১.
কোন অঙ্গাণুকে দেহের চালক বলা হয়?
সঠিক উত্তর: ঘ
মস্তিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
সংবেদি অঙ্গ:
- দেহের চালক হচ্ছে মস্তিষ্ক।
- মস্তিষ্ককে মগজ বলা হয়, দেহের সব কাজই চলছে মস্তিষ্কের হুকুমে।
- মস্তিষ্ক থাকে মাথার খুলির মধ্যে, খুলির মাঝখানে বসেই দেহের বাইরের ও ভিতরের কাজকর্ম চালায়।
- চোখ, কান, নাক, ত্বক ও জিহ্বা বাইরের সকল খবরা-খবর জোগাড় করে মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয়।
কান বা কর্ণ:
- কান না থাকলে মানুষ শুনতে পেত না, কারণ কথা বলা শিখতে হয় শুনে শুনে।
- মাথার দুই পাশে দুটো কান বা কর্ণ আছে।
- কর্ণ বা কান শুনতে ও দেহের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান অঙ্গ হিসেবেও কাজ করে।
- কান তিনটি অংশে বিভক্ত।
যথা-
১। বহিঃকর্ণ:
- পিনা, কর্ণকুহর ও কর্ণপটহ নিয়ে বহিঃকর্ণ গঠিত।
(ক) পিনা:
- এটি কানের বাইরের অংশ, মাংস ও কোমলাস্থি দিয়ে গঠিত।
- শব্দ কর্ণকুহরে পাঠানো এর প্রধান কাজ।
(খ) কর্ণকুহর:
- পিনা একটি নালির সাথে যুক্ত, এ নালিটিকে কর্ণকুহর বলে।
(গ) কর্ণপটহ:
- কর্ণকুহর শেষ হয়েছে একটা পর্দায়, এ পর্দাটির নাম কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা।
- কর্ণপটহ বহিঃকর্ণের শেষ অংশ।
২। মধ্যকর্ণ:
- বহিঃকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাঝখানে মধ্যকর্ণ অবস্থিত।
- এটা একটা বায়ুপূর্ণ থলি যার মধ্যে ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস নামে তিনটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড় বা অস্থি রয়েছে।
- অস্থিসমূহের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়।
- কানের সাথে গলার সংযোগের জন্য ইউস্টেশিয়ান টিউব নামে একটি নল আছে, এ নলটির কাজ হলো কর্ণপটহের বাইরের ও ভেতরের বায়ুর চাপ সমান রাখা।
৩। অন্তঃকর্ণ:
- এটি অডিটরি ক্যাপসুল অস্থির মধ্যে অবস্থিত। অন্তঃকর্ণ দুটি প্রধান প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
(ক) ইউট্রিকুলাস ও (খ) স্যাকুলাস।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
- দেহের চালক হচ্ছে মস্তিষ্ক।
- মস্তিষ্ককে মগজ বলা হয়, দেহের সব কাজই চলছে মস্তিষ্কের হুকুমে।
- মস্তিষ্ক থাকে মাথার খুলির মধ্যে, খুলির মাঝখানে বসেই দেহের বাইরের ও ভিতরের কাজকর্ম চালায়।
- চোখ, কান, নাক, ত্বক ও জিহ্বা বাইরের সকল খবরা-খবর জোগাড় করে মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয়।
কান বা কর্ণ:
- কান না থাকলে মানুষ শুনতে পেত না, কারণ কথা বলা শিখতে হয় শুনে শুনে।
- মাথার দুই পাশে দুটো কান বা কর্ণ আছে।
- কর্ণ বা কান শুনতে ও দেহের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান অঙ্গ হিসেবেও কাজ করে।
- কান তিনটি অংশে বিভক্ত।
যথা-
১। বহিঃকর্ণ:
- পিনা, কর্ণকুহর ও কর্ণপটহ নিয়ে বহিঃকর্ণ গঠিত।
(ক) পিনা:
- এটি কানের বাইরের অংশ, মাংস ও কোমলাস্থি দিয়ে গঠিত।
- শব্দ কর্ণকুহরে পাঠানো এর প্রধান কাজ।
(খ) কর্ণকুহর:
- পিনা একটি নালির সাথে যুক্ত, এ নালিটিকে কর্ণকুহর বলে।
(গ) কর্ণপটহ:
- কর্ণকুহর শেষ হয়েছে একটা পর্দায়, এ পর্দাটির নাম কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা।
- কর্ণপটহ বহিঃকর্ণের শেষ অংশ।
২। মধ্যকর্ণ:
- বহিঃকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাঝখানে মধ্যকর্ণ অবস্থিত।
- এটা একটা বায়ুপূর্ণ থলি যার মধ্যে ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস নামে তিনটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড় বা অস্থি রয়েছে।
- অস্থিসমূহের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়।
- কানের সাথে গলার সংযোগের জন্য ইউস্টেশিয়ান টিউব নামে একটি নল আছে, এ নলটির কাজ হলো কর্ণপটহের বাইরের ও ভেতরের বায়ুর চাপ সমান রাখা।
৩। অন্তঃকর্ণ:
- এটি অডিটরি ক্যাপসুল অস্থির মধ্যে অবস্থিত। অন্তঃকর্ণ দুটি প্রধান প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
(ক) ইউট্রিকুলাস ও (খ) স্যাকুলাস।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।