পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৫] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ টপিক: ১. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস [ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসন - ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত], ২. জাতীয় অর্জন। ৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের কতটি সাধারণ নির্বাচনী আসন ছিল?
  1. ৩১৬টি
  2. ৩১৩টি
  3. ৩১০টি
  4. ৩০০টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনী আসন সর্বমোট ৩১৩ টি।
- যেখানে ১৩ টি মহিলা আসন ছিল।
- পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদে ৬২১ টি আসনের বিপরীতে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি। 
জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের আসন
অঞ্চল জাতীয় পরিষদ প্রাদেশিক পরিষদ
সাধারণ মহিলা মোট সাধারণ মহিলা মোট
পূর্ব পাকিস্তান ১৬২ ১৬৯ ৩০০ ১০ ৩১০
পাঞ্জাব ৮২ ৮৫ ১৮০ ১৮৬
সিন্ধু ২৭ ২৮ ৬০ ৬২
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত ১৮ ১৯ ৪০ ৪২
বেলুচিস্তান ২০ ২১
কেন্দ্র শাসিত এলাকা - - -
মোট ৩০০ ১৩ ৩১৩ ৬০০ ২১ ৬২১
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৪টি দল
  2. ১৬টি দল
  3. ১৮টি দল
  4. ২৪টি দল
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে।
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০২৪ সালে কত জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ২১ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।
- সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ (একুশ) জন বিশিষ্ট নাগরিক-কে একুশে পদক ২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- একুশে পদক হিসাবে ১৮(আঠার) ক্যারেট স্বর্ণ নির্মিত ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম ওজনের একটি পদক, ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, একটি সম্মাননা পত্র ও একটি রেপ্লিকা প্রদান করা হবে। ["একুশে পদক" নীতিমালা ২০১৭]

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
বাংলাপিডিয়া। 
.
কোন বাংলাদেশী ২০২৩ সালের র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. ড. ফেরদৌসী কাদরী
  2. ড. ফিরোজা বেগম
  3. এএফএম আনিসুজ্জামান
  4. করভি রাখসান্দ
ব্যাখ্যা
র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এশিয়ার নোবেল হিসেবে খ্যাত।
- ২০২১ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী।
- ২০২৩ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ। 
- তাঁর সঙ্গে সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়েছেন ভারত, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুরের আরও তিনজন।

উৎস: র‌্যামন ম্যাগসেসে ওয়েবসাইট।
.
কার সময়ে সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তিত হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড মিন্টো
  3. উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
- লর্ড কর্নওয়ালিস এর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তিত হয়।

সূর্যাস্ত আইন:

- কোম্পানির বোর্ড অব ডাইরেক্টরস্ এর অনুমোদন লাভের পর কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে দশসালা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে ঘোষণা করেন।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত অনুসারে রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং জমির উপর জমিদারদের মালিকানা ক্ষমতা এবং আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জমি হস্তান্তর বা দান করার ক্ষমতাও তাঁরা পান। জমিদারগণ নিজ খুশী মত শর্ত সাপেক্ষে জমি পত্তন বা ইজারা দেয়ার ক্ষমতাও লাভ করেন।
- কেবল শুল্ক আদায়ের ক্ষমতা, বিচার ও পুলিশী ক্ষমতা তাঁদের হাতে দেয়া হয় নি।
- তাছাড়া জমির রাজস্ব কিস্তি নির্দিষ্ট দিনে সূর্যাস্তের পূর্বে দিতে সক্ষম না হলে জমি নিলামে বিক্রি করার ক্ষমতা সরকারের হাতেই রয়ে গেল।
- তাই এই নিয়ম সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত হয়।
- সূর্যাস্ত আইনের বলে বহু জমিদারী নিলামে উঠে এবং বহু নতুন জমিদার শ্রেণির সৃষ্টি হয় যা এদেশে বিদেশি শাসকদের হাতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
লর্ড ওয়েলেসলি:
- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- তিনি রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তারের দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।
- রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় তাঁর অবদান নিতান্তই সামান্য। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি বেশকিছু সংস্কার করে গেছেন।
- তিনি ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন।
- ওয়েলেসলি বিচার ব্যবস্থার বেশকিছু সংস্কার করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
কার নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়?
  1. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
  2. শামসুল আলম
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সাল।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দেশের বাইরে বাংলাদেশ কোথায় প্রথম দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলে?
  1. কেনিয়া
  2. ভারত
  3. শ্রীলংকা
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
- দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে।
- সেই সিরিজ থেকে শুরু করে এবারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে দেশের বাইরে ৩৯টি একাধিক ম্যাচে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ।
- এই ৩৯ সিরিজের ৯টিতে জিতেছে বাংলাদেশ, হেরেছে ২৭টিতে, আর ড্র হয় অন্য ৩টি সিরিজ।
- জয় পাওয়া ৯টি সিরিজের ৮টিতেই প্রথম ম্যাচটি জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ব্যতিক্রম ২০২৩ সালে ইংল্যান্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা সিরিজ। সেই সিরিজেও অবশ্য প্রথম ম্যাচে হারেওনি বাংলাদেশ, চেমসফোর্ডে বৃষ্টিতে মাঝপথে থেমে যাওয়ায় ফল দেখেনি সেই ম্যাচ।

উৎস: প্রথম আলো [১০ ডিসেম্বর, ২০২৪]
.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ:
- ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। 
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই দিনে ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) এর সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA):
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য সংখ্যা (১৫ নভেম্বর,২০২৪ অনুযায়ী): ১৮০টি [ডিসেম্বর,২০২৪]
- শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রচার করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। 

মূল কাজ:
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা।
- পারমাণবিক শক্তি, চিকিৎসা, কৃষি এবং শিল্পে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি: NPT (Non-Proliferation Treaty) বাস্তবায়নে সহায়তা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ।

উৎস: i) IAEA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) Britannica
১১.
২০২৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে কোন দেশে?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. নামিবিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৭: 
- ২০২৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে অক্টোবর-নভেম্বরে।
- স্বাগতিক: দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। 
- এতে ১৪টি দল ৫৪টি ম্যাচ খেলবে।
- দুই স্বাগতিক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে।
- নামিবিয়া তৃতীয় স্বাগতিক দেশ হলেও সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করবে না।
- তাদের CWC লিগ ২ এর মাধ্যমে বাছাইপর্বে খেলতে হবে।

উৎস: ESPNcricinfo
১২.
আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় পাকিস্তানের মোট মৌলিক গণতন্ত্রী সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৫০,০০০ জন
  2. ৪০,০০০ জন
  3. ৬০,০০০ জন
  4. ৮০,০০০ জন
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল: (১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়), (২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে), (৩) জেলা কাউন্সিল এবং (৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

ইউনিয়ন কাউন্সিল:
- এই ৪টি স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন কাউন্সিল স্তরটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- ইউনিয়নের প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের প্রত্যক্ষ ভোটে ইউনিয়ন কাউন্সিলের ১০ জন সদস্য নির্বাচিত হতেন।
- বারশ থেকে পনেরশ ভোটদাতার প্রতিনিধি হিসেবে একজন সদস্য নির্বাচিত হতেন।
- এভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ 'মৌলিক গণতন্ত্রী' বা Basic Democracy Member বা সংক্ষেপে বিডি মেম্বার নামে অভিহিত হন।
- উভয় প্রদেশ থেকে ৪০,০০০ করে পাকিস্তানে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী বা বিডি মেম্বারের সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
- এসব মেম্বারগণ ইউনিয়ন কাউন্সিল চেয়ারম্যান, জাতীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ও দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের Electoral College বা ভোটারে পরিণত হন।
- এটিই হচ্ছে মৌলিক গণতন্ত্রী ব্যবস্থার অভিনব বৈশিষ্ট্য।
- এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের পিছনে আইয়ুব খানের উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতাকে সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর সমর্থক গোষ্ঠি সৃষ্টি করা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ইতিহাসের প্রথম দিবারাত্রির টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল কোন দুটি দল?
  1. অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড
  2. অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড দিবারাত্রির টেস্ট:
- ইতিহাসের প্রথম দিবারাত্রির টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। 

- ২০১৫ সালে অ্যাডিলেডে ইতিহাসের প্রথম দিবারাত্রির ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারায় অস্ট্রেলিয়া।
- তিন দিনে শেষ হওয়া অ্যাডিলেডের দিবারাত্রির টেস্ট দর্শকসংখ্যা এবং উত্তেজনায় সফল হয়েছে।
- তিন দিনে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৬ জন দর্শক উপস্থিত হয়।
- দিবারাত্রির টেস্ট গোলাপি বলে খেলা হয়। 

উৎস: ESPNcricinfo
প্রথম আলো [৩০ নভেম্বর ২০১৫]
১৪.
ভারত শাসন আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৫ সালে
  3. ১৯৩৬ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন: 
- তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনা সম্বলিত একটি শ্বেতপত্র বৃটিশ সরকার প্রকাশ করে ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে।
- সাইমন কমিশনের রিপোর্ট এবং উক্ত শ্বেতপত্রের আলোকে পরের বছর ভারতের জন্য একটা নতুন সংবিধানের খসড়া প্রকাশিত হয়।
- এ খসড়ার ভিত্তিতেই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ পার্লামেন্টের উভয় হাউসে ভারতের শাসনকার্যের জন্য একটা নতুন শাসনতন্ত্র গৃহীত হয়।
- এটাই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের বিখ্যাত ভারত শাসন আইন।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রদত্ত স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বেই ছিল বাস্তবে ছিল না।
- ভারত সচিব, গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের সীমাহীন ক্ষমতার কারণে এ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন 'আড়ম্বরপূর্ণ প্রহসনে' পরিণত হয়।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেবলমাত্র প্রাদেশিক অংশটুকুকে কার্যকর করা হয় ১৯৩৭ সালে।
- এ আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক আইন পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সর্বভারতীয় দুটো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও মুসলীম লীগ সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করে।
- নির্বাচনে যে এগারোটি প্রদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাতে কংগ্রেস ছয়টি প্রদেশে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- মুসলীম লীগ চারটি প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের ইঙ্গিত প্রদান করে।
- কিন্তু একক ভাবে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠন করলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে কংগ্রের মন্ত্রীরা একে একে পদত্যাগ করে।
- অবসান ঘটে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কার্যকারিতা।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৫.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার খসড়া কে প্রণয়ন করেন?
  1. আবুল মনসুর আহমেদ
  2. ফজলুল হক
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ২১ দফার দাবিগুলো ভোটারদের মন জয় করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডস কয়টি মেজর জিতেছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
- ১৫টি মেজর জিতেছেন উডস। মেজর জেতায় তাঁর ওপরে আছেন শুধু জ্যাক নিকলাস (১৮)। [প্রথম আলো: ৭ ডিসেম্বর ২০২৪]

টাইগার উডস: 
- জন্মনাম: এলড্রিক উডস
- জন্ম তারিখ: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭৫
- জন্মস্থান: সাইপ্রেস, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- টাইগার উডস যুক্তরাষ্ট্রের একজন কিংবদন্তি গলফার।
- ছোটবেলা থেকেই গলফে অসাধারণ প্রতিভার কারণে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিত হন।
- ১৫ বছর বয়সে (১৯৯১) প্রথম ইউ.এস. জুনিয়র অ্যামেচার চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন, যা পরপর তিন বছর (১৯৯১–১৯৯৩) ধরে জিতেছিলেন।
- ১৯৯৪ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে, ইউ.এস. অ্যামেচার চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ বিজয়ী হন। তিনি এ শিরোপা ১৯৯৫ এবং ১৯৯৬ সালেও অর্জন করেন।
- ১৯৯৭ সালে ২১ বছর বয়সে, উডস মাস্টার্স টুর্নামেন্ট জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
- তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম আফ্রিকান বা এশীয় বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় যিনি এই শিরোপা জিতেছিলেন। তিনি ১২ স্ট্রোক ব্যবধানে রেকর্ড জয় লাভ করেন।
- একই বছরে আরও পাঁচটি পিজিএ টুর্নামেন্ট জিতে তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ গলফার হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেন।
- ২০০০ সালের ২৩ জুলাই টাইগার উডস ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্লাম সম্পন্ন করেন।
- তিনি ছিলেন পঞ্চম খেলোয়াড় (জিন সারাজেন, জ্যাক নিকলাস, বেন হোগান এবং গ্যারি প্লেয়ারের পর) এবং সর্বকনিষ্ঠ যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- টাইগার উডস গলফের ইতিহাসে এক অনন্য প্রতিভা, যিনি খেলাটিকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করেছেন এবং নিজেকে গলফের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

উৎস: Britannica.
১৭.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  3. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  4. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সংবাদ সংস্থা: 
- সংবাদ সংস্থা  সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি) পাকিস্তানের প্রথম সংবাদ সংস্থা, ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একই বছরে, ব্যক্তিমালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি) কার্যক্রম শুরু করে করাচি থেকে। ঢাকায় এ সংস্থার একটি শাখা ছিল।
- আরেকটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা পাকিস্তান প্রেস এজেন্সি নামে (পিপিএ) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে এটি পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (পিপিআই) নাম গ্রহণ করে।
- পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম স্থানীয় মালিকানাধীন স্বাধীন সংবাদ সংস্থা ছিল দি ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)।
- ১৯৭০ সালে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে নয় মাস এ সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এপিপি ও পিপিআই ব্যুরো পরিত্যক্ত ঘোষিত হয় এবং এপিপি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) নামে রূপান্তরিত হয়। 

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (রাষ্ট্রায়ত্ত)।
- এটি ১৯৭২ সালের ১জানুয়ারি চালু হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।
বাংলাপিডিয়া।