পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: ১. বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ; ২. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ; ৩. অন্ধকার যুগ ও তাঁর সাহিত্যকর্ম [মধ্যযুগ ব্যতীত]। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের সাহিত্য নিদর্শন কোনটি?
  1. ক) সেক শুভোদয়া
  2. খ) জঙ্গনামা
  3. গ) ইউসুফ জুলেখা
  4. ঘ) পদ্মাবতী
সঠিক উত্তর:
ক) সেক শুভোদয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেক শুভোদয়া
ব্যাখ্যা
- 'সেক শুভোদয়া' হচ্ছে অন্ধকার যুগে রচিত সাহিত্য।

• সেক শুভোদয়া:
- অশুদ্ধ বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায় মিশ্রিত একটি গ্রন্থ হলো-সেক শুভোদয়া।
- এটি সংস্কৃত গদ্যপদ্যে লেখা চম্পুকাব্য।
- অনেকে একে রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি হলায়ূধ মিশ্রের রচনা বলে মনে করেন।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে, সেক শুভোদয়া খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর একেবারের গোড়ার দিকের রচনা।
- গদ্য ও পদ্য মিলিয়ে গ্রন্থটিতে ২৫টি অধ্যায় আছে।
- এই গ্রন্থটিতে বেশকিছু বাংলা ছড়া ও বাগধারার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে প্রচুর ভুল সংস্কৃত ব্যবহারও আছে। তাই ড.সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একে 'dog sanskirt' বলেছেন। 

উৎস:
১। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
.
বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের প্রবর্তক কে?
  1. ক) রামনিধি গুপ্ত
  2. খ) বিপ্রদাস পিপলাই
  3. গ) মালাধর বসু
  4. ঘ) বিজয়গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ক) রামনিধি গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রামনিধি গুপ্ত
ব্যাখ্যা
- বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের প্রবর্তক হিসেবে বিখ্যাত রামনিধি গুপ্ত। রামনিধি গুপ্তের ডাক নাম নিধু (বাবু)।
- বাংলায় টপ্পা গান ছিল না। ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকুরি সূত্রে বিহারের ছাপরায় গমন এবং হিন্দুস্তানি টপ্পা - শিক্ষাগ্রহণ করেন।
- ১৭৯৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় ফিরে তিনি বাংলায় টপ্পা রচনা ও পরিবেশন করেন।
- তাঁর বিখ্যাত টপ্পার উদাহরণ: নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা।
- তাঁর টপ্পা সঙ্গীত সংকলনের নাম ‘গীতরত্ন’ (১৮৩২)।

উৎস: বাংলা ভাষার সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সময়কাল -
  1. ক) ৬০০-১২৫০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ৬৫০-১২৫০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ৬০০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্য কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- প্রাচীন যুগ ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ,
- মধ্যযুগ ১২০১-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ ও
- আধুনিক যুগ ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'মনসামঙ্গল' কাব্যের চরিত্র নয় কোনটি?
  1. ক) ধনপতি
  2. খ) সনকা
  3. গ) বেহুলা
  4. ঘ) চাঁদ সওদাগর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনপতি
ব্যাখ্যা
• 'বনিক ধনপতি' চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র। 

⇒ মনসামঙ্গল কাব্য:
সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য 'মনসামঙ্গল'৷
- মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত।
- তিনি ১৩শ শতকে জীবিত ছিলেন বলে অনুমান করা হয়।
- মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম পদ্মাপুরাণ।
 
মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলো হলো:
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।

- আরও যাঁরা মনসামঙ্গল রচনা করেন তাঁরা হলেন পুরুষোত্তম, নারায়ণদেব (আনু. ১৫শ শতক), বিজয়গুপ্ত এবং বিপ্রদাস পিপিলাই বিজয়গুপ্তের মনসামঙ্গলই (১৪৯৪) সর্বাপেক্ষা পরিচিত এবং সাহিত্যিক গুণসম্পন্ন।
- বিপ্রদাসের গ্রন্থ মনসাবিজয় পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে রচিত বলে গবেষকদের অনুমান। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌'র মতে, চর্যাপদের পদ কয়টি?
  1. ক) ৪৯
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫১
  4. ঘ) ৫২
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০
ব্যাখ্যা
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ মতে, চর্যাপদের পদ হচ্ছে ৫০টি।
- তবে সুকুমার সেনের মতে, চর্যাপদের পদ হচ্ছে ৫১টি।

• চর্যাপদ 
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খন্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- চর্যাপদ গ্রন্থের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা,  কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- কাহ্নপা সর্বাপেক্ষা বেশি ১৩টি পদ রচনা করেন।
- ভুসুকুপা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ টি পদ লেখেন।
- চর্যাপদের পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্যাভাষায় রচিত। 
- চর্যাপদের ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। 

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।