পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩১
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 9” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩১ প্রশ্ন

.
"There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it." - This quote is by -
  1. Thomas Hardy
  2. Emily Bronte
  3. Jane Austen
  4. G.B Shaw
ব্যাখ্যা
• "There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it." - This quote is from G.B. Shaw's - Man and Superman.

• Man and Superman
- This is a famous play written by G.B Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- Basic to Man and Superman, which Shaw subtitled A Comedy and A Philosophy, is his belief in the conflict between man as spiritual creator and woman as guardian of the biological continuity of the human race.
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes

• Important characters of Man and Superman:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden etc.

• George Bernard Shaw (1856-1950):
- Irish comic dramatist, literary critic, and socialist propagandist.
- George Bernard Shaw is considered to be the greatest modern English dramatist.
- The Nobel Prize in Literature 1925 was awarded to George Bernard Shaw.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica
.
Which kind of literary work is 'Gerontion'?
  1. Poem
  2. Novel
  3. Play
  4. Essay
ব্যাখ্যা
• Gerontion:
- এটি T.S. Eliot লিখিত একটি কবিতা।
- যুদ্ধের পাশাপাশি এর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ধর্ম এবং রাজনৈতিক অভ্যুত্থান।
- কবিতাটি 1919 সালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনাবলী এবং এসকল বিষয়ে কবির নিজস্ব বিশ্ব, যুদ্ধ, ধর্ম এবং রাজনীতির একটি জটিল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।
- It an eight-stanza poem that's divided into uneven sets of lines.

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
- He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
 
• Best works:
• Poems
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock
- Ash Wednesday (Poem)
 
• His well known plays:
- The Confidential Clerk
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
.
Who of the following authors is not a Metaphysical poet?
  1. John Cleveland
  2. George Herbert
  3. Thomas Carew
  4. Richard Crashaw
ব্যাখ্যা
• অপশনে প্রদত্ত চারজন সাহিত্যিকের মধ্যে ব্যতিক্রম হলেন Thomas Carew, কেবলমাত্র তিনিই এখানে Cavalier poets এর অন্তর্ভুক্ত, বাকি তিনজন Metaphysical poet.

• Metaphysical poet, any of the poets in 17th-century England who inclined to the personal and intellectual complexity and concentration that is displayed in the poetry of John Donne, the chief of the Metaphysicals.

• Metaphysical Poet of English literature:
- John Donne,
George Herbert,
- Abraham Cowley,
- Henry Vaughan,
- Andrew Marvell,
John Cleveland,
- Richard Crashaw.

------------------
• Cavalier poets:
- A group of lyric poets associated with the Cavaliers are called Cavalier Poets.
- তাদেরকে Sons of Ben ও বলা হতো। কারণ তারা ছিলেন সাহিত্যিক Ben Jonson এর অনুগামী।
• They are:
- Richard Lovelace,
- Sir John Suckling,
- Robert Herrick,
- Thomas Carew,
- Edmund Waller.
.
In "Romeo and Juliet," what is Juliet's family name?
  1. Montague
  2. Capulet
  3. Escalus
  4. Tybalt
ব্যাখ্যা
 • Romeo and Juliet: 
- ‘Romeo and Juliet’ Shakespeare এর একটি রোমান্সধর্মী নাটক। 
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- এর চরিত্রসমূহ হচ্ছে: Romeo (নায়ক), Juliet (নায়িকা), Montego, Lady Montego, Capulet, Lady Capulet. 
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান। 
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই। 
 
• উইলিয়াম শেকসপিয়রের "Romeo and Juliet" একটি কালজয়ী প্রেমকাহিনি, যেখানে দুই শত্রু পরিবার, Montague এবং Capulet এর দুই তরুণ-তরুণী, রোমিও এবং জুলিয়েট, একে অপরের প্রেমে পড়ে।

• তাদের নিষিদ্ধ প্রেম গোপনে বিয়েতে পরিণত হয়, কিন্তু পারিবারিক শত্রুতার কারণে তাদের সম্পর্ক জটিল হয়ে ওঠে। ভুল বোঝাবুঝি, প্রতিশোধ, এবং দুর্ভাগ্য তাদেরকে এক শোকাবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

• রোমিও এবং জুলিয়েট আত্মত্যাগের মাধ্যমে তাদের ভালোবাসার নিদর্শন রাখে, যা শেষে তাদের পরিবারের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে। নাটকটি প্রেম, ঘৃণা এবং ভাগ্যের অমোঘ শক্তি নিয়ে রচিত এক মর্মস্পর্শী ট্র্যাজেডি।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
 
 Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Antony and Cleopatra.
 
• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.
 
• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture
.
In the poem "The Solitary Reaper," Wordsworth writes about -
  1. A lonely girl singing in the field
  2. A soldier returning from war
  3. The power of human love
  4. A majestic bird soaring in the sky
ব্যাখ্যা
• The Solitary Reaper: 
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে। 
 - কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীন পরিবেশে এবং পাহাড়ী এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন।
- কাজের পাশাপাশী সে করুন দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে।
- The Solitary Reaper বাংলা অর্থ একাকী শস্যচ্ছেদক(যে ফসল কাটে)।

• William Wordsworth (1770 - 1850): 
- William Wordsworth রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি। 
- তিনি ‘Poet of Nature’ নামে পরিচিত। 
- তার বিখ্যাত কবিতা The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী)। 

• তার অন্যান্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- Daffodils,
- The Excursion,
- The Prelude,
- The Recluse,
- Lucy etc.

Source: Britannica.
.
Who wrote the novel 'Far from the Madding Crowd'?
  1. Oscar Wilde
  2. Thomas Hardy
  3. Charles Dickens
  4. George Eliot
ব্যাখ্যা
• Far from the Madding Crowd: 
- উপন্যাসটি লিখেছেন Thomas Hardy.
- এটি হার্ডির অন্যতম বিখ্যাত কাজ।
- এই উপন্যাসটি সর্বপ্রথম ১৮৭৪ সালে বেনামে The Cornhill Magazine এ ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি তার জনপ্রিয় হওয়া প্রথম উপন্যাস। 
- This novel made Hardy famous by its agricultural settings and its distinctive blend of humorous, melodramatic, pastoral, and tragic elements.
- এই উপন্যাসে প্রথমবারের মত তিনি কাল্পনিক রাজ্য 'Wessex' এর প্রবর্তন করেন। 

• Thomas Hardy: 
- তিনি ছিলেন Victorian যুগের novelist এবং poet. 
- He was born in England in 1840.
- Thomas Hardy is known as a pessimistic Novelist.
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি। একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়। 
- Thomas Hardy এর ছোটবেলা কাটে গ্রামে। গ্রামে কাটানো শৈশবের স্মৃতি তার পরবর্তীকালের রচিত সাহিত্যকর্মে এক ব্যাপক প্রভাব ফেলে।  

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো: 
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

Poetry:
- Wessex Poems (1898),
- Poems of the Past and the Present (1901),
- Time’s Laughingstocks (1909).

Source: Encyclopedia Britannica.
.
"Paul Morel & Gertrude" are characters from -
  1. The White Peacock
  2. Sons and Lovers
  3. The Rainbow
  4. Lady Chatterley's Lover
ব্যাখ্যা
• "Paul Morel" এবং "Gertrude" হল ডি. এইচ. লরেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস "Sons and Lovers"-এর প্রধান চরিত্র।
Paul Morel হলো উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র, এবং Gertrude Morel তার মা। উপন্যাসটি মা-ছেলের জটিল সম্পর্ক এবং পলের ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেমের টানাপোড়েনের উপর আলোকপাত করে।

Sons and Lovers (novel): 
- ১৯১৩ সালে প্রকাশিত এটি D.H Lawrence এর semi-autobiographical novel.
- এই novel টিকে Lawrence এর প্রথম mature novel ও বলা হয়।
- It is a psychological study of the familial and love relationships of a working-class English family.
 
• এই novel এর কেন্দ্রীয় চরিত্র সমূহ - 
- Paul Morel,
- Gertrude,
- Miriam Leivers,
- Clara Dawes. 
 
• D.H Lawrence:
- তার পুরো নাম David Herbert Lawrence. 
- তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাহিত্য সমালোচক।
- তার novel Sons and Lovers, The Rainbow এবং Women in Love তাকে 20th century এর সবচেয়ে influential English writers হিসেবে প্রকাশ করে।
 
• David Herbert Lawrence's well well-known novels:
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.
 
Source: Encyclopedia Britannica.
.
'The Love Song of J. Alfred Prufrock' is written by -
  1. Irish writer
  2. American writer
  3. Scottish writer
  4. French writer
ব্যাখ্যা
• The Love Song of J. Alfred Prufrock (poem): 
- এটি T.S. Eliot রচিত একটি dramatic monologue, তিনি একজন American poet.
- কবিতাটি ১৯১৫ সালে Poetry magazine এ প্রকাশিত হয়। 
- “Prufrock” was both Eliot’s first major publication and the first masterpiece of modernism in English.

• T.S. Eliot (1888-1965): 
 - T.S. Eliot এর পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি ১৮৮৮ সালে আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- T.S. Eliot একজন American-English poet, playwright, literary critic এবং editor ছিলেন।
- He was a leader of the Modernist movement in poetry.
- আধুনিক সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে তিনি নোবেল পুরস্কার পান।

• Notable Works: 
Plays: 
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Family Reunion, 
- The Cocktail Party.

Poems: 
- Waste Land, 
- Four Quartets (1943), 
- Ash Wednesday. 

Source: Encyclopedia Britannica. 
.
Choose the incorrect spelling.
  1. Champagne
  2. Convelasce
  3. Carburettor
  4. Chimpanzee
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ভুল বানান হল: খ) Convelasce.
- এর সঠিক বানান হল Convalesce.

• Convalesce:
English meaning: to spend time getting your health and strength back after an illness.
Bangla meaning: রোগমুক্তির পর ক্রমে ক্রমে স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া।

Other options,
ক) Champagne:
- ফরাসি মদ্যবিশেষ।

গ) Carburettor:
- অন্তর্দাহ ইনজিনের যে অংশে বিস্ফোরক মিশ্রণ তৈরির জন্য পেট্রলের সঙ্গে বায়ু মেশানো হয়; অঙ্গারীকারক; কার্বিউরেটর।

ঘ) Chimpanzee:
- আফ্রিকীয় বনমানুষবিশেষ; শিম্পাঞ্জি।

Source: Oxford & Accessible Dictionary.
১০.
________ they moved to the countryside, their lifestyle has completely changed.
  1. As if ever
  2. That
  3. Since
  4. Whether
ব্যাখ্যা
Options,
• As if ever:
- বিস্ময়সূচক; সন্দেহসূচক।

• That:
- কোথায়; কী অবস্থায়; কোন দিকে; কোন দিক থেকে; কী বিষয়ে।

• Since:
- তারপর; তারপর থেকে; ইতিপূর্বে; ইতিমধ্যে।

• Whether:
- পরোক্ষ প্রশ্ন উপস্থাপনে ব্যবহৃত, যথার্থ শর্তাধীন উপবাক্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে 'Since' বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: Since they moved to the countryside, their lifestyle has completely changed.
১১.
ENTOMOLOGY : INSECTS :: ?
  1. Herpetology : Reptiles
  2. Ornithology : Trees
  3. Ichthyology : Birds
  4. Ecology : Mammals
ব্যাখ্যা
• Entomology: পতঙ্গতত্ত্ব; কীটতত্ত্ব। 
• Insect: এক শ্রেণির অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যাদের দুটি পা থাকে এবং শরীর তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে থাকে,যেমন পিপড়া, মাছি, বোলতা; অনুরূপ হামাগুড়ি দিয়ে চলা ক্ষুদ্রপ্রাণী, যেমন মাকড়শা; কীট।

ক) Herpetology: সরীসৃপ-সংক্রান্ত বিদ্যা
- Reptiles: সরীসৃপ।

খ) Ornithology: পক্ষিবিজ্ঞান।
- Trees: গাছ।

গ) Ichthyology: মত্স্যবিজ্ঞান; মৎস্যবিজ্ঞান; মীনবিদ্যা
- Birds: পাখি; পক্ষী; খেচর

ঘ) Ecology: বাস্তব্যবিদ্যা; যে বিদ্যায় পরিবেশের সঙ্গে জীবজগতের সম্পর্ক আলোচিত হয়; ইকোলজ।
- Mammals: স্তন্যপায়ী প্রাণী।

• Analogy: ENTOMOLOGY : INSECTS :: Herpetology : Reptile.

Relation:
Entomology is the branch of science that studies insects. Similarly:
Herpetology is the branch of science that studies reptiles.

• ENTOMOLOGY পোকামাকড় নিয়ে অধ্যয়ন করে, ঠিক তেমনি, Herpetology সারীসৃপ প্রাণী নিয়ে অধ্যয়ন করে।
১২.
The number of _________ in the class ______ increased this year.
  1. students, have
  2. students, has
  3. student, has
  4. student, have
ব্যাখ্যা
• সাধারণত, The number of যুক্ত বাক্যের গঠন হচ্ছে - 
• Structure: The Number of + Plural Noun + Singular Verb.
• যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে - The Number of আছে তাই Verb‌ হবে singular is এবং noun টি হবে plural.

• শূন্যস্থানদ্বয়ে সঠিক উত্তর হবে - students, has.
Complete Sentence: The number of students in the class has increased this year.

• যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে - The Number of আছে তাই Verb‌ হবে singular has এবং noun টি হবে plural.
১৩.
She called me as soon as -
  1. after she received the message
  2. she had received the message
  3. when she received the message
  4. she received the message
ব্যাখ্যা
• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- As soon as যুক্ত sentence টি এরপর শুধু comma বসে, than/when ইত্যাদি বসে না।
- যেমন - I opened the door as soon as I heard the bell.

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - she received the message.
Complete Sentence: She called me as soon as she received the message.

• অন্যদিকে,  
• Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense
- Example sentence: I shall ring you up as soon as I arrive.
১৪.
She needs _________ sugar for the cake.
  1. fewer
  2. a some
  3. a few
  4. a little
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - a little.
Complete Sentence: She needs a little sugar for the cake.

• little, a little, a few, few এর ব্যবহার: 
- এগুলো হচ্ছে quantifier determiners.
- এগুলো দ্বারা কোনো কিছুর পরিমান, সংখ্যা এগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
- Little, a little বসে uncountable noun এর ক্ষেত্রে এবং a few, few বসে countable noun এর ক্ষেত্রে।
- Little এবং few, negative অর্থে ব্যবহৃত quantifier determiners, যাদের অর্থ অল্প সংখ্যক বা নেই বললেই চলে। 

অর্থাৎ,
• A few + Countable Noun হয়।
• A little + Uncountable noun হয়।
• Some + Countable Noun এবং Uncountable noun উভয়ই হয়।

• sugar যেহেতু uncountable noun সুতরাং এর পূর্বে determiner হিসেবে a little বসবে।
১৫.
If we had more time, we __________ on a longer trip.
  1. could have gone
  2. could go
  3. could gone
  4. gone
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী - 
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।

Complete sentence: If we had more time, we could go on a longer trip.
Bangla meaning: যদি আমাদের আরও সময় থাকত, তবে আমরা একটি দীর্ঘ যাত্রায় যেতে পারতাম।

• এখানে had, main verb হিসেবে বসেছে। সেই হিসেবে অন্য অপশন গুলো ভুল।
১৬.
It is time _________ action against the problem.
  1. to taking
  2. taking
  3. to take
  4. took
ব্যাখ্যা
• It is time দিয়ে ৩টি Structure হতে পারে।
যথা -
• It is time এরপর যদি subject থাকে তাহলে verb টি past tense এ হয়।
- It is time I changed my bad habits. (Present + Past)

• It is time এরপর যদি subject না থাকে তবে to + verb হয়। (Present + Infinitive)
- It is time to change my bad habits.

• It is time (present) + for + Sub এর Objective form + Infinitive)
- It is time for me to change my bad habits.

• সুতরাং নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to take.
Complete sentence: It is time to take action against the problem.

Bangla meaning: সমস্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় হয়েছে।
১৭.
She had her brother _______ the car.
  1. to fix
  2. fixing
  3. fix
  4. fixed
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: She had her brother fix the car.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসাবে Have এর structure - 
1. Subject + have (any tense) + object (usually person) + base form of verb + . . . .
Example:
- Jonny had Ronny clean the bedroom.
- He always has me do his work.
- Mary will have Alex prepare her homework.

2. Subject + have (any tense) + object (usually thing) + past participle form of verb + . . . .
Example:
- John had his car washed.
- He always has his work done.
- Lopa will have her homework prepared.

• Causative verb হিসাবে get এর structure - 
1. Subject + get (any tense) + বস্তুবাচক object +verb এর past participle এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got his car washed.

2. Subject + get (any tense) + ব্যক্তিবাচক object + infinitive (to + v1) এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got Alex to clean the bedroom.

• Causative verb হিসাবে Make এর structure - 
1. Subject + make (any tense) + object (always person) + base form of verb + . . .
Example:
- Robert made me beat that little child.  
- He always makes me do his work.
- Mary will make me prepare her homework.  
- I made him wash my car.
- He makes me laugh whenever I am down.
১৮.
People say that practice makes perfect. (Change the voice)
  1. It is said by the people practice makes perfect.
  2. It is said that practice makes perfect.
  3. It is said that it is practice makes perfect.
  4. It is said by the people that practice makes perfect.
ব্যাখ্যা
• Compound Sentence এবং Complex Sentence-এর ক্ষেত্রে Active voice-এর উভয় clause-কে একই voice-এ রূপান্তর করতে হয়।
- Active Voice People say দিয়ে শুরু হলে passive voice It is said দিয়ে শুরু করা হয়।

• Active voice এ people + stative verb (know, think, understand, know, find, say, etc) + that + clause থাকলে, passive করার নিয়ম হচ্ছে - 
- It is /was (tense অনুযায়ী) + said + that + বাকি clause (যা আছে তাই) টি।

যেমন:
• Active: People say that teamwork makes the dream work.
• Passive: It is said that teamwork makes the dream work.

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, 

Active: People say that practice makes perfect.
Passive: It is said that practice makes perfect.
১৯.
Synonym of 'Dormant' -
  1. Occasional
  2. Moist
  3. Inactive
  4. Support
ব্যাখ্যা
• Dormant (adjective)

English Meaning: (of things) not active or growing, but having the ability to be active at a later time.
Bangla Meaning: 
(১) সুপ্ত; নিদ্রিত; ঘুমন্ত; এখনো অবচেতন; নিষ্ক্রিয়: a dormant volcano; 
(২) অব্যবহৃত; অন্তর্নিহিত: dormant mental powers.

Synonyms: Asleep (ঘুমন্ত/নিদ্রিত), Inactive (নিষ্ক্রিয়), Latent (লুক্কায়িত), Napping (অল্প সময়ের জন্য ঘুম), Slumbering(তন্দ্রাচ্ছন্দ)।
Antonyms: Awake (জাগ্রত), Active (সক্রিয়), Sleepless (নিদ্রাহীন), Energetic (প্রাণচঞ্চল), Functioning (কার্যকরী)।

Example Sentence:
1. Some tumors will grow to a certain size and become relatively dormant.
2. Her emotions have lain dormant for many years.

Options,
- Occasional (আকস্মিক),
- Moist (ঈর্ষৎ আর্দ্র; ভেজ-ভেজা),
- Support (সমর্থন)।

Source: Live MCQ Lecture.
২০.
Antonym of 'Reverent' -
  1. Cheeky
  2. Gracious
  3. Disavow
  4. Vail
ব্যাখ্যা
• Reverent (adjective)
English Meaning: Showing great respect and admiration.
Bangla Meaning: শ্রদ্ধাভাবাপন্ন; শ্রদ্ধান্বিত; শ্রদ্ধাশীল।

Synonyms: Respectful (সশ্রদ্ধ), Worshipping (উপাসনা করা), Adoring (প্রেমময়; প্রেমপরিপূর্ণ), Gracious (শিষ্ট, সদয়), Solemn (গুরুগম্ভীর)।
Antonyms: Irreverent (শ্রদ্ধাহীন; অশ্রদ্ধ), Cheeky (ধৃষ্ট), Mocking (উপহাসকারী), Disrespectful (অসম্মানীয়), Flippant (বাচাল)। 

Example Sentence:
1. I was not very reverent or respecting of myself in the early days.
2. A reverent crowd of worshippers, is a common scenario in Makkah almost always. 

Options,
- Disavow (অস্বীকার করা),
- Vail (পর্দা)।

Source: Live MCQ Lecture.
২১.
They lead a ___________ life, with very few comforts and no luxuries.
  1. tortuous
  2. opting
  3. nonporous
  4. spartan
ব্যাখ্যা
• Options,

- Tortuous: আঁকাবাঁকা: a tortuous path; (লাক্ষণিক) জটিল, প্যাঁচানো: a tortuous man.
- Spartan (দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, চোয়াল-শক্ত)। 
- Opting (বেছে নেওয়া)। 
- Nonporous (নিরন্ধ্র)। 

• অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে Spartan বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: They lead a spartan life, with very few comforts and no luxuries.

Source: Live MCQ Lecture.
২২.
Choose the plural form of 'Appendix'.
  1. Appendices
  2. Appendiexs
  3. Appendice
  4. Botb A & B
ব্যাখ্যা
• Appendix
English Meaning: supplementary material usually attached at the end of a piece of writing.
Bangla Meaning: (পরিশিষ্ট)

• শব্দটি singular এবং এর দুইটি plural form হয়।
- যথা:
1. Appendices,
2. Appendixes.

• যেহেতু প্রশ্নে Appendixes ভুল বানানের দেওয় আছে তাই Appendices একমাত্র সঠিক উত্তর।

Source: Merriam-Webster Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
The courts struck ________ local segregation laws because they violated the federal constitution.
  1. down
  2. on
  3. up
  4. off
ব্যাখ্যা
• Strike something down (phrasal verb): 
English Meaning: to rule that a law is illegal and should not be obeyed. 
Bangla Meaning: একটি আইন অবৈধ এবং মান্য করা উচিত নয়, এটি সিদ্ধান্ত দেওয়া।

Example Sentence: The court struck down the law on the grounds that it was unconstitutional.

Complete Sentence: The courts struck down local segregation laws because they violated the federal constitution.
Bangla meaning: আদালত স্থানীয় বিভাজন আইনের বিরোধিতা করেছে কারণ সেগুলি ফেডারেল সংবিধানের লঙ্ঘন করেছিল।

Other options, 
- Strike on /upon something: হঠাৎ মনে জাগা।
- Strike something up: শুরু করা। 
- Strike something off: কেটে ফেলা।

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
Brazil normalized its diplomatic relations with South Africa ___________ the steps taken to end apartheid.
  1. on recognition of
  2. to recognition of
  3. in recognition of
  4. by recognition of
ব্যাখ্যা
• In recognition of: [phrase]
English meaning: If something is done in recognition of someone's achievements, it is done as a way of showing official appreciation of them. 
Bangla meaning: যদি কিছু কারো সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ করা হয়, তাহলে এটি তাদের প্রতি আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের একটি উপায় হিসাবে করা হয়।

Example: He had just received a doctorate in recognition of his contributions to seismology. 

Complete sentence: Brazil normalized its diplomatic relations with South Africa in recognition of the steps taken to end apartheid.
Bangla: ব্রাজিল দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল বর্ণবৈষম্য শেষ করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর স্বীকৃতিস্বরূপ।

Source: Collins Dictionary.
২৫.
He painted the wall, and the wall appeared vibrant. The underlined parts are respectively -
  1. transitive, transitive
  2. intransitive, transitive
  3. linking, transitive
  4. transitive and linking verb
ব্যাখ্যা
• He painted the wall, and the wall appeared vibrant. The underlined parts are respectively - transitive and linking verb.

• "Painted" একটি transitive verb কারণ এটি তার অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য একটি direct object প্রয়োজন (যেমন - "the wall").
- "Appeared" একটি linking verb কারণ এটি subject("the wall") এবং subject complement ("vibrant") এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা বিষয়টির অবস্থা বা গুণাবলি বর্ণনা করে।

• Transitive Verb এর পর Object থাকে আর Linking Verb এর পর Subjective Complement থাকে। 
- প্রথম Clause এ 'He' হচ্ছে Subject আর the wall হচ্ছে Object.
- তাই এখানে painted - Transitive Verb.

• Transitive verb:
- যে verb এর object আছে তাকে transitive verb বলে৷
- Transitive verbs এর সাধারণ Structure  হচ্ছে : subject + verb + object.
- Object সর্বদাই Noun অথবা Pronoun হয়।
- তাই বাক্যে verb এর পরে Noun অথবা Pronoun থাকলে verb টি সাধারণত transitive verb হবে।
- আবার intransitive verb এর শেষে preposition + object যুক্ত করেও তাকে transitive verb এ পরিণত করা যায়।

• আর ২য় Clause এ the wall হচ্ছে Subject আর apperaed হচ্ছে এ Subject সম্পর্কে Subjective Complement.
- তাই এখানে appeared - Linking Verb.

 • Linking verb/ Copulative verb: 
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে৷
- Subject এবং subjective complement এর মধ্যবর্তী verb কে linking/Copulative verb বলে৷
- অবশ্যই মনে রাখতে হবে - Linking/copulative verb হচ্ছে actionless.
- adverbs can be used before linking verbs if they describe the linking verb and not the subject.
২৬.
They exercised regularly to stay healthy. (compound)
  1. They wanted to stay healthy and therefore to they exercised regularly.
  2. They wanted to stay healthy and so they exercised regularly.
  3. They wanted to stay healthy and so therefore they exercised regularly.
  4. They wanted to stay healthy and so there they exercised regularly.
ব্যাখ্যা
• Simple sentence এ to অথবা in order to থাকলে Compound Sentence এ পরিণত করতে তিনটি কাজ করতে হয় -
- যথা-
(1) Clause গুলোর অবস্থান উল্টে যাবে।
(2) ‘want to’ অতিরিক্ত যোগ হবে।
(3) ‘and so/ therefore’ Conjunction যোগ হবে।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে -
Simple: They worked overtime to save money for a vacation.
Compound: They wanted to save money for a vacation and therefore they worked overtime.

Simple: They exercised regularly to stay healthy.
Compound: They wanted to stay healthy and so they exercised regularly.
২৭.
It happened about two months ago. The underlined part is -
  1. Noun
  2. Conjunction
  3. Preposition
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• It happened about two months ago. The underlined part is - Adverb.

• About: [adverb]
English meaning: a little more or less than a specific number; approximately.
Bangla meaning: সামান্য উনিশ-বিশ; সামান্য আগে-পরে; প্রায় কাছাকাছি।

• About two months ago = প্রায় দুই মাস আগে। 

Example: 
- He’s about six feet tall.
- It happened about two months ago.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৮.
নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. বাগদত্তা
  2. দেশান্তর
  3. ক্ষুৎপিপাসা
  4. অনুক্ষণ
ব্যাখ্যা
• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। শুধু সমস্তপদের ব্যাখ্যা দিতে হয়।
যেমন:
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
- অন্য দেশ = দেশান্তর,
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- কেবল যাওয়া = যাওয়ামাত্র,
- কেবল বলা = বলামাত্র।

অন্যদিকে,
• 'বাগ দ্বারা দত্তা = বাগদত্তা'; তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
• 'ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা'; দ্বন্দ্ব সমাস।
• 'ক্ষণ ক্ষণ' = অনুক্ষণ; অব্যয়ীভাব সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৯.
'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটি কে লিখেছেন?
  1. আনিস চৌধুরী
  2. সেলিম আল দীন
  3. নীলিমা ইব্রাহীম
  4. শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
• 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা শওকত ওসমান। 
- ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।
-------------------------  
শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম 'শেখ আজিজুর রহমান'।

তাঁর রচিত নাটক: 
- তস্কর লস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা,
- কাঁকর মণি,
- বাগদাদের কবি।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত)
- চৌরসন্ধি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম ইত্যাদি।
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাঙ্গী
- জাহান্নম হইতে বিদায়।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
‘আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।’- বাক্যে ‘আজকাল’ শব্দটি কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. ক্রিয়া বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ‘আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।’- বাক্যে ‘আজকাল’ শব্দটি কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।

ক্রিয়াবিশেষণ: যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। ক্রিয়াবিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
• কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন-
যথাসময়ে কামাল হাজির হয়েছিল।
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।

• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন -
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন -
মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

• নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বােঝায়। এগুলাে সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে।
যেমন -
সে এখন যাবে না।

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ:
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনাে ভূমিকা পালন না করলেও ‘কি’, ‘যে, বা',না’, ‘তাে  প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন -
কি: আমি কি যাব?
যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন!

উৎস:
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।
৩১.
লগ্নক নয় কোনটি?
  1. বিভক্তি
  2. বচন
  3. বাচ্য
  4. নির্দেশক
ব্যাখ্যা
• 'বাচ্য' - লগ্নক নয়।

• লগ্নক:
- শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ।
- পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।

• লগ্নক চার ধরনের।
যথা:

বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
- বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
- 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
- 'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।

বচন:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে।
- 'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।

বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
- 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩২.
"মহা-প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি ________ , আমি ধ্বংস।"
  1. ঝড়
  2. সাইক্লোন
  3. তুফান
  4. বজ্র
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অংশটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার অংশবিশেষ:

তিনি লিখেছেন- 

বল বীর -
আমি চির-উন্নত শির!
আমি চিরদুৰ্দ্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস, মহা-প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস,
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর!

------------------------
• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতার রচনাকাল: ১৯২১ সাল;  প্রকাশিত হয় ⎯ ২২ পৌষ, ১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড কোনটি?
  1. জন্মখণ্ড
  2. তাম্বুলখণ্ড
  3. রাধাবিরহ
  4. বংশীখণ্ড
ব্যাখ্যা
• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড - 'তাম্বুল খণ্ড'।
----------------------- 
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:

- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি।
- কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।

• এটি মোট ১৩ খণ্ডে ৪১৮টি পদে বিন্যস্ত।

খণ্ডগুলি হলো:
- জন্ম খণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দান খণ্ড,
- নৌকা খণ্ড,
- ভার খণ্ড,
- ছত্র খণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড (রাধাবিরহ)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪.
চর্যাপদের অনুদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা কয়টি?
  1. সাড়ে তিনটি
  2. দুইটি
  3. সাড়ে চারটি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ চর্যাপদ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।

• চর্যাপদের পদ সংখ্যা: চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি। তবে সুকুমার সেন মনে করেন পদসংখ্যা ৫১টি।
• উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা: চর্যাপদের সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া যায়। 

• অনুদ্ধারকৃত/বিলুপ্ত পদের সংখ্যা: সাড়ে ‍৩টি। 
প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ভুসুকুপা রচিত ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। পদটির ৬টি পদ পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।
- এছাড়াও চর্যাপদের ২৪নং (কাহ্নপা রচিত), ২৫নং (তন্ত্রীপা রচিত) এবং ৪৮নং (কুক্কুরীপা রচিত) পদগুলো পাওয়া যায় নি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৫.
নিচের কোনটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ?
  1. স্ট
  2. ল্প
  3. ক্ট
  4. ক্ম
ব্যাখ্যা
'ক্ম'- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ। 

• যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। 
- যুক্ত হওয়া বর্ণ দেখে কখনো সহজে চেনা যায়না, কখনো সহজে চেনা যায়। 

এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম।
যথা:
১. স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ঝ, দ্দ, ণ্ঠ,স্ট, ল্প, ইত্যাদি।
২. অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ত (ক্‌+ত), ক্ম (ক্‌+ম), ক্র (ক্‌+র) ক্ষ (ক্‌+ষ) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩৬.
'দক্ষযজ্ঞ' শব্দের অর্থ কী?
  1. কুশীলব
  2. বিপর্যয়
  3. নাতিদীর্ঘ
  4. তুমুল হট্টগোল
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

• 'দক্ষযজ্ঞ' শব্দের অর্থ:
- তুমুল হট্টগোল।

আরো কিছু শব্দার্থ:
• উৎকোচ - ঘুষ, 
• 'আফতাব' - সূর্য, 
• 'বিবর' - গহ্বর, 
• 'শীকর' - জলকণা,
• 'কমুদ' - পদ্ম,
• 'রত্নাকর' - সমুদ্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩৭.
'চত্বারিংশ' শব্দটি কোন সংখ্যাজ্ঞাপক শব্দ?
  1. ২৪
  2. ৩৪
  3. ৪০
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
• 'চত্বারিংশ' শব্দটি '৪০' এর সংখ্যাজ্ঞাপক শব্দ।

অন্যদিকে,
চতুর্বিংশ - ২৪,
চতুর্ত্রিংশ - ৩৪,
চতুর্দশ -১৪।
-------------------- 
১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু ‘তম’ প্রত্যয় যােগ করা হয়।
যথা:
• উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম),
• বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম),
• একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম),
• আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম),
• উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম),
• সত্তর বা সপ্ততিতম - ৭০, 
• সপ্তসপ্ততিতম - ৭৭ 
• আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম),
• নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম),
• নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি) ২০২১ সংস্করণ।
৩৮.
ডোম্বীপা'র ১৪নং পদে নারীদের কী ধরনের কাজের কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. কৃষিকাজ
  2. নৌকা চালনা
  3. শিক্ষাদান
  4. গৃহস্থালি কাজ
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদে যুগে নারীদের স্থান ও ভূমিকা:

- চর্যাপদের যুগে নারীরা খুবই স্বাধীন ছিল। তারা স্বেচ্ছায় পেশা ও সঙ্গী নির্বাচনের অধিকার রাখত।

- কুক্কুরীপা একটি পদে (২নং) লিখেছেন, গৃহবধূটি বেশ ছল জানে। সে দিনের বেলায় কাকের ডাক শুনেই ভয় পায়, কিন্তু রাতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যায়।

- কাহ্নপা একটি পদে (১০নং) জানিয়েছেন, এক ডোমিনী নগরে তাঁত ও চেঙারি বিক্রি করে।

- কাহ্নপার অন্য একটি পদে (১৮নং) ডোমনীর 'ছিনালী' করার কথা আছে।

• ডোম্বীপাদের ১৪নং পদে,
নারীদের নৌকা চালনা, নৌকার জলসিঞ্চন, লোক পারাপার ইত্যাদির মতো কর্মে যুক্ত থাকার উল্লেখ পাওয়া যায়। তাছাড়া নারীরা গুরুর স্থানও অধিকার করেছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৯.
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কোন কবি স্বভাব কবি হিসেবে পরিচিত?
  1. নারায়ণ দেব
  2. মানিক দত্ত
  3. দ্বিজমাধব
  4. মুকুন্দরাম
ব্যাখ্যা
• 'চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- এ কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত। 
- এ ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবতী৷ 
- এ কাব্যের কবি দ্বিজমাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো:
- দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
মাইকেল মদুসূদন দত্তের 'শর্মিষ্ঠা' নাটকটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬১ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৮৫৭ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
• 'শর্মিষ্ঠা' নাটক:
- এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত বাংলা নাটক।
- কলকাতার পাইকপাড়ার রাজাদের অনুপ্রেরণায় বেলগাছিয়া থিয়েটারের জন্য মধুসূদন দত্ত ১৮৫৮ সালে নাটকটি রচনা করেন।
- ১৮৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে রাজাদের অর্থানুকূল্যে ‘শর্মিষ্ঠা' প্রকাশিত ও ১৮৫৯ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর সেটা বেলগাছিয়া থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়।
- পাশ্চাত্যরীতিতে বাংলা নাটক রচনার চেষ্টা এই নাটকের মধ্যে বিশেষভাবে সফলতা পায়।
- মধুসূদন পরে ‘শর্মিষ্ঠা’র ইংরেজি অনুবাদও করেন ।
- এই নাটক রচনায় পুরাণের কাহিনি অবলম্বন করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, মাধব্য, পূর্ণিমা, রাজমন্ত্রী প্রমুখ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৪১.
"জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী" কোন কবির উক্তি?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. মোজাম্মেল হক
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• ’জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী।’ - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের পঙ্‌ক্তি।

• অন্নদামঙ্গল:
- মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য।
- তাঁকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়। 
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যা, সুন্দর, হীরা মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনখণ্ডে বিভক্ত: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল ও মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি: 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'। 

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের (ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের) কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি, যা সুপ্রচলিত প্রবচন বা সুভাষিতের মর্যাদা লাভ করেছে।
যেমন -
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৪২.
'দারুচিনি' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. দেশি
  4. তৎসম
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'দারুচিনি' - ফারসি ভাষার শব্দ। 

• শব্দের অর্থ:
- ডালচিনি,
- মসলারূপে ব্যবহৃত;
- বৃক্ষবিশেষের মিষ্ট ও সুগন্ধযুক্ত বাকল।

• আরো কিছু ফারসি শব্দ:
- দারোয়ান, দারুচিনি মশক, দালান, দারোগা, পরওয়ারদিগার।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৩.
'স্বর্ণ' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. সুবর্ণ
  2. কাঞ্চন
  3. অরুণ
  4. হিরণ
ব্যাখ্যা
• ‘স্বর্ণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় - 'অরুণ'। 
- 'অরুণ' - 'লাল' এর সমার্থক শব্দ।

• 'স্বর্ণ’ শব্দের কিছু সমার্থক শব্দ:
- কাঞ্চন, হিরণ, হেম, সোনা, সুবর্ণ, কনক, হিরণ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৪৪.
কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. আরণ্যক
  2. বৌ বেগম
  3. নদীবক্ষে
  4. কুলায় কালস্রোত
ব্যাখ্যা
• 'নদীবক্ষে' উপন্যাস:
- কৃষক পরিবারকে কেন্দ্র করে কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস 'নদীবক্ষে'।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৮ সালে। এটি যতটুকু উপন্যাস তার চেয়ে বেশি সমাজচিত্র। 
- গ্রামীণ সমাজের কলহ, বিবাদ, দ্বন্দ্ব আবার মিলনের কথা চারটি কৃষক পরিবারকে কেন্দ্র করে এই গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। 
- উপন্যাসের চরিত্র: জমির শেখ, ইরফান মণ্ডল, লালু, মতি প্রমুখ। 
--------------------------- 
কাজী আবদুল ওদুদ:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ছিলেন। 
- তিনি ১৮৯৪ সালের ২৬ এপ্রিল ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- কাজী আবদুল ওদুদ রচিত প্রবন্ধের সংকলন ‘শাশ্বতবঙ্গ’।
- এটি একটি সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এটি ১৯৫১ সালে সংকলন করা হয়।
- 'শাশ্বতবঙ্গ’ এর প্রবন্ধগুলো ৬টি ভাগে বিভক্ত করা যায়।

সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ:
- শাশ্বতবঙ্গ (১৯৫১),
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ,
- নজরুল প্রতিভা।

অন্যদিকে,
• বৌ বেগম - ইব্রাহীম খাঁ রচিত উপন্যাস।
• আরণ্যক - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
• কুলায় কালস্রোত -  শওকত আলী রচিত উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
'শ্রব্য' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ শ্রুৎ + য 
  2. √ শ্রু + য 
  3. √ শ্রু + অ 
  4. √ শ্রব + য 
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

• 'শ্রব্য' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়:
- '√ শ্রু + য'।
- এটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।

'শ্রব্য' শব্দের অর্থ:
- শোনা যায় এমন;
- শোনার উপযুক্ত;
- শ্রবণযোগ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৬.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. কলকাতা
  2. দেবানন্দপুর
  3. কৃষ্ণনগর
  4. চন্দননগর
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত গল্পগুলো হলো:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- রামের সুমতি,
- মামলার ফল,
- ছবি,
- বিন্দুর ছেলে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
'চিত্রগুপ্ত' কার ছদ্মনাম?
  1. মণীশ ঘটক
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বিমল মিত্র
  4. সতীনাথ ভাদুড়ী
ব্যাখ্যা
• সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।

অন্যদিকে,
• 'দৃষ্টিহীন' - দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার এর ছদ্মনাম।
• 'যুবনাশ্ব'  - মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম ।
• 'জাবালি' - বিমল মিত্র এর ছদ্মনাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৮.
'হুরমতি' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. সারেং বৌ
  2. সংশপ্তক
  3. সূর্য দীঘল বাড়ী
  4. লালসালু
ব্যাখ্যা
• 'সংশপ্তক' উপন্যাস:
- শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস- সংশপ্তক।
- সংশপ্তক শব্দটি মহাভারত থেকে নেওয়া হয়েছে।
- সংশপ্তক অর্থ হচ্ছে যে সৈনিকেরা জীবনমরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে।
- একে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা হয়।
- হিন্দু-মুসলিম সম্মিলিত জীবনযাপন, অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ এ উপন্যাসের বর্ণিত বিষয়।
- বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি প্রাসঙ্গিকভাবে উপন্যাসে এসেছে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- হুরমতি,

- রাবেয়া খাতুন (রাবু),
- জাহেদ,
- সেকেন্দার,
- মালু,
- লেকু,
- রমজান,
- রামদয়াল ইত্যাদি।

অন্য অপশনের উপন্যাসগুলোর উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
• 'সারেং বৌ' উপন্যাস: কদম সারেং, নবীতুন।
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাস: জয়গুন, হাসু, মায়মুন।
• 'লালসালু' উপন্যাস: মজিদ, আমেনা এবং জমিলা।

উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
কোনটিতে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সরলতা
  2. লঘুত্ব
  3. ধৈর্যতা
  4. বহুলতা
ব্যাখ্যা
• 'ধৈর্যতা' - শব্দটিতে প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি ঘটেছে।

• এখানে, 
- 'ধৈর্য' শব্দটি বিশেষ্য।

- কোন বিশেষ্য পদের সাথে আবার তা অথবা ত্ব প্রত্যয় যুক্ত করা হলে, যে শব্দটি হয় তা ভুল। 
- তা, ত্ব প্রত্যয় কেবল বিশেষণকে বিশেষ্য করে। 
তাই,
বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা ত্ব প্রত্যয় প্রয়োগ অশুদ্ধ।

অন্যদিকে,
সরলতা, লঘুত্ব, বহুলতা - শব্দগুলোতে শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।
----------------------------- 
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

• অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- আবশ্যকীয় - আবশ্যক;
- একত্রিত - একত্র;
- অধীনস্থ - অধীন;
- করিতকর্মী - করিতকর্মা;
- গণ্যনীয় - গণনীয়;
- জ্ঞানমান - জ্ঞানবান;
- ঘূর্ণীয়মান - ঘূর্ণায়মান;
- পুজ্য - পূজ্য;
- বাহ্যিক - বাহ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫০.
জর্জ কুম্ব এর "The Constitution of man considered in relation to external object" গ্রন্থের অবলম্বনে ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধবিচার’ গ্রন্থটি রচনা করেন -
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. অক্ষয়কুমার দত্ত
  4. আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
• 'বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’:
- ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ।
- ১৮৪৮ জানুয়ারি মাস থেকে এ পত্রিকায় অক্ষয়কুমার দত্তের দার্শনিক রচনা ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’ প্রকাশ শুরু হয়।
- ব্রিটিশ Phrenologist জর্জ কুম্ব (George Combe, ১৭৮৮-১৮৫৮)- এর "The Constitution of man considered in relation to external object (1828)" গ্রন্থের ভাব অবলম্বনে ভারতবর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে অক্ষয়কুমার দত্ত এটা লিখেছেন।
- রচনাটি পরে ১৮৫১ ও ১৮৫৩ সালে দুই খণ্ডে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১.
রাজা রামমোহন রায় সম্পাদিত পত্রিকা-
  1. ব্রাহ্মণসেবধি
  2. বঙ্গদূত
  3. সম্বাদ কৌমুদী
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
• রাজা রামমোহন রায়: 
রাজা রামমোহন রায় ছিলেন একাধারে সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক ।রাজা রামমোহন রায় রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে তিনি জোর প্রচারণা চালান ।

• রাজা রামমোহন রায় সম্পাদিত পত্রিকা- 
- 'ব্রাহ্মণসেবধি' (১৮২১),
- সম্বাদ কৌমুদী, 
- ফারসি ভাষায় 'মিরাত-উল- আখবার' (১৯২২)। 

• 'ব্রাহ্মণসেবধি':
- রাজা রামমোহন রায় ১৮২১ সালে 'ব্রাহ্মণসেবধি' প্রকাশ করেন।
- পত্রিকাটির এক পৃষ্ঠায় বাংলা এবং অপর পৃষ্ঠায় এর ইংরেজি অনুবাদ থাকতো।

• 'সম্বাদ কৌমুদী':
- সম্পাদনা করেন রাজা রামমোহন রায়।
- এটি একটি সাময়িক পত্রিকা৷ যা ১৮২১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ভারতীয় জাতীয় জাগরণের লক্ষ্যে রামমোহন রায়ের পৃষ্টপোষকতায় কলকাতা থেকে প্রকশিত হয়।

অন্যদিকে,
• 'বঙ্গদূত' পত্রিকা:
- রামমোহন ও তাঁর অনুগামীদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে নীলমনি হালদার 'বঙ্গদূত' পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- বঙ্গদূত ছিল সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১০ই মে, ১৮২৯ সালে।
- এটি সংস্কারবাদী প্রগতিমুখী চিন্তায় পরিচালিত হতো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মুহর্মুহু
  2. শুশ্রুষা
  3. ফণিভূষণ
  4. বহ্ণি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ফণিভূষণ'- শুদ্ধ বানান।

• 'ফণিভূষণ' শব্দের অর্থ:
- সাপ যার গলার ভূষণ,
- সাপের আকৃতিবিশিষ্ট হাতের অলংকারবিশেষ। 

অন্য অপশনের শুদ্ধ বানানগুলো হলো:
• মুহর্মুহু - মুহুর্মুহু। 
• শুশ্রুষা - শুশ্রূষা।
• বহ্ণি - বহ্নি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৩.
রনি, সামি ও মনি এর মাঝে কিছু টাকা ২ : ৩ : ৫ অনুপাতে ভাগ করে দেওয়া হলো। যদি মনি ১৫০ টাকা পেয়ে থাকে তাহলে রনি ও সামি মোট কত টাকা পেল?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ১৮০ টাকা
  3. ১৫০ টাকা
  4. ২১০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রনি, সামি ও মনির মাঝে কিছু টাকা ২ : ৩ : ৫ অনুপাতে ভাগ করে দেওয়া হলো। যদি মনি ১৫০ টাকা পেয়ে থাকে তাহলে রনি ও সামি মোট কত টাকা পেল?

সমাধান:
ধরি,
রনি টাকা পায় ২ক টাকা
সামি টাকা পায় ৩ক টাকা
মনি টাকা পায় ৫ক টাকা

প্রশ্নমতে,
৫ক = ১৫০
বা, ক = ৩০

∴ রনি ও সামি একত্রে পায় = ২ × ৩০ + ৩ × ৩০ 
= ৬০ +  ৯০
= ১৫০ টাকা
৫৪.
5x - x2 - 6 = 0 এর মান নির্ণয় করুন।
  1. - 2, 3
  2. - 3, 2
  3. 2, 3
  4. - 2, - 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5x - x2 - 6 = 0 এর মান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
5x - x2 - 6 = 0
⇒ - x2 + 5x- 6 = 0
⇒ x2 - 5x + 6 = 0
⇒ x2 - 2x - 3x + 6 = 0
⇒ x(x - 2) - 3(x - 2) = 0
⇒ (x - 2)(x - 3) = 0
∴ x = 2  অথবা  x = 3
৫৫.
43/2 + 4- 3/2 = ?
  1. 65/8
  2. 0
  3. 32
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 43/2 + 4- 3/2 = ?

সমাধান:
43/2 + 4- 3/2
= (41/2)3 + 1/43/2
= (2)3 + (1/41/2)3
= 8 + 1/23
= 8 + 1/8
= (64 + 1)/8
= 65/8
৫৬.
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∪ B = কত?
  1. {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
  2. {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
  3. {4, 6, 8}
  4. {3, 5, 7}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∪ B = কত?

সমাধান:
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9}
= {1, 3, 5, 7, 9}

সুতরাং, A ∪ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∪ {1, 3, 5, 7, 9}
= {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
৫৭.
শতকরা ১০ টাকা হার মুনাফায় কোন আসলের ২ বছরের সরল মুনাফা ও যৌগিক মুনাফার পার্থক্য ৫০ টাকা হলে, আসল কত?
  1. ১০০০০ টাকা
  2. ৬০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা ১০ টাকা হার মুনাফায় কোন আসলের ২ বছরের সরল মুনাফা ও যৌগিক মুনাফার পার্থক্য ৫০ টাকা হলে, আসল কত?

সমাধান:
ধরি,
আসল = P টাকা
হার, r = ১০%
সময়, n = ২ বছর

∴ সরল মুনাফা I = Pnr = P × ২ × (১০/১০০) = P/৫ = ০.২P

∴ যৌগিক মুনাফা = C - P = P(১ + ১০/১০০) - P = P(১.১) - P = ১.২১P - P = ০.২১P

প্রশ্নমতে,
০.২১P - ০.২P = ৫০
বা, ০.০১P = ৫০
বা, P = ৫০/(০.০১)
∴ P = ৫০০০
৫৮.
x = √4 + √3 হলে, x3 - 1/x3 এর মান কত?
  1. 52
  2. 24√3
  3. 18√3
  4. 30√3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x = √4 + √3 হলে, x3 - 1/x3 এর মান কত?

সমাধান:
x = √4 + √3
∴ 1/x = 1/(√4 + √3)
= (√4 - √3)/(√4 + √3)(√4 - √3)
= (√4 - √3)/{(√4)2 - (√3)2}
= (√4 - √3)/(4 - 3)
= √4 - √3

x - 1/x
= √4 + √3 - √4 + √3
= 2√3

x3 - 1/x3
= (x - 1/x)3 + 3.x.(1/x)(x - 1/x)
= (2√3)3 + 3 × (2√3)
= 24√3 + 6√3
= 30√3
৫৯.
একটি বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা ২০ হলে, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা ২০ হলে, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা n হলে কর্ণের সংখ্যা = {n(n - ৩)}/২

২০ = n(n - ৩)/২
⇒ ৪০ = n(n - ৩)
⇒ ৪০ = ৮(৮ - ৩)
∴ n = ৮

∴ বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৮ টি 
৬০.
log5x + 20 = 22 হলে, x এর মান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 5
  4. 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log5x + 20 = 22 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
log5x + 20 = 22
⇒ log5x = 22 - 20
⇒ log5x = 2
⇒ x = 52   [logax = p হলে x = ap]
∴ x = 25
৬১.
একটি শ্রেণিতে ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন ছাত্রী রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী বাছাই করা হলে সে ছাত্র হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৩/৫
  2. ২/৫
  3. ১/২
  4. ১/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি শ্রেণিতে ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন ছাত্রী রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী বাছাই করা হলে সে ছাত্র হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ জন
ছাত্র আছে ২০ - ১২ জন = ৮ জন

∴ ছাত্র হওয়ার সম্ভাবনা = ৮/২০ = ২/৫
৬২.
ক একটি কাজ করে ১৬ দিনে এবং খ সেই কাজ করে ১২ দিনে। ক, খ, গ একত্রে কাজটি ৬ দিনে করতে পারলে, গ একা কতদিনে কাজটি করতে পারবে?
  1. ৪৮ দিনে
  2. ৪০ দিনে
  3. ৩২ দিনে
  4. ৩০ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক একটি কাজ করে ১৬ দিনে এবং খ সেই কাজ করে ১২ দিনে। ক, খ, গ একত্রে কাজটি ৬ দিনে করতে পারলে, গ একা কতদিনে কাজটি করতে পারবে?

সমাধান:
ক ১ দিনে করে ১/১৬ অংশ
∴ ক ৬ দিনে করে ৬/১৬ অংশ = ৩/৮ অংশ

খ ১ দিনে করে ১/১২ অংশ
খ ৬ দিনে করে ৬/১২ অংশ = ১/২ অংশ

∴ গ ৬ দিনে করে (১ - ৩/৮ - ১/২) অংশ
= (৮ - ৩ - ৪)/৮ অংশ
= ১/৮ অংশ

গ ১/৮ অংশ করে ৬ দিনে
∴ গ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ করে (৬ × ৮) দিনে
= ৪৮ দিনে
৬৩.
যদি ∣x - 4∣ > 5, তাহলে x এর মান কী হতে পারে?
  1. x > 9 অথবা x < - 1
  2. x > - 1
  3. x < 9
  4. - 1 < x < 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ∣x - 4∣ > 5, তাহলে x এর মান কী হতে পারে?

সমাধান:
∣x - 4∣ > 5

(x - 4) ধনাত্মক হলে,
x - 4 > 5
⇒ x > 9

(x - 4) ঋণাত্মক হলে,
- (x - 4) > 5
⇒ x - 4 < - 5
∴ x < - 1

∴ নির্ণেয় সমাধান: x > 9 অথবা x < - 1
৬৪.
আয়তক্ষেত্র P এর পরিসীমা ২০০ মিটার। আয়তক্ষেত্র Q এর দৈর্ঘ্য আয়তক্ষেত্র P এর দৈর্ঘ্যের চেয়ে ১০ মিটার কম এবং আয়তক্ষেত্র Q এর প্রস্থ আয়তক্ষেত্র P এর প্রস্থের চেয়ে ১০ মিটার বেশি। আয়তক্ষেত্র Q একটি বর্গক্ষেত্র হলে, আয়তক্ষেত্র P এর প্রস্থ কত?
  1. ৪০ মিটার
  2. ৩৮ মিটার
  3. ৩৫ মিটার
  4. ৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়তক্ষেত্র P এর পরিসীমা ২০০ মিটার। আয়তক্ষেত্র Q এর দৈর্ঘ্য আয়তক্ষেত্র P এর দৈর্ঘ্যের চেয়ে ১০ মিটার কম এবং আয়তক্ষেত্র Q এর প্রস্থ আয়তক্ষেত্র P এর প্রস্থের চেয়ে ১০ মিটার বেশি। আয়তক্ষেত্র Q একটি বর্গক্ষেত্র হলে, আয়তক্ষেত্র P এর প্রস্থ কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তক্ষেত্র P এর দৈর্ঘ্য x মিটার
আয়তক্ষেত্র P এর প্রস্থ y মিটার
∴ আয়তক্ষেত্র P এর পরিসীমা = ২(x + y) = ২০০ মিটার ......... (১)

∴ আয়তক্ষেত্র Q এর দৈর্ঘ্য = x - ১০ মিটার
∴ আয়তক্ষেত্র Q এর প্রস্থ = y + ১০ মিটার

আয়তক্ষেত্র Q একটি বর্গক্ষেত্র,
∴ x - ১০ = y + ১০
⇒ x = y + ১০ + ১০
∴ x = y + ২০

(১) নং এ x  এর মান বসিয়ে পাই,
২(x + y) = ২০০
বা, ২x + ২y = ২০০
বা, x + y = ১০০
বা, y + ২০ + y = ১০০
বা, ২y = ৮০
∴ y = ৪০
৬৫.
কোন সমান্তর ধারার ২য় ও ৬ষ্ঠ পদের অনুপাত ২ : ৫। যদি ধারার ৮ম পদ ২৬ হয় তাহলে ধারার ১০ম পদ কত?
  1. ২৮
  2. ২৯
  3. ৩২
  4. ৩৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সমান্তর ধারার ২য় ও ৬ষ্ঠ পদের অনুপাত ২ : ৫। যদি ধারার ৮ম পদ ২৬ হয় তাহলে ধারার ১০ম পদ কত?

সমাধান:
ধরি,
ধারার প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর = d 
∴ ধারার ২য় পদ = a + d
ধারার ৬ষ্ঠ পদ = a + 5d

প্রশ্নমতে,
(a + d)/(a + 5d) = 2/5
⇒ 5a + 5d = 2a + 10d
⇒ 3a = 5d
∴ a = (5d)/3 ........(১)

ধারার ৮ম পদ = a + 7d = 26
⇒ (5d)/3 + 7d = 26
⇒ 5d + 21d = 78
⇒ 26d = 78
∴ d = 3

(১) নং হতে পাই,
a = (5 × 3)/3 = 5

∴ ধারার ১০ম পদ (a + 9d) = 5 + 9 × 3 = 5 + 27 = 32
৬৬.
'JUMBLE' শব্দটিকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যেন শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়?
  1. ৬০
  2. ১২০
  3. ২৪০
  4. ৩৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'JUMBLE' শব্দটিকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যেন শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়?

সমাধান:
'JUMBLE' শব্দটিতে মোট ৬টি বর্ণ রয়েছে। 
যেহেতু শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হবে তাহলে ১ম ঘরে U অথবা E বসবে।
১ম ঘর বাদে বাকি ৫ ঘর ৫টি বর্ণ দিয়ে সাজানো যাবে P = ৫! = ১২০ উপায়ে

∴ মোট সাজানোর উপায় = ২ × ১২০ = ২৪০
৬৭.
২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি হতে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট কত দিন?
  1. ১৮২৫
  2. ১৮২৭
  3. ১৮২৪
  4. ১৮২৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি হতে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট কত দিন?

সমাধান:
২০২৪ ⇔ ৩৬৬ দিন [লিপ ইয়ার]
২০২৫ ⇔ ৩৬৫ দিন
২০২৬ ⇔ ৩৬৫ দিন
২০২৭ ⇔ ৩৬৫ দিন
২০২৮ ⇔ ৩৬৬ দিন [লিপ ইয়ার]

∴ মোট দিন = ৩৬৬ + ৩৬৫ + ৩৬৫ + ৩৬৫ + ৩৬৬ = ১৮২৭
৬৮.
ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রম কোনটি?
Read, Ready, Reaction, Reactive
  1. Ready, Read, Reaction, Reactive
  2. Reaction, Reactive, Ready, Read
  3. Reactive, Reaction, Ready, Read
  4. Reaction, Reactive, Read, Ready
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রম কোনটি?
Read, Ready, Reaction, Reactive

সমাধান:
অভিধান অনুযায়ী হবে,
Reaction
Reactive
Read
Ready
৬৯.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. Mare
  2. Lass
  3. Cock
  4. Filly
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন?

সমাধান:
Mare ⇒ ঘোটকী; মাদি ঘোড়া।
Lass ⇒ বালিকা; প্রেমিকা।
Cock ⇒ মোরগ; পুং চড়াই
Filly ⇒ বাচ্চা ঘোটকী, চঞ্চলা স্বাস্থ্যবতী বালিকা বা ছুকরি।

Cock বাদে বাকিগুলো স্ত্রীবাচক।
৭০.
'দ্বিপ' শব্দের অর্থ কী?
  1. কালো
  2. জলবেষ্টিত স্থল
  3. হাতি
  4. বাতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'দ্বিপ' শব্দের অর্থ কী?

সমাধান:
দ্বিপ (বিশেষ্য) হাতি।
দ্বীপ (বিশেষ্য) চারদিকে পানি বেষ্টিত ভূভাগ।
দীপ (বিশেষ্য) প্রদীপ; বাতি; আলোকধার।
৭১.
একটি খেলার মাঠের O বিন্দু থেকে শুরু করে একজন উত্তরদিকে ১০ গজ হেঁটে, তারপর ৬ গজ পূর্বে গিয়ে, এবং এরপর ২ গজ দক্ষিণে গিয়ে P বিন্দুতে পৌঁছায়। O থেকে P বিন্দু কত গজ দূরে অবস্থিত?
  1. ৯ গজ
  2. ১০ গজ
  3. ১১ গজ
  4. ১২ গজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খেলার মাঠের O বিন্দু থেকে শুরু করে একজন উত্তরদিকে ১০ গজ হেঁটে, তারপর ৬ গজ পূর্বে গিয়ে, এবং এরপর ২ গজ দক্ষিণে গিয়ে P বিন্দুতে পৌঁছায়। O থেকে P বিন্দু কত গজ দূরে অবস্থিত?

সমাধান:

OP = √(৮ + ৬) গজ
= √(৬৪ + ৩৬) গজ
= √১০০ গজ
= ১০ গজ
৭২.
৯, ২৭, ৮১, ২৪৩, ......... ধারার পরবর্তী পদ কত?
  1. ২৫৬
  2. ৫১২
  3. ২১৮৭
  4. ৭২৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯, ২৭, ৮১, ২৪৩, ......... ধারার পরবর্তী পদ কত?

সমাধান:
= ৯
= ২৭
= ৮১
= ২৪৩
= ৭২৯
৭৩.
প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ১২টি
  3. ১৬টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ রয়েছে?

সমাধান:

চিত্রে ১টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে ৮টি।
চিত্রে ২টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (২৩, ৪৫, ৬৭, ৮১) আছে ৪টি।
চিত্রে ৪টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (২৩৪৫, ৪৫৬৭, ৬৭৮১, ৮১২৩) আছে ৪টি 

∴ মোট ত্রিভুজ আছে = ৮ + ৪ + ৪ = ১৬টি 

৭৪.
P, Q থেকে লম্বা। Q, R থেকে লম্বা। M, N থেকে লম্বা। N, Q থেকে লম্বা। কে সব থেকে খাটো?
  1. M
  2. N
  3. Q
  4. R
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P, Q থেকে লম্বা। Q, R থেকে লম্বা। M, N থেকে লম্বা। N, Q থেকে লম্বা। কে সব থেকে খাটো?

সমাধান:
P, Q থেকে লম্বা
P > Q

Q, R থেকে লম্বা
Q > R

M, N থেকে লম্বা
M > N

N, Q থেকে লম্বা
N > Q

∴ P, M, N সকলে Q থেকে লম্বা। Q, R থেকে লম্বা। সুতরাং সবচেয়ে খাট R।
৭৫.
নিচের কোনটি সবচেয়ে বড়?
  1. ০.৫৭
  2. √০.৩৬
  3. ২/৩
  4. (০.৮)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সবচেয়ে বড়?

সমাধান:
০.৫৭
√০.৩৬ = ০.৬
২/৩ = ০.৬৭
(০.৮) = ০.৬৪

∴ সবচেয়ে বড় হলো ২/৩।
৭৬.
কোনো একটি স্কুলে একসারিতে ৭৫ জন ছাত্রী দাঁড়িয়ে আছে। তাদের প্রথম ৩ জনের মাথায় লাল রিবন এবং পরের ২ জনের মাথায় নীল রিবন আছে। তার পরের ৬ জনের মাথায় পুনরায় লাল রিবন এবং পরবর্তী ২ জনের মাথায় নীল রিবন রয়েছে। একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করে ছাত্রীরা দাঁড়িয়ে থাকলে ৬৮ তম, ৬৯ তম এবং ৭০ তম স্থানে দাঁড়ানো ছাত্রীদের রিবনের ক্রমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক হবে?
  1. লাল, লাল, লাল
  2. লাল, নীল, নীল
  3. লাল, লাল, নীল
  4. নীল, লাল, লাল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি স্কুলে একসারিতে ৭৫ জন ছাত্রী দাঁড়িয়ে আছে। তাদের প্রথম ৩ জনের মাথায় লাল রিবন এবং পরের ২ জনের মাথায় নীল রিবন আছে। তার পরের ৬ জনের মাথায় পুনরায় লাল রিবন এবং পরবর্তী ২ জনের মাথায় নীল রিবন রয়েছে। একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করে ছাত্রীরা দাঁড়িয়ে থাকলে ৬৮ তম, ৬৯ তম এবং ৭০ তম স্থানে দাঁড়ানো ছাত্রীদের রিবনের ক্রমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক হবে?

সমাধান:
লাল, লাল, লাল, নীল, নীল, লাল, লাল, লাল, লাল, লাল, লাল, নীল, নীল
১      ২     ৩      ৪     ৫     ৬     ৭      ৮     ৯     ১০    ১১    ১২    ১৩
১৪   ১৫   ১৬    ১৭   ১৮   ১৯   ২০    ২১    ২২   ২৩   ২৪   ২৫   ২৬
২৭  ২৮   ২৯   ৩০   ৩১  ৩২   ৩৩   ৩৪   ৩৫   ৩৬   ৩৭   ৩৮  ৩৯
৪০  ৪১    ৪২   ৪৩   ৪৪   ৪৫   ৪৬   ৪৭   ৪৮   ৪৯    ৫০   ৫১    ৫২
৫৩ ৫৪   ৫৫  ৫৬   ৫৭   ৫৮  ৫৯   ৬০   ৬১   ৬২    ৬৩  ৬৪   ৬৫
৬৬ ৬৭  ৬৮  ৬৯   ৭০   ৭১    ৭২   ৭৩    ৭৪   ৭৫

∴ ৬৮ তম, ৬৯ তম এবং ৭০ তম স্থানে দাঁড়ানো ছাত্রীদের রিবনের ক্রম:  লাল, নীল, নীল

বিকল্প:
[প্রশ্নানুসারে প্রথম ৩ জন লাল রিবন, পরের ২জন নীল রিবন, তার পরের ৬ জন লাল রিবন এবং পরবর্তী ২ জন নীল রিবন। মোট ১৩ জন অর্থাৎ (১৩ × ৫) = ৬৫ তম জন হবে নীল। তাহলে ৬৬, ৬৭ ও ৬৮ তম জন হবে লাল। পরের ২ জন নীল অর্থাৎ ৬৯ ও ৭০ জন নীল। সুতরাং ৬৮, ৫৯ এবং ৭০ তম রিবনের ক্রম হবে লাল, নীল, নীল ।]
৭৭.
একটি ঘড়ি রাত ১২ টার সময় সঠিক সময় প্রদান করেছিল। যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সঠিক সময় হতে ১ মিনিট পিছিয়ে যায়। রাত ৮ ঘটিকায় ঘড়িটি কত সেকেন্ড পিছিয়ে ছিল?
  1. ৫০ সেকেন্ড
  2. ৪৫ সেকেন্ড
  3. ৪৮ সেকেন্ড
  4. ৪০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘড়ি রাত ১২ টার সময় সঠিক সময় প্রদান করেছিল। যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সঠিক সময় হতে ১ মিনিট পিছিয়ে যায়। রাত ৮ ঘটিকায় ঘড়িটি কত সেকেন্ড পিছিয়ে ছিল?

সমাধান:
রাত ১২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মোট সময় = ১২ + ৮ ঘণ্টা = ২০ ঘণ্টা

ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সময় হারায় ৬০ সেকেন্ড
ঘড়িটি ১ ঘণ্টায় সময় হারায় ৬০/২৪ সেকেন্ড
ঘড়িটি ২০ ঘণ্টায় সময় হারায় (৬০ × ২০)/২৪ সেকেন্ড
= ৫০ সেকেন্ড
৭৮.
৪৮ হতে ১০০ পর্যন্ত ৩ এর গুণিতক কয়টি সংখ্যা আছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৭টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪৮ হতে ১০০ পর্যন্ত ৩ এর গুণিতক কয়টি সংখ্যা আছে?

সমাধান:
৪৮ হতে ১০০ পর্যন্ত ৩ এর গুণিতক সংখ্যা হলো:
৪৮, ৫১, ৫৪, ৫৭, ৬০, ৬৩, ৬৬, ৬৯, ৭২, ৭৫, ৭৮, ৮১, ৮৪, ৮৭, ৯০, ৯৩, ৯৬, ৯৯ মোট ১৮টি।

∴ ৪৮ হতে ১০০ পর্যন্ত ৩ এর গুণিতক সংখ্যা ১৮টি আছে।
৭৯.
পৃথিবীর সঙ্গে আপনার যে আকর্ষণ তাকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. পীড়ন
  4. স্থিতিস্থাপকতা
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
লুপ অফ হেনলি শরীরের নিম্নলিখিত কোন অঙ্গের অংশ?
  1. প্লীহা
  2. হৃৎপিন্ড
  3. যকৃৎ
  4. বৃক্ক
ব্যাখ্যা
• লুপ অফ হেনলি হলো বৃক্কের (Kidney) নেফ্রনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- নেফ্রন হলো বৃক্কের মূল কার্যকরী একক, যা রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করে প্রস্রাব উৎপাদন করে।
- লুপ অফ হেনলি নেফ্রনের একটি লুপের মতো অংশ, যা প্রস্রাব গঠন ও রক্তের পানির ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

লুপ অফ হেনলির কার্যক্রম:
- জল পুনরায় শোষণ:
- লুপ অফ হেনলি রক্তের পানির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- এটি শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে প্রস্রাবে পানির ঘনত্ব বাড়ায় বা কমায়।

- ইলেকট্রোলাইট শোষণ:
- সোডিয়াম (Na⁺) এবং ক্লোরাইড (Cl⁻) আয়নের পুনঃশোষণ ঘটায়।

- প্যাথওয়ে:
- এটি দুটি অংশে বিভক্ত: ডিসেন্ডিং লিম্ব (Descending limb): যেখানে পানি পুনঃশোষণ হয়।
- অ্যাসেন্ডিং লিম্ব (Ascending limb): যেখানে ইলেকট্রোলাইট শোষণ হয়।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- ক) প্লীহা (Spleen):
- প্লীহা রক্ত সঞ্চালন এবং ইমিউন সিস্টেমের জন্য কাজ করে।

- খ) হৃৎপিন্ড (Heart):
- হৃৎপিন্ড রক্ত পাম্প করার জন্য দায়ী।

- গ) যকৃৎ (Liver):
- যকৃৎ বিপাক প্রক্রিয়া ও বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনের কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৮১.
মৌলিক রাশি নয় কোনটি?
  1. বল
  2. দৈর্ঘ্য
  3. তাপমাত্রা
  4. তড়িৎপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
• মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 

যেমন- 
• দৈর্ঘ্য, 
• ভর, 
• সময়, 
• তাপমাত্রা, 
• তড়িৎপ্রবাহ, 
• দীপন তীব্রতা এবং 
• পদার্থের পরিমাণ। 

যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। 
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 

যেমন- 
• বেগ, 
• ত্বরণ, 
• কাজ, 
• বল, 
• তাপ, 
• বিভব ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে খাদ্যের কোন উপাদান?
  1. শর্করা
  2. ভিটামিন
  3. আমিষ
  4. স্নেহ
ব্যাখ্যা
• আমিষ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে।

• রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্তকণিকা ইত্যাদি অধিকাংশই আমিষ দ্বারা তৈরি।
- আমিষ দেহের এন্টিবডি উৎপাদনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
- এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতেও সাহায্য করে।

- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩.
কোনো রোগীর রক্তের pH 6.90; এই অবস্থাকে কী বলে?
  1. অ্যাসিডোসিস
  2. অ্যালকোলাসিস
  3. হাইড্রোসিস
  4. অ্যালকালিমিয়া
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিডোসিস:
- মানবদেহে রক্তের স্বাভাবিক pH মান 7.35 থেকে 7.45 এর মধ্যে থাকে।
- এটি সামান্য ক্ষারীয় (alkaline) স্বভাবের।
- রক্তের pH 7.35 এর নিচে নেমে গেলে সেটিকে অ্যাসিডোসিস (Acidosis) বলে।
- এর ফলে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায় বা ক্ষারীয় উপাদান কমে যায়।

অবস্থার বিশ্লেষণ:
- এখানে রক্তের pH মান 6.90, যা স্বাভাবিক pH-এর থেকে অনেক কম এবং এটি খুবই অ্যাসিডিক।
- এই অবস্থায় শরীরের কার্যপ্রক্রিয়াগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেমন:
- শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা,
- হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া,
- কোষে অক্সিজেন পরিবহন ব্যাহত হওয়া।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- খ) অ্যালকোলাসিস (Alkalosis):
- যখন রক্তের pH 7.45 এর বেশি হয়ে যায় (অত্যধিক ক্ষারীয়), তখন এই অবস্থাকে অ্যালকোলাসিস বলে।

- গ) হাইড্রোসিস (Hydrosis):
- এটি আসলে তাপ বা পানি সংশ্লিষ্ট অবস্থা বোঝায় এবং রক্তের pH এর সাথে সম্পর্কিত নয়।

- ঘ) অ্যালকালিমিয়া (Alkalemia):
- এটি রক্তের pH অত্যধিক ক্ষারীয় হলে (7.45 এর বেশি) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৮৪.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন মৌল?
  1. রেডন
  2. টেনেসিন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ট্যান্টালাম
ব্যাখ্যা
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
- যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 

হ্যালোজেন মৌল: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- যেমন: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।

- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়।
- যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে। 
- যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫.
টয়লেট ক্লিনার বা হারপিকের মূল উপাদান কোনটি?
  1. Hydrochloric acid (HCl)
  2. Sodium chloride (NaCl)
  3. Sodium hydroxide (NaOH)
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
• টয়লেট ক্লিনারগুলোর প্রধান সক্রিয় উপাদান হলো হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl)।
- এটি একটি শক্তিশালী অ্যাসিড, যা ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং লেমস্কেল (পানি থেকে জমে থাকা কঠিন পদার্থ) দ্রবীভূত করতে ব্যবহৃত হয়।

• টয়লেট ক্লিনার বা হারপিকের ব্যবহার:
- দাগ দূর করার জন্য: টয়লেটের উপর জমে থাকা শক্ত দাগ এবং পাথরের স্তর (scale) অপসারণে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড খুব কার্যকর।
- জীবাণু ধ্বংস করতে: এটি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে, ফলে টয়লেট আরও স্বাস্থ্যকর হয়।

অপশন আলোচনা:
- Sodium hydroxide (NaOH): এটি একটি শক্তিশালী বেস, যা সাধারণত পাইপ পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়।
- Sodium chloride (NaCl): এটি সাধারণ লবণ, যা টয়লেট ক্লিনারে ব্যবহার হয় না।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৬.
কোন উদ্ভিদের মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে?
  1. ছত্রাক
  2. মস
  3. ফার্ন
  4. শৈবাল
ব্যাখ্যা
• মস:
- মস বর্গের উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে চুলের মত সূক্ষ্ম রাইজয়েড জন্মে।
- মূলের কাজ রাইজয়েড দিয়ে সম্পন্ন হয়।
- ক্লোরোফিল থাকার জন্য এরা নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে।
- এরা সবুজ ও স্বভোজী।
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কান্ড ও পাতা রয়েছে।
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই।
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়।

• অপশন আলোচনা:
• ফার্ন:
- ফার্ন বর্গের উদ্ভিদের দেহকে মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
- এরা নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে।
- টেরিস বা ঢেঁকিশাক একটি ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।

• ছত্রাক:
- পঁচা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ভ্যাপসা আবহাওয়ায় ব্যাঙের ছাতা বা ছত্রাক জন্মাতে দেখা যায়।
- এই ব্যাঙের ছাতার আরেকটি নাম হলো এগারিকাস।
- বাসি, পঁচা রুটির উপর তুলার আঁশের মত এক প্রকার বস্তু জন্মাতে দেখা যায়।
- একে রুটির ছত্রাক বা মিউকর বলে।
- এসব উদ্ভিদ ক্লোরোফিলবিহীন।
- এ কারণে এদের রঙ সাদা।

• শৈবাল:
- আবদ্ধ জলাশয়, জমে থাকা বৃষ্টির পানি, নর্দমা, কল পাড়ের স্যাঁতসেতে মাটিতে সবুজ শেওলা জন্মে থাকে।
- এসব শেওলা জাতীয় উদ্ভিদকে শৈবাল বলা হয়।
- এদেরদেহে ক্লোরোফিল থাকে তাই নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে গ্যাসের সান্দ্রতার কী পরিবর্তন ঘটে?
  1. হ্রাস পায়
  2. বৃদ্ধি পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সান্দ্রতা: 
- সান্দ্রতা (Viscosity) হলো প্রবাহীর (তরল/বায়বীয় পদার্থের) বিভিন্ন স্তরে আপেক্ষিক গতির ক্ষেত্রে বাধা। একে প্রবাহীর ঘর্ষণ বলা যায়। 
- তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের সান্দ্রতা বাড়ে এবং তরলের সান্দ্রতা কমে। 

অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে গ্যাসের সান্দ্রতা বৃদ্ধি পায়। 
- গ্যাসের সান্দ্রতা সহগ তার কেলভিন তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
- সান্দ্রতা সহগ/গুনাংকের এস.আই একক হচ্ছে নিউটন-সেকেন্ড/মিটার (Nsm-2 বা Pas), CGS একক হচ্ছে Poise [10 Poise = 1 Nsm-2]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৮৮.
সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা কে প্রস্তাব করেছিলেন?
  1. Paul Dirac
  2. Albert Einstein
  3. Isaac Newton
  4. Marie Curie
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা প্রস্তাব করেছিলেন - Paul Dirac.
- ১৯২৮ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী Paul Dirac কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে একত্রিত করে একটি গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করেন।
- এই সমীকরণ থেকে দেখা যায়, ইলেকট্রনের মতো কণা থাকা সম্ভব যার চার্জ ইলেকট্রনের বিপরীত, অর্থাৎ ধনাত্মক।
- পরে এই কণাকে পজিট্রন (Positron) নামে অভিহিত করা হয়, যা ইলেকট্রনের অ্যান্টিম্যাটার।
- পজিট্রন বাস্তবে আবিষ্কার হয় ১৯৩২ সালে।
- এই তত্ত্বই অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণার ভিত্তি।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- খ) Albert Einstein:
- তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব দিয়েছেন এবং E=mc² সূত্রটি তৈরি করেছেন, যা পদার্থ থেকে শক্তি উৎপন্নের ধারণা দেয়।
- কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার আবিষ্কার বা ধারণার সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত নন।

- গ) Isaac Newton:
- তিনি মাধ্যাকর্ষণ এবং গতি-সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন, তবে অ্যান্টিম্যাটারের ধারণা তাঁর সময়ের আগে আসেনি।

- ঘ) Marie Curie:
- তিনি তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) নিয়ে গবেষণা করেছেন, কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার নিয়ে নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৯.
'Zoom' সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  2. সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
  3. প্রতিষ্ঠাতা: পাভেল দুরভ।
  4. ক্লাউডভিত্তিক পিয়ার-টু-পিয়ার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভিডিএ টেলফোনি ও অনলাইন চ্যাট সার্ভিস প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
• জুম (Zoom):
- ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এরিক ইউয়ান (চীনা বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)।
- সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ জন ভিডিও কানফারেন্সিং-এ জয়েন করতে পারে।
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট ভিডিও কানফারেন্সিং চালু রাখা যায়।
- জুম সফটওয়্যারটি ক্লাউডভিত্তিক পিয়ার-টু-পিয়ার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভিডিএ টেলফোনি ও অনলাইন চ্যাট সার্ভিস প্রদান করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯০.
'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ডুপ্লিকেট ডেটা সঞ্চয় করা
  2. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা
  3. ডেটা আপডেট করা
  4. টেবিল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• 'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা হলো টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা।
• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার কয়টি পদ্ধতি আছে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: C0.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ:11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
দশমিক সংখ্যা 77 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 109
  2. 113
  3. 115
  4. 117
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়।

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে কী বলে?
  1. এনক্যাপসুলেশন
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. অ্যাবস্ট্রাকশন
  4. পলিমারফিজম
ব্যাখ্যা
• ইনহেরিটেন্স:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।
- এখানে যে ক্লাসকে inherit করা হয় তাকে বলে base class এবং যে ক্লাস অন্য ক্লাসকে inherit করে তাকে বলে derived class ।

• পলিমারফিজম:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।

• এনক্যাপসুলেশন:
- অবজেক্ট এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ওয়ার্ড প্যাড
  2. ওয়ার্ডস্টার
  3. ভিসিক্যাল
  4. ম্যাকরাইট
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ড প্রসেসিং:
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।

- ভিসিক্যাল (Visicalc) হলো প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস 'freelancer.com' যাত্রা শুরু করে কত সালে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৭
  4. ২০০৯
ব্যাখ্যা
• ফ্রিল্যান্সার ডট কম:
- freelancer.com হলো আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি ওয়েব সাইট তথা ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস।
- ২০০৯ সালে সাইটটি যাত্রা শুরু করে।
- এখানে যে কেউ তার নিজের যোগ্যতা অনুসারে প্রোফাইল তৈরি করে অনলাইনের বায়ারদের পোস্টকৃত বিভিন্ন কাজের জন্য বিডের মাধ্যমে বিভিন্ন আউটসোর্সিং এর কাজ পেতে পারে।
- এখানে কাজের জন্য অসংখ্য ক্যাটাগরি রয়েছে এবং এর পেমেন্ট সিস্টেমও যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য।
- বাংলাদেশের আউটসোর্সিং-এর কাজে নিয়োজিতদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেস।
- এই কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন ম্যাট ব্যারি এবং এর কার্যালয় বর্তমানে ম্যানিলা, সিডনি, ভানকোভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা, বুয়েন্স আয়ার্স, লন্ডন ও জাকার্তায় রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯৬.
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সম্পর্কিত যে তথ্যটি সঠিক-
  1. স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয় না।
  2. ট্রান্সমিশনের গতি বেশি।
  3. প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না। 
  4. ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সবসময় সমান হয়।
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মেথড:
- প্রেরক কম্পিউটার থেকে গ্রাহক কম্পিউটারে লাইন ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে সিরিয়াল ও প্যারালাল এই দুই পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সমিশন হওয়ার সময় অবশ্যই দুই কম্পিউটারের মধ্যে এমন একটি সমঝোতা থাকা দরকার যাতে সিগন্যাল বিটের শুরু ও শেষ বুঝতে পারে।
- বিটের শুরু ও শেষ বুঝতে না পারলে গ্রহণকারী কম্পিউটার সেই সিগন্যাল থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার করতে পারে না।
- এই সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন।
- সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও ২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ১ ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না। 
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম। 
- ট্রান্সমিশনের গতি কম। 
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের Jacket-এর নিচের স্তরটিই হলো-
  1. Insulation
  2. Filler Stands
  3. Inner Conductors
  4. Shield
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের।
- তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা- ইউটিপি ক্যাবল (UTP-Unshielded Twisted pair) এবং এসটিপি ক্যাবল (STP-Shield Twisted pair)।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯.
'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর' গানটির সুরকার কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. আনোয়ার পারভেজ
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. সমর দাস
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১০০.
সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. তামান্না ই লুৎফি
  2. তাসমিন দোজা
  3. কাজী ইসরাত জাহান
  4. ইয়াসমিন সুলতানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ বিমানের প্রথম নারী পরিচালক:

- বাংলাদেশ বিমানের প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ক্যাপ্টেন তাসমিন দোজা।
- এর আগে ক্যাপ্টেন দোজা বিমানের ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগের ট্রেনিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাসমিন দোজা ফকার এফ-২৮ উড়োজাহাজের বেইজ ট্রেনিং এবং লাইন চেক ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি বিমানের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেক পাইলট হিসেবে কাজ করেন।
- সর্বশেষ বিমানের ফ্লাইট পরিচালন বিভাগের চিফ অব ট্রেইনিং বা প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ছিলেন তাসমিন দোজা।
- তিনি ফকার-২৮ এ প্রশিক্ষক পাইলট, বোয়িং-৭৩৭ এর ফ্লিট প্রধান ও প্রশিক্ষক এবং বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনারের প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক পাস করে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি থেকে ফ্লাইং লাইসেন্স লাভ করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৪ অক্টোবর ২০২৪।
১০১.
প্রথম জীবনে অশোক ছিলেন -
  1. উজ্জয়িনীর শাসনকর্তা
  2. সৌরাষ্ট্র
  3. মহীশুরের শাসনকর্তা
  4. কলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন। 
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর রফিকুল ইসলাম
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর এ.টি.এম হায়দার
  4. মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০৩.
সম্প্রতি দেশের সকল কাঁচাবাজারে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয় কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ১ অক্টোবর, ২০২৪
  3. ১ নভেম্বর, ২০২৪
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ:
- অতিমাত্রায় পলিথিন ও পস্নাস্টিক ব্যবহারের কারণে মানব শরীরে বাসা বাঁধছে ক্যানসারসহ নানা রোগ।
- পলিথিন ও পস্নাস্টিক পণ্য কয়েকশ বছরেও মাটির সঙ্গে মেশে না। বরং মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে। সেই সঙ্গে সাগর-মহাসাগরকে বিষিয়ে তুলছে বিষাক্ত পলিথিন ও পস্নাস্টিক।
- বাংলাদেশ ২০০২ সালে ১ মার্চ আইন করে বিষাক্ত পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
- আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ২০ বছর ধরে বেড়েই চলেছে পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার।
- সরকার ২০১০ সালে আরেকটি আইন করে।
- পলিথিনের বদলে পাটের ব্যবহারের জন্য জারি করা হয় 'পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০'।
- আইনে ১১টি পণ্যের মোড়ক হিসেবে পস্নাস্টিক বা পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

⇒ ২০২৪ সালের  ১ অক্টোবর থেকে দেশের সকল সুপারশপে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে কোনো ধরনের পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ রাখা যাবে না এবং ক্রেতাদের দেওয়া যাবে না।

⇒ ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে দেশের সকল কাঁচাবাজারে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১০৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
  2. ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  3. ড. মোশাররফ হোসেন
  4. ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
মুঘল শাসনামলে পরগনার প্রধান নির্বাহী কর্তাকে কী বলা হত?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
ব্যাখ্যা
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ও শিকদার ছিলেন পরগনার প্রধান নির্বাহী কর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অনুযায়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) মোট বাজেটের কত শতাংশ?
  1. ৩৩.১%
  2. ৩৩.২%
  3. ৩৩.৩%
  4. ৩৩.৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
১০৭.
স্থানীয় প্রশাসনকে কয় স্তরে ভাগ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রশাসন:
- সরকারের প্রবর্তিত নীতিসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে নিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি কর্তৃক এলাকাভিত্তিক শাসন ব্যবস্থাকে স্থানীয় প্রশাসন বলে।
- স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃপক্ষ সরকারের নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে দায়িত্ব পালন করে।
- স্থানীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ঠ যারা, তারা সকলেই সরকারী কর্মচারী।
- স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের নীতি ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয়।
- নাগরিকের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের দায়-দায়িত্বপালনের জন্য এবং স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ যুগোপযোগি করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল-
• বিভাগ।
• জেলা।
• উপজেলা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০৮.
নিচের কোন জেলায় 'কন্দ' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. রংপুর
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) কত দফা নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করেছেন?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ১১ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার ছিলেন সমগ্র পাকিস্তানে ৮০,০০০ (আশি হাজার) মৌলিক গণতন্ত্রী।
- ১৯৬৪ সালের নভেম্বর মাসে মৌলিক গণতন্ত্রীদের নির্বাচন আয়োজন করা হয়। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত হয় 'সম্মিলিত বিরোধী দল' (COP) |
- আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী মনোনীত করা হয় মিস ফাতিমা জিন্নাহকে। তিনি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভগ্নি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) ৯ দফা নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করে। যেমন-
১. একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করা হবে,
২. জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচন করা হবে,
৩. জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদকে আইন ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হবে,
৪. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন দেয়া হবে,
৫. প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করা হবে,
৬. শাসন বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হবে,
৭. আইনের ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টকে প্রদান করা হবে,
৮. সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেয়া হবে, এবং
৯. নিবর্তনমূলক সকল আইন বিলুপ্ত করা হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত?
  1. ২৬.৮৯%
  2. ২৭.১৩%
  3. ২৮.৪৬%
  4. ২৯.৭২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১১.
বাংলাদেশে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "রাজনৈতিক দল" এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৪৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫২ নং অনুচ্ছেদ:
- 'রাজনৈতিক দল' বলিতে এমন একটি অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি অন্তর্ভুক্ত, যে অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি সংসদের অভ্যন্তরে বা বাহিরে স্বাতন্ত্র্যসূচক কোন নামে কার্য করেন এবং কোন রাজনৈতিক মত প্রচারের বা কোন রাজনৈতিক তৎপরতা পরিচালনার উদ্দেশ্যে অন্যান্য অধিসঙ্ঘ হইতে পৃথক কোন অধিসঙ্ঘ হিসাবে নিজদিগকে প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৪৯নং অনুচ্ছেদে প্রচলিত আইনের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫০ নং অনুচ্ছেদে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন আদেশ রহিতকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১২.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. সরকার গঠন
  3. গণতন্ত্র রক্ষা
  4. অধিকার বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সরকার গঠন বিরোধী দলের কাজ নয়।

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন কে?
  1. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
⇒ ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন লর্ড ওয়েলেসলি।

লর্ড ওয়েলেসলির সময়ে শাসন ব্যবস্থা:

- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- তিনি রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তারের দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।
- রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় তাঁর অবদান নিতান্তই সামান্য। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি বেশকিছু সংস্কার করে গেছেন।
- তিনি এদেশের কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।
- ওয়েলেসলি বিচার ব্যবস্থার বেশকিছু সংস্কার করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
নিচের কোন মুদ্রা Special Drawing Rights এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পাউন্ড
  2. ইয়েন
  3. রুবল
  4. ইউয়ান
ব্যাখ্যা
- রুবল Special Drawing Rights এর অন্তর্ভুক্ত নয়। 

• Special Drawing Rights (SDR):

- SDR একটি সংগৃহীত ও পরিপূরক বৈদেশিক বিনিময় মুদ্রা ব্যবস্থা যা IMF কর্তৃক প্রবর্তিত ও নিয়ন্ত্রিত।
- IMF ১৯৬৯ সালে Special Drawing Rights (SDR) সিস্টেম প্রবর্তন করে।
- SDR কে IMF এর ভার্চুয়াল মুদ্রাও বলা হয়।

IMF স্বীকৃত পাঁচটি আন্তর্জাতিক মুদ্রার গড় বিনিময় হারের মাধ্যমে এটির মান নির্ধারিত হয়। 
→ মার্কিন ডলার,
→ ইউরো,
→ ইউয়ান,
→ ইয়েন,
→ পাউন্ড
--------------------------

• IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund.
- IMF কাজ শুরু করে ১৯৪৭ সালে।
- জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত স্বায়ত্তশাসিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) নতুন তহবিল থেকে প্রথম ঋণ পায়।
- ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১ মার্চ ১৯৪৭ কার্যক্রম শুরু করা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF
- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের দেশে সুবিধাজনক ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে।

সূত্র: IMF ওয়েবসাইট।
১১৫.
ইউফ্রেটিস শিল্ড নামে সিরিয়াতে সামরিক অভিযান চালায় কোন দেশ?
  1. ইসরাইল
  2. তুরস্ক
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• ইউফ্রেটিস শিল্ড অভিযান: 
- "ইউফ্রেটিস শিল্ড" নামের সামরিক অভিযানটি তুরস্ক সিরিয়ায় পরিচালনা করেছিল।
- এটি আগস্ট ২০১৬ এ শুরু হয়েছিল এবং তুর্কি বাহিনী এবং মিত্র সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলিকে জড়িত করেছিল।
- এই অভিযানের লক্ষ্য আইএসআইএস জঙ্গিদের সীমান্ত এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা এবং উত্তর সিরিয়ায় কুর্দি বাহিনীর সম্প্রসারণ রোধ করা।

বিশ্বের আলোচিত কিছু অভিযান:
- অপারেশন রেইনবো: ইসরাইলি সেনাবাহিনী কর্তৃক ফিলিস্তিনি নির্মূলে পরিচালিত অভিযান।
- স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন: রাশিয়া কর্তৃক ২০২২ সালে ইউক্রেনের উপর পরিচালিত অভিযান।
- অপারেশন বারবারোস: জার্মানি কর্তৃক রাশিয়ার উপর পরিচালিত সামরিক অভিযান।
- অপারশন ওডিসি ডন: লিবিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ব্রিটেন কর্তৃক পরিচালিত অভিযান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১৬.
কোন বৈশ্বিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে UNHCR প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরিয়ান যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

• UNHCR:
- UNHCR এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees.
- ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে UNHCR গঠিত হয়।
- এটি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
- UNHCR এর প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- সংস্থাটি ২ বার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
১১৭.
নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা নয়?
  1. IMO
  2. NATO
  3. IMF
  4. ICAO
ব্যাখ্যা
- NATO জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা নয়। 

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা: 

- জাতিসংঘের ১৫টি বিশেষায়িত সংস্থা রয়েছে, যা স্বায়ত্তশাসিত আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতিসংঘের সাথে বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- এই সংস্থাগুলি জাতিসংঘের নীতিমালা, লক্ষ্য এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করে।
- এর মধ্যে কিছু সংস্থা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে থেকেই বিদ্যমান ছিল।

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলি:
১. FAO (Food and Agriculture Organization) - খাদ্য ও কৃষি উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
২. WHO (World Health Organization) - বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে।
৩. UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) - শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতিতে উন্নয়ন সাধন করে।
৪. ILO (International Labour Organization) - শ্রমিকদের অধিকার এবং কর্মস্থলে মান উন্নয়নে কাজ করে।
৫. IMF (International Monetary Fund) - বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
৬. World Bank - অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন করে।
৭. ICAO (International Civil Aviation Organization) - আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
৮. IMO (International Maritime Organization) - সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করে।
৯. WMO (World Meteorological Organization) - আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা করে।
১০. ITU (International Telecommunication Union) - আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ এবং প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করে।
১১. IFAD (International Fund for Agricultural Development) - দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে।
১২. UNIDO (United Nations Industrial Development Organization) - শিল্পায়নে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের জন্য কাজ করে।
১৩. UPU (Universal Postal Union) - আন্তর্জাতিক ডাক ব্যবস্থাপনা এবং মানোন্নয়নে কাজ করে।
১৪. UNWTO (World Tourism Organization) - আন্তর্জাতিক পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে কাজ করে।
১৫. WIPO (World Intellectual Property Organization) - বিশ্বজুড়ে মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে কাজ করে।

সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১১৮.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়?
  1. সুমেরীয় সভ্যতা
  2. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- কৃষিনির্ভর ছিল মিশরীয় সভ্যতা।
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।

মিশরীয় সভ্যতার অবদান: 
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।

- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল ।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।
- মিশরীয়রা দর্শন, সাহিত্য চর্চাও করত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
নিচের কোন দিনকে মহাবিষুব বলা হয়?
  1. ২১ জুন
  2. ২১ মার্চ
  3. ২১ মে
  4. ২১ জুলাই
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১এ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১২০.
পৃথিবীর দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদের নাম কী?
  1. Lake Tanganyika
  2. Lake Titicaca
  3. Lake Baikal
  4. Lake Victoria
ব্যাখ্যা
- দৈর্ঘ্যে বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ হল টাঙ্গানিকা হ্রদ। 

Lake Tanganyika: 
- টাঙ্গানিকা হ্রদ পূর্ব আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ (দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১০ মাইল বা ৬৬০ কিলোমিটার) এবং রাশিয়ার বৈকাল হ্রদের পর গভীরতার দিক থেকে দ্বিতীয় (৪,৭১০ ফুট বা ১,৪৩৬ মিটার)।
- তুলনামূলকভাবে সরু এই হ্রদের প্রস্থ ১০ থেকে ৪৫ মাইল (১৬ থেকে ৭২ কিলোমিটার) পর্যন্ত এবং এটি প্রায় ১২,৭০০ বর্গমাইল (৩২,৯০০ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ তাঞ্জানিয়া ও কঙ্গো গণপ্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) মধ্যে সীমানায় অবস্থিত।   

অন্যদিকে: 
- Lake Titicaca বিশ্বের উচ্চতম নৌ চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- Lake Baikal বিশ্বের গভীরতম। 
- Lake Victoria আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১২১.
ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বেতার তরঙ্গ কোন স্তরে বাধা পেয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে?
  1. এক্সোমণ্ডল
  2. আয়নমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বলে।
- এই মণ্ডলে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ।
- তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল (Ionosphere) বলে।

তাপমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
- তাপমণ্ডলের উপরের স্তরে তাপমাত্রার পরিমাণ প্রায় স্থির থাকে।
- তীব্র সৌর বিকিরণে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মির সংঘাতে এই অংশের বায়ু আয়নযুক্ত হয়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতারতরঙ্গ আয়নমণ্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধা পেয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
১২২.
মাঝারি উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. সিরোকিউমুলাস
  2. অল্টোকিউম্যুলাস
  3. স্ট্রাটাস
  4. স্ট্রাটো-কিউমুলাস
ব্যাখ্যা

• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। 

১২৩.
"Sendai Framework 2015-2030"-এ ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য কতটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
- "Sendai Framework 2015-2030"-এ ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য ৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন’ একটি বৈশ্বিক চুক্তি,
- যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দুর্যোগ পরিকল্পনা, মোকাবিলা ও পুনর্বাসনে সহায়তার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয় ও UNDP ওয়েবসাইট।
১২৪.
তিস্তা বাঁধ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নওগাঁ
  3. নীলফামারী
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• তিস্তা বাঁধ:
- তিস্তা বাঁধ লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলাধীন দুয়ানি নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত।
- এই বাঁধে ৬১৫মি দীর্ঘ একটি কংক্রিটের কাঠামোর সঙ্গে ৪৪টি বেড়িয়েল দ্বার সংযুক্ত রয়েছে।
- বাঁধের পানি অপসারণ ক্ষমতা ১২.৭৫০ কিউমেক।
- বাঁধের উজানে সেচকার্যের জন্য নদীর ডানতীরে খালের মাধ্যমে পানি সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
- বাঁধটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে, সেচকার্যের জন্য সেচখালসমূহ খনন শুরু হয় ১৯৮৪ সালে এবং বাঁধটির সামগ্রিক কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৯৭ - ৯৮ অর্থ বৎসরে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২৫.
'আলোকবর্ষ' নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভর
  2. দূরত্ব
  3. সময়
  4. তীব্রতা
ব্যাখ্যা
- 'আলোকবর্ষ' দূরত্ব সাথে সম্পর্কিত। 

নক্ষত্র (Stars):

- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে।

- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্‌টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৬.
আইডিএ (International Development Agency) সুশাসনের কোন উপাদানের কথা উল্লেখ করেননি?
  1. অংশগ্রহণ
  2. বৈধতা
  3. স্বচ্ছতা
  4. জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
- আইডিএ (International Development Agency) সুশাসনের বৈধতার কথা উল্লেখ করেননি।  

সুশাসন:
- যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গনতান্ত্রিক উপায়ে সুনিশ্চিত হয় তাকেই সুশাসন বলে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- এটি ৪ ধরনের ধারণা নির্মাণ করে: রাজনৈতিক সুশাসন, সামাজিক সুশাসন, অর্থনৈতিক সুশাসন এবং সাংস্কৃতিক সুশাসন।
- আইডিএ (International Development Agency) সুশাসনের চারটি মূল উপাদানের কথা বলেছেন

এগুলো হল:
জবাবদিহিতা,
স্বচ্ছতা,
→ আইনের শাসন ও
অংশগ্রহণ

- ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক রিপোর্টে সুশাসনের চারটি উপাদানের কথা বলেছেন।
- এগুলো হল: সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, জবাদিহিতা, অংশগ্রহণ এবং স্বচ্ছতা।
- ইউনেস্কো (UNESCO) সুশাসনের উপাদনের কথা বলতে গিয়ে বিশ্বব্যাংকের উপাদানগুলোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের কথা বলেছেন।
- ইউএনডিপি (UNDP) সুশাসনের ৫টি মূল উপদানের কথা বলেছেন। এগুলো হল; বৈধতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও সাম্য।

সূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৭.
'লালফিতা' প্রত্যয়টি প্রথম কোন দেশে প্রচলন হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. মিশর
  4. গ্রিস
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্রে লালফিতার দৌরাত্ম্য:
- 'লালফিতা' বলতে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা ও সাবেকী আমলের নিয়ম-কানুনকে অন্ধভাবে অনুকরণ ও অনুসরণ করাকে বোঝায়।
- 'লালফিতা' প্রত্যয়টি সপ্তদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে প্রচলিত হয়।
- সে সময় দেশটিতে সরকারি অফিস- আদালতের সকল ফাইলপত্র লাল রঙের ফিতা দ্বারা বেঁধে রাখা হত।
- পরবর্তীকালে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা বোঝানোর জন্য লাল ফিতা রূপকটির ব্যবহার শুরু হয়।
- এক পর্যায়ে এসে আমলাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিকতা, দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ম-কানুনের বাড়াবাড়ি, বিলম্ব, হয়রানি ও বাড়াবাড়ি বুঝাতেও 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' কথাটির প্রচলন শুরু হয়।
- উত্তর উপনিবেশিক দেশগুলোর আমলাতন্ত্রে 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' খুব বেশি দেখা যায়।
- রাজনৈতিক নেতৃত্বের শৈথিল্যের সুযোগে আমলারা এসব দেশে বিশেষভাবে লালফিতা নির্ভর হয়ে উঠে।
- প্রশাসনের প্রচলিত নিয়ম নীতি ও বিধি-বিধানের অজুহাতে আমলারা প্রায়শ জনগণকে সেবাদানে বিলম্ব ঘটান।
- অনেক সময় মানবিক দিকটি উপেক্ষিত রেখে নিয়ম-কানুনের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকে প্রশাসন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
“স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই”- উক্তিটি কার?
  1. জন অস্টিন
  2. জে এস মিল
  3. আর্নেস্ট বার্কার
  4. উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
“স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই”- উক্তিটি করেছেন - আর্নেস্ট বার্কার।

• সুশাসন:
- আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ছাড়া অন্যটি অর্থহীন।
- তবে আইন সবসময় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে না। কেবল জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারা প্রণীত আইনই স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে। স্বেচ্ছাচারী ও স্বৈরাচার কর্তৃক প্রণীত আইন সব সময়ই স্বাধীনতা বিরোধী। যেমন- সামরিক আইন, স্বৈরাচার প্রণীত আইন স্বাধীনতা খর্ব করে।
- আর্নেস্ট বার্কারের ভাষায় বলা যায় “স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই” (Liberty and law do not quarrel).

এছাড়াও,
- “আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্তি।” উক্তিটি করেন এরিস্টটল।
- “আইন হলো আবেগ বিবর্জিত যুক্তি”- উক্তিটি করেন এরিস্টটল।
- “আইন সার্বভৌম শাসকের আদেশ” - উক্তিটি করেন জন অস্টিন।
- “আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান” - বলেছেন অধ্যাপক ডাইসি।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
নীতিবিদ্যার মূল ধারা কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• নীতিবিদ্যা:
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
- নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
- নীতিবিদ্যার মূল ধারা ৪টি।

যথা:
- পরানীতিবিদ্যা;
- ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা;
- বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা; এবং
- মানমূলক নীতিবিদ্যা। 

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য কোনটি?
  1. অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া
  2. সন্তানদের শিক্ষাদান
  3. আইন তৈরি করা
  4. উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকেরা বিভিন্ন অধিকার উপভোগ করে, কিন্তু একই সাথে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। অধিকার ভোগের সাথে সাথে নাগরিকেরা এসব কর্তব্য পালন করতে বাধ্য। একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নতি লাভে নাগরিকদের কর্তব্যপরায়ণতা অপরিহার্য। কর্তব্যবিমুখ একটি জাতি কখনোই উন্নতি অর্জন করতে বা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না।

• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য:
→ সামাজিক দায়িত্ব পালন;
→ রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন;
→ আইন মান্য করা;
→ সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন;
→ নিয়মিত কর প্রদান;
→ রাষ্ট্রের সেবা করা;
সন্তানদের শিক্ষাদান;
→ রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৩১.
মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয় কোথায়?
  1. কর্মক্ষেত্রে
  2. বিদ্যালয়ে
  3. পরিবারে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ: 
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদন্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধের প্রধান ও প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।
এছাড়া সামাজিক রীতিনীতি, প্রথা, ধর্ম, আদর্শ ইত্যাদি মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি: প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।