১.
‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- উক্তিটির রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর: ক
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- উক্তিটির মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকের অন্তর্ভুক্ত।
• জমিদার দর্পণ:
- ‘জমিদার দর্পণ’ মীর মশাররফ হোসেন রচিত তিন অঙ্ক বিশিষ্ট একটি নাটক।
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্থ প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নুরুন্নেহারকে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনি ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩) এর মূল ঘটনা।
- লেখক লিখেছে, নাটকটির কিছুই সাজানো নয়, অবিকল ছবি তুলে ধরা হয়েছে প্রচলিত সমাজের।
- নামকরণে দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল-দর্পণ' নাটকের প্রভাব যেমন প্রবল, নাটকটির ঘটনা বিন্যাসেও এর ছায়া পড়েছে।
নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নুরুন্নেহার,
- আবু মোল্লা,
- জিতু মোল্লা,
- ফজু।
নাটকের উল্লেখযোগ্য কিছু উক্তি হলো:
- ‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- নাটকে উক্তিটি জিতু মোল্লার।
- ‘আপনি গরীবের বাপ-মা হুজুর।’- নাটকে উক্তিটি আবু মোল্লার।
- ‘তোমাকে আমি জেলের ঘাটি টানিয়ে ছাড়ব।’- নাটকে উক্তিটি ফজুর।
--------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর, মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।
• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু,
• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
• জমিদার দর্পণ:
- ‘জমিদার দর্পণ’ মীর মশাররফ হোসেন রচিত তিন অঙ্ক বিশিষ্ট একটি নাটক।
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্থ প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নুরুন্নেহারকে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনি ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩) এর মূল ঘটনা।
- লেখক লিখেছে, নাটকটির কিছুই সাজানো নয়, অবিকল ছবি তুলে ধরা হয়েছে প্রচলিত সমাজের।
- নামকরণে দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল-দর্পণ' নাটকের প্রভাব যেমন প্রবল, নাটকটির ঘটনা বিন্যাসেও এর ছায়া পড়েছে।
নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নুরুন্নেহার,
- আবু মোল্লা,
- জিতু মোল্লা,
- ফজু।
নাটকের উল্লেখযোগ্য কিছু উক্তি হলো:
- ‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- নাটকে উক্তিটি জিতু মোল্লার।
- ‘আপনি গরীবের বাপ-মা হুজুর।’- নাটকে উক্তিটি আবু মোল্লার।
- ‘তোমাকে আমি জেলের ঘাটি টানিয়ে ছাড়ব।’- নাটকে উক্তিটি ফজুর।
--------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর, মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।
• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু,
• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।