পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৯ সাধারণ জ্ঞান – বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-এ বাংলাদেশ, বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ, বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন (প্রবাসী প্রেরণ ও প্রবাসী আয় পরিস্থিতি)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র কোনটি?
  1. স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক
  2. লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই
  3. সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
  4. রক্তে পাওয়া বাংলা,রক্ত দিয়ে রাখব
ব্যাখ্যা
- কলকাতা মিশনে কর্মরত জনাব হোসেন আলী সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল বিদেশের কোন দূতাবাসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন।
- এছাড়া দিল্লী, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে কূটনীতিকরা বাংলাদেশের হয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির যাত্রা শুরু হয়।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’’ হ’ল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র।

উৎস : দূত সম্মেলন (Envoys Conference)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান, ২০১৭, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ।
.
বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন রাষ্ট্রদূত কে?
  1. পিটার ডি হাস
  2. নিকোলাস ডিন
  3. ড্যান মজিনা
  4. আর্ল আর মিলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রেররাষ্ট্রদূত হিসাবে পিটার ডি হাস। 
- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী- পিটার ডি হাস ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা।
- ১৯৮৮ সালে তিনি ইলিনয় ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ও জার্মানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
- লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে তিনি একজন মার্শাল স্কলার হিসাবে যোগদান করেন।
- যেখানে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি এবং তুলনামূলক সরকার উভয় ক্ষেত্রেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক পারফরম্যান্স পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- জেমস ক্লিমেন্ট ডান অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ও কর্ডেল হুল অ্যাওয়ার্ড ফর ইকোনমিক অ্যাচিভমেন্ট।
- ইংরেজি ছাড়াও জার্মান ও ফরাসি ভাষায় তিনি সাবলীল।
- ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে মিলার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেন। তিনি রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

উৎস:- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইট। 
.
মায়ানমারে সহিংসতার শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা কত সালে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়স্থল
- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়স্থল দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হয়ে মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় এবং তাদের সবাইকে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ।
- ২০১৭ এর আগস্ট মাস থেকে, ৬,৯২,৯৮৪ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সমুদ্র তীরবর্তী কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নেয়।
- এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করা দুই লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- এই দুই লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে পূর্ববর্তী সহিংসতার শিকার হয়ে। সর্বমোট দেশে রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় এগারো লক্ষ।
- বাংলাদেশ তার সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে আগলে রাখতে এবং তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
- মানবসেবায় এই অনন্য ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ, বিশেষত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেছেন।

উৎস: CRI - Centre for Research and Information.
.
ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের কত কি.মি এলাকা লাভ করে?
  1. ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার
  2. ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ২০,২৭৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ২৭,৩৫৬ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রসীমা জয়: বঙ্গোপসাগরে আরেকটি বাংলাদেশ
- মায়ানমার ও ভারতের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিয়েছে এবং সাফল্যের সাথে তা সমাধান করেছে।
- ২০১৪ সালের জুলাইতে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত ভারত ও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্রদান করে।
- ৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুক্তিতর্ক ও আলোচনা শেষে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত এই রায় দেয়।
- এর আগে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতের মাধ্যমেই মায়ানমারের সাথে জলবিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ১,১১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা লাভ করে। 

উৎস: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ২০০৯-২০১৮।
.
বাংলাদেশের কাছ থেকে ভারত কয়টি ছিটমহল লাভ করে?
  1. ১১১টি
  2. ৫১টি
  3. ৫৭টি
  4. ১১৪টি
ব্যাখ্যা
স্থল সীমান্ত চুক্তি:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহলগুলো বিশ্বের দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা বিরোধগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ২০১৫ এর ৬ জুন ঢাকায় এই সমস্যার একটি ঐতিহাসিক সমাধান হয়।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করলেন।
- এর মাধ্যমে ভারতের কাছ থেকে ১১১টি ছিটমহল বুঝে নেয় বাংলাদেশ, যার আয়তন ১৭,১৬০.৬৩ একর।
- বাংলাদেশের কাছ থেকে ভারত পেয়েছে ৫১টি ছিটমহল, যার আয়তন ৭,১১০.০২ একর।
- এই স্থল চুক্তি ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো, কিন্তু বাস্তবায়িত হয় ২০১৫ সালের ৬ ও ৭ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের মাধ্যমে।
- সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল ও বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ৫১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা নাগরিকত্বের অধিকার পায়।
- ৬৮ বছর দেশহীন থাকার পর ছিটমহলের ৫১,০০০ বাসিন্দার কাছে ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ছিলো আনন্দ অশ্রু মিশ্রিত একটি দিন। 

উৎস: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ২০০৯-২০১৮।  
.
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে নিচের কোনটির সদস্য?
  1. জি-২০
  2. পিবিসি
  3. ইউনিসেফ
  4. ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) 
- পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের একটি আন্তরাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সংস্থা।
- এই সংস্থা সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে শান্তি বিনির্মাণের জন্য কাজ করে, যাতে সংঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) থেকে নির্বাচিত সদস্যসহ ৩১ জন সদস্যের সমন্বয়ে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পিবিসি।
- জাতিসংঘে শীর্ষ অর্থ প্রদানকারী ও শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোও কমিশনের সদস্য।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই পিবিসি’র সদস্য।
- রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা হলেন পিবিসির প্রথম নারী সভাপতি।

সূত্র- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট (লিংক)।
.
ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ফ্রন্টটেন্স
  2. গ্লোডেন রোড ট্রেন্ডিং
  3. কীপ মানি
  4. মিউজিক ক্রসরোডস
ব্যাখ্যা
- ইউনেস্কো-এর ৪০ তম সাধারণ সভায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন ইউনেস্কো-এর ‘শতবার্ষিকী কর্মসূচি তালিকা’য় (Anniversary programme) অন্তর্ভুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধুকে অনন্য সম্মান ইউনেস্কোর “UNESCO-Bangladesh “Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman” International Prize in the field of Creative Economy” নামক আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে। 
- মুজিব বর্ষে এ পুরস্কার প্রবর্তনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ইউনেস্কো সরাসরিভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে।
- ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের  ঐতিহাসিক ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে।  
- ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন ক্রিয়েটিভ ইকোনমি পুরস্কার পেয়েছে জিম্বাবুয়ের প্রতিষ্ঠান মিউজিক ক্রসরোডস।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি মেলোডি জাম্বুকোর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন  পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
- ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের উদ্যোগে এ পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পরে ২০২১ সালে ইউনেসকো সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা।

সূত্র- ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারীরা সর্বপ্রথম কত সালে অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০০ সালে ৫ নারী পুলিশের একটি টিম প্রথমবারের মতো শান্তিমিশনে পূর্ব তিমুরে অংশ নেয়।
- পরবর্তী সময়ে নানা কারণে আর নারী পুলিশের কোনো টিম মিশনে অংশ নেয়নি।
- এরপর সব বাধা অতিক্রম করে ২০১০ সালে বাংলাদেশ নারী পুলিশের প্রথম কনটিনজেন্ট পাঠানো হয় শান্তিরক্ষা হাইতি মিশনে।
- এ কনটিনজেন্টে ছিল নারী পুলিশের ১৬৮ সদস্য।
- আর এর মধ্যদিয়েই ব্যাপক আকারে শান্তি মিশনে বাংলাদেশ নারী পুলিশের যাত্রা শুরু।
- ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল শান্তিরক্ষা কঙ্গো মিশনে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন বাংলাদেশ নারী পুলিশের দ্বিতীয় কনটিনজেন্টের ১২৫ সদস্য।
- ১৯৮৮ সালে ইরাকের দাঙ্গা মেটাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বপ্রথম অংশ নেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা।

সূত্র- প্রথম আলো।
.
‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ কী ধরনের অভিযান?
  1. সমুদ্রসীমা রক্ষা অভিযান
  2. মাদক পাচার প্রতিরোধ
  3. বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ
  4. মানব পাচার প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
- এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত ঘটনা শনাক্তে (কেস রিপোর্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চসংখ্যক সাফল্য অর্জন করেছে।
- বন্য প্রাণীর বিলুপ্তি ও পাচার প্রতিরোধে সম্প্রতি বিভিন্ন সংস্থা বৈশ্বিকভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে বন্য প্রাণী সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী ‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ শিরোনামে ইন্টেলিজেন্স-লেড অপারেশন পরিচালনা করে। 
- পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, বন্য প্রাণী সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ কার্যক্রম সংক্রান্তে চলতি জানুয়ারি মাসে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত ঘটনা শনাক্তে (কেস রিপোর্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চসংখ্যক সাফল্য অর্জন করেছে।
 - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮ (ক) অনুযায়ী পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিধান রয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ পুলিশও উক্ত কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বিলুপ্ত বন্য প্রাণী রক্ষায় এবং অবৈধভাবে পাচারের সময় ২০২৩ সালে ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, ফেনীসহ দেশব্যাপী উলে­খযোগ্য ২৪টি অভিযান পরিচালনা করে।
- এতে বিপন্ন প্রজাতির ভালুক শাবক, হগ ব্যাজার (গোরখোদক), হনুমান, উল্লুক, সুন্ধি কাছিম, রাজধনেশ, কোকিল, টিয়া, ময়না, কাঠবিড়ালি, বানরসহ অন্যান্য প্রাণী উদ্ধার করা হয়। পরে বন বিভাগের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়। এসব ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উৎস- ইন্টারপোলের ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয়?
  1. ১৯৯৪
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization):
- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র আফগানিস্তান। ২৯ জুলাই, ২০১৬ সালে দেশটি বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল।
- বাংলাদেশ সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
-  WTO এর পূর্বসুরী সংস্থা GATT.
- GATT প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৪৮ সালে ২৩ সদস্য নিয়ে। 
-  বাংলাদেশ WTO এর সদস্যপদ লাভ করে- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১১.
কোন দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে?
  1. স্পেন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
- ২০১৮ সালের ১২ মে, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়।
- উৎক্ষেপন কেন্দ্র: যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার।
- প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান: থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি (ফ্রান্স)।
- উৎক্ষেপিত রকেট: স্পেসএক্সের “ফ্যালকন ৯”।
- স্যাটেলাইটটির ওজন: ৩.৭টন।
- স্যাটেলাইটটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ১৫ বছর। মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
- অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে রাশিয়ার ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে।
- বাংলাদেশের ভূ-কেন্দ্র: গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়।

সূত্র- বিটিআরসির ওয়েবসাইট।  
১২.
বাংলাদেশের প্রথম কোন পর্বতারোহী সেভেন সামিট জয় করেন?
  1. মূসা ইব্রাহীম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাসরিন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মূসা ইব্রাহীম (২৩মে, ২০১০ সালে)। 
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে ওয়াসফিয়া নাজরীন ২৬ মে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন।
- ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী যিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।
- পাঁচজন বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয় করেছেন।
- মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো: খালেদ হোসাইন।
- বাংলাদেশ এভারেস্ট বিজয়ী দেশ ৬৭তম। 

সূত্র- প্রথম আলো।  
১৩.
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. রোহানি বাহারিন
  2. বব বুই
  3. লুই আই কান
  4. লারোস
ব্যাখ্যা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যা রাজধানী ঢাকার উত্তরাঞ্চল শহরের কেন্দ্র হতে ১৭ কিঃ মিঃ দূরে কুর্মিটোলায় অবস্থিত।
- বিমানবন্দরটির আয়তন ৮০২ হেক্টর (১,৯৮১ একর)।
- বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB) বিমানবন্দরটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।
- এটি ১৯৮০ সালে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- বাংলাদেশের অন্যতম সম্মানিত সুফি সাধক শাহ জালালের সম্মানে নামকরণের আগে বিমানবন্দরটি 'ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' নামে পরিচিত ছিল।
- বিমানবন্দর এর IATA কোড "DAC" নেয়া হয়েছে "Dacca" থেকে যা "Dhaka" এর পূর্বে ব্যবহৃত বানান।
- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলো জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্রস্থল।
- এছাড়াও, এটি এয়ার অ্যাস্ট্রা, নভোএয়ার এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সহ বাংলাদেশের বেশিরভাগ বেসরকারী বিমান সংস্থাগুলির অপারেশনাল কেন্দ্রস্থল। 
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন ।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

উৎস: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট। 
১৪.
বাংলাদেশ কোন সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে?
  1. লাহোর সম্মেলন
  2. তেহরান সম্মেলন
  3. জেদ্দা সম্মেলন
  4. তুরস্ক সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ওআইসির সর্বশেষ ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের মক্কায় - ২০১৯ সালে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথাঃ আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎস: ওআইসি ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির কত তম সদস্য?
  1. ১০৯ তম
  2. ১৩৬ তম
  3. ১১৮ তম
  4. ১১১ তম
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি।
- বাংলাদেশ ১৭ আগস্ট ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA এর ১০৯তম সদস্য রাষ্ট্র। 

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১৬.
বাংলাদেশ ইউনেস্কোর কোন মেয়াদে নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ২০২২-২৬ মেয়াদে
  2. ২০২৩-২৫ মেয়াদে
  3. ২০২৩-২৭ মেয়াদে
  4. ২০২৪-২৭ মেয়াদে
ব্যাখ্যা
- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৪২তম সাধারণ সম্মেলনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- এর মধ্য দিয়ে দুই বছর পর ২০২৩-২৭ মেয়াদে বোর্ডে ফিরল বাংলাদেশ।
- আন্তঃসরকারি সমুদ্রবিজ্ঞান কমিশনের নির্বাহী পরিষদে এবং ২০২২ সালের জুলাইতে ইন্টারগভর্মেন্টাল কমিটি ফর সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজেস-এ নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।
- প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে এটিতে যোগদান করে বাংলাদেশ।
 
তথ্য সূত্র- ইউএনবি।  
১৭.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে শেখ হাসিনা কত তম বক্তব্য প্রদান করেন?
  1. ১৫তম
  2. ১৭তম
  3. ১৮তম
  4. ১৯তম
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্বের দেড় শতাধিক রাষ্ট্রপ্রধান যোগ দিয়েছেন অধিবেশনে।
- সাধারণত প্রথম দেশ হিসাবে ব্রাজিল ভাষণ দিয়ে থাকে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ১৯তম বক্তব্য প্রদান করেন।
- মাত্র ৫১টি দেশ নিয়ে তৈরি হওয়া সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩।
- জাতিসংঘের প্রধান শাখা ছয়টি।
- যার মধ্যে তিনটি শাখাকে মনে করা হয় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- এগুলো হলো- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ ও সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয়। 
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সংস্থাটির একমাত্র শাখা, যেখানে ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাই প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায়।
- প্রতিটি সদস্য দেশই এই সভায় বক্তব্য দিতে পারে।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও যুগান্তর।  
১৮.
বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কোন দেশ সফর করেন?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ভারতের কলকাতায় যান।
- এর পরে পয়লা মার্চ তিনি মুক্তিযুদ্ধের আরেক মিত্রদেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করেন।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী প্রস্তাবের বিপক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল দেশটি।
- ক্রেমলিনে তিনি তৎকালীন সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল লিওনিদ ব্রেজনেভ এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগর্নির সাথে বাংলাদেশের পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা করেন।
- তেসরা মার্চ স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ-সোভিয়েত অর্থনৈতিক চুক্তি। একই সাথে স্বাক্ষরিত হয় 'মুজিব-কোসিগিন' ঘোষণা।
- এই ঘোষণায় বাংলাদেশের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন তৎপরতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য-সহায়তার প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করা হয়।
- ১৯৭২ (বঙ্গবন্ধুর ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসেন।
- ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে ২৫ বছর মেয়াদের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং শান্তি বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- জানুয়ারি থেকে এপ্রিল, ১৯৭২ সালের এই চার মাসেই বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক সাফল্যে বাংলাদেশের সাথে ভারত, সোভিয়েত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপন হয়। - এছাড়া এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আরও ৫০টিরও অধিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে। একই সাথে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ পেতে শুরু করে।

সূত্র- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
১৯.
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা কে?
  1. ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী
  2. অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী
  3. ড. মসিউর রহমান
  4. সালমান ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণের নাম ও দায়িত্ব
ড. মসিউর রহমান - অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী -  বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা।
অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সালমান ফজলুর রহমান - বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা। 
ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী - শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সজীব আহমেদ ওয়াজেদ-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক আহমেদ সিদ্দিক - নিরাপত্তা উপদেষ্টা। 

সূত্র- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
২০.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন?
  1. ড. এ কে আব্দুল মোমেন
  2. শাহরিয়ার আলম
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
ব্যাখ্যা
- দ্বাদশ সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদে গত পাঁচ বছর তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন হাছান মাহমুদ।
- আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন তিনি।
- এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী হিসেবে এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রাম ৭ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন হাছান মাহমুদ।
- বিগত পাঁচ বছরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা সংকট।
- এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হলেও দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কেন্দ্র করে দেখা দেয় নতুন সংকট।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয় পরাশক্তিধর দেশগুলো।
- এমন বাস্তবতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদল করেন নির্বাচিত সরকারি দল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।  
২১.
বাংলাদেশ থেকে কবে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার সমাপ্ত হয়?
  1. ১৮ মার্চ, ১৯৭৩
  2. ১৮ মার্চ, ১৯৭২
  3. ১২ মার্চ, ১৯৭২
  4. ১২ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি, পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডনে পৌঁছান বঙ্গবন্ধু।
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তখন থেকেই তাঁর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। সেদিন সন্ধ্যায় তিনি বৈঠক করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে।
- এছাড়াও সেখানে তিনি লেবার পার্টির নেতা হেরল্ড উইলসন, এমপি পিটার শোর, কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল আর্নল্ড স্মিথসহ অন্যান্য আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- আলোচনার মূল বিষয়বস্তুই ছিল- বাংলাদেশ গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রসঙ্গ।
- এরপর ১০ জানুয়ারি লন্ডন থেকে দিল্লি হয়ে দেশে ফিরলেন।
- পথিমধ্যে সাইপ্রাসে যাত্রা বিরতিকালে সাইপ্রাসের রাষ্ট্রপতি ম্যাকারিয়াস বঙ্গবন্ধুকে সংবর্ধনা জানান।
- দিল্লিতে বঙ্গবন্ধুকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
- সেদিনের সেই ঐতিহাসিক সংবর্ধনায় লাখো ভারতবাসীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীসহ মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য।
- মুক্তিযুদ্ধে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি সকল ভারতবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
- আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে ব্যক্তিগত বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মার্চের মধ্যে সব ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।
- ফলে ১২ মার্চ ১৯৭২ তারিখেই সৈন্য প্রত্যাহার সমাপ্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
২২.
মির্জাখনি পুরস্কার পেয়েছে কোন বাংলাদেশী?
  1. শামিমা ইয়াসমিন
  2. নুজহাত আহমেদ
  3. নিলিমা ইয়াসমিন
  4. মাহমুদা আক্তার
ব্যাখ্যা
গণিত অলিম্পিয়াডে মির্জাখনি পুরস্কার
- ৬৪তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ৩টি ব্রোঞ্জ ও ২টি সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ দল।
- তবে এবারের আয়োজনে বাংলাদেশের বিশেষ অর্জন—মির্জাখনি পুরস্কার।
- ২০১৪ সালে বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে গণিতের নোবেলখ্যাত ফিল্ডস মেডেলে ভূষিত হন মরিয়ম মির্জাখনি।
- ইরানি এই গণিতবিদের সম্মানেই আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে সেরা নারী শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় মির্জাখনি পুরস্কার।
- এবার অস্ট্রেলেশিয়া ক্যাটাগরিতে এই সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশের নুজহাত আহমেদ।
- ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষার্থী এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভর্তির সুযোগও পেয়ে গেছেন।

সূত্র- প্রথম আলো। 
২৩.
জাতিসংঘ বাংলাদেশের উদ্বাস্তর সাহায্যকল্পে কবে থেকে মানবিক তৎপরতা শুরু করে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময়  জাতিসংঘের মানবিক সহযোগিতা প্রদান
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সরাসরি সমর্থন প্রদান না করলেও ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী লাখ লাখ শরণার্থী বাঙালিকে জাতিসংঘ খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিল।
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও জাতিসংঘ সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর দেশের বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তর সাহায্যকল্পে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জাতিসংঘ মানবিক তৎপরতা শুরু করে।
- সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৪.
বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সদস্যপদ পায় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক 
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক, যা ১৯৬৬ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এর সদস্যপদ লাভ করে ১৪ মার্চ ১৯৭৩ সালে। 
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লক্ষ্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কে উৎসাহিত করা।
- বর্তমানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্য সংখ্যা ৬৮ , এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪৯ এবং অন্যান্য ১৯।

উৎস:- ADB এর ওয়েবসাইট। 
২৫.
২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২.৫৬%
  2. ৪.৫৬%
  3. ৫.৫৬%
  4. ৩.৬৬%
ব্যাখ্যা
প্রবাসী ও রেমিট্যান্স
- কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে বৈদেশিক আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস হিসাবে প্রবাস আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রায় ৭,৩৪,০০০ শ্রমিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ গমন করে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ১৪,০১৩.৩৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৩৬১৭৪.৭৬ কোটি টাকা (জুলাই – ফেব্রুয়ারি)।
-  ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির ৪.৫৬% এবং মোট পণ্য রপ্তানির ৪২.৭১%।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।  
২৬.
২০২২ সালে দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৭৩.৬৯%
  2. ২২.২২%
  3. ৩.৭৭%
  4. ০.৩২%
ব্যাখ্যা
-  ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে।
- সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।
- ২০২২ সালে শ্রেণিভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা:
• স্বল্প-দক্ষ ৭৩.৬৯%
• দক্ষ ২২.২২%
• আধা-দক্ষ ৩.৭৭%
• পেশাজীবী- ০.৩২%
- পূর্বের বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে, স্বল্প-দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান: 'বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা' রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে ২.৫ শতাংশ।
- এক্ষেত্রে রেমিটারের কাগজপত্রাদি বিদেশস্থ এক্সচেঞ্জ হাউজ হতে প্রেরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- এজন্য, কাগজপত্রাদি দাখিল/যাচাই পদ্ধতি সহজীকরণ করা হয়েছে।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।