পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। ------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
কোন মৌসুমে গমের চাষ ভালো হয়?
  1. গ্রীষ্মকাল
  2. শীতকাল
  3. বর্ষাকাল
  4. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর:
শীতকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতকাল
ব্যাখ্যা
গম চাষ: 
- গম চাষের জন্য শীতকাল বা রবি মৌসুম সবচেয়ে উপযুক্ত।
- এ সময়ে তাপমাত্রা ১৫-২০° সেন্টিগ্রেড থাকার কারণে গমের বৃদ্ধি ও বিকাশ ভালো হয়।
- শীতকালে পর্যাপ্ত শুষ্ক এবং রৌদ্রজ্জ্বল পরিবেশ দানার গুণগত মান উন্নত করে।
- তাপমাত্রা ৩০-৩৫° সেন্টিগ্রেড ছাড়ালে গমের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
- শুষ্ক মৌসুমে পানি সরবরাহ সীমিত থাকলেও গম খরা সহিষ্ণু। তাই, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে শীতকালে গমের চাষ সবচেয়ে লাভজনক।

উল্লেখ্য: 
দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, জামালপুর, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলায় বেশি চাষ হয়।
- বাংলাদেশে গমের অনেক উচ্চফলনশীল অনুমোদিত জাত রয়েছে।
- তন্মধ্যে কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব, শতাব্দী, প্রদীপ, বিজয় ইত্যাদি জাত জনপ্রিয়।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য পোর্টাল।
.
নিম্নের কোন জেলায় আকস্মিক বন্যা হয়?
  1. বরিশাল
  2. লালমনিরহাট
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। 

- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে।
যথা:
১. মৌসুমী বন্যা,
২. আকস্মিক বন্যা,
৩. উপকূলীয় বন্যা,
৪. নগর বন্যা.

আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পর্যায়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে। এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।

উল্লেখ্য, 
- ২০০২, ২০০৪, ২০০৭, ২০০৯, এবং ২০১০ সালে আকস্মিক বন্যা উত্তর পূর্ব হাওড় অঞ্চলের শীতকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে বলে -
  1. গালফ স্ট্রিম
  2. প্যাসিফিক রিম
  3. ডোলড্রামস
  4. অশ্ব অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
অশ্ব অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্ব অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
- আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse latitude) বলে।

পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বলে।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের ন্যায় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় দুটি অবস্থিত।
- বায়ু নিম্নগামী বলে এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ুপ্রবাহ অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে যখন আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজযোগে ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করা হতো, তখন এ অঞ্চলে পৌঁছলে বায়ুপ্রবাহের অভাবে পালচালিত জাহাজের গতি মন্থর বা প্রায় নিশ্চল হয়ে পড়ত।
- এ অবস্থায় নাবিকগণ খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে অনেক সময় তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিত।
- এজন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ বলে।
- নিরক্ষীয় শান্তবলয় এর অপর নাম ডোলড্রাম।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বাংলাদেশের কোন মাস শীতলতম বলে বিবেচিত?
  1. এপ্রিল
  2. জানুয়ারি
  3. ডিসেম্বর
  4. নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শীতলতম মাস: 
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।

- এই মাসে দেশের গড় তাপমাত্রা সাধারণত ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস হয়ে থাকে।
- এই মাসে দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা অনেক কম থাকে, এবং দেশের শীতলতম জেলা সিলেট এবং শ্রীমঙ্গল অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বেশি অনুভূত হয়।

অন্যদিকে,
- এপ্রিল মাস উষ্ণতম মাস হিসেবে পরিচিত, এ সময় গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

সূত্র: বাংলিপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি "Biological Disaster" এর উদাহরণ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. রাসায়নিক বিস্ফোরণ
  3. চিকুনগুনিয়া
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
চিকুনগুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকুনগুনিয়া
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ: 
- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে দুর্যোগঝুঁকির পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ, মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ এবং জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির (Biological Disaster) পরিবেশ।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত ।
- এছাড়াও বাংলাদেশে মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশের মধ্যে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে প্রায় চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পের দুঘর্টনা উল্লেখযোগ্য।
- মহামারি কোভিড-১৯ সহ বিগত বছরগুলোতে যেমন ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৭ সালে ব্রার্ড ফ্লু, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের (Biological Disaster) অন্তর্ভূক্ত।
- এছাড়াও ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু, নিপাহ ভাইরাস, জিকা ভাইরাস প্রভৃতিও জৈবিক হ্যাজার্ড এর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন দুর্যোগটি ভূমিকম্পের ফলশ্রুতিতে হতে পারে?
  1. সুনামি
  2. বন্যা
  3. মৃত্তিকা ক্ষয়
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্পের ফলে সুনামি হতে পারে। 

দুর্যোগ (Disaster):

- দুর্যোগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Disaster, যা গ্রিক শব্দ Dis এবং Aster এর সমন্বয়ে গঠিত। Dis অর্থ মন্দ বা খারাপ এবং Aster অর্থ তারা। প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিদগণ বিশ্বাস করতেন, আকাশে কোনো তারা খারাপ অবস্থানে থাকলে খারাপ ঘটনা ঘটে। এই ধারণা থেকেই দুর্যোগ শব্দের উৎপত্তি। দুর্যোগ বলতে এমন একটি বিপর্যয় বোঝায়, যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের একটি বড় অংশকে বিপদাপন্ন করে তোলে এবং তাদের তা মোকাবিলার সক্ষমতা অতিক্রম করে।

এছাড়াও, 
- দুর্যোগের কারণে মানুষের জীবন, সম্পদ ও পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রচুর মূল্য দিতে হয়। এটি কখনো হঠাৎ সংঘটিত হয়, আবার কখনো এক বা একাধিক ঘটনার ধীরে ধীরে সৃষ্টি হতে পারে। অনেক সময় একটি দুর্যোগ অন্য দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্প থেকে সুনামি হতে পারে, সুনামি থেকে জলোচ্ছ্বাস এবং জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার সমস্যা তৈরি হতে পারে। সুতরাং, দুর্যোগ কেবল একটি পৃথক ঘটনা নয়, বরং তা একাধিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সিলেটের কোথায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়?
  1. জকিগঞ্জ
  2. গোয়াইনঘাট
  3. লালাখালে
  4. কোম্পানীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: 
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়।
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। 
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।

উল্লেখ্য, 
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বন্যার মনুষ্যসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি
  2. বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
  3. পাহাড়ি বরফগলা পানি
  4. নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
সঠিক উত্তর:
বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood): সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। 

বন্যার কারণ: 
প্রাকৃতিক কারণ: 
- বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি
- ভৌগোলিক অবস্থান, ভূমিরূপের গঠন ও প্রকৃতি, 
- পাহাড়ি বরফগলা পানি
- নদীর আকাঁবাঁকা গতিপথ, 
- নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
- বর্ষা মৌসুমে নদীর অতিরিক্ত পানি, 
- নদীর পানি প্রবাহ ক্ষমতা কমে যাওয়া, 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন প্রভৃতি।

মানবসৃষ্ট কারণ: 
- নদীর গতিপথে বাধা প্রদান, 
- খাল ও নালা ভরাট করে ফেলা, 
- অপরিকল্পিতভাবে রাস্তাঘাট নির্মাণ, 
- নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলা, 
- বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
- প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে অপরিকল্পিতভাবে নদীশাসন করা, 
- উজানে পানি প্রত্যাহার বা বাঁধ নির্মাণ, 
- পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ কোনটি?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. নিম্নচাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।

সমুদ্রস্রোত:
- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে।
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।
-  সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) উষ্ণ স্রোত ও (খ) শীতল স্রোত।

সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- প্রথিবীর আহ্নিক গতি, সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য, সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
২০১৩ সালে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধস কোন ধরনের দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
  3. প্রযুক্তিগত দুর্যোগ
  4. জৈবিক দুর্যোগ
সঠিক উত্তর:
মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের ধরণ: 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন এবং তুষারপাত।
- এসব দুর্যোগ প্রকৃতির অপ্রতিরোধ্য শক্তির কারণে ঘটে এবং মানবজীবন ও পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

অপরদিকে,
- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মানুষের কর্মকাণ্ড বা অবহেলার ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন যুদ্ধ, পারমাণবিক বিস্ফোরণ, রাসায়নিক দূষণ, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ ইত্যাদির মাধ্যমে ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ এবং ২০১৩ সালে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধস উল্লেখযোগ্য মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। উভয় ধরনের দুর্যোগই মানবজীবন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

সূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১.
কোনটির উপর সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. অক্ষরেখা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা:
- নিরক্ষরেখার (০°) উপর সূর্য সারা বছর প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে সমান দুই ভাগে বিভক্তকারী কাল্পনিক রেখা।
- এই রেখা বরাবর পৃথিবী আহ্নিক গতির বেগ সর্বাধিক থাকে, এবং সূর্যের রশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে।
- এর ফলে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সর্বদা তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং উষ্ণতা বিরাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- বিশেষ করে, ২১শে মার্চ এবং ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দুই দিনে পৃথিবীর সব জায়গায় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়। এজন্য নিরক্ষরেখায় অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় এবং এটি পৃথিবীর উষ্ণতম অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।