পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
১) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাইটের সাধারণ তথ্যাবলী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
গণভোটের বিধান বাতিল করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) ষোঢ়শ
ব্যাখ্যা
গণভোট: 
-২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।  
- গণভোট সংক্রান্ত সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদ হলো : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল। 
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক )
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক ।
.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) এএইচএম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এছাড়া তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। 

অপরদিকে, 
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামারুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের কাজ নয়?
  1. ক) জনগণকে সংঘবদ্ধ করা
  2. খ) নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন
  3. গ) অযৌক্তিক বিরোধীতা করা
  4. ঘ) রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের কাজ: 
-  নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ।

এছাড়াও অন্যান্য কাজের মধ্যে আছে:
- নেতৃত্ব তৈরি। 
- জনগণকে সংঘবদ্ধ করা। 
- রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি 
- গঠনমূলক বিরোধিতা করা। 
- নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন। 
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- রাজনৈতিক দলকে প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ বলা হয়।
- রাজনৈতিক দল হলো কতগুলো নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সংগঠিত একটি জনসমষ্টি। 

তথ্যসূত্রঃ  উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী। 
 
 
 
.
পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবী কে জানিয়েছিলেন?
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) মনোরঞ্জন ধর
  3. গ) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
 গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা দাবী:

- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন।
- কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানসহ অন্যান্য মুসলিম লীগ সদস্যরা এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে। এতে করে প্রস্তাবটি বাতিল ঘোষিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। 
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
-  ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। 
-  গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
 
.
আইনের শাসন নিশ্চিত করার উপায় কোনটি?
  1. ক) বিদ্যমান আইন সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করা
  2. খ) যুক্তিসংগত ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করা
  3. গ) যথাযথ ভাবে আইনের প্রয়োগ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আইনের শাসন নিশ্চিত করার উপায়
-আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শাসক ও শাসিতের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় থাকে। অন্যদিকে,  আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য শাসক ও শাসিতের উভয়েরই সমান ভূমিকা রয়েছে। আইনের শাসন নিশ্চিত করার প্রধান উপায়গুলো হল: 

- যথাযথভাবে আইনের প্রয়োগ। 
- যুক্তিসংগত ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন। 
- বিদ্যমান আইন সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করা। 
- যথাসময়ে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
একটি আধুনিক রাষ্ট্রে আইন প্রণয়ন করেন -
  1. ক) আমলাগণ
  2. খ) বিচারপতিগণ
  3. গ) সংসদ সদস্যগণ
  4. ঘ) মন্ত্রীবর্গ
ব্যাখ্যা

আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে। 
-  সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলাে আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়ােজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশােধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইন বিভাগের একটি অংশ হলাে আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে মনােনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইন প্রণয়ন ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ সার্বভৌম। 

অতএব প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে: সংসদ সদস্যগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান

.
অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কয়ভাগে বিভক্ত করেছেন?
  1. ক) চার ভাগে
  2. খ) ছয় ভাগে
  3. গ) তিন ভাগে
  4. ঘ) দুই ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী: (Pressure Group)
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি। যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের
ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে। 
- অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, “স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন।” 

অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন। তাদের মতে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী চার ভাগে বিভক্ত। এরা হলো:
- স্বতঃস্ফুর্ত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- সংগঠন ভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহঃ

১। দলীয় সংগঠনবিহীন
২। দলীয় কর্মসূচিবিহীন 
৩। নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
৪। সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
৫। সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়
৬। সমজাতীয় মনোভাব
৭। বেসরকারি সংগঠন

রেফারেন্স:  রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী।
.
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৮৫০
  2. খ) ১৮৬০
  3. গ) ১৮৮২
  4. ঘ) ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure
- এটি ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয়। 
- কার্যকর করা হয়--১লা জুলাই ১৮৯৮ সালে
- আইনের প্রকৃতি-পদ্ধতিগত
- মােট ধারা ---৫৬৫ টি
- মােট তফসিল-৫টি
- সর্বশেষ সংশােধনী-২০১২ সালে

অপরদিকে,
 
- ১৮৬০ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধি প্রণীত হয়। দেশ স্বাধীনের পর এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি। এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রধান এবং প্রাচীনতম আইন সংকলন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।