পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
পার্ট-১) পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। পার্ট-২) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে)। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
সূর্য যে গ্যালাক্সিতে আছে তার নাম -
  1. ক) নেবুলা
  2. খ) কোয়াসার
  3. গ) মিল্কিওয়ে
  4. ঘ) পেলিকান
ব্যাখ্যা
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম Milky Way বা আকাশ গঙ্গা।
এই ছায়াপথে প্রায় 1011 সংখ্যক নক্ষত্র রয়েছে এবং মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে আর প্রত্যেক গ্যালাক্সিতে রয়েছে আমাদের গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
.
মহাবিশ্ব সম্পর্কিত এডউইন হাবল এর তত্ত্ব অনুসারে -
  1. ক) মহাবিশ্ব প্রসারণশীল।
  2. খ) মহাবিশ্ব তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ দ্বারা পূর্ণ।
  3. গ) মহাবিশ্বের অধিকাংশ ভরই আমাদের দৃষ্টির আড়ালে রয়ে গেছে।
  4. ঘ) মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল।
ব্যাখ্যা
১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল তার ২.৫ মি. টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

১৯২৯ সালে হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।

হাবলের সূত্রানুসারে -
গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।


সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষ্ণ বিবরের ভর -
  1. ক) শূন্য
  2. খ) প্রায় শূন্য
  3. গ) প্রায় অসীম
  4. ঘ) সসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) হিগ-বোসন
  4. ঘ) মেসন
ব্যাখ্যা
- পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং যার ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে এ কণাটিই হলো হিগের কণা।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণার অপর নাম- ঈশ্বর কণা।
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান - পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট।
.
ফোটনের চার্জ কত?
  1. ক) 1.67×10-19
  2. খ) 1.67×1019
  3. গ) 1.67×10-27
  4. ঘ) 0
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।

ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হল:-
• পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি কোন বিকিরণের ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
• ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
• ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
• প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
• ফোটন এর কণা তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে ।
• E = ফোটনের শক্তি, h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক, ν = ফোটনের কম্পাঙ্ক ও হলে তার শক্তি E=hν.
.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে কোনটির মান ধ্রুব?
  1. ক) সময়
  2. খ) স্থান
  3. গ) ভর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব Einstein's Theory of Relativity
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয় । আর এ নতুন যুগের সূচনা করেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব
আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। সুতরাং আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
(ক) আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
(খ) আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
(ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)
.
E = mc2 কোন দুটির মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করে?
  1. ক) ভর ও শক্তি
  2. খ) ভর ও ওজন
  3. গ) ওজন ও শক্তি
  4. ঘ) ভর ও বেগ
ব্যাখ্যা
ভরশক্তি সম্পর্ক : E=mc2
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে একটি বিখ্যাত সম্পর্ক বের করেন। এটি হলো ভর ও শক্তির সম্পর্ক। ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের সম্পর্ক নিম্নোক্তভাবে লেখা যায়,
E = mc2
যেখানে,
E = মোট শক্তি
m= বস্তুর ভর এবং
C = আলোর দ্রুতি

এই সমীকরণটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অন্যতম ফসল যা হলো ভর শক্তির একটি রূপ । আবার শক্তির ও ভর রয়েছে বা শক্তিও ভরের একটি রূপ । ভরকে শক্তিতে রূপান্তর তেজস্ক্রিয় পদার্থের ক্ষমতার উৎস এবং নিউক্লিয় ক্ষমতা (বিদ্যুৎ) উৎপাদনের ভিত্তি।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
(ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)
.
সাল্ক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য?
  1. ক) পোলিও
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ডিপথেরিয়া
  4. ঘ) যক্ষা
ব্যাখ্যা
আমেরিকান চিকিৎসক জোনাস সাল্ক ১৯৫০ এর দশকের গোড়ার দিকে প্রথম পোলিও ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছিলেন যা inactivated poliovirus vaccine (IPV) বা সাল্ক ভ্যাকসিন নামে পরিচিত।

এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
.
'টিবি' রোগের জন্য দায়ী
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে যক্ষা বা টিবি হয়।
তবে Mycobacterium গণভুক্ত আরও কিছু ব্যাকটেরিয়া যক্ষা সৃষ্টি করতে পারে। 

- যক্ষা রোগের ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।
- যক্ষা রোগের জীবাণুর প্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কচ।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, অপুষ্টিকর ও অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ এবং অধিক পরিশ্রমে এই রোগ হয়।
- যক্ষা রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রত্যেক শিশুকে দেওয়া হয় বিসিজি টিকা।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণী, জীববিজ্ঞান
১০.
এইডস রোগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এইচআইভি সংক্রমণের প্রথম পর্যায় হলো এইডস।
  2. খ) মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৭-১০ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।
  3. গ) এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  4. ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
ব্যাখ্যা
এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 

এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ্য করা যায় এবং মায়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।

২০০৭ সালে পৃথিবীতে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩.২ মিলিয়ন, আর মারা যায় ২.১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ৩,৩০,০০০ জন ছিল নিরপরাধ শিশু। বাংলাদেশী জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এইডস বিস্তার রোধের সহায়ক।


- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১১.
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে -
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম
অস্থির বা হাড়ের প্রায় ৬০% ক্যালসিয়াম ফসফেট।
এছাড়া প্রাণীদেহে ফসফোপ্রোটিন বা ফসফোলিপিড হিসেবেও ফসফরাস থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
রিকেটস রোগের ফলে শরীরের কোনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়?
  1. ক) যকৃত
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) কিডনি
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rickets)
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রােগ হয়। অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শােষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়ােজন।
- সুতরাং, রিকেটস্‌ রোগের ফলে হাড়ের গঠন ব্যাহত হয়।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
১৩.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ
  2. খ) দুই-চতুর্থাংশ
  3. গ) দুই-্তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

তথ্যসূত্র:-
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ভূগোল প্রথম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
পৃথিবীতে আগত সৌর শক্তির কত শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়?
  1. ক) ৭১ শতাংশ
  2. খ) ২৩ শতাংশ
  3. গ) ৪৮ শতাংশ
  4. ঘ) ২৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আগত সৌর শক্তির প্রায় ২৩ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে থাকা জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা এবং ওজোন শোষণ করে নেয়  এবং 
৪৮ শতাংশ বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যায় এবং ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে। 
অর্থাৎ, মোট আগত সৌর শক্তির প্রায় ৭১ শতাংশ পৃথিবী সিস্টেম দ্বারা শোষিত হয়। 
বাকি ২৯ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে ফিরে যায়। 



উৎস: নাসা ওয়েবসাইট
১৫.
বায়ুমণ্ডলে নিচের কোন উপাদানটির পরিমান কম থাকে?
  1. ক) আর্গন
  2. খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. গ) জলীয় বাষ্প
  4. ঘ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
অপশনগুলোর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকে।

আয়তন অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা পরিমাণ -
• নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%
অক্সিজেন - ২০.৭১%
আর্গন - ০.৮০%
কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%
জলীয় বাষ্প - ০.৪১%
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ - ০.০২%
• ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
জোয়ার ও ভাটাকে মোট কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়।
এর কারণ মূলত দুটি; যথা:-
১. চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং
২. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

• সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।

• জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ:-
জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ; যথা:-
১. মুখ্য জোয়ার
২. গৌণ জোয়ার
৩. ভরা কটাল
৪. মরা কটাল


তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
শিশুদের জন্মের কত বছর পর পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে?
  1. ক) ১২ মাস
  2. খ) ২০ মাস
  3. গ) ১৮ মাস
  4. ঘ) ২৪ মাস
ব্যাখ্যা
পুষ্টিকর উপাদান নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে তাকে সিরিয়াল এবং শাকসবজি ও ডিমের মতো পারিবারিক খাবার চটকে খাওয়াতে হবে।
দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে। একেই বলে পরিপূরক খাবার খাওয়ানো। এর মধ্য দিয়ে শিশু শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়া থেকে পারিবারিক খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। শিশুর ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে ছয় মাস থেকে ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং এমন একটি সময়ে এটা হয় যখন তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

সূত্র: ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। 
১৮.
রক্তের প্রধান উপাদান
  1. ক) এরিথ্রোসাইট
  2. খ) লিউকোসাইট
  3. গ) প্লাজমা
  4. ঘ) থ্রম্বােসাইট
ব্যাখ্যা
রক্তের প্রধান উপাদান হলাে রক্তরস বা প্লাজমা
সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% হলাে রক্তকনিকা।
রক্তরসের ৯০% হলাে পানি এবং বাকি ১০% হলাে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান।

রক্তকনিকা ৩ প্রকার।
যথাঃ
১. এরিথ্রোসাইট বা লােহিত রক্তকনিকা,
২. লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকনিকা এবং
৩. থ্রম্বােসাইট বা অনুচক্রিকা।

সূত্র: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি
১৯.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ভেজাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
ব্যাখ্যা
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
২০.
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের স্তর কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ডের প্রাচীর: অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট - 

- এপিকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে।
- মায়োকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
- এন্ডোকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায় ।

অন্যদিকে -
- মানুষের হৃদপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরে দুই পাশে দুইটি অলিন্দ এবং নিচে দুই পাশে দুইটি নিলয়।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
অগ্রমস্তিষ্কের অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) সেরেব্রাম
  2. খ) মেডুলা অবলংগাটা
  3. গ) হাইপোথ্যালামাস
  4. ঘ) থ্যালামাস
ব্যাখ্যা
মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত।
যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক, (২) মধ্যমস্তিষ্ক ও (৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

অগ্রমস্তিষ্ক - অগ্রমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা- (ক) সেরেব্রাম, (খ) থ্যালামাস ও (গ) হাইপোথ্যালামাস

মধ্যমস্তিষ্ক - হাইপোথ্যালামাসের নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গোলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত, প্রথম দুটি সেরেব্রাল পেডাংকল এবং শেষের দুটি কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা।

পশ্চাৎমস্তিষ্ক - এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২২.
“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর” কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রাম ও ফেনী এই দুই জেলার ৩টি উপজেলা নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' শিল্পাঞ্চল টি গড়ে তুলা হচ্ছে।

- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
২৩.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার সর্বাধিক কোন পণ্যের?
  1. ক) কৃষিজাত পণ্য
  2. খ) কাঁচাপাট
  3. গ) চা
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় - হিমায়িত খাদ্য

• রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%। 
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’।
• ‘হিমায়িত খাদ্য’ রপ্তানি আয় ৪০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং রপ্তানির শতকরা হার ১.২০%।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
• তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কাঁচাপাট’।
• চতুর্থ সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘চা’।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
২৪.
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) প্রতিষ্ঠাকালে কতটি সদস্য ফ্যাক্টরি নিয়ে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) হলো দেশের গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন।
- এটি ১৯৪৩ সালে ১২টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪৫০০ ফ্যাক্টরি।

(উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট) ।
২৫.
“চামড়া শিল্পনগরী” প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০০৩
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা।
- তবে এর মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৬.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৮১.২৫%
  2. খ) ৪৪.৫৩%
  3. গ) ৩৬.৭২%
  4. ঘ) ৭০.৮৪%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।

- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%
- নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%।
- অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
২৭.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির-
  1. ক) ৫%
  2. খ) ১০%
  3. গ) ১১%
  4. ঘ) ৬%
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির - ৬.০৩%
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়। সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


(উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক)
২৮.
নিচের কোনটি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. গ) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি।
• সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)

• বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট
২৯.
পাকিস্তানের কোন ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে?
  1. ক) ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
  2. খ) স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান
  3. গ) সেন্ট্রাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
  4. ঘ) রিজার্ভ ব্যাংক অব পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:

- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
-ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।

[এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।]

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩০.
২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) দশম
  2. খ) নবম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত ‘"A war in a pandemic - Implications of the Ukraine crisis and COVID-19 on global governance of migration and remittance flows - Migration and Development Brief 36" শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,
⇒ ২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ দেশ হলো-
• (প্রথম) ভারত - ৮৯ (বিলিয়ন USD)
• (দ্বিতীয়) মেক্সিকো - ৫৪ (বিলিয়ন USD)
• (তৃতীয়) চীন - ৫৩ (বিলিয়ন USD)
• (চতুর্থ) ফিলিপাইন -  ৩৭(বিলিয়ন USD)
• (পঞ্চম) মিশর - ৩২ (বিলিয়ন USD)
• (ষষ্ঠ) পাকিস্তান - ৩১(বিলিয়ন USD)
(সপ্তম) বাংলাদেশ - ২২ (বিলিয়ন USD)
• (অষ্টম) নাইজেরিয়া - ১৯ (বিলিয়ন USD)
• (নবম) ইউক্রেন - ১৮ (বিলিয়ন USD)
• (দশম) ভিয়েতনাম - ১৮ (বিলিয়ন USD)

উৎস: (বিশ্ব ব্যাংক ২০২২ সমীক্ষা রির্পোট)।
৩১.
পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ-এর সংখ্যা/ধাপ কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) ।
৩২.
২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি জনবল প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয় কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কাতার
  3. গ) মালোশিয়া
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) ।
৩৩.
২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানির পরিমান কত?
  1. ক) ২৪,৯৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৩৩,৮৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৬৫, ৫৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় – ৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

• চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৬.৭০ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিলো – ৪০,০৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• ২০২১-২২ অর্থবছরের আমদানিকৃত প্রাথমিক পণ্যসমূহের মধ্যে চালের আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে শিল্পজাত পণ্য সমূহের মধ্যে ভোজ্য তৈল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রীর আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
৩৪.
বর্তমানে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ শিল্পজাত পণ্য থেকে অর্জিত হয়?
  1. ক) ৮০ শতাংশ
  2. খ) ৭০ শতাংশ
  3. গ) ৯৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি আয়ে ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%

• শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে তৈরি পোশাক থেকে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত  ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%)। অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।  

• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত পণ্য’। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে ‘কৃষিজাত পণ্য’।

উৎস: (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)।
৩৫.
অর্থসচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ক) দশ টাকা
  2. খ) পাঁচ টাকা
  3. গ) একশ টাকা
  4. ঘ) বিশ টাকা
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নোট বের করে থাকে তাদের ব্যাংক নোট বলা হয়। এসব নোটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক নোটের সংখ্যা সাতটি। এগুলো হলো:
- দশ টাকা
- বিশ টাকা
- পঞ্চাশ টাকা
- একশত টাকা
- দুইশত টাকা
- পাঁচশত টাকা এবং
- একহাজার টাকা।

• অন্যদিকে, পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।
৩৬.
বাংলাদেশে অ-তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। এগুলোকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকও বলে।
• বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলোটি। যথা:
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. জুবিলি ব্যাংক,
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক এবং
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি
• বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি
• বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি


(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৩৭.
২০২১-২২ অর্থবছর অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উংস?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ওমান
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
- ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক।