উত্তর
ব্যাখ্যা
• কারও লেখা বা কোনো সৃষ্টি নিজের নামে প্রকাশ করার কাজকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি, যেখানে অন্যের লেখা, গবেষণা, ছবি বা ধারণা অনুমতি ছাড়া বা যথাযথ ক্রেডিট না দিয়ে ব্যবহার করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এটি মূল লেখক বা সৃষ্টিকর্তার শ্রম ও মেধাকে অবমূল্যায়ন করে। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্লেজিয়ারিজম শনাক্ত করতে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। নৈতিকতার দিক থেকেও এটি ভুল, কারণ নিজের মেধা বা প্রচেষ্টার পরিবর্তে অন্যের কৃতিত্ব গ্রহণ করা হয়। তাই লেখা বা গবেষণায় অন্যের কাজ ব্যবহার করলে সবসময় যথাযথ উৎস উল্লেখ করা উচিত।
- সঠিক উত্তর: ক) প্লেজিয়ারিজম।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।