পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং পত্রিকা ও সাময়িকী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের পদ সংখ্যা-
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৫১টি
  3. গ) ৪৭টি
  4. ঘ) ৪৬টি
ব্যাখ্যা

- চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে মতান্তর আছে।
- সুকুমার সেনের হিসেবে ৫১ টি এবং ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ বলেছেন ৫০ টি।
- চর্যাপদ ছিন্নাবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় এই মতান্তরের সৃষ্টি।
- সুকুমার সেন তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থেও ৫০ জন কবির পদ উল্লেখ করেছেন।
- তবে আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
- টীকাকারের কাছে মূল চর্যার পুঁথিতে আরো অন্তত একটি বেশি চর্যা ছিল (১১ ও ১২ তম চর্যার মাঝখানে)। এই চর্যাটির ব্যাখ্যা না থাকায় লিপিকার উদ্ধৃত করেন নাই, শুধু 'টীকা নাই' এই মন্তব্যটুকু করিয়াছেন।
- এটা ধরলে পদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫১টি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?
  1. ক) মুর্শিদ কুলি খাঁ
  2. খ) নৃপতি নেজাম শাহ্ সুর
  3. গ) নাসিরুদ্দীন শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

- আলাউদ্দিন হােসেন শাহের পৃষ্ঠপােষকতায় বরিশালের কবি বিজয়গুপ্ত 'পদ্মপুরাণ' রচনা করেন।
- তাঁর সেনাপতি পরাগল খানের পষ্ঠপােষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর বাংলায় সর্বপ্রথম 'মহাভারত' অনুবাদ করেন।
- পরাগল খানের পুত্র ছুটি খানের উৎসাহে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের ‘অশ্বমেধ পর্ব' বাংলায় অনুবাদ করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি কে?
  1. ক) শেখ ফয়জুল্লাহ
  2. খ) রাধারমণ গোঁফ
  3. গ) ফকির গরীবুল্লাহ
  4. ঘ) রামনিধি গুপ্ত
ব্যাখ্যা

- দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্যর প্রাচীনতম, আদি, শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি ফকির গরীবুল্লাহ।
- ফকির গরীবুল্লাহ না থাকলে উত্তর হবে সৈয়দ হামজা।
- মর্সিয়া‌ সাহিত্যের আদি কবি শেখ ফয়জুল্লাহ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিচের কোনটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক আবিষ্কৃত পুঁথি-
  1. ক) সরহপাদের দোহা
  2. খ) ডাকার্ণব
  3. গ) কাহ্নপাদের দোহা
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগীয় প্রধান ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে (৩য় বার) নেপালে গিয়ে রাজদরবারের 'নেপাল রয়্যাল লাইব্রেরি' থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
• এ সময় তিনি চর্যাপদের সাথে 'সরহপাদের দোহা', 'কাহ্নপাদের দোহা' ও ‘ডাকার্ণব' নামে আরাে তিনটি পুঁথি আবিষ্কার করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মতে প্রাচীন যুগের সময়কাল-
  1. ক) ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ৯৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ৬৫০-১০৫০ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ৯৫০-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন যুগের সময়কাল,
- ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মতে, ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।