পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৫৮
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৮ প্রশ্ন

.
কারও লেখা নিজের নামে প্রকাশ করার কাজটিকে কী বলা হয়?
  1. প্লেজিয়ারিজম
  2. স্ফুফিং
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• কারও লেখা বা কোনো সৃষ্টি নিজের নামে প্রকাশ করার কাজকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি, যেখানে অন্যের লেখা, গবেষণা, ছবি বা ধারণা অনুমতি ছাড়া বা যথাযথ ক্রেডিট না দিয়ে ব্যবহার করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এটি মূল লেখক বা সৃষ্টিকর্তার শ্রম ও মেধাকে অবমূল্যায়ন করে। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্লেজিয়ারিজম শনাক্ত করতে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। নৈতিকতার দিক থেকেও এটি ভুল, কারণ নিজের মেধা বা প্রচেষ্টার পরিবর্তে অন্যের কৃতিত্ব গ্রহণ করা হয়। তাই লেখা বা গবেষণায় অন্যের কাজ ব্যবহার করলে সবসময় যথাযথ উৎস উল্লেখ করা উচিত।

- সঠিক উত্তর: ক) প্লেজিয়ারিজম। 

 • সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

.
একটি IPv6 ঠিকানায় কতগুলো বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. 64 বিট
  2. 96 বিট
  3. 256 বিট
  4. 128 বিট
সঠিক উত্তর:
128 বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
128 বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন ৬, যা IPv4-এর তুলনায় অনেক বড় ঠিকানার স্থান সরবরাহ করে। একটি IPv6 ঠিকানা মোট ১২৮ বিট লম্বা হয়, যা ৮টি হেক্সাডেসিমাল ব্লক আকারে লেখা হয়। প্রতিটি ব্লকে ১৬ বিট থাকে, ফলে ৮ × ১৬ = ১২৮ বিট হয়। এই দীর্ঘ ঠিকানার কারণে IPv6 ইন্টারনেটে কোটি কোটি ডিভাইসকে স্বতন্ত্রভাবে ঠিকানা দেওয়ার সুযোগ দেয়। IPv4 কেবল ৩২ বিট ব্যবহার করেছিল, তাই ঠিকানার ঘাটতি থাকত, কিন্তু IPv6 ১২৮ বিট ব্যবহার করে এই সমস্যা দূর করেছে।
- সুতরাং, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: ঘ) 128 বিট।

আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে কোন মেমোরিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Hard Disk
  2. RAM
  3. Pen Drive
  4. CD-ROM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে RAM (Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি তাত্ক্ষণিক এবং অস্থায়ী মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার চলাকালীন প্রোগ্রাম ও ডেটা রাখা হয়। RAM-এ সংরক্ষিত তথ্য অস্থায়ী, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে তা মুছে যায়। এটি প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে, তাই কম্পিউটারের গতি ও কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর পরিমাণ ও গুণমানের ওপর। অন্যদিকে, Hard Disk, Pen Drive, ও CD-ROM হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে তথ্য দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ করা হয়, কিন্তু প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি দ্রুত ডেটা আদানপ্রদান সম্ভব নয়। সুতরাং, দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য RAM প্রধান স্মৃতির কাজ করে।

• কম্পিউটারের স্মৃতি:
- কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
i. RAM,
ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করেছেন?
  1. Guido Van Rossum
  2. Bjarne Stroustrup
  3. Dennis Ritchie
  4. James Gosling
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করেন গুইডো ভ্যান রসাম (Guido Van Rossum)। পাইথন মূলত সহজ, পাঠযোগ্য এবং ব্যবহারকারী বান্ধব কোড লেখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং প্যাটার্ন সমর্থন করে, যেমন অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, ইম্পেরেটিভ এবং ফাংশনাল প্রোগ্রামিং। গুইডো ভ্যান রসামের লক্ষ্য ছিল এমন একটি ভাষা তৈরি করা যা নতুন প্রোগ্রামারদের জন্য সহজ এবং অভিজ্ঞ প্রোগ্রামারদের জন্য শক্তিশালী হবে। তাই পাইথনের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

- সঠিক উত্তর: ক) Guido Van Rossum.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
-ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
-১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
-সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
-যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
-এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Bjarne Stroustrup: (C++) প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

.
কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে চুপিসারে ও অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করাকে সাইবার নিরাপত্তায় কী নামে পরিচিত?
  1. স্প্যামিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) স্নিকিং। 

সাইবার নিরাপত্তার পরিপ্রেক্ষিতে স্নিকিং (Sneaking) হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে চুপিসারে এবং অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যবহারকারীদের দ্বারা করা হয়, যারা সিস্টেমের ডেটা চুরি করতে, ক্ষতি করতে বা নজরদারি চালাতে চায়। স্নিকিং-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সিস্টেমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে প্রবেশ করে, যা তথ্য গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা হুমকির মুখে ফেলে। অন্যদিকে, স্প্যামিং হলো অননুমোদিত বার্তা প্রেরণ, স্পুফিং হলো পরিচয় ভুয়ো করা, এবং প্লেজিয়ারিজম হলো কারো কাজ চুরি করা। সুতরাং অনুমতি ব্যতীত প্রবেশের জন্য সঠিক টার্ম হলো স্নিকিং।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
মাইক্রোপ্রসেসর মূলত কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসর হল কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে এবং প্রয়োজনীয় আউটপুট তৈরি করে। মাইক্রোপ্রসেসর নিজে কোনো ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না এবং এটি RAM-এর ক্ষমতা বাড়ায় না। এছাড়া এটি সরাসরি সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কাজও করে না। মূলত, এটি সফটওয়্যার দ্বারা দেওয়া কম্পিউটারের সব ধরণের নির্দেশনা পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করে, যেমন গণনা করা, তথ্য প্রক্রিয়া করা, এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
IEEE 802.11 মূলত কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. Zigbee
  4. NFC
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
ব্যাখ্যা

IEEE 802.11 হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড যা মূলত Wi-Fi প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বেতার স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (Wireless Local Area Network বা WLAN) স্থাপনে ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে কিভাবে ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করবে, ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড, সিগন্যাল মডুলেশন, এবং নিরাপত্তা প্রোটোকলসহ। Wi-Fi ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক রিসোর্সে বেতারভাবে সংযোগের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে Bluetooth, Zigbee, এবং NFC ভিন্ন ধরনের সংযোগ বা ডিভাইস কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের আওতাভুক্ত নয়। তাই IEEE 802.11 Wi-Fi-এর জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

- সঠিক উত্তর: ক) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে হয়:
  1. 177
  2. 171
  3. 167
  4. 165
সঠিক উত্তর:
165
উত্তর
সঠিক উত্তর:
165
ব্যাখ্যা

• অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে হয়: 165

• অক্টাল কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (245)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(245)8 = 2 × 82 + 4 × 81 + 5 × 80
= 2 × 64 + 4 × 8 + 5 × 1
= 128 + 32 + 5
= 165
∴ (245)8 = 165

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
বুলিয়ান অ্যাডিশন করতে কোন লজিক গেট ব্যবহার করা হয়?
  1. OR গেইট
  2. NAND গেইট
  3. NOR গেইট
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
OR গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR গেইট
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যাডিশনের জন্য OR গেইট ব্যবহার করা হয়। বুলিয়ান অ্যাডিশন হলো দুটি বাইনারি মান (0 বা 1) যোগ করার প্রক্রিয়া। OR গেইট এমন একটি লজিক গেইট যা দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটি 1 হলে আউটপুট 1 দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B থাকলে, OR গেইট আউটপুট হবে 1 যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়; আর শুধুমাত্র দুটোই 0 হলে আউটপুট হবে 0। বুলিয়ান অ্যাডিশনে এটি মূলত সাম আউটপুট (Sum) নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, NOR বা NAND গেইট মূলত নেগেশন বা কমপ্লিমেন্টারি লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি অ্যাডিশনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো OR গেইট।

• লজিক্যাল OR অপারেশন:
- বুলিয়ান অ্যালজেব্রায়, যোগ অপারেশন (A + B) হলো লজিক্যাল OR অপারেশন।
- অর্থাৎ, বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ (Addition) অপারেশনে OR গেইট ব্যবহৃত হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ মানে হলো দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটিতে যদি ১ থাকে, তাহলে ফলাফল হবে ১।
- এটি ঠিক OR গেইটের কার্যপ্রণালীর মতো, যেখানে A অথবা B ইনপুটে যেকোনো একটি বা উভয়ই ১ হলে আউটপুট ১ হয়।
- যেমন, A = 0 এবং B = 1 হলে A + B = 1 ঠিক যেমন OR গেইটে ইনপুট দিলে ফলাফল 1 হয়। 

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর
লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
NVMe এর সম্পূর্ণ অর্থ বা নাম কী?
  1. Non-Volatile Module Extension
  2. Non-Volatile Memory Express
  3. Network Virtual Machine Environment
  4. New Virtual Memory Exchange
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
ব্যাখ্যা

• NVMe-এর সম্পূর্ণ নাম হলো Non-Volatile Memory Express। এটি একটি উচ্চগতিসম্পন্ন স্টোরেজ ইন্টারফেস প্রটোকল, যা বিশেষভাবে SSD (Solid State Drive) এর জন্য তৈরি করা হয়েছে। NVMe স্টোরেজ ডিভাইসগুলোকে কম ল্যাটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথে ডেটা ট্রান্সফার করতে সাহায্য করে। এটি SATA বা SAS SSD-এর তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা রিড ও রাইট করতে সক্ষম। NVMe প্রোটোকল কমান্ড লাইন সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং CPU এর লোড কমায়, ফলে সিস্টেমের সামগ্রিক পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আধুনিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও সার্ভারগুলোতে NVMe SSD ব্যবহার করা হচ্ছে দ্রুত স্টোরেজ সমাধানের জন্য।

- সঠিক উত্তর: খ) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ibm website.

১১.
সংখ্যা যোগ করার জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন ধরনের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিকোডার
  2. রেজিস্টার
  3. এনকোডার
  4. অ্যাডার
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি লজিক সার্কিট যা দুই বা ততোধিক বিটের বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল এবং প্রয়োজনে ক্যারি আউট উৎপন্ন করে। অ্যাডারের প্রধান দুটি ধরন হলো হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং ফুল অ্যাডার (Full Adder)। হাফ অ্যাডার দুটি বিট যোগ করতে পারে এবং একটি সিঙ্গেল ক্যারি আউট তৈরি করে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারি সামলাতে সক্ষম। অ্যাডার বিভিন্ন ডিজিটাল সিস্টেমে, যেমন কম্পিউটার প্রসেসর, অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং ডিজিটাল ক্যালকুলেটর, গণনা এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনে অপরিহার্য। অন্য কম্বিনেশনাল সার্কিট যেমন ডিকোডার, এনকোডার বা রেজিস্টার সংখ্যা যোগের কাজ করে না।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক পথচলা কী দিয়ে আরম্ভ হয়?
  1. GLUNET
  2. DOCNET
  3. ETHARNET
  4. ARPANET
সঠিক উত্তর:
ARPANET
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ARPANET
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের প্রাথমিক পথচলা ARPANET দিয়ে শুরু হয়। ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ARPA (Advanced Research Projects Agency) একটি প্রকল্প শুরু করে, যার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন কম্পিউটারকে সংযুক্ত করে তথ্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে আদান-প্রদান করা। ১৯৬৯ সালে ARPANET বাস্তবায়িত হয় এবং এটি প্রথম এমন নেটওয়ার্ক যা প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ARPANET-এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারের কম্পিউটার সংযুক্ত হয় এবং ধীরে ধীরে এটি ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিকশিত হয়। এই নেটওয়ার্কের উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণের ফলেই আজকের বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সম্ভব হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ARPANET.

• ইন্টারনেট: 
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়। 
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়। 
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। 
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। 
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে কত হবে?
  1. 4
  2. 500
  3. 14
  4. 5
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

• "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে মান হবে: 5

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5

১৪.
(159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত হবে?
  1. 641.255
  2. 631.244
  3. 431.244
  4. 531.244
সঠিক উত্তর:
531.244
উত্তর
সঠিক উত্তর:
531.244
ব্যাখ্যা

• (159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান হবে: 531.244

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫.
SSD এবং HDD এর মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে?
  1. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
  2. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  3. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  4. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
সঠিক উত্তর:
SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
ব্যাখ্যা

• SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) হলো কম্পিউটারের দুই ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস। মূল পার্থক্য হলো SSD-তে কোনো মুভিং পার্ট নেই, অর্থাৎ এতে ডাটা স্টোর হয় ফ্ল্যাশ মেমোরিতে, তাই এটি দ্রুত ডাটা রিড ও রাইট করতে সক্ষম। বিপরীতে, HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক থাকে যা ঘূর্ণন করে এবং হেডের মাধ্যমে ডাটা পড়া/লিখা হয়, তাই এটি ধীর কিন্তু তুলনামূলক সস্তা। HDD-এর ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-এর তুলনায় কম। SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সাধারণ ডাটা স্টোরেজ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
- সুতরাং সঠিক পার্থক্য হলো: SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, HDD-তে আছে।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

১৬.
কোন দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়?
  1. NAND ও NOR 
  2. NOT ও AND
  3. OR ও XOR
  4. AND ও OR
সঠিক উত্তর:
NAND ও NOR 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND ও NOR 
ব্যাখ্যা

• যে কোনো দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়, তা এমন গেইট যা দিয়ে যে কোনো ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সেই গেইট ব্যবহার করেই আমরা AND, OR, NOT সহ সব ধরনের কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট ডিজাইন করতে পারি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে NAND এবং NOR গেইটই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেও NOT, AND ও OR ফাংশন তৈরি করা যায়। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR গেইট ব্যবহার করেও সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি সম্ভব। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ক) NAND ও NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
অ্যালগরিদমকে চিত্র আকারে দেখানোর পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. ছদ্ম-প্রােগ্রাম
  2. সুডােকোড
  3. ফ্লোচার্ট
  4. বেসিক কমান্ড
সঠিক উত্তর:
ফ্লোচার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোচার্ট
ব্যাখ্যা

• অ্যালগরিদমকে চিত্র আকারে দেখানোর পদ্ধতিকে ফ্লোচার্ট (Flowchart) বলা হয়। এটি একটি গ্রাফিকাল বা চিত্রমুখী উপায়, যেখানে বিভিন্ন ধাপ, সিদ্ধান্ত এবং প্রক্রিয়াগুলো প্রতীক ব্যবহার করে দেখানো হয়। ফ্লোচার্টে প্রতিটি ধাপকে বক্স বা আকার দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যেমন বর্গক্ষেত্র ধাপ, ডায়মন্ড আকার সিদ্ধান্ত বোঝায়। ধাপগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বা প্রবাহ দেখাতে তীরচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি প্রোগ্রামার বা ব্যবহারকারীর জন্য অ্যালগরিদম বোঝা সহজ করে, কারণ লিখিত কোডের চেয়ে চিত্র আকারে ধাপগুলো দ্রুত বুঝা যায়। শিক্ষার্থী, সফটওয়্যার ডিজাইনার ও প্রকৌশলীরা এটি ব্যবহার করে প্রক্রিয়াগুলো পরিকল্পনা ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই অ্যালগরিদমের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার জন্য ফ্লোচার্ট সবচেয়ে প্রচলিত এবং কার্যকর মাধ্যম।

- সঠিক উত্তর: গ) ফ্লোচার্ট। 

• প্রবাহচিত্র/ফ্লোচার্ট:
- এটি অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল।
- ফ্লোচার্ট অনুসরণ করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।

• সুডােকোড:
- প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়।
- Pseudo অর্থ ছদ্ম।
- সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।

• বেসিক কমান্ড:
- বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।

• বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
- এসব শব্দ বেসিক চলক হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।

• অ্যালগরিদম:
- সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
কোন নেটওয়ার্কে সব কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্টের ভূমিকা পালন করে?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার
ব্যাখ্যা

• যে নেটওয়ার্কে সব কম্পিউটার একই সময়ে সার্ভার ও ক্লায়েন্টের ভূমিকা পালন করে, তাকে পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer, P2P) নেটওয়ার্ক বলা হয়। এতে কোনো কেন্দ্রীভূত সার্ভার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইল, প্রোগ্রাম বা সার্ভিস শেয়ার করতে পারে। অর্থাৎ, একটি কম্পিউটার ডেটা চাইলে ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে এবং অন্যদিকে সেই একই কম্পিউটার অন্যের জন্য তথ্য সরবরাহ করলে সার্ভার হিসেবে কাজ করে। এই নেটওয়ার্ক সাধারণত ছোট বা মাঝারি আকারের পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দ্রুত ফাইল শেয়ারিং এবং সরাসরি সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) পিয়ার টু পিয়ার।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
নিচের তালিকার কোনটি ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. Access
  2. Foxpro
  3. Oracle
  4. Excel 
সঠিক উত্তর:
Excel 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excel 
ব্যাখ্যা

• Access, FoxPro এবং Oracle সবই ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত। Access মাইক্রোসফটের একটি রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ছোট থেকে মাঝারি আকারের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। FoxPro একটি পুরনো কিন্তু শক্তিশালী ডেটাবেস সিস্টেম যা প্রোগ্রামিং ও ডেটা ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়। Oracle হলো একটি এন্টারপ্রাইজ লেভেলের রিলেশনাল ডেটাবেস যা বড় এবং জটিল ডেটা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা সংখ্যার হিসাব, তালিকা তৈরি এবং সহজ ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়। তাই তালিকায় Excel ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয় না।


• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।

- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program and Graphics software: Adobe Photoshop, Harvard Graphics, Page Maker, Freelance Graphics.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার প্রক্রিয়ায় কোন প্রোটোকল কাজ করে?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা

• ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার সময় মূলত HTTP (HyperText Transfer Protocol) প্রোটোকল কাজ করে। যখন আপনি ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের URL লিখেন, তখন ব্রাউজারটি HTTP ব্যবহার করে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এই প্রোটোকলটি ক্লায়েন্ট (আপনার ব্রাউজার) এবং সার্ভার (ওয়েবসাইটের সার্ভার) এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ব্রাউজার HTTP অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার HTTP রেসপন্সে ওয়েবপেজের HTML, CSS, JavaScript ইত্যাদি ফাইল পাঠায়। অন্য প্রোটোকল যেমন TCP/IP নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য, SMTP ইমেইলের জন্য, আর FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং ওয়েবপেজ দেখার ক্ষেত্রে সঠিক প্রোটোকল হলো HTTP.

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

২১.
IoT ডিভাইসগুলোতে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোন প্রোটোকল সবচেয়ে প্রচলিত?
  1. MQTT
  2. HTTP
  3. FTP
  4. SMTP
সঠিক উত্তর:
MQTT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MQTT
ব্যাখ্যা

• IoT (Internet of Things) ডিভাইসগুলোতে তথ্য বিনিময় এবং যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত প্রোটোকল হলো MQTT. MQTT একটি হালকা ওজনের, পাবলিশ/সাবস্ক্রাইব ভিত্তিক প্রোটোকল যা বিশেষভাবে ব্যান্ডউইথ সীমিত এবং রিসোর্স কম্পিউটার ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম ডেটা শেয়ার করা সহজ করে এবং নেটওয়ার্কে কম লোড ফেলে। HTTP সাধারণত ওয়েব সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত হয়, FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য, এবং SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। IoT পরিবেশে দ্রুত, হালকা ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের জন্য MQTT অনেক বেশি উপযোগী এবং এটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন, স্মার্ট হোম, এবং সেন্সর ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

 • IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IoT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

২২.
কোনটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত নয়?
  1. AVG
  2. Kaspersky
  3. Chrome
  4. Bitdefender
সঠিক উত্তর:
Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chrome
ব্যাখ্যা

• উক্ত চারটি অপশনের মধ্যে Chrome (গ) একটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত নয়। AVG, Kaspersky এবং Bitdefender সবাই শক্তিশালী এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য অনলাইন হুমকির থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে, Google Chrome একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে পেজ ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, ইমেইল চেক করা ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত সিকিউরিটি ফিচার যেমন সেফ ব্রাউজিং অফার করে, কিন্তু কোনো স্বতন্ত্র এন্টিভাইরাস ফাংশন নেই। তাই, এদের মধ্যে Chrome সঠিক উত্তর।
 
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
৪ নিবল _______ বিটের সমান।
  1. ১৮
  2. ১২
  3. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা

• ৪ নিবল কত বিটের সমান তা বোঝার জন্য প্রথমে “নিবল” এবং “বিট” সম্পর্কটি জানা দরকার। একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিট (Bit) এর সমান। এখানে বিট হলো সবচেয়ে ছোট তথ্যের একক যা ০ বা ১ হতে পারে। সুতরাং, যদি ৪টি নিবল থাকে, তাহলে মোট বিটের সংখ্যা হবে ৪ × ৪ = ১৬। তাই চারটি নিবল ১৬ বিটের সমান। অতএব সঠিক উত্তর হলো ঘ) ১৬। এটি কম্পিউটার এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের মৌলিক ধারণা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

• নিবল (Nibble):
- এক বাইটের অর্ধেক বা ৪ বিটকে নিবল বলা হয়।
- নিবল মূলত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এর কারণ হলো বাইনারির চারটি বিটকে একত্রে গ্রুপ করলে সেই গ্রুপটিকে একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা উপস্থাপন করা সম্ভব।
- হেক্সাডেসিমালের এই চার বিটের কোডকে প্রকাশের জন্য মূলত নিবল উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।

- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৪.
কোন প্রোগ্রাম লাইন-বাই-লাইন অনুবাদ করে আউটপুট প্রদর্শন করে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপ্রেটার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা সোর্স কোডকে একবারে সম্পূর্ণভাবে কম্পাইল না করে, বরং লাইন-বাই-লাইন পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অনুবাদ করে আউটপুট দেখায়। অর্থাৎ, কোডের প্রতিটি লাইন একটির পর একটি পরীক্ষা ও কার্যকর হয়, ফলে ত্রুটি থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধরা যায়। এটি সাধারণত প্রোগ্রাম ডিবাগিং এবং শেখার জন্য সুবিধাজনক, কারণ ব্যবহারকারী দ্রুত ফলাফল দেখতে পারে। কম্পাইলারের ক্ষেত্রে পুরো প্রোগ্রাম প্রথমে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর আউটপুট আসে, আর অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে, লাইনের ভিত্তিতে নয়। তাই লাইনে লাইনে আউটপুট দেখানো সুবিধা শুধুমাত্র ইন্টারপ্রেটার এর।

অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
রিলেশনাল ডাটাবেজ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
  4. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ হলো একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি, যেখানে প্রতিটি টেবিল সারি (রেকর্ড) এবং কলাম (ফিল্ড) নিয়ে গঠিত। প্রতিটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা যায় সাধারণ কী (Primary Key) ও বৈদেশিক কী (Foreign Key) ব্যবহার করে, যা ডেটা সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানকে সহজ করে। এটি শুধুমাত্র ডেটা সংরক্ষণের জন্য নয়, ডেটার মধ্যকার সম্পর্ক বিশ্লেষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই রিলেশনাল ডাটাবেজ কোনো একক ফাইল বা ইনডেক্স ফাইল নয়, বরং তথ্যের সুশৃঙ্খল ও কাঠামোবদ্ধ উপস্থাপনা যেখানে ডেটার অখণ্ডতা এবং পুনঃব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। এটি আধুনিক সফটওয়্যার ও ব্যবসায়িক সিস্টেমের মূল ভিত্তি।

- সঠিক উত্তর: গ) একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

২৬.
কোন ধরনের হ্যাকাররা ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় কারণে হ্যাক করে?
  1. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন হ্যাকার যারা কখনও কখনও আইনগত বা নৈতিক সীমার মধ্যে থাকে এবং কখনও তা অতিক্রম করে। তারা মূলত সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, যা ইতিবাচক কারণ হিসেবে ধরা হয়। তবে, তারা অনুমোদন ছাড়া এই কাজ করতে পারে বা কিছু ক্ষতিকারক কার্যকলাপে জড়িত হতে পারে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নৈতিকতার দিক থেকে সাদা এবং কালো হ্যাটের মধ্যে মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। তারা সাধারণত সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য হ্যাক করে, কিন্তু কখনও কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৌতূহলের জন্য অননুমোদিত হ্যাকিংও করে।

হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৭.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতি প্রযোজ্য?
  1. উচ্চ রক্তচাপ
  2. প্রোস্টেট ক্যান্সার
  3. ডায়াবেটিকস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রোস্টেট ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোস্টেট ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

• প্রোস্টেট ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।
- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ব্যবহার করে অসুস্থ টিস্যু বা কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি প্রধানত ক্যান্সার ও কিছু ক্ষত সৃষ্টি রোগে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করে ক্যান্সারগ্রস্ত টিস্যু সংলগ্ন কোষ নষ্ট করা হয়, যা রোগের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে। তবে উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো সিস্টেমিক রোগের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না। তাই প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে শুধুমাত্র প্রোস্টেট ক্যান্সার (খ) এর চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি প্রযোজ্য। এটি একটি লক্ষ্যভিত্তিক, ক্ষুদ্র আক্রমণাত্মক চিকিৎসা পদ্ধতি।
 
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, চর্ম রোগ ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, তা ক্রায়োসার্জারিতে হয় না।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ অনেক কম হয় ও হাসপাতালেও অনেক কম সময় থাকা লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজি "হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি" নামে পরিচিত?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যেখানে নোডগুলো স্তরভিত্তিক বা ধাপে ধাপে সাজানো থাকে, অর্থাৎ এক ধরনের "বৃক্ষের মতো" গঠন থাকে। এতে একটি মূল নোড থাকে যা উপরের স্তরে অবস্থান করে এবং এর অধীনে অন্যান্য নোডগুলো শাখার মতো যুক্ত থাকে। এই কারণে এটি “ট্রি টপোলজি” নামেও পরিচিত। ট্রি টপোলজিতে তথ্য প্রেরণ বা সংযোগ স্থাপন করা একটি কেন্দ্রীয় নোডের মাধ্যমে ঘটে, যা হায়ারার্কির ধারণা প্রতিফলিত করে। অন্য টপোলজিগুলো যেমন মেশ, রিং বা বাস টপোলজি স্তরভিত্তিক কাঠামোর মতো হায়ারার্কিক্যাল কাঠামো তৈরি করে না।
- তাই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজির সঠিক উত্তর হলো ক) ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
গুগল কোন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছে?
  1. Siri
  2. Gemini
  3. Alexa
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা

•  গুগল একটি অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছে যার নাম Gemini. এটি একটি উন্নত ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (Language Model) যা মানুষের মতো পাঠ্য বোঝা, লিখা, বিশ্লেষণ এবং সমস্যা সমাধানে সক্ষম। Gemini শুধুমাত্র তথ্য অনুসন্ধান নয়, বরং জটিল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং বিভিন্ন কাজে সহায়তা করতে পারে।
- অন্যদিকে, Alexa হলো আমাজনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভয়েস সহকারী, এবং Siri হলো অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী। সুতরাং, গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Gemini ছাড়া অন্য কোনো অপশন সঠিক নয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (ক) Gemini.

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
ROM-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনটি কী নামে পরিচিত?
  1. Malware
  2. Lip - lop
  3. Virus
  4. Firmware
সঠিক উত্তর:
Firmware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firmware
ব্যাখ্যা

ROM-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন হলো সেই প্রোগ্রাম যা সরাসরি কম্পিউটারের Read-Only Memory (ROM) এ সংরক্ষিত থাকে এবং যা হার্ডওয়্যার চালানোর জন্য অপরিহার্য। এই ধরনের সফটওয়্যার সাধারণত পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না এবং এটি কম্পিউটার বা ডিভাইসের মৌলিক কার্যক্রম চালাতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়ার জন্য BIOS বা মোবাইল ডিভাইসে হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করা সিস্টেম প্রোগ্রাম ROM-এ থাকে। এটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়, কারণ এটি ক্ষতিকারক নয় এবং ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণে সাধারণত পরিবর্তনযোগ্য নয়। সুতরাং, ROM-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনকে Firmware বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Firmware.

• ROM:
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম Firmware.
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তা কে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ জাতীয় প্রোগ্রাম কেবলমাত্র কম্পিউটারের পর্দায় দেখা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী কর্তৃক এ জাতীয় প্রোগ্রামকে কোন পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
যেমন: কম্পিউটার রান করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের মনিটরে বেশ কিছু তথ্য দেখা যায়। এগুলো ফার্মওয়্যারের আউটপুট।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১সংস্করণ)।

৩১.
"ইমেইল মেসেজ রিট্রিভাল"- কোন প্রোটোকলের মাধ্যমে হয়?
  1. POP3
  2. FTP
  3. TCP
  4. SMTP
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

• ইমেইল মেসেজ রিট্রিভাল মূলত POP3 (Post Office Protocol version 3) প্রোটোকলের মাধ্যমে হয়। POP3 ব্যবহার করে ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে তার ইনবক্সের ইমেইল ডাউনলোড করতে পারে এবং স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করতে পারে। এটি মূলত অফলাইন রিডিংয়ের সুবিধা দেয়, কারণ একবার মেসেজ ডাউনলোড হলে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও মেসেজ পড়তে পারে। অন্যদিকে, SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য এবং TCP একটি যোগাযোগ প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে, কিন্তু সরাসরি মেসেজ রিট্রিভালের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- তাই ইমেইল রিট্রিভালের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো POP3.

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

৩২.
মাইক্রোসফটের হেডকোয়ার্টার কোথায় অবস্থিত?
  1. সানফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. মাউন্টেন ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের হেডকোয়ার্টার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত, এবং এটি সঠিকভাবে ওয়াশিংটন রাজ্যে অবস্থান করছে। মাইক্রোসফট একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং ক্লাউড সার্ভিস তৈরি ও পরিচালনা করে। এর প্রধান কার্যালয় রেডমন্ড শহরে, সিয়াটলের কাছে, যা ওয়াশিংটন রাজ্যের অন্তর্গত। এই হেডকোয়ার্টার থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী ব্যবসা পরিচালনা করে, বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন উইন্ডোজ, অফিস স্যুট, আজুর ক্লাউড এবং এক্সবক্স গেমিং কনসোলের জন্য কৌশল এবং নীতি নির্ধারণ করা হয়। তাই মাইক্রোসফটের মূল কেন্দ্রীয় অফিসের অবস্থান ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

- সঠিক উত্তর: খ) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য-  জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত) 
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৩.
MS PowerPoint কোন ধরনের কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে পরিচিত?
  1. Presentation Software
  2. System Utility Software
  3. Word Processing Software
  4. Database Management Software
সঠিক উত্তর:
Presentation Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presentation Software
ব্যাখ্যা

• MS PowerPoint একটি Presentation Software বা উপস্থাপন সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের তথ্য, ছবি, গ্রাফ, চার্ট এবং ভিডিও সংযোজন করে সুন্দর ও আকর্ষণীয় স্লাইড তৈরি করার সুযোগ দেয়। PowerPoint-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী বা যে কোনো ব্যবহারকারী তাদের ধারণা সহজ ও কার্যকরভাবে শ্রোতার সামনে উপস্থাপন করতে পারে। এটি সাধারণত প্রেজেন্টেশন, রিপোর্ট, সেমিনার বা মিটিং-এ তথ্য উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্য সফটওয়্যারের মতো এটি সিস্টেম পরিচালনা করে না, ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে না বা লেখা সম্পাদনার জন্য নয়। তাই MS PowerPoint Presentation Software এর অন্তর্ভুক্ত।

- উত্তর: ক) Presentation Software.
 
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note, Mac write, ইত্যাদি।
২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro,ইত্যাদি।
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access, ইত্যাদি।
৪। Internet browser: Google chrome, Firefox, Opera mini, ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
Utility Software → সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ (যেমন Antivirus, Disk Cleanup) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।

৩৪.
5 লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইন হবে:
  1. 16 টি 
  2. 32 টি 
  3. 64 টি 
  4. 88 টি 
সঠিক উত্তর:
32 টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32 টি 
ব্যাখ্যা

• 5-লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইনের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় বিন্যাস অনুযায়ী। সাধারণত, একটি লিনিয়ার ডিকোডার n-লাইন ইনপুট পেলে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হয় 2n
- এখানে ইনপুট লাইনের সংখ্যা 5, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 25, অর্থাৎ 32 


• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 5 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 25 = 32 টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য চুরি করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Debugging
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াকে Phishing বলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতারকরা নিজেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজেই বিভ্রান্ত হয়। সাধারণত আকর্ষণীয় লিংক, জরুরি বার্তা বা ভয়ের ভাষা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়। ফিশিং আক্রমণের ফলে আর্থিক ক্ষতি, পরিচয় চুরি এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই অচেনা লিংক বা সন্দেহজনক ই-মেইল থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
- সঠিক উত্তর: ক) Phishing.

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৬.
One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য কোন উপাদানগুলো প্রয়োজন?
  1. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. একটি ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা

• One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী প্রয়োজন, অর্থাৎ সঠিক উত্তর ক)। ডাটাবেসে One টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড Many টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এজন্য One টেবিলের প্রাইমারি কী Many টেবিলে ফরেন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রাইমারি কী প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে শনাক্ত করে, আর ফরেন কী দুইটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। দুটি প্রাইমারি কী বা দুটি ফরেন কী ব্যবহার করে সরাসরি One to Many রিলেশন তৈরি করা যায় না।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৭.
কোন কোম্পানি Azure নামের PaaS ভিত্তিক ক্লাউড সেবা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Oracle
  2. SAP
  3. Salesforce
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
Microsoft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft
ব্যাখ্যা

• Azure নামের PaaS ভিত্তিক ক্লাউড সেবাটি উদ্ভাবন করেছে Microsoft, যা সঠিক উত্তর ঘ) Microsoft। Microsoft Azure একটি শক্তিশালী ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা Platform as a Service (PaaS), Infrastructure as a Service (IaaS) এবং Software as a Service (SaaS) সুবিধা প্রদান করে। Azure-এর মাধ্যমে ডেভেলপাররা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডিপ্লয় ও ম্যানেজ করতে পারেন, নিজস্ব সার্ভার স্থাপনের ঝামেলা ছাড়াই। এটি বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটাবেস, AI, মেশিন লার্নিং এবং সিকিউরিটি সাপোর্ট করে। বিশ্বব্যাপী বহু প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় Microsoft Azure ব্যবহার করছে।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৮.
হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত ঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালগুলোতে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. এনালগ কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালগুলোতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় (গ)। কারণ হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত মূলত এনালগ প্রকৃতির, যা ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়। এই এনালগ সংকেত প্রথমে এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় এবং পরে তা ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত করে বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ ও ডিজিটাল- উভয় কম্পিউটারের সুবিধা একসাথে ব্যবহার করতে পারে। ফলে এটি দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকরভাবে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
OCR প্রধানত কোন ধরনের কন্টেন্টকে কোন আকারে রূপান্তর করে?
  1. ছবি থেকে টেক্সট
  2. টেক্সট থেকে ছবি
  3. ভিডিও থেকে টেক্সট
  4. অডিও থেকে টেক্সট
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
ব্যাখ্যা

⚪  OCR (Optical Character Recognition) প্রধানত ছবি থেকে টেক্সট রূপান্তর করার প্রযুক্তি। অর্থাৎ স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি, পিডিএফ বা হাতে লেখা কাগজের ভেতরে থাকা লেখা OCR-এর মাধ্যমে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করা হয়। এই প্রযুক্তি ছবির মধ্যে থাকা অক্ষর, শব্দ ও বাক্য শনাক্ত করে সেগুলোকে কম্পিউটার-পঠনযোগ্য টেক্সটে বদলে দেয়, যাতে লেখা কপি করা, সম্পাদনা করা বা সার্চ করা যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে OCR-এর সঠিক কাজকে নির্দেশ করে ক) ছবি থেকে টেক্সট। এটি শিক্ষা, অফিসিয়াল ডকুমেন্ট ডিজিটাইজেশন এবং ডেটা এন্ট্রিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

⚪ OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।

- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

⚪ OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
BIOS কম্পিউটারে কোন কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ভাইরাস স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে। কম্পিউটার অন করলে BIOS প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে (POST), তারপর হার্ডডিস্ক, SSD বা অন্য বুট ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম মেমোরিতে লোড করে। ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট, হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স বা ভাইরাস স্ক্যানিং BIOS-এর প্রধান কাজ নয়; এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম বা আলাদা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

 
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪১.
সফটওয়্যারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোন ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়?
  1. ফায়ারওয়াল
  2. এক্সেস পয়েন্ট
  3. ম্যালওয়ার
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফায়ারওয়াল ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। ফায়ারওয়াল হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন বা বাধা প্রদান করে। এটি অননুমোদিত ব্যবহারকারী, হ্যাকার এবং ক্ষতিকর আক্রমণ থেকে সিস্টেমকে রক্ষা করে। ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার- উভয় রূপেই হতে পারে। অন্যদিকে এক্সেস পয়েন্ট নেটওয়ার্ক সংযোগ দেয়, ম্যালওয়ার ক্ষতিকর সফটওয়্যার এবং রাউটার ডেটা আদান-প্রদানে সাহায্য করে, কিন্তু সরাসরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।

ফায়ারওয়াল: 
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়। 
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না। 

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং
- ব্রিটানিকা।

৪২.
কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন কনসেপ্ট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে?
  1. IoT
  2. Robotics
  3. Biometrics
  4. VR technology
সঠিক উত্তর:
VR technology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR technology
ব্যাখ্যা

⚪ কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন কনসেপ্ট অনুযায়ী তৈরি করা প্রযুক্তিটি হলো ঘ) VR technology (Virtual Reality)। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার দ্বারা সৃষ্ট একটি কৃত্রিম পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অনুভূতি পায়। এতে থ্রিডি গ্রাফিক্স, সেন্সর, হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে ও বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাস্তব জগতের অনুকরণ করা হয়। প্রশিক্ষণ, গেমিং, চিকিৎসা, স্থাপত্য নকশা ও শিক্ষাক্ষেত্রে VR ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ব্যবহারকারীর চোখ ও কানের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে সে নিজেকে একটি সিমুলেটেড বাস্তব জগতে উপস্থিত মনে করে।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৩.
কোন যন্ত্রটি একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ককে (LAN) বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করে?
  1. রাউটার
  2. রিপিটার
  3. সুইচ
  4. ব্রিজ
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

• একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক (LAN)কে বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার দুটি বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট পাঠানোর কাজ করে এবং IP ঠিকানা অনুযায়ী পথ নির্ধারণ করে। এটি LAN-এর ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেট বা অন্য WAN-নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ করতে সক্ষম করে। অন্যদিকে, রিপিটার শুধুমাত্র সিগন্যাল শক্তিশালী করে দূরত্ব বৃদ্ধি করে, সুইচ LAN-এর ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে, এবং ব্রিজ দুটি LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তাই WAN-এ সংযোগ স্থাপনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যন্ত্র হলো রাউটার।

রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ব্রিজ - দুটি LAN সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা ট্রাফিক ম্যানেজ করে।
- সুইচ - LAN-এর মধ্যে ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা প্যাকেটগুলিকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায়।
- রিপিটার - সিগনালের শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামিকে সংযোগ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
"স্লাইড রুল" - কোন শ্রেণির কম্পিউটার উদাহরণ ?
  1. Digital computer
  2. Analog Computer
  3. Hybrid computer
  4. Quantum computer
সঠিক উত্তর:
Analog Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Analog Computer
ব্যাখ্যা

• “স্লাইড রুল” একটি অ্যানালগ যন্ত্র যা গণনা এবং সংখ্যা সম্পর্কিত হিসাব করার জন্য ব্যবহৃত হতো। এটি মূলত Analog Computer এর উদাহরণ, কারণ এটি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার না করে নিরবচ্ছিন্ন মান বা ধারাবাহিক রূপের সংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে গাণিতিক ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করত। স্লাইড রুলের সাহায্যে গুণ, ভাগ, ঘনমূল, লগারিদম প্রভৃতি জটিল গণনা করা সম্ভব হতো। এটি বৈদ্যুতিক বা মেকানিক্যাল কোন যন্ত্র না হলেও গণনায় সরাসরি ধারাবাহিক ভৌত পরিমাপের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং, এটি ডিজিটাল কম্পিউটার নয়, বরং Analog Computer-এর শ্রেণিতে পড়ে।

- সঠিক উত্তর: খ) Analog Computer.

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম X (Twitter) -এ কাউকে ট্যাগ করার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. &
  2. $
  3. @
  4. #
সঠিক উত্তর:
@
উত্তর
সঠিক উত্তর:
@
ব্যাখ্যা

• “স্লাইড রুল” একটি অ্যানালগ যন্ত্র যা গণনা এবং সংখ্যা সম্পর্কিত হিসাব করার জন্য ব্যবহৃত হতো। এটি মূলত Analog Computer এর উদাহরণ, কারণ এটি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার না করে নিরবচ্ছিন্ন মান বা ধারাবাহিক রূপের সংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে গাণিতিক ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করত। স্লাইড রুলের সাহায্যে গুণ, ভাগ, ঘনমূল, লগারিদম প্রভৃতি জটিল গণনা করা সম্ভব হতো। এটি বৈদ্যুতিক বা মেকানিক্যাল কোন যন্ত্র না হলেও গণনায় সরাসরি ধারাবাহিক ভৌত পরিমাপের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং, এটি ডিজিটাল কম্পিউটার নয়, বরং Analog Computer-এর শ্রেণিতে পড়ে।

- সঠিক উত্তর: গ) @.

• X (Twitter):
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (জানুয়ারি, ২০২৫)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

৪৬.
যখন ক্যাশ মিস হয়, সিস্টেম কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়?
  1. CPU অনুরোধকে উপেক্ষা করে
  2. ডেটা ক্যাশ থেকে নেওয়া হয়
  3. CPU সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়
  4. ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়
ব্যাখ্যা

• যখন CPU ক্যাশে থাকা ডেটার জন্য অনুরোধ করে এবং সেই ডেটা ক্যাশে নেই, তখন এটি ক্যাশ মিস হয়। এই পরিস্থিতিতে CPU ক্যাশ থেকে ডেটা পাওয়া যায় না, তাই সিস্টেমকে ডেটা মেইন মেমরি থেকে আনতে হয়। CPU অপেক্ষা করতে থাকে যতক্ষণ না মেমরি থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা নিয়ে ক্যাশে লোড করা হয়। এটি অস্থায়ীভাবে CPU-এর কার্যক্ষমতাকে কিছুটা ধীর করে, কারণ মেইন মেমরির অ্যাক্সেস ক্যাশের তুলনায় অনেক ধীর। সুতরাং, ক্যাশ মিসের সময় সিস্টেম CPU বন্ধ বা অনুরোধ উপেক্ষা করে না; বরং ডেটা মেইন মেমরি থেকে আনানো হয় এবং তারপর CPU-কে সরবরাহ করা হয়। সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৪৭.
যে ক্লাউড সংস্থা প্লাটফর্ম-ভিত্তিক পরিষেবা সরবরাহ করে, তাকে কী বলে?
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
PaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PaaS
ব্যাখ্যা

• যে ক্লাউড সংস্থা প্ল্যাটফর্ম-ভিত্তিক পরিষেবা সরবরাহ করে, তাকে PaaS (Platform as a Service) বলা হয়। PaaS হলো এমন একটি ক্লাউড সেবা যেখানে ব্যবহারকারী সরাসরি হার্ডওয়্যার বা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার ঝামেলা ছাড়া সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ডিপ্লয় করতে পারে। এখানে প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম, যেমন অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেস, মিডলওয়্যার এবং ডেভেলপমেন্ট টুলস, ক্লাউড প্রদানকারী সরবরাহ করে। ব্যবহারকারী শুধু নিজের অ্যাপ্লিকেশন ও কোড পরিচালনা করে। উদাহরণ হিসেবে Google App Engine, Microsoft Azure App Service এবং Heroku উল্লেখযোগ্য। এটি ডেভেলপারদের জন্য সময় এবং খরচ বাঁচায়, কারণ তারা ইন্সটলেশন, আপডেট বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার পরিচালনা নিয়ে ভাবতে হয় না।

- সঠিক উত্তর: গ) PaaS.

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা

• Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

• Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

•  Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়‍্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৮.
মোবাইল নেটওয়ার্কে কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এতে একটি কেন্দ্রীয় নোড বা বেস স্টেশন থাকে, যার সাথে সব মোবাইল ডিভাইস সরাসরি সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস বেস স্টেশনের মাধ্যমে ডেটা পাঠায় এবং গ্রহণ করে, ফলে যোগাযোগ সহজ এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই টপোলজিতে একটি লিঙ্ক ব্যর্থ হলেও পুরো নেটওয়ার্কে বড় প্রভাব পড়ে না, শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট লিঙ্কের সমস্যা হয়। স্টার টপোলজি সহজে স্কেল করা যায়, নতুন ডিভাইস যুক্ত করা সহজ, এবং নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স স্থিতিশীল থাকে। তাই মোবাইল নেটওয়ার্কে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: ক) স্টার টপোলজি। 

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৯.
বুট সেক্টর ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি কী ক্ষতি হতে পারে?
  1. ব্রাউজারের কুকিজ চুরি করা
  2. মজার বার্তা দেখানো
  3. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
ব্যাখ্যা

• বুট সেক্টর ভাইরাস হলো এমন একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টর বা স্টার্টআপ অংশে সংক্রমণ ঘটায়। এটি মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় সক্রিয় হয় এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণ নেয়। তাই বুট সেক্টর ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করার মাধ্যমে, যার ফলে কম্পিউটার পুরোপুরি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যায়। অন্যান্য ক্ষতি যেমন ব্রাউজারের কুকিজ চুরি, মজার বার্তা দেখানো বা ইন্টারনেটের গতি কমানো তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ভাইরাসের মূল লক্ষ্য হলো সিস্টেমকে বুট প্রক্রিয়ায় আঘাত করা।
- সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা

৫০.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেম তৈরি করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ফাইবার অপটিক
  2. মাইক্রোকন্ট্রোলার 
  3. কোয়ান্টাম চিপ
  4. ন্যানোপ্রসেসর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার 
ব্যাখ্যা

• আধুনিক এমবেডেড সিস্টেম তৈরি করতে প্রধানত মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোকন্ট্রোলার হলো একটি ছোট কম্পিউটার যা প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট-আউটপুট পোর্ট একত্রে ধারণ করে। এটি স্মার্ট ডিভাইস, রোবট, অটোমেশন সিস্টেম এবং IoT ডিভাইসে সহজে প্রয়োগ করা যায়। অন্যদিকে ফাইবার অপটিক মূলত ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোয়ান্টাম চিপ উচ্চতর গবেষণা বা সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এবং ন্যানোপ্রসেসর এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে। তাই সাধারণভাবে, এমবেডেড সিস্টেমে কার্যকর এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে মাইক্রোকন্ট্রোলারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) মাইক্রোকন্ট্রোলার।

• এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার?
  1. ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
  2. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  3. ওরাকল
  4. উইন্ডোজ
সঠিক উত্তর:
ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
ব্যাখ্যা

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এমন ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখতে, উন্নত করতে এবং সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার। এটি হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত ডেটার ফাইলগুলিকে পুনর্বিন্যস্ত করে, যাতে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায় এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়। ওরাকল হলো ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, এবং উইন্ডোজ হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম। তাই শুধুমাত্র ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন ইউটিলিটি সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত।
 
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
বিষয়টি আরেকটু পরিষ্কারভাবে বলা যায়। ধরা যাক, আপনি কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করছেন অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলছেন (delete) অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করছেন- এ ধরনের কাজগুলো আমরা ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করে থাকি।

নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার; 
১। এন্টিভাইরাস 
২। অনুবাদক সফটওয়্যার 
৩। ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার  
৪। ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার  
৫। ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
৬। ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
৭। সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
৮। লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২.
CAPTCHA ব্যবহার করার মূল লক্ষ্য কী?
  1. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
  2. কম্পিউটার ফায়ারওয়্যাল একটিভ করা
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
  4. ভাইরাস স্ক্যান করা
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
ব্যাখ্যা

• CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হল অনলাইন ব্যবস্থায় মানুষের এবং স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা। এটি এমন একটি পরীক্ষা যা সাধারণত মানুষের জন্য সহজ হলেও স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের পক্ষে সমাধান করা কঠিন। উদাহরণস্বরূপ, ছবির মধ্যে নির্দিষ্ট বস্তুর সনাক্তকরণ বা বিকৃত অক্ষর টাইপ করা। CAPTCHA ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট মালিকরা স্প্যাম কমাতে, স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট তৈরি রোধ করতে এবং অনলাইন সেবার নিরাপত্তা বাড়াতে পারেন। এটি কম্পিউটার সিস্টেমকে নির্ভরযোগ্যভাবে শুধুমাত্র মানুষের ইন্টারঅ্যাকশন অনুমোদন করতে সাহায্য করে, যা সাইবার হুমকি এবং অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

- সঠিক উত্তর: ক) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা।

CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart.
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যেনো বটগুলিকে অপব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা যায়।

ক্যাপচাগুলি কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
যেমন -
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৩.
ইন-স্টোর টাচলেস পেমেন্টের জন্য গুগল পে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Bluetooth
  2. SMS
  3. QR code
  4. NFC
সঠিক উত্তর:
NFC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NFC
ব্যাখ্যা

• ইন-স্টোর টাচলেস পেমেন্টের জন্য গুগল পে NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোন বা ওয়াচ এবং পয়েন্ট-অফ-সেল টার্মিনাল একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকলেই ডেটা বিনিময় করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী তার ডিভাইসটি টার্মিনালের কাছে রাখলেই পেমেন্ট সম্পন্ন হয়, কোনো কার্ড বা নগদ স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না। NFC খুব ছোট দূরত্বে (সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার) কার্যকর হয়, তাই এটি নিরাপদ এবং দ্রুত। QR কোড বা ব্লুটুথের পরিবর্তে NFC-এর ব্যবহার পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছন্দ ও তাত্ক্ষণিক করে তোলে, যা আধুনিক টাচলেস লেনদেনে গুগল পের জনপ্রিয়তা নিশ্চিত করেছে।

- উত্তর: ঘ) NFC.

• বাংলাদেশে গুগল পে:
- বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গুগল পে' সেবা চালু হয়েছে ২৪ জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (জানুয়ারি, ২০২৬) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (তথ্য: জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

উৎস:
-  গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৪.
হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে, ‘D’-এর মান কত?
  1. 13
  2. 10
  3. 12
  4. 9
সঠিক উত্তর:
13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সিস্টেম বা ষোলধার সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি ভিত্তি-১৬ (base-16) সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪, এবং F মানে ১৫। অর্থাৎ, D হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ক্ষেত্রে ১০-এর বেশি কিন্তু ১৫-এর কম সংখ্যা নির্দেশ করে। তাই যখন আমাদের D-কে দশমিক বা সাধারণ সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করতে হবে, তখন এটি ১৩ এর সমান হয়। সুতরাং, দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) 13

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E, F.
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
- (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
নিচের কোনটি text-based interface এর মাধ্যমে কাজ করে?
  1. Android
  2. Windows 95
  3. MS-DOS
  4. Mac OS
সঠিক উত্তর:
MS-DOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS-DOS
ব্যাখ্যা

• Text-based interface এমন একটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস যেখানে কম্পিউটার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ শুধুমাত্র লেখা বা টেক্সটের মাধ্যমে হয়। এই ধরনের ইন্টারফেসে কমান্ড লিখে কম্পিউটারকে নির্দেশ দিতে হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে MS-DOS হলো এমন একটি সিস্টেম যা সম্পূর্ণভাবে text-based interface ব্যবহার করে। ব্যবহারকারী স্ক্রিনে কমান্ড টাইপ করে ফাইল ম্যানেজ করা, প্রোগ্রাম চালানো বা সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করতে পারে।
- অন্যদিকে, Android, Windows 95 এবং Mac OS মূলত গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক, যেখানে আইকন, উইন্ডো এবং মেনু ব্যবহার করে কাজ করা যায়। সুতরাং শুধু MS-DOS text-based interface এর মাধ্যমে কাজ করে।

 
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৫৬.
5G নেটওয়ার্কে MIMO কী ধরনের প্রযুক্তি বা ফিচার?
  1. Media Integrated Motion Output
  2. Mobile Interface Mode Operation
  3. Multiple Input Multiple Output
  4. Multi Internet Mobile Option
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
ব্যাখ্যা

• 5G নেটওয়ার্কে MIMO বলতে বোঝায় Multiple Input Multiple Output প্রযুক্তি (উত্তর: গ)। এটি একটি অ্যাডভান্সড অ্যান্টেনা সিস্টেম, যা একই সময়ে একাধিক ট্রান্সমিটার ও রিসিভার ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। এর ফলে নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ, ডেটা ট্রান্সফার গতি ও সংযোগ স্থায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। MIMO সিস্টেম বিভিন্ন ডিভাইস থেকে একসাথে সংকেত গ্রহণ করতে পারে, ইন্টারফেরেন্স কমায় এবং নেটওয়ার্কের কর্মদক্ষতা উন্নত করে। বিশেষভাবে 5G-তে Massive MIMO প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা হাজার হাজার অ্যান্টেনা একসাথে কাজ করে উচ্চ গতির, স্থিতিশীল এবং বেশি ব্যবহারকারীকে সমর্থনযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্কের মূল ভিত্তি।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৫৭.
ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত কীভাবে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রবেশ করে?
  1. কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
  4. হার্ডওয়্যার থেকে নিজে থেকেই
সঠিক উত্তর:
ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।

ট্রোজান ভাইরাস মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রবেশ করার জন্য প্রলোভনমূলক পদ্ধতি ব্যবহার করে। এটি সাধারণত নিজে থেকেই কম্পিউটারের সাথে সংযোগ করে না বা হার্ডওয়্যার থেকে প্রবেশ করে না। ট্রোজান ভাইরাস প্রায়শই ইমেইল, মেসেজ বা অনলাইন ডাউনলোডের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী যখন একটি ইমেইলের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহজনক ফাইল বা লিঙ্ক খুলে, তখন ভাইরাসটি সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। কখনও কখনও এটি বিনোদনমূলক বা দরকারি সফটওয়্যার মনে করে ব্যবহারকারীকে মিথ্যা তথ্য দেখায়। একবার ইনস্টল হলে, ট্রোজান ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করতে, সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা অন্যান্য ম্যালওয়্যার ইনস্টল করতে সক্ষম হয়।

 • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
আইবিএম-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্মকে বলা হয়:
  1. Watson
  2. WatsonX
  3. BlueGene
  4. DeepBlue
সঠিক উত্তর:
Watson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Watson
ব্যাখ্যা

• আইবিএম-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্ল্যাটফর্মকে সাধারণভাবে Watson নামে বলা হয়। এটি ২০১১ সালে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল, যখন Watson “Jeopardy!” খেলার চ্যালেঞ্জে মানুষকে পরাস্ত করেছিল। Watson কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ব্যবহার করে বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে এবং মানুষের মতো ভাষায় উত্তর দিতে পারে। পরবর্তীতে IBM আরও উন্নত সংস্করণ হিসেবে WatsonX চালু করেছে, যা আরও শক্তিশালী এবং ব্যবসায়িক AI সমাধান প্রদান করে। অন্যদিকে, BlueGene হলো সুপারকম্পিউটার এবং DeepBlue হলো বিশিষ্ট দাবার কম্পিউটার, যা Watson-এর AI প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- তাই AI প্ল্যাটফর্মের নাম হলো Watson.

⚪ আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।