পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮: টপিক সমূহ: রিভিশন [নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো-
  1. নৈতিকতা
  2. মূল্যবোধ
  3. সুশাসন
  4. সহনশীলতা
ব্যাখ্যা

সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন:
​- সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন পরস্পর সম্পূরক।
​- জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের উপস্থিতি সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নের রূপান্তরিত করে।
​- তাই দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো সুশাসন।
​- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসনে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।

​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

.
'সুশাসন' ধারণাটি কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত একটি ধারণা?
  1. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
  2. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. বিশ্ব ব্যাংক
  4. ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
​- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
​- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
​- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
​- বিশ্বব্যাংক ও UNDP-এর মতে, সুশাসনের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষাসমূহকে প্রকাশ করতে পারে এবং তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে।
​- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
​- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

.
নৈতিকতা কী ধরনের বিষয়?
  1. শারীরিক বিষয়
  2. অর্থনৈতিক বিষয়
  3. মানসিক বিষয়
  4. রাজনৈতিক বিষয়
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা:
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তরর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি। 
- ​নৈতিকতার উদ্ভব মানুষের বিবেকবোধ থেকে। 
- ​এটি একটি মানসিক বিষয়।
- নৈতিকতার উপর রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব আরোপিত নয়। অর্থাৎ নৈতিকতা লঙ্ঘনকারীকে রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় আইন শাস্তি প্রদান করতে পারে না।
- বিবেকের দংশনই নৈতিকতার সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।
- মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণ সাধনই নৈতিকতার লক্ষ্য।

​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

.
UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

UNDP ও সুশাসন:
​- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
​- UNDP-এর মতে, “একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন” (Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels)।

​• UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি।
​- স্বচ্ছতা,
​- আইনের শাসন,
​- সকলের অংশগ্রহণ,
​- সংবেদনশীলতা,
​- সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
​- সমতা,
​- ন্যায্যতা,
​- জবাবদিহিতা
​- কৌশলগত লক্ষ্য।

​উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

.
সামাজিক চুক্তি মতবাদের মূল বক্তব্য কী?
  1. ধর্মীয় বিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছে
  2. সামরিক শক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছে
  3. জনগণের পারস্পরিক চুক্তির ফলে রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছে
  4. রাষ্ট্র শাসকের ইচ্ছায় সৃষ্টি হয়েছে
ব্যাখ্যা

• সামাজিক চুক্তি মতবাদ
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- সমাজে বসবাসকারী জনগণেরপারস্পরিক চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে।
- ব্রিটিশ রাষ্ট্র দার্শনিক টমাস হবস্ ও জন লক এবং ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন।
- এ মতবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে বসবাস করত।
​- তারা প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলত এবং প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত। 
​- কিন্তু প্রকৃতির রাজ্যে আইন অমান্য করলে শাস্তি দেওয়ার কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না। 
- ​​ফলে সামাজিক জীবনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
-​ মানুষ হয়ে উঠে স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক। দুর্বলের উপর চলে সবলের অত্যাচার।
-​ এ কারণে মানুষের জীবন কষ্টকর ও দুর্বিষহ হয়ে উঠে। 
- ​এ ছাড়া প্রকৃতির রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যক্তিগত সম্পত্তির আকাঙ্ক্ষা ও প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
-​ প্রকৃতির রাজ্যের এ অরাজকতাপূর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ নিজেদের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি করে এবং নিরাপত্তার বিনিময়ে নিজেদের উপর শাসন করার জন্য স্থায়ীভাবে শাসকের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে।

​উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
সুশাসন নিয়ে 'White paper' বা 'শ্বেতপত্র' প্রকাশ করে-
  1. World Bank
  2. International Monetary Fund
  3. Islamic Development Bank
  4. European Economic Community
ব্যাখ্যা

শ্বেতপত্র (White paper):
- কোন একটি দেশের পার্লামেন্ট বা জাতীয় পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত দলিলকে শ্বেতপত্র বলা হয়ে থাকে।
- কোনো বিশেষ বিষয়ে জনগণ বা পার্লামেন্টকে অবহিত করার জন্য সরকারি বিবরণী।
- একই ধরনের প্রথা অপরাপর গণতান্ত্রিক দেশ যথা অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় প্রচলিত রয়েছে।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন আইন অথবা কোনো সংস্কারমূলক পদক্ষেপ চূড়ান্ত করার পূর্বেও শ্বেতপত্র জারী করা হয়ে থাকে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই ধরনের বিষয়ে শ্বেতপত্র জারী করে।
- শ্বেতপত্র জারী করার প্রথা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধেও দেখা যায়।

​সুশাসন ও শ্বেতপত্র:
সুশাসন নিয়ে 'White paper' বা 'শ্বেতপত্র' প্রকাশ করে European Economic Community।

উৎস: European Economic Community.

.
'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।'- উক্তিটি কার?
  1. এডমন্ড বার্ক
  2. থমাস জেফারসন
  3. অধ্যাপক গার্নার
  4. পিয়েরে ল্যান্ডেল মিলস্
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র
রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। 
​ প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা। 
​এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। 
​মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

​ অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।'
এ সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের চারটি উপাদান পাওয়া যায়। যথা-
- জনসমষ্টি, 
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
- সরকার ও 
- সার্বভৌমত্ব।

​​উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
“শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”-প্লেটো তাঁর কোন গ্রন্থে এ উক্তিটি করেছেন?
  1. Symposium
  2. Apologia Socrates
  3. The Republic
  4. Allegory of the Cave
ব্যাখ্যা

দার্শনিক প্লেটো:
​→ প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন প্লেটো এবং প্লেটোর শিষ্য ছিলেন এরিস্টটল।
​→ সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।
​→ প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”
​→ তার লেখা বিখ্যাত বই - Republic যা Plato’s Republic নামে পরিচিত।

​তাঁর লেখা অন্যান্য বইসমূহ:
​- Symposium
​- Apologia Socrates
​- Allegory of the Cave
​- The Laws (348 BCE)
​- Plato: Complete Works ইত্যাদি।

​উল্লেখ্য,- প্লেটোর মতে সদগুণ বা মৌলিক সততা হলো চারটি।- এগুলো হলো: জ্ঞান, সাহসিকতা, আত্মসংযম ও ন্যায়পরায়ণতা।

​উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
'Critique of Judgement'- গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. এরিস্টটল
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. প্লেটো
  4. হেগেল
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা:-
​ ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’-ধারণাটির প্রবর্তক - ইমানুয়েল কান্ট।
​- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা:- সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
​- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
​- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।

​নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বইঃ
​- Groundwork for Metaphysics of Morals.
​- Critique of Pure Reason.
​- Critique of Practical Reason.
​- Critique of Judgement.

​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
প্লেটো কোন সদগুণের কথা উল্লেখ করেন?
  1. মানবিকতা
  2. সততা
  3. বুদ্ধি
  4. সাহস
ব্যাখ্যা

- প্লেটো ৪টি প্রধান সদগুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- ​এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ বা মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদগুণরূপে অভিহিত করেন।
-  তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।
- অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত পুস্তক 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' এ সদগুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।
- এই নীতি গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে যে সদ্গুণের সৃষ্টি হয় তা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য সকল কিছুর বেলায়ই সকল কাজকর্মে একজন ব্যক্তিকে - একই নীতি অনুসরণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে।
- ​ আর এভাবেই মনুষ্য-সমাজের বাইরেও নৈতিকতা বিস্তৃত হয়।

​উৎস: দর্শন-৪ নীতিবিদ্যা, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়?
  1. শ্রম
  2. অভিজ্ঞতা
  3. ঐতিহ্য
  4. শিক্ষা
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
​- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরনের মাধ্যমে। অর্থাৎ মূল্যবোধের মাধ্যমে মানুষ 'ভুল' ও 'শুদ্ধ' ভাল ও মন্দ-এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।
​- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
​- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
​- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
-​ তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

​উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , মো: মোজাম্মেল হক।

১২.
রাজনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. বেকারত্ব থেকে মুক্তি
  2. নির্বাচিত হওয়া
  3. মতামত প্রকাশ
  4. ভোট দেওয়া
ব্যাখ্যা

• সাম্যের বিভিন্ন রূপ:
- মানুষের বিভিন্নমুখী বিকাশ সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন। নাগরিক জীবনে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের জন্য সাম্যকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- 
• সামাজিক সাম্য: 
- ​জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল সদস্যের সমানভাবে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করাকে সামাজিক সাম্য বলে। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা শ্রেণিকে কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যাবে না।

​• রাজনৈতিক সাম্য: 
​- রাষ্ট্রীয় কাজে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধা থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে। নাগরিকরা রাজনৈতিক সাম্যের কারণে মতামত প্রকাশ, নির্বাচিত হওয়া এবং ভোট দেওয়ার অধিকার ভোগ করে।

• অর্থনৈতিক সাম্য: 
- যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। বেকারত্ব থেকে মুক্তি, বৈধ পেশা গ্রহণ ইত্যাদি অর্থনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত

​• আইনগত সাম্য: 
- ​জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আইনের দৃষ্টিতে সমান মনে করা এবং বিনা অপরাধে গ্রেফতার ও বিনা বিচারে আটক না করার ব্যবস্থাকে আইনগত সাম্য বলে।

​​​উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি। 

১৩.
মূল্যবোধের মাধ্যমে মানুষ কী নির্ধারণ করতে পারে?
  1. সঠিক ও ভুল
  2. জ্ঞান ও অজ্ঞতা
  3. আনন্দ ও দুঃখ
  4. শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
​- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরনের মাধ্যমে। অর্থাৎ মূল্যবোধের মাধ্যমে মানুষ 'ভুল' ও 'শুদ্ধ' ভাল ও মন্দ-এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।
​- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
​- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
​- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
-​ তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

​উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , মো: মোজাম্মেল হক।

১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের​ ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

​উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫.
মানুষ জন্মের পর থেকেই কী শিখতে শুরু করে?
  1. নৈতিকতা
  2. সংস্কৃতি
  3. মূল্যবোধ
  4. নীতি
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
​- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরনের মাধ্যমে। অর্থাৎ মূল্যবোধের মাধ্যমে মানুষ 'ভুল' ও 'শুদ্ধ' ভাল ও মন্দ-এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।
​- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
​- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
​- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
-​ তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

​উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , মো: মোজাম্মেল হক।