পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

পরীক্ষা৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৭ বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-১ টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলা হয় জাপানের কোন শহরে?
  1. সিউল
  2. নাগাসাকি
  3. হিরোশিমা
  4. হাবানা
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- ১ম পারমাণবিক হামলা: 
- লক্ষ্য শহর: হিরোশিমা, জাপান।
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫। 
- বোমা নিক্ষেপকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- বোমার নাম: “Little Boy”
- Enola Gay নামে একটি B-29 বোমারু বিমান।

• দ্বিতীয় পারমাণবিক হামলা
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫।
- নাগাসাকি শহরে, জাপান।
- “Fat Man” নামে দ্বিতীয় বোমা ফেলা হয়। 

• উদ্দেশ্য
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
’ট্রাফালগার স্কয়ার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার হলো ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
- একটি ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থান।
- ব্রিটিশ সামরিক ইতিহাস, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এবং বিশ্ব পর্যটনে লন্ডনের পরিচিত প্রতীক।
 - ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায়, লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
- নির্মাণকাল: ১৮৩০-এর দশক; ১৮৪৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত।
- নামকরণ: "ট্রাফালগার" নামটি এসেছে ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধ থেকে,
- যেখানে ব্রিটিশ নৌবাহিনী ফরাসি ও স্প্যানিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।

উল্লেখ্য, 
- ট্রাফালগার স্কয়ার যুক্তরাজ্যের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার - একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: Britannica. 
.
ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়-
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. রুশো
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. লেনিন
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই বিপ্লবের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- এবং বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে তিনি ফ্রান্সের একজন প্রভাবশালী সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। 

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) কালের কণ্ঠ।
.
ইসরাইলের আইন সভার নাম কী?
  1. ফোকেটিং
  2. নেসেট
  3. লয়াজিরগা
  4. রিক্সড্যাগ
ব্যাখ্যা
আইন সভা: 
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরাইল আইনসভা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি জাপানের সবচেয়ে বৃহত্তম দ্বীপ?
  1. ওকিনাওয়া
  2. হোক্কাইডো
  3. হোনশু
  4. কিউশু
ব্যাখ্যা
জাপান:
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বৃহত্তম দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: Shigeru Ishiba (মে, ২০২৫)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
সর্ব প্রথম কারা সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করেন?
  1. সুমেরীয়রা
  2.  ব্যবিলনীয়রা
  3. ক্যালডীয়রা
  4. আসেরীয়রা
ব্যাখ্যা
ক্যালডীয় সভ্যতা: 
- ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার। 
- এ সাম্রাজ্যের উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাঁদ নেজার।
- তাঁর রাজত্বকাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৬০৪ থেকে ৫৬১ অব্দ পর্যন্ত।

• জ্যোতির্বিদ্যায় তাদের অবদান: 

- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- আবার প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান।
- তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যুক্তরাজ্যের প্রথম সাংবিধানিক দলিল কোনটি?
  1. বিল অব রাইটস
  2. এক্ট অব সেটেলম্যান্ট
  3. ম্যাগনাকার্টা
  4. পিটিশন অব রাইটস
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
- যুক্তরাজ্যের প্রথম সাংবিধানিক দলিল ম্যাগনাকার্টা।
- ম্যাগনা কার্টা হলো রাজার ক্ষমতা খর্ব করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
- এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রাথমিকভাবে সফল হয়নি।
- নথিটি ১২১৬, ১২১৭ এবং ১২২৫ সালে পুনরায় পরিবর্তন সহ জারি করা হয়েছিল।
- অবশেষে এটি আইন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।
- পরবর্তী প্রজন্ম ম্যাগনা কার্টাকে নিপীড়ন থেকে স্বাধীনতার প্রতীক হিসাবে উদযাপন করে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত রাজ্য নয়?
  1. মেঘালয়
  2. মিজোরাম
  3. হায়দ্রাবাদ
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
'ভারতের সেভেন সিস্টার্স':
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সম্মিলিতভাবে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়।
- এই নামটি ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া একটি রেডিও টক শোতে ব্যবহার করেন,
- যা পরবর্তীতে তাঁর লেখা "The Land of Seven Sisters" বইয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভূক্ত রাজ্য সমূহ:
- অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরা।
- হায়দ্রাবাদ ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভূক্ত রাজ্য নয়।

• এগুলোর রাজধানী:

- মণিপুর প্রদেশ: রাজধানী ইম্ফল।
- অরুণাচল প্রদেশ: রাজধানী ইটানগর।
- আসাম: এর রাজধানী দিসপুর,
- মেঘালয়: এর রাজধানী শিলং।
- ত্রিপুরা এর রাজধানী আগরতলা।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- মিজোরাম এর রাজধানী আইজল।

উৎস: Britannica.
১০.
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট খ্যাত অন্তর্ভূক্ত দেশ কোনটি?
  1. মায়ানমার
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
→ গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

→গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:

- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ।
- মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী ও চোরাচালানকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

→ গোল্ডেন ওয়েজ:
- বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত।
→ গোল্ডেন ভিলেজ:
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
১১.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের ফ্যাসিস্ট নেতা ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. স্পেন
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনী: 
- পুরো নাম: Benito Amilcare Andrea Mussolini. 
- জন্মস্থান: ইতালি।
- রাজনৈতিক আদর্শ: ফ্যাসিবাদ (Fascism) একনায়কতান্ত্রিক, সামরিকতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী মতবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: ইতালির ফ্যাসিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, ১৯১৯ সালে।
- ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত: ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে: ১৯২২-১৯৪৩।
- শাসনব্যবস্থা: একদলীয় একনায়কতন্ত্র; সংসদীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে ফ্যাসিস্ট একনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ
- মূল দর্শন: রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে কিছু নেই, সবকিছু রাষ্ট্রের অধীনে। 
- জোট: অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানির সাথে মিত্রতা গড়ে তোলেন।
- যুদ্ধ অংশগ্রহণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) ফ্যাসিস্ট জোটের পক্ষে ইতালিকে নেতৃত্ব দেন।
- পতন: ১৯৪৩ সালে মিত্রবাহিনীর আক্রমণের মুখে মুসোলিনির সরকার পতন ঘটে।
- মৃত্যু: ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে ইতালির উত্তরাঞ্চলে গণবিক্ষোভের মধ্যে তিনি ও তার প্রেমিকা ক্লারেটা পেতাচিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 

উৎস: Britannica.
১২.
’সানশাইন পলিসি’ কোন দুই দেশের সাথে জড়িত?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়া
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘সানশাইন পলিসি’ (Sunshine Policy):
- ‘সানশাইন পলিসি’ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি,
- যা ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই দেশের সাথে জড়িত।

• মূল উদ্দেশ্য:
- দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- উত্তরের সঙ্গে বাণিজ্য ও মানবিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করে ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নয়ন।

• প্রবর্তক:
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ডে-জুং (Kim Dae-jung)।
- তিনি এই নীতির জন্য ২০০০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৩.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন কে?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. গামাল আবদেল নাসের
  3. হোসনি মুবারক
  4. মোহাম্মদ নাজিব
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল,
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- ১৮৬৯ সালে খালটির নির্মাণ কাজ হয়।
- এর নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৮৫৯ সাল।
- বর্তমানে খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।

উল্লেখ্য
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সঙ্গে মিশরের যুদ্ধ বাধে, যা 'দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ' বা 'সুয়েজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica ও বিবিসি নিউজ।
১৪.
ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত দেশ-
  1. ভিয়েতনাম
  2. লাওস
  3. কম্বোডিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীন অঞ্চলটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ঐতিহাসিক ভূখণ্ড।
- এটি ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া নিয়ে গঠিত।
- ১৭৮০-এর দশকে ফ্রান্স এই অঞ্চলটি তার উপনিবেশ হিসেবে অধিকার করে এবং ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি ফ্রান্সের শাসনাধীন ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোচীনকে দখল করে নেয়, কিন্তু ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- এর পর, ফ্রান্স আবার ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ১৯৪৬ সালে তাদের শাসন পুনঃস্থাপন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫.
ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিল-
  1. ফিলিপ দ্বিতীয়
  2. ষোড়শ লুই
  3. সপ্তদশ লুই
  4. চতুর্দশ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অনেকাংশে দায়ী ছিলো।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তার পুত্র পঞ্চদশ লুই এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- "স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী"- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬.
বেলফোর ঘোষণা মাধ্যমে কোন রাষ্ট্রটি জন্ম হয়?
  1. ফিলিস্তিন
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা: 
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম।

উল্লেখ্য
- এর ফলে  ইহুদিদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়।
- আরব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ ও বিরোধ জন্ম নেয়।
- মধ্যপ্রাচ্যে আরব-ইহুদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।


১৭.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) কোন দেশের উদ্যোগ?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ:
- উদ্যোগকারী দেশ: চীন।
- ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কর্তৃক ঘোষণা

• উদ্দেশ্য
- বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গঠন করা,
- বিশেষত এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা

• সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট:

- স্থলপথে এশিয়া থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য পথ গঠন।

• মেরিটাইম সিল্ক রোড:

- সামুদ্রিক পথ দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা।
- অবকাঠামো নির্মাণ (সড়ক, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ),
- বাণিজ্য উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৮.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী-
  1. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
  2. খালেদা জিয়া
  3. বেনজির ভুট্টো
  4. মেগাওয়াতি সুকর্ণপুত্রী
ব্যাখ্যা
বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।

উল্লেখ্য,
- শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। 
- মেগাওয়াতি সুকর্ণপুত্রী: তিনি ইন্দোনেশিয়ার প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।
- এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা সুকর্ণের কন্যা। 
- তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: Britannica. 
১৯.
শেকেল কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. তুরস্ক
  2. ইসরায়েল
  3. মিশর
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম: 
- ইউক্রেনের মুদ্রার: রিভনিয়া।
- জাপানের মুদ্রার নাম: ইয়েন।
- ইসরায়েল মুদ্রার নাম:শেকেল।
-  চীনের মুদ্রার নাম: রেন্মিন্বি।
- রাশিয়ার মুদ্রার নাম : রুবল।
- কাতারের মুদ্রার নাম: রিয়াল।
- কুয়েতের মুদ্রার নাম: দিনার। 
- তুরস্কের মুদ্রার নাম: লিরা। 
- ইরানের মুদ্রার নাম: তুমান। 
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম: ডং।
- মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম রিংগিত।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম: বাথ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২০.
বলশেভিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. মিখাইল গর্বাচেভ
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. চে গুয়েভারা
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
চীনের ’এক দেশ দুই নীতি' চালু থাকবে কত সাল পর্যন্ত?
  1. ২০৪৭ সাল
  2. ২০৪৯ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩৫ সাল
ব্যাখ্যা
'একদেশ, দুই নীতি':
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা' নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে।
- যা চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি' বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে ১৯৯৭ সালে।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
২২.
তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব কে দেন?
  1. মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক
  2. সুলতান মাহমুদ
  3. এনভার পাশা
  4. হাফিজ আল আসাদ
ব্যাখ্যা
মোস্তফা কামাল পাশা:
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক।
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সময়ে তিনি তুরস্ককে একটি আধুনিক মনস্ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- এর অংশ হিসেবে ধর্ম পালনের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৩.
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ-
  1. তুরস্ক
  2. সৌদি আরব
  3. কুয়েত
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিশর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica.