পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) দেশের ও বিশ্বের বিভিন্ন নদ-নদী, সমুদ্র সৈকত, দ্বীপ, চর, বন্দর, পাহাড়-পর্বত, ঝর্ণা, জলপ্রপাত, বিল, হাওর, উপত্যকা, গিরিপথ, বৃহত্তম, দীর্ঘতম, ক্ষুদ্রতম উচ্চতম, উষ্ণতম ও শীতলতম ইত্যাদি। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], বাংলাপিডিয়া, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। -------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের স্থলভাগে বেশিভাগ ভূমিরূপ -
  1. পর্বত
  2. মালভূমি
  3. সমভূমি
  4. পাহাড়
ব্যাখ্যা
⇒ পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের স্থলভাগে বেশিভাগ ভূমিরূপ - সমভূমি।

ভূ-পৃষ্ঠের গঠন: 

- পৃথিবীর ভূমিরূপ সর্বত্র একরকম নয়। স্থলভাগে রয়েছে সুউচ্চ পর্বত, মালভূমি, পাহাড় ও সমভূমি।
- সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ক্রিয়ার ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন হয়।
- ভূমিরূপের পরিবর্তন ক্রিয়া কখনো দ্রুত, কখনো ধীরে ধীরে, আবার কখনো আকস্মিকভাবে ঘটে।
- সাধারণভাবে বৃহত্তর ভূমিরূপের পরবর্তী পর্যায়ে ক্ষুদ্রতর ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগের ভূমিরূপ পর্বত, মালভূমি, সমভূমি।
- পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ৫৮ ভাগ সমভূমি।
- পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ১৮ ভাগ পার্বত্য অঞ্চল।
 - পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ২৪ ভাগ মালভূমি ও পাহাড়।

উল্লেখ্য, 
- মহাসাগর তলদেশের ভূমিরূপ মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি, গভীর সমুদ্রখাত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
.
পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানীর নাম কী?
  1. কিটো
  2. লাপাজ
  3. প্যারিস
  4. রিয়াদ
ব্যাখ্যা
বলিভিয়ার রাজধানী:
- বলিভিয়ার রাজধানী লাপাজ পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী।
- দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যভাগের একটি দেশ যা আন্দিজ পর্বতমালায় অনেক উঁচুতে অবস্থিত।
- এজন্য দেশটিকে পৃথিবীর ছাদ নামে অনেক সময় ডাকা হয়।
- সরকারিভাবে বলিভিয়ার রাজধানীর নাম শুক্রে,তবে লাপাজ দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী ও বলিভিয়া সরকারের প্রধান কর্মস্থল।
- প্রায় ৩৬০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম রাজধানী।
- শহরের কেন্দ্রস্থল, প্লাজা মুরিলো, নদীর উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- এখানে প্রধান ক্যাথেড্রাল, সরকারী ভবন এবং আইনসভা ভবন রয়েছে।
- লাপাজে সান আন্দ্রেস বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৩০), বলিভিয়ান ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ আর্ট এবং অন্যান্য মিউজিয়াম রয়েছে।
- ১৯৯৮ সালে, শহরটি এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের শিকার হয়, যাতে শত শত মানুষ নিহত হয় এবং বহু ভবন ধ্বংস হয়।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয় উচ্চতম রাজধানী হচ্ছে ইকুয়েডরের কিটো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
ইউরোপ মহাদেশের উচ্চতম স্থান কোনটি?
  1. পুঞ্জাক জায়া
  2. ভিনসন ম্যাফিস
  3. এলব্রুস পর্বত
  4. কিলিমানজারো
ব্যাখ্যা
⇒ ইউরোপ মহাদেশের উচ্চতম স্থান - মাউন্ট এলব্রুস (Mount Elbrus)।

মাউন্ট এলব্রুস (Mount Elbrus):

- মাউন্ট এলব্রুস ককেশাস পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, যা দক্ষিণ-পশ্চিম রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি একটি নিঃশেষিত আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি প্রায় ২৫ লাখ বছর আগে গঠিত হয়েছিল।
- এর পূর্ব ঢালে এখনো সালফারযুক্ত গ্যাস নির্গত হয়।
- মাউন্ট এলব্রুসের ৫৩ বর্গমাইল (১৩৮ বর্গ কিমি) এলাকা জুড়ে ২২টি হিমবাহ রয়েছে।
- এই হিমবাহগুলো থেকে কুবান নদী এবং তেরেক নদীর উপনদীগুলো পানি সরবরাহ পায়।
- এটি ককেশাস অঞ্চলের পর্বতারোহণ এবং পর্যটনের একটি প্রধান কেন্দ্র।

এছাড়াও, বিভিন্ন মহাদেশের উচ্চতম স্থান:
- এশিয়া মহাদেশ - মাউন্ট এভারেস্ট।
- আফ্রিকা মহাদেশ - কিলিমানজারো।
- উত্তর আমেরিকা - দেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকা - আকানকাগুয়া পর্বত।
- ওশেনিয়া মহাদেশ - পুঞ্জাক জায়া।
- অ্যান্টার্কটিকা - ভিনসন ম্যাফিস।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
আয়তনে আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. কঙ্গো
  2. সিসিলিস
  3. নাইজেরিয়া
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
 আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

উল্লেখ্য, 
- সিসিলিস আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- মোট আয়তন ৪৫৭ বর্গ কিলোমিটার।
- রাজধানীর নাম ভিক্টোরিয়া।

এছাড়া,
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম : আলজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : নাইজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : সিসিলিস। 
- বৃহত্তম জিডিপির দেশ : নাইজেরিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং  ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
.
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি কোনটি?
  1. তিব্বত মালভূমি
  2. গোলান মালভূমি
  3. পামীর মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
ব্যাখ্যা

তিব্বত মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি তিব্বত মালভূমি।
- সমুদ্র সমতল থেকে অতি উচ্চ বিস্তীর্ণ সমভূমিকে মালভূমি বলে। মালভূমি প্রায়ই পর্বতবেষ্টিত হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমি হল তিব্বতীয় মালভূমি।
- এটি মধ্য এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি।
- তিব্বতীয় মালভূমির আয়তন প্রায় ২,৫০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৯৬৫,০০০ বর্গমাইল)। 
- এটি সমুদ্রতল থেকে ১৩,০০০ - ১৫,০০০ ফুট (৪,০০০ - ৫,০০০ মিটার) উঁচু।

⇒ তিব্বত মালভূমির উত্তরে রয়েছে ‘কুনলুন’ পর্বত এবং দক্ষিণে হিমালয়; পশ্চিমে কারাকোরাম পর্বতমালা; পূর্বে হেংতুয়ান পর্বতমালা।
- এখানে আরও রয়েছে গাংদেস পর্বতমালা - নাইনকেন তাংগুলা পর্বতমালা এবং এর শাখা।

উৎস: i) Britannica
ii) World atlas.

.
বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।

১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট বন্দরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস -
  1. মে
  2. জুন
  3. মার্চ
  4. এপ্রিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল।

গ্রীষ্মকাল:

- বাংলাদেশে মার্চ হতে মে মাস (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
- এ ঋতুতে সূর্যের উত্তরায়নের ফলে উত্তাপের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল হতে উত্তরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
- আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস।
- এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- এ মাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- এ সময় সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরে অর্থাৎ উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে।
- এ সময় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শুষ্ক ও আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি পদ্মা নদীর শাখানদী নয়?
  1. গড়াই
  2. ভৈরব
  3. পাগলা
  4. মধুমতী
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে ভৈরব, গড়াই, মধুমতী তিনটাই পদ্মা নদীর প্রধান শাখানদী কিন্তু পাগলা পদ্মা নদীর উপনদী।

পদ্মা নদী:

- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা। গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখানদী।
- পুনর্ভবা, নাগর, পাগলা, কুলিক ও ট্যাংগন মহানন্দার উপনদী।

 অন্যদিকে,
- পদ্মা দৌলতদিয়ার কাছে যমুনা নদীর সঙ্গে গঙ্গা মিলিত হয়েছে।
- দৌলতদিয়া পর্যন্ত এটি গঙ্গা নদী নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে প্রবেশের পর অনেকেই একে পদ্মা নামে ডাকে।
- গঙ্গা ও যমুনা মিলে পদ্মা নদী চাঁদপুরে মেঘনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- এই তিন নদী একসঙ্গে মেঘনা নদী নামে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশে শীতল পানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. সীতাকুণ্ড
  3. কক্সবাজার
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঝর্ণা:
- বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- মৌলভীবাজার জেলার অন্যতম আকর্ষণ হামহাম ঝর্ণা।
- রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শুভলং ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলার প্রখ্যাত ঝর্ণা রিসাং ঝর্ণা।
- বান্দরবান জেলার পরিচিত জলপ্রপাত শৈলপ্রপাত ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলার আরেকটি সুন্দর ঝর্ণা তৈদুছড়া ঝর্ণা।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
১০.
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. ল্যাকোলিথ পর্বত
  4. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। 
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে।
- ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। 
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত  চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
⇒ উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠনপ্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা-
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains)
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains)
(গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains)
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ -
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. টিটিকাকা হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- অর্থাৎ নামের সাথে সাগর থাকলেও কাস্পিয়ান সাগর একটি হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর ককেশাস পর্বতমালার পূর্বে এবং মধ্য এশিয়ার বিস্তীর্ণ মাঠের পশ্চিমে অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর পাঁচটি দেশ দ্বারা সীমান্তবর্তী: কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আজারবাইজান এবং রাশিয়া।

অন্যদিকে,
- বৈকাল (রাশিয়া) পৃথিবীর প্রাচীনতম ও গভীরতম হ্রদ।
- সুপিরিয়র পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
- পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ হলো টিটিকাকা।
- লেক আসাল (জিবুতি) সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।

উল্লেখ্য,
-মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি।
-তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে। যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি।
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে। যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১২.
বিশ্বের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১৩.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. এলবুর্জ
  2. এভারেস্ট
  3. কোসিয়াস্কো
  4. কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
- এভারেস্ট এশিয়ার ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর অংশে অবস্থিত।
- এটি চীন ও নেপালের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমানায় অবস্থিত।
- ২৯শে মে ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং স্থানীয় নেপালি শেরপা তেনজিং নোরগে আনুষ্ঠানিকভাবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী প্রথম পুরুষ হয়েছিলেন।

অন্যদিকে,
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলবুর্জ।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ম্যাককিনলি।
- দক্ষিন আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাাকাস্কোগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] 
১৪.
বাংলাদেশের উচ্চতম পাহাড় -
  1. গারো পাহাড়
  2. সীতাকুণ্ড পাহাড়
  3. কুলাউড়া পাহাড়
  4. লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়, যা বান্দরবানে অবস্থিত এবং উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত এবং যা হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।