পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
Exam -8:The Code of Criminal Procedure, 1898 Topic: Section 404-565
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. সাক্ষীকে ডেকে পাঠাতে হবে
  2. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  3. মামলাটি স্থগিত করতে হবে
  4. আসামিকে নোটিশ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:

(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
.
'Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯২
  2. ধারা ৪৯৩
  3. ধারা ৪৯৪
  4. ধারা ৪৯৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
ব্যাখ্যা
Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

• ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:

(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে, কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।
.
আপিলের নোটিশে কোন বিষয়টি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. মামলার বিস্তারিত বিবরণ
  2. শ্রবণ করার সময় ও স্থান
  3. আপিল আদালতের বিচারকের নাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ:

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal:
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
.
জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে জামিনের আবেদন করে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. জামিন দিবে
  2. কারাগারে প্রেরণ করবে
  3. খালাস দিবে
  4. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখবে
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
.
কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার প্রশ্নে
  2. শুধুমাত্র আইনের প্রশ্নে
  3. ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যের প্রশ্নে
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
.
ধারা ৪৯৮ অনুসারে জামিনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কী নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধু জামিন মঞ্জুর করার
  2. শুধু জামানত হ্রাস করার
  3. জামিনের আবেদন বাতিলের
  4. জামিন মঞ্জুর করা বা জামানত হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করা বা জামানত হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করা বা জামানত হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮):
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ;
২. দায়রা আদালত।

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে,
হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ এর অধীনে পক্ষগণের কী অধিকার নেই?
  1. রিভিশন করার
  2. আপিল করার
  3. অভিযোগ তোলার
  4. বক্তব্য দাখিলের
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য দাখিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য দাখিলের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০-এর অধীনে আদালত কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সমনকৃত ব্যক্তির
  2. শুধুমাত্র অভিযোগকারীর
  3. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির
  4. উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা:

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
.
কোন ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪৩৮
  2. ধারা ৪৩৯
  3. ধারা ৪৩৯ক
  4. ধারা ৪৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৯ক
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.

(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১০.
রবি একটি মামলায় দোষ স্বীকার করেছে এবং তার ভিত্তিতে আদালত তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই অবস্থায়, রবি কোন বিষয়ে আপিল করতে পারবে?
  1. আপিল করতে পারবে না
  2. দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
  3. দোষ স্বীকার করার প্রক্রিয়া নিয়ে
  4. মামলার পুনর্বিচার নিয়ে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]:
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন- দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।
১১.
পাবলিক প্রসিকিউটর মামলার প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিবে?
  1. সরকারের
  2. অভিযুক্তের
  3. আদালতের
  4. অভিযোগকারির
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১২.
রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তির সময় কবে থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. রিভিশন দায়েরের তারিখ থেকে
  2. পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
  3. রিভিশনের প্রথম শুনানির তারিখ থেকে
  4. রায় প্রদানকারী আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১৩.
আসামীর মৃত্যু হলে কোন আপিল পণ্ড বা বাতিল হবে?
  1. সকল আপিল
  2. জরিমানা বা অর্থদণ্ডের আপিল
  3. ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
  4. কোনো আপিলই বাতিল হবে না
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ, জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
১৪.
ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় কাকে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে
  2. ফরিয়াদীকে
  3. উভয় পক্ষকে
  4. শুধু পাবলিক প্রসিকিউটরকে
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
১৫.
কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম বাতিল হবে না?
  1. ভুলক্রমে অপরাধ আমলে নিলে
  2. ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে এখতিয়ারের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে
  3. ক্ষমতাবান না হলেও সরল বিশ্বাসে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
 
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;

(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
 
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ উল্লেখিত কোনো কারনে কার্যক্রম বাতিল হবে না।
১৬.
ধারা ৪৩৯(২) অনুযায়ী, আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে হাইকোর্ট ডিভিশন-
  1. অপরাধীকে মুচলেকা প্রদান করবে
  2. নতুন শুনানি নির্ধারণ করবে
  3. আসামীর বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করবে না
  4. আসামীকে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
আসামীর বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৩৯ ধারা- হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(২) আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা এ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না।

(৩) এই ধারায় সংশিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামী যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশী দণ্ড দিবেন না।

(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রজণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না।

(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল চলে কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
১৭.
জামিনদার যদি জামিননামাটি বাতিল করার আবেদন করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদক্ষেপ নেবেন?
  1. জামিনদারকে শাস্তি দেবেন
  2. জামিননামাটি বাতিল করবেন
  3. আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দেবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার অধীন শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জামানত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. খ এবং গ উভয় আদালতের
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার শর্ত কী?
  1. রিপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে
  2. রিপোর্টে উল্লেখিত তথ্য অপরিহার্য হতে হবে
  3. রিপোর্টের ভাষা আদালতের উপযুক্ত হতে হবে
  4. সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
 
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
২০.
জেলে থাকা অবস্থায় কোন ধারা অনুযায়ী আপিলকারী তার আপিল পিটিশন দাখিল করতে পারে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২৫
  4. ধারা ৪৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২০
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail:
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮৫ক অনুযায়ী, সাক্ষী যদি বৈধ কারণ ব্যতীত আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালত সর্বাধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ২৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
২২.
আপিলের পিটিশন কে দাখিল করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী
  2. শুধুমাত্র উকিল
  3. আপিলকারী বা তার উকিল
  4. আদালতের ক্লার্ক
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৯: আপিলের দরখাস্ত:
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
২৩.
স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণ করার ক্ষমতা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নেই?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরে উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
২৪.
ফরিয়াদী কত দিনের মধ্যে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:
 
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
 
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২৫.
আপিল বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারেন কোন উদ্দেশ্যে?
  1. মামলার সময় সাশ্রয় করতে
  2. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  3. মামলা পরিচালনার খরচ কমাতে
  4. ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
 (১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
 
Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:

(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.

(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
২৬.
ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা
  2. সাক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা
  3. সাক্ষীর জবানবন্দী যথাযথভাবে গ্রহণ করা
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দী যথাযথভাবে গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দী যথাযথভাবে গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ:
 ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
২৭.
Who has the authority to determine the language of each Court for the purposes of the Code?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The Supreme Court
  4. The Chief Justice
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
• Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
২৮.
ফৌজদারি আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
 
• ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 
Section 480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
২৯.
কোন ক্ষেত্রে ৪৯১ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  2. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৩০.
আদালত কখন চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত সঠিক মনে করলে
  4. তদন্তকারী অফিসারের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness-
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
৩১.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. নতুন অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
  4. আদালতের সাজা ঘোষণার বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬ (অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা)- হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
 
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা; বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে; এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে নিম্নলিখিত বিষয়ে-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে; বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে; বা
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।
 
শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
৩২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন
  2. মামলার নথি তলব করতে পারেন
  3. আপিলকারীর সাজার মেয়াদ বাড়াতে পারেন
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৩৩.
এক ব্যক্তি দায়রা আদালতে একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এবং তাকে ২০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই অবস্থায় তিনি কি আপিল করতে পারবেন?
  1. হ্যাঁ, কারণ কারাদণ্ড হয়েছে
  2. না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
  3. হ্যাঁ, কারণ এটি একটি ফৌজদারি মামলা
  4. হ্যাঁ, কারণ দণ্ডিত ব্যক্তি সবসময় আপিল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৩৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারা অনুযায়ী ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার কারণে আদালতের আদেশ বাতিল হবে না?
  1. ধারা ৫৩০
  2. ধারা ৫৩১
  3. ধারা ৫৩২
  4. ধারা ৫৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৩৫.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. নতুন আইন প্রণয়ন করা
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা
'নতুন আইন প্রণয়ন করার' ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩৬.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন আপীল শুনানী করবেন?
  1. যেকোনো আপীল
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজের অনুমোদিত আপীল
  3. শুধুমাত্র সরকারের নির্দেশিত আপীল
  4. দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি:
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।

শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৩৭.
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধারা অনুযায়ী তাঁর অধঃস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে মামলা তুলে নিতে পারেন?
  1. ধারা ৫২৬
  2. ধারা ৫২৭
  3. ধারা ৫২৮
  4. ধারা ৫২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৮
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৮: দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন-

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।
৩৮.
'nemo judex in causa sua' বা 'nemo debet esse judex in propria causa' এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারক কেবল একটি মামলার বিচার করতে পারবেন
  2. একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
  3. একজন বিচারক যেকোনো মামলার বিচার করতে পারেন
  4. একজন বিচারক নিজের আদেশ পরিবর্তন করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৫৫৬ ধারা অনুসারে,
যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
 
Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৩৯.
দেওয়ানি কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে স্থানান্তর করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি আদালতের
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের
  3. দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
  4. যেকোনো ফৌজদারি আদালতের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
৪০.
What must be returned to the Court after a commission issued under Section 503 or Section 506 has been executed?
  1. Only the commission
  2. The deposition only
  3. The witness only
  4. Both commission and deposition
সঠিক উত্তর:
Both commission and deposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both commission and deposition
ব্যাখ্যা
Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court. 

ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:

(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
 
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।