পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৩: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
ICDDR'B কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৮ সাল
  2. ১৯৭৬ সাল
  3. ১৯৭৮ সাল
  4. ১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
• ICDDR, B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.

- ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- কমিউনিজম বিস্তাররোধে ১৯৫৬ সালে গঠিত দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় চুক্তি সংস্থা (SEATO) এ এলাকায় যুদ্ধরত আমেরিকান সেনাদের নিরাপত্তার জন্য কলেরা গবেষণায় সমর্থন দানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ওই সময় বর্তমান বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের একটি অংশ।
- তাই পাকিস্তান ও SEATO-এর সমন্বিত প্রকল্পের অধীনে ১৯৬০ সালে ঢাকায় স্থাপিত কলেরা গবেষণাগারের নাম ছিল ‘পাকিস্তান কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরি’ (PCRL)।
- আন্তর্জাতিক এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এক কমিটি ১৯৭৮ সালে কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রস্তাব পেশ করে। - প্রস্তাবটির অনুকূলে সাড়া দিয়ে সরকার জাতীয় সংসদের এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে CRL কে আন্তর্জাতিক এক গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এর নাম দেওয়া হয় International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (ICDDR,B)।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।

• সম্প্রতি আই সি ডি ডি আর বি-এর গবেষণা কার্যক্রমের বিস্তার আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। নতুন অন্তর্ভুক্ত গবেষণার ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা ও বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি

উৎস: icddr,b এবং বাংলাপিডিয়া।
.
’জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কোন ক্লাস পর্যন্ত সম্প্রসারনের কথা উল্লেখ করেন?
  1. ষষ্ঠ শ্রেণি
  2. পঞ্চম শ্রেণি
  3. অষ্টম শ্রেণি
  4. সপ্তম শ্রেণি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ :

• প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা:
- শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করার আগে শিশুর অন্তর্নিহিত অপার বিস্ময়বোধ, অসীম কৌতুহল, আনন্দবোধ ও অফুরন্ত উদ্যমের মতো সর্বজনীন মানবিক বৃত্তির সুষ্ঠু বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় মানসিক ও দৈহিক প্রস্তুতিগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। 
- কাজেই ৫+ বছর বয়স্ক শিশুদের জন্য প্রাথমিকভাবে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হবে।
- পরবর্তীকালে তা ৪+ বছর বয়স্ক শিশু পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। 

• প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ও বাস্তবায়ন :
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা
• ২০১১-১২ অর্থ বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করার জন্য অনতিবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে:
- প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার নতুন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা:
- প্রাথমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষকের জন্য শিক্ষাক্রম বিস্তারসহ শিখন-শেখানো কার্যক্রমের ওপর ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;
- শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পুনর্বিন্যাস করা।

উৎস : জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০
.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ থেকে ৫ বছর
  2. ১ থেকে ৩ বছর
  3. ১ থেকে ২ বছর
  4. ১ থেকে ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়।
- স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়;
যথা-
- এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।

• মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan):
মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে।
মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

• দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan):
এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী -
  1. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
  2. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম :
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDTF) হল একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বার্ষিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী - বিশ্বব্যাংক।
-  ১৯৭৪ সালের অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত এ সম্মেলনকে ‘প্যারিস কনসোর্টিয়াম’ বলা হতো।

উৎস: Economic Relations Division.
.
বাংলাদেশের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, অতি দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৭.৬%
  3. ৫.৯%
  4. ৩.৬৫
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিস্থিতি :
- সরকার অর্থনীতির কাঠামোগত 'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ
- এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।
- বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে,
- ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান
- এবং ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান কে? (জুন-২০২৫)
  1. আশিক চৌধুরী
  2. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. আনু মুহাম্মদ
ব্যাখ্যা
শ্বেতপত্র:
- শ্বেতপত্র হলো কোনো বিশেষ বিষয়ে জনগণ বা পার্লামেন্টকে অবহিত করার জন্য সরকারি বিবরণী।
 - দেশের বিদ্যমান অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র থাকার পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়ে সরকারের কৌশলগত পদক্ষেপ, জাতিসংঘের টেকসই অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে করণীয় বিষয়ের প্রতিফলন থাকবে।
- দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়েছে।

• শ্বেতপত্রে ছয়টি ক্ষেত্রে আলোকপাত করা হবে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা।
সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি ও ঋণ) ঘাটতি বাজেট অর্থায়ন বিষয়াদি থাকবে।
এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকবে উৎপাদন, সরকারি কেনাকাটা ও খাদ্য বিতরণ এবং বাহ্যিক ভারসাম্যের মধ্যে থাকবে রপ্তানি, আমদানি, প্রবাসী আয়, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিদেশি অর্থায়নের প্রভাব ও ঋণ।

উৎস: প্রথম আলো {লিংক}
.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-তে মোট কয়টি প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা দেওয়া হয়?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ৬ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
 সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
-  শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর {লিংক}।
.
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যকার সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির নাম কী?
  1. TICFA
  2. SAPTA
  3. NAPTA
  4. APTA
ব্যাখ্যা
• TICFA চুক্তি :
- TICFA  এর পূর্ণরূপ- Trade and Investment Co - operation Forum Agreement..
- এটি একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি,
- এটি হলো টিফা চুক্তির সম্প্রসারিত রুপ।
• TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য :
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।
- ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,টিকফা-র সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস : U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)
.
NIPORT কী নিয়ে গবেষণা করে?
  1. স্বাস্থ্য বিষয়ক
  2. নিরাপত্তা বিষয়ক
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক
  4. মানব সম্পদ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
• National Institute of Population Research and Training (NIPORT) :
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)- গঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করা।

উৎস : niport
১০.
বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট আবিষ্কার প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. UNICEF
  2. WHO
  3. CARE
  4. ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস : icddr,b.
১১.
সারা দেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কত সালে প্রবর্তিত হয়েছে?
  1. ১৯৮২ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৯০ সাল
  4. ১৯৯২ সাল
ব্যাখ্যা
• সর্বজনীন শিক্ষা :
- সর্বজনীন শব্দের অর্থ সকলের জন্য।
- কাজেই সকলের জন্য যে কল্যাণকর শিক্ষা তা-ই সর্বজনীন শিক্ষা।
- কোন শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা তখনই সর্বজনীন বলব, যখন কোন সমাজ বা দেশের ধর্ম, বর্ণ, ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে যা সকল নাগরিকের জন্য তা হবে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ও কল্যাণকর। 
- ধর্ম, বর্ণ, ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে বাংলাদেশের ৬-১০ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য সারা দেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা ১৯৮০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, সিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
’জিআর’ নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক নিরাপত্তা
  2. সামাজিক আন্দোলন
  3. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  4. পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।
১৩.
কোনটি বাংলাদেশের একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি?
  1. প্রাথমিক বৃত্তি
  2. ইজিপিপি
  3. মাতৃমঙ্গল
  4. জেলা সদর হসপিটাল
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সমূহ :
- বয়স্ক ভাতা
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)।
- কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা)।
- দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)।
- খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)।
- গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর)

উৎস : সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
১৪.
বাংলাদেশ কোন অঞ্চলের সঙ্গে “প্রাধান্যভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)” করেছে? (জুন-২০২৫)
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ’অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি’ করে ভুটানের সঙ্গে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এবং ভুটান থেকে বিস্তৃত পণ্য একে অপরের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
- বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিয়নপো লোকনাথ শর্মা নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

উৎস: প্রথম আলো{লিংক}
১৫.
’সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি’ কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৯৭ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা
• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
- শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৬.
TICFA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Trade and Impact Co - operation Forum Agreement.
  2. Trade and Investment Co - operation Forum Agreement.
  3. Tariffs and Investment Co - operation Forum Agreement.
  4. Trade and Investment Co-operative Forum Agreement.
ব্যাখ্যা
• TICFA চুক্তি :
- TICFA এর পূর্ণরূপ- Trade and Investment Co - operation Forum Agreement.
- এটি একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি,
- এটি হলো টিফা চুক্তির সম্প্রসারিত রুপ।
• TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য :
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।
- ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,টিকফা-র সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস : U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)
১৭.
একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল-
  1. ১৯৭৬ - ১৯৭৮
  2. ১৯৭৮ - ১৯৮০
  3. ১৯৭১ - ১৯৭৩
  4. ১৯৭৩ - ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- প্রথম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা শেষ হওয়ার পরে স্বাভাবিক নিয়মে দ্বিতীয় পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা আরম্ভ হওয়ার কথা।
- কিন্তু তা না করে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা, প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ICDDR,B হাসপাতালে কোন রোগের চিকিৎসা করা হয়?
  1. রাতকানা
  2. হৃদরোগ
  3. ডায়রিয়া
  4. ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

উৎস : icddr,b., বাংলাপিডিয়া।