা
Carbohydrate
English meaning: Food consisting of or containing a lot of sugars, starch, cellulose, or similar substances that can be broken down to release energy in the human body, and make up one of the main nutritional food groups.
Bangla Meaning: শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট।

Source: Oxford Learner's Dictionary.
.
‘তার পাশে বস’ এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ কোনটি?
  1. Sit with him.
  2. Sit by him.
  3. Sit to him.
  4. Sit at him.
ব্যাখ্যা
• তার পাশে বস - এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছে - Sit by him.
- near somebody/ something, at the side of somebody/ something and next to somebody/ something - অর্থে by বসে।
- যেমন
- A Telephone is by the window
- a house by a river.
- Come and sit by me.

Source: Cambridge Dictionary.
.
He said, 'Good morning Mr. Kamal' বাক্যের Indirect speech কোনটি?
  1. He said Mr. Kamal good morning.
  2. He had wished Mr. Kamal good morning.
  3. He wished Mr. Kamal good morning.
  4. He had wished Mr. Kamal good morning
ব্যাখ্যা
• Direct speech এ good morning/good evening থাকলে Indirect speech করার নিয়ম-
- Reporting verb এর subject + wished + object + good morning/good evening বসে।

• Reporting verb এর tense অনুযায়ী reported speech এর verb অনুরূপ tense বসে।
- তাই সঠিক উত্তর - He wished Mr. Kamal good morning.

• মনে রাখতে হবে - বিদায় সম্ভাষন জাতীয় শব্দ Good night এর জন্য bade এবং সাক্ষাৎকালীন সম্ভাষণ Good morning/Good evening ইত্যাদির ক্ষেত্রে wish ব্যবহৃত হয়।
.
Which sentence is correct?
  1. Where have you born?
  2. Where were you born?
  3. Where had you born?
  4. Where are you born?
ব্যাখ্যা
• বাক্যটির অর্থ হলো 'তুমি কোথায় জন্ম নিয়েছিলে?'
- জন্ম নেওয়া অর্থে 'bear' verb-টি সর্বদা passive voice এ থাকে
- সুতরাং সঠিক বাক্যটি হবে - Where were you born?
.
The feminine form of the word 'Author'?
  1. Authores
  2. Authors
  3. Authoress
  4. Authores.
ব্যাখ্যা
• Author এর feminine gender হচ্ছে - Authoress.
- Author - লেখক; প্রণেতা; রচয়িতা; গ্রন্থকার; গ্রন্থকর্তা।
- Authoress - লেখিকা; প্রণেত্রী; রচয়িত্রী; গ্রন্থকর্ত্রী।

Source: Bangla Academy Dictionary.
.
মেধার বলে একজন শিক্ষার্থী জীবনে সফল হয় - এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
  1. A student succeed in life by dint of merit.
  2. A student succeeded in life by dint of merit.
  3. A student succeeds in life by dint of merit.
  4. A student succeeds at life by dint of merit.
ব্যাখ্যা
• মেধার বলে একজন শিক্ষার্থী জীবনে সফল হয় - এর সঠিক অনুবাদ হচ্ছে - 
- A student succeeds in life by dint of merit.

• By dint of:
- English Meaning: by means of / with the help of.
- Bangla Meaning: সাহায্যে; দ্বারা; উপায়ে
- Subject students singular বলে এরপর verb এর সাথে s/es যুক্ত হবে। 
১০.
এক কথায় প্রকাশ করুন: One who spends lavishly-
  1. Extravagant
  2. Rich
  3. Poor
  4. Wise
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) Extravagant - অপচয়কর; অপব্যয়ী, সীমালঙ্ঘনকর; অসংযত।
খ) Rich - ধনী; সম্পদশালী।
গ) Poor -  দরিদ্র; গরিব; নির্ধন; বিত্তহীন; নিঃস্ব; দুর্গত
ঘ) Wise - জ্ঞানী; প্রাজ্ঞ; অভিজ্ঞ; বিচক্ষণ।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Extravagant শব্দটি  One who spends lavishly এর জন্য উপযুক্ত।
- তাই বলা যায়,  One who spends lavishly - Extravagant.

Source: Bangla Academy Dictionary.

 
১১.
Which are the correct words to fill in the gap of the sentence? 'I am offended ____ you ____ your conduct.
  1. with, at
  2. with, on
  3. at, on
  4. with, for
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - with, at.
- Complete sentence: I am offended with you at your conduct.

• Offended with (someone), Offended by/at (something or something done) - resentful or annoyed, typically as a result of a perceived insult/  বিক্ষুব্ধ, ক্ষুব্ধ।
• Conduct - আচরণ।  
- ক্ষুব্ধ বা বিক্ষুব্ধ হওয়া অর্থে বাক্যে offend এরপর টির পরে preposition with এবং কারোর আচরণ নির্দেশ করছে এমন অর্থে conduct  শব্দটির পূর্বে at বসে।

১২.
Which of the following is an adjective?
  1. or
  2. do
  3. with
  4. bad
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে- bad হচ্ছে adjective.
- Bad (adjective) - খারাপ; মন্দ; গর্হিত; পাপ; কদর্য; অন্যায়।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) or (conjunction) - (বিকল্প উপস্থাপন করে) অথবা; কিংবা; বা
খ) do (verb intransitive) - কোনো কিছু করা
গ) with (preposition) - হ; নিয়ে; কোনোকিছুর দ্বারা বিশিষ্ট.

Source: Bangla Academy Dictionary.
১৩.
বাংলা ভাষায় চলিত রীতির উদ্ভাবক কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. বঙ্গিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে- 'প্রমথ চৌধুরী'। 

• প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
-------------------------------------
• বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে- সবুজপত্র পত্রিকা। 

• সবুজপত্র পত্রিকা: 
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে। 
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। 
----------------------------- 
• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: 
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।
-----------------------------------------

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
১৪.
‘নবোঢ়া’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নবঃ + ‍উঢ়া
  2. নবো + ড়া
  3. নব + ঊড়া
  4. নবোঃ + ঢ়া
ব্যাখ্যা
• ‘নবোঢ়া’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ- 'নব+ঊঢ়া'। 

নবোঢ়া: 
নব+ঊঢ়া = নবোঢ়া স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম: 
অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয়;ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন -
অ + উ = ও [সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়]
আ + উ = ও [যথা + উচিত = যথোচিত]
অ + ঊ = ও [গৃহ + ঊর্ধ = গৃ্হোর্ধ্ব]
আ + ঊ = ও [গঙগা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি]
এরূপ - নীলোৎপল, চলোর্মি, ফলোদয়, পরোপকার ইত্যাদি।

• নবোঢ়া: 
[নবোঢ়া/নবোঢ়া] (বিশেষ্য)। 
অর্থ: নতুন বিবাহিতা স্ত্রী; নতুন বৌ; নববধূ।
(তৎসম বা সংস্কৃত) নব+ঊঢ়া = নবোঢ়া স্বরসন্ধির উদাহরণ।
নবোঢ়া বহুব্রীহি সমাস এর উদাহরণ। 

উৎস: ভাষা- শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম - দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ), ও বাংলা একাডেমী অভিধান।
১৫.
‘ঠক বাছতে গাঁ উজাড়’ প্রবাদটির অর্থ কী?
  1. ভালো মানুষের অভাব
  2. চোর ধরতে গিয়ে গ্রামে আগুন দেওয়া
  3. টাকায় সব হয়
  4. অভাবে স্বভাব নষ্ট
ব্যাখ্যা
'ঠক বাছতে গাঁ উজাড়' - প্রবাদটির অর্থ হলো- 'ভালো মানুষের অভাব'।  

• আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রবাদ- প্রবচন: 
- 'ধর্মের কল বাতাসে নাড়ে’ প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = গোপন অন্যায়ের আকস্মিক প্রকাশ। 
- 'লঘু পাপে গুরু দণ্ড' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অপরাধের তুলনায় অধিক সাজা।  
- 'গরিবের ঘোড়া রোগ' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৬.
কোনটি সমধাতুজ কর্তা?
  1. জল পড়ে
  2. তার এখনো খাওয়া হয়নি
  3. মা ছেলেকে চাঁদ দেখাচ্ছেন
  4. বাঁশি বাজে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে কোন সমধাতুজ কর্তা নেই। 
প্রশ্নে প্রযোজক কর্তা বললে সঠিক উত্তর হতো - গ) মা ছেলেকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
--------------------------

মুখ্য কর্তা:
- যে বা যারা নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে বোঝায়। 
যেমন:
- শৈলি রান্না করছে।
- কৃষকেরা ফসল কাটছে।
এখানে 'শৈলি' ও 'কৃষকেরা' হচ্ছে মুখ্য কর্তা।

প্রযোজক কর্তা: 
- মুখ্য কর্তা যখন অন্যকে দিয়ে ক্রিয়া সম্পাদন করায় তাকে বোঝায়। 
যেমন: 
-  কৃষক গরু দিয়ে চাষ করায়।
এখানে 'কৃষক' হচ্ছে প্রযোজক কর্তা।
যেমন :
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
বাক্যে ‘মা’ প্রযোজক কর্তা, ‘শিশুকে’ প্রযোজ্য কর্তা, ‘চাঁদ দেখাচ্ছেন’ প্রযোজক ক্রিয়া।

প্রযোজ্য কর্তা: 
- যাকে দিয়ে মুখ্য কর্তার কাজ সম্পাদিত হয় তাকে বোঝায়। 
যেমন: 
- মিতা বাচ্চাটিকে হাঁটাচ্ছে।
এখানে 'বাচ্চাটি' হলো প্রযোজ্য কর্তা। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক, বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত কোন অব্যয়গুলো ব্যবহৃত হয়?
  1. যে, যিনি
  2. যার, তার
  3. এবং, ও
  4. ন্যায়, রূপ
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন:
ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা,।
ছেলে ও মেয়ে = ছেলেমেয়ে,
স্বর্গ ও নরক = স্বর্গ-নরক ইত্যাদি
এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বােঝানাের জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযােজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার’ উক্তিটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. কামিনী রায়
ব্যাখ্যা
• ‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার’ উক্তিটির রচয়িতা- 'কালীপ্রসন্ন ঘোষ'। 

• কালীপ্রসন্ন ঘোষ:
- তিনি ১৮৪৩ সালের ২৩ জুলাই  ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ভরাকর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন বাগ্মী, সাংবাদিক, লেখক, পন্ডিত। 
- তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু হয় ঢাকার ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত ‘ঢাকা শুভসাধিনী সভার’ মুখপত্র 'শুভসাধিনী' সম্পাদনার মাধ্যমে।
- কালীপ্রসন্ন ঘোষ দর্শন ও সমাজ সম্পর্কে অনেক মূল্যবান প্রবন্ধ ও গ্রন্থ রচনা করেন।

• তাঁর প্রবন্ধগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- প্রভাত-চিন্তা।
- নিভৃত-চিন্তা।
- নারীজাতিবিষয়ক প্রস্তাব।
- নিশীথ-চিন্তা। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভ্রান্তিবিনোদ,
- প্রমোদলহরী, 
- ভক্তির জয়, 
- মা না মহাশক্তি, 
- জানকীর অগ্নিপরীক্ষা, 
- ছায়াদর্শন প্রভৃতি।

- এছাড়াও 'সঙ্গীতমঞ্জরী' নামে আধ্যাত্মিক সঙ্গীতসংগ্রহ এবং 'কোমল কবিতা' নামে শিশুপাঠ্য গ্রন্থও তিনি রচনা করেন।

পারিব না- কবিতা, 
– কালীপ্রসন্ন ঘোষ। 
পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পারিবে না তাহা ভাব এক বার,
পাঁচ জনে পারে যাহা,
তুমিও পারিবে তাহা,
পার কি না পার কর যতন আবার
এক বারে না পারিলে দেখ শত বার৷
পারিব না বলে মুখ করিও না ভার,
ও কথাটি মুখে যেন না শুনি তোমার,
অলস অবোধ যারা
কিছুই পারে না তারা,
তোমায় তো দেখি না ক তাদের আকার
তবে কেন পারিব না বল বার বার?
জলে না নামিলে কেহ শিখে না সাঁতার
হাঁটিতে শিখে না কেহ না খেয়ে আছাড়,
সাঁতার শিখিতে হলে
আগে তবে নাম জলে,
আছাড়ে করিয়া হেলা, হাঁট বার বার
পারিব বলিয়া সুখে হও আগুসার৷

উৎস: বাংলাপিডিয়া, পারিব না- কবিতা।
১৯.
‘অ’ ধ্বনির উচ্চারণ কত রকম?
ব্যাখ্যা
• স্বরবর্ণ  অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।

• অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ:
যেমন,  
অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।

• অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ:
যেমন, 
অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোখো], অদ্য [ওদো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২০.
‘শ্যামল’ পদের বিশেষ্য কোনটি?
  1. শ্যামলিকা
  2. শামল্য
  3. শ্যামলিমা
  4. শ্যামলী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
‘শ্যামল’ (বিশেষণ)-  তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।

• ‘শ্যামল’ (বিশেষণ) শব্দের বিশেষ্য পদ- 'শ্যামলিমা'
• 'শ্যামলিমা' শব্দের অর্থ- 'শ্যামলতা'। 

অন্যদিকে, 
• শ্যামলী (বিশেষণ) অর্থ- শ্যামবর্ণ গাভী; গরুর নাম।  

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২১.
‘পাকড়াও’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ পাক্ + ড়াও
  2. √ পা + কড়াও
  3. √ পাকড়া + আও
  4. √ পাকড়া + ও
ব্যাখ্যা
• সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়: '√ পাকড়া + আও'। 
- 'পাকড়াও' শব্দটি 'কৃৎ' প্রত্যয়ের উদাহরণ।  

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি- প্রত্যয়:  
- 'নন্দন' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়: √নন্দি+অন। 
- 'দর্শনীয়' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়: √দৃশ্ + অনীয়।
- 'দাপট' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = দাপ + অট। 
- 'শ্রমী' এর সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয়: '√ শ্রম্‌ + ইন্‌ '।  
- 'দর্শনীয়' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়  : √দৃশ্‌ + অনীয়'। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর। 
২২.
তিনি বললেন, ‘দয়া করে ভিতরে আসুন।’ বাক্যটি কিসের উদাহরণ?
  1. বচন
  2. বাচ্য
  3. পরোক্ষ উক্তি
  4. প্রত্যক্ষ উক্তি
ব্যাখ্যা
উক্তি দুই প্রকার- প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।

• প্রত্যক্ষ উক্তি: 
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে।
প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা ‍উদ্ধৃত করার আগে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়।
যেমন,
- খোকা বলল, 'আমার বাবা বাড়ি নেই'। 
- তিনি বললেন, ‘দয়া করে ভিতরে আসুন'। 
- লোকটি আমাকে বললেন, 'অনুগ্রহ করে আপনি সামনের আসনে বসুন।'

অন্যদিকে,
• বচন: 
- 'বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ। 
- এর অর্থ সংখ্যার ধারনা।
- ব্যাকরনের বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারনা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।
- কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।

• বাচ্য: 
- বাক্যের বিভিন্ন ধরণের প্রকাশ ভঙ্গিকে বলা হয় বাচ্য।
- বাচ্য তিন প্রকার।
- যথা: কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য। 

• পরোক্ষ উক্তি: 
যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে।
পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রথম উদ্ধরণ চিহ্নের স্থলে ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে।
যেমন, 
- খোকা বলল যে, তার বাবা বাড়ি ছিলেন না।
- লোকটি আমাকে সামনের আসনে বসতে অনুরোধ করলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২৩.
‘গুদাম’ শব্দটি কোন বিদেশি ভাষা থেকে আগত?
  1. ফারসি
  2. ফরাসি
  3. পর্তুগিজ
  4. ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
গুদাম (বিশেষ্য): 
- পর্তুগিজ শব্দ।

• গুদাম (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ: 
- মালখানা, 
- ভাঁড়ার 
- বদ্ধ কামরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৪.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. সমীচিন
  2. সমীচীন
  3. সমিচীন
  4. সমিচিন
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান - সমীচীন (বিশেষণ)। 
- সংস্কৃত শব্দ। 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = সম্য্ চ+ঈন্। 

• সমীচীন (বিশেষণ) অর্থ:
সংগত, উপযুক্ত, উওম, যথার্থ, সত্য, উচিত।

উৎস:-আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৫.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৯ মিটার ও প্রস্থ ৮ মিটার হলে ঐরূপ দুটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৪৪ বর্গমিটার
  2. ১৪৮ বর্গমিটার
  3. ৭২ বর্গমিটার
  4. ৭২ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৯ মিটার ও প্রস্থ ৮ মিটার হলে ঐরূপ দুটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৯ মিটার 
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ ৮ মিটার 

∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৯ × ৮ বর্গমিটার 
= ৭২ বর্গমিটার 

∴ ঐরূপ ২টি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৭২ × ২ বর্গমিটার 
= ১৪৪ বর্গমিটার 
২৬.
দুটি সংখ্যার যোগফল ৮০ এবং বিয়োগফল ৬০ হলে সংখ্যা দুটি কত?
  1. ৭০, ৮০
  2. ৭০, ১০
  3. ৭০, ২০
  4. ৫০, ৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার যোগফল ৮০ এবং বিয়োগফল ৬০ হলে সংখ্যা দুটি কত?

সমাধান:
ধরি,
বড় সংখ্যা x
ছোট সংখ্যা y 

শর্তমতে,
x + y = ৮০ ............(১)
x - y = ৬০ .............(২)

(১) + (২) হতে পাই,
২x = ১৪০
∴ x = ৭০  

(১) নং হতে পাই 
y = ৮০ - ৭০ = ১০ 

∴ সংখ্যা দুটি ৭০ এবং ১০ 
২৭.
একটি ত্রিভুজের ভূমি ৪ সে. মি., উচ্চতা ২ সে. মি. হলে ঐ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৪ বর্গ সে. মি.
  2. ১৬ বর্গ সে. মি.
  3. ২০ বর্গ সে. মি.
  4. ৮ বর্গ সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ভূমি ৪ সে. মি. উচ্চতা ২ সে. মি. হলে ঐ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
ত্রিভুজের ভূমি ৪ সে.মি.
ত্রিভুজের উচ্চতা ২ সে.মি.

∴ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ৪ × ২ বর্গ সে.মি.
= ৪ বর্গ সে.মি. 
২৮.
টাকায় ৫টি দরে ক্রয় করে ৪ টি দরে বিক্রয় করলে কত শতাংশ লাভ হয়?
  1. ২৫%
  2. ২০%
  3. ২৪%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টাকায় ৫টি দরে ক্রয় করে ৪ টি দরে বিক্রয় করলে কত শতাংশ লাভ হয়?

সমাধান:
৫টির ক্রয়মূল্য ১ টাকা
∴ ১টির ক্রয়মূল্য ১/৫ টাকা

৪টির বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
∴ ১টির বিক্রয়মূল্য ১/৪ টাকা

∴ লাভ = (১/৪ - ১/৫) টাকা
= (৫ - ৪)/২০ টাকা
= ১/২০ টাকা 

১/৫ টাকায় লাভ হয় = ১/২০ টাকা
∴ ১ টাকায় লাভ হয় = ৫/২০ টাকা 
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = (৫ × ১০০)/২০ টাকা 
= ২৫ টাকা

∴ ২৫% লাভ হয়। 
২৯.
a + (1/a) = 4 হলে a4 + (1/a4) এর মান কত?
  1. 204
  2. 198
  3. 194
  4. 184
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + (1/a) = 4 হলে a4 + (1/a4) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + (1/a) = 4
⇒ a2 + 2.a.(1/a) + (1/a)2 = 16 [বর্গ করে]
⇒ a2 + (1/a2) = 14
⇒ (a2)2 + 2.a2.(1/a2) + (1/a2)2 = 196 [বর্গ করে]
⇒ a4 + (1/a4) = 194 
৩০.
একটি ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুর নাম কী?
  1. মধ্যবিন্দু
  2. ভরকেন্দ্র
  3. লম্ববিন্দু
  4. কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুর নাম কী?

সমাধান:
ভরকেন্দ্র: ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলে।

এখানে, AD, BE, CF মধ্যমা এবং G হচ্ছে ভরকেন্দ্র।

ভরকেন্দ্র মধ্যমাকে ২ : ১ অনুপাতে অন্তর্বিভক্ত করে। 

লম্ববিন্দু: ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্ব যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে লম্ববিন্দু বলে।
৩১.
৪০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণের অর্ধেকের মান কত ডিগ্রি?
  1. ৬০
  2. ৮০
  3. ৪৫
  4. ৭০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণের অর্ধেকের মান কত ডিগ্রি?

সমাধান:
সম্পূরক কোণ: দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলা হয়।

৪০° এর সম্পূরক কোণ =  ১৮০° - ৪০°= ১৪০°
১৪০° এর অর্ধেক = ১৪০°/২ = ৭০° 
৩২.
একটি পরীক্ষায় ৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ১৫ জন অনুত্তীর্ণ হলে উত্তীর্ণের হার কত?
  1. ৭৫%
  2. ২৫%
  3. ৬০%
  4. ৮০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পরীক্ষায় ৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ১৫ জন অনুত্তীর্ণ হলে উত্তীর্ণের হার কত?

সমাধান:
উত্তীর্ণ হয় (৬০ - ১৫) জন 
= ৪৫ জন 

৬০ জনে উত্তীর্ণ হয় ৪৫ জন
∴ ১০০ জনে উত্তীর্ণ হয় (৪৫ × ১০০)/৬০ জন 
= ৭৫ জন 

∴ উত্তীর্ণের হার ৭৫%
৩৩.
১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টি কত?
  1. ১৮০
  2. ২১০
  3. ১৯০
  4. ২৭০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টি কত?

সমাধান:
১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টি
={২০(২০ + ১)}/২
= (২০ × ২১)/২
= ২১০
৩৪.
মা ও ছেলের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বছর। ১১ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি কত হবে?
  1. ৬৫
  2. ৬৬
  3. ৫৯
  4. ৭৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মা ও ছেলের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বছর। ১১ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি কত হবে?

সমাধান:
মা ও ছেলের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বছর
১১ বছর পর তাদের বয়স বাড়ে (১১ × ২) বছর
= ২২ বছর

∴ ১১ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি (৫৪ + ২২) বছর 
= ৭৬ বছর 
৩৫.
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১০ অক্টোবর
  2. ২৪ অক্টোবর
  3. ২০ অক্টোবর
  4. ২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প:
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রকল্পের রুট - হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী-ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক (কুতুবখালী)। 
চুক্তি স্বাক্ষর - ১৯ জানুয়ারী ২০১১।
প্রকল্পের মেয়াদ - জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০২৪।
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।

উৎস: দি ডেইলি স্টার। [লিঙ্ক]
৩৬.
কর্ণফুলি টানেল কোন বিভাগে অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্প: 
- চট্টগ্রাম হলো বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর এবং বৃহত্তম বাণিজ্যিক নগরী।
- কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রাম শহরকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে।
- এক ভাগে রয়েছে নগর ও বন্দর এবং অপর ভাগে রয়েছে ভারী শিল্প এলাকা।
- কর্ণফুলী নদীর উপর ইতোমধ্যে ৩ টি সেতু নির্মিত হয়েছে, যা বিরাজমান প্রচুর পরিমাণ যানবাহনের জন্য যথেষ্ট নয়।
- নদীর মরফলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীর তলদেশে পলি জমা একটি বড় সমস্যা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারীতার জন্য বড় হুমকি।
- এই পলি জমা সমস্যার মোকাবেলা করার জন্য কর্ণফুলী নদীর উপর আর কোনো সেতু নির্মাণ না করে এর তলদেশে টানেল নির্মাণ করা প্রয়োজন।
- এ জন্য সরকার চট্টগ্রাম জেলার দুই অংশকে সংযুক্ত করার জন্য কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

- কর্ণফুলী নদীর মুখে অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমেই অধিকাংশ দেশের আমদানি এবং রপ্তানি কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। প্রস্তাবিত টানেল চট্টগ্রাম বন্দর নগরকে কর্ণফুলী নদীর অপর অংশের সাথে সরাসরি সংযুক্ত করবে এবং পরোক্ষভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে সংযুক্ত করবে।
- প্রস্তাবিত টানেল সাইটে নদীর প্রস্থ ৭০০ মিটার এবং পানির গভীরতা ৯ থেকে ১১ মিটার।
- প্রস্তাবিত টানেলের দৈর্ঘ্য ৩৪০০ মিটার। 

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ [লিঙ্ক]
৩৭.
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পুরাতন নাম কি?
  1. কলাতলী
  2. প্রবাল দ্বীপ
  3. টেকনাফ
  4. নারিকেল জিঞ্জিরা
ব্যাখ্যা
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত ছিলো।
- প্রচুর নারকেল পাওয়া যায় বলে এ নামটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত হয়েছে।
- প্রায় ৫০০০ বছর আগে টেকনাফের মূল ভূমির অংশ ছিল জায়গাটি।
- কিন্তু ধীরে ধীরে এটি সমুদ্রের নিচে চলে যায়।
- এরপর প্রায় ৪৫০ বছর আগে বর্তমান সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ পাড়া জেগে উঠে।
- এর ১০০ বছর পর উত্তর পাড়া এবং পরবর্তী ১০০ বছরের মধ্যে বাকি অংশ জেগে উঠে।
- ২৫০ বছর আগে আরব বণিকদের নজরে আসে এ দ্বীপটি।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে বাণিজ্যের সময় আরব বণিকরা এ দ্বীপটিতে আরব বণিকরা বিশ্রাম নিতো।
- তখন তারা এ দ্বীপের নামকরণ করেছিল 'জাজিরা'।
- পরবর্তীতে যেটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত হয়। 

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
৩৮.
মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. সব্যসাচী হাজরা
  2. কায়কোবাদ
  3. সৈয়দ সামছুল হক
  4. কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ:
- শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ ২০২২।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা।
- মুজিব বর্ষ উদযাপনে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের তৈরি ওয়েবসাইট www.mujib100.gov.bd।
- মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা।
- মুজিব বর্ষের উদ্বোধন করা হয় ১৭ মার্চ ২০২০, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে।
- ইউনেস্কোর ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে ১ মার্চ তারিখকে বিমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি (একটি স্বর্ণমুদ্রা, একটি স্মারক মুদ্রা, ১০০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট ও ২০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট) স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৩৯.
‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধি কে পেয়েছেন?
  1. মাদার তেরেসা
  2. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  3. মমতা ব্যানার্জী
  4. ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’(মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'। 
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।
অন্যদিকে,
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।
- প্রচ্ছদজুড়ে শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে চলতি সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেছে সাময়িকীটি।

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ।  [লিঙ্ক]
দৈনিক কালের কণ্ঠ। [লিঙ্ক]
৪০.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. সিয়েরা লিওন
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা
- ২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওনে অফিসিয়াল ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার নাম ঘোষণা করা হয়।
- ভৌগলিক বা সাংস্কৃতি উভয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন সিয়েরা লিওন।
- কিন্তু এ দুই দেশের সম্পর্ক এতটাই গভীর ও আন্তরিক যে, এ দেশের ভাষাকে নিজেদের করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি।
- ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দেশটি  গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়েছে।
- সেই সময়টাতে সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বিপুল পরিমাণ শান্তি বাহিনী নিয়োগ করে জাতিসংঘ।
- তাদের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
- এ দেশের সেনারা সিয়েরা লিওনের বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন।
- দেশটিতে শান্তি ফেরাতে রেখেছেন ব্যাপক ভূমিকা।
- বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চলগুলোকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের কার্যক্রম ছিল অনবদ্য।
- বাংলাদেশিরা যা করেছেন, তার জন্য সিয়েরা লিওনের সরকার কৃতজ্ঞ।
- ২০০২ এর কিছু আগে পরে শান্তি ফিরে আসে দেশটিতে। 
- প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে দেশটির সরকারি ভাষার মর্যাদা দেন। 

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ। [লিঙ্ক]
৪১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মোট আসামী ছিল কত জন?
  1. ৩০ জন
  2. ১৫ জন
  3. ৩৫ জন
  4. ২৫ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: 
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটিত হয়েছে। 
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। 
- ১৮ জানুয়ারি আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুসহ মোট ৩৫ জনকে আসামী করা হয়।  
- এই মামলার বিচারের জন্য একটি স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠিত হয়। 
- এই মামলার সরকারি নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- বাঙালিরা এটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে অভিহিত করে এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে তোলে। 
- আন্দোলন জোরদার হলে সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয় এবং বিনাশর্তে ৩৫ জন অভিযুক্তকে মুক্তি দেয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. বৈদ্যনাথতলা
  2. মেহেরপুর
  3. থিয়েটার রোড, কলকাতা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার: 
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশি দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। 
- তারা একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। 
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। 
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন কবে?
  1. ১৯৭৫ সালের ১৫ অক্টোবর
  2. ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৫ সালের ১৬ নভেম্বর
  4. ১৯৭৩ সালের ২৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৪ সালের  ২৫ সেপ্টেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ দান করেন।
- এটি ছিলো জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশন।
- বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ও বাংলা ভাষার এই উজ্জ্বল দিনেই বাংলায় দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মাধ্যমে জাতিসংঘের সদস্য পৃথিবীর সব দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে পারে বাংলা ভাষার কথা, জানতে পারে বাংলা ভাষাভাষী বাঙালি জাতির জন্য আছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, তার নাম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: দি ডেইলি স্টার। [লিঙ্ক]