উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য- মোহসীনা নাজিলা
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৭ প্রশ্ন
বক্সারের যুদ্ধ
⤇ যুদ্ধ সংঘটনকাল - ২২ অক্টোবর, ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দ।
⤇ যুদ্ধের পক্ষসমূহ - মীর কাসিমের নেতৃত্বে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনী ও ইংরেজ বাহিনী।
⤇ যুদ্ধের ফলাফল - ইংরেজরা বিজয়ী।
⤇ এই যুদ্ধে মীর কাসিমের পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার শেষ আশাও বিলীন হয়ে যায়। বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়। ১৭৬৫ সালে কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানী লাভ করে। এই যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব দেয় - হেক্টর মুনরো।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
লর্ড ওয়েলেসলি পাশ্চাত্য সভ্যতার শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী ছিলেন বলেই এদেশবাসীর চাওয়া পাওয়াকে বিবেচনার যোগ্য মনে করেননি। পরস্পর বিবদমান এদেশীয় রাজাগণকে ইউরোপীয় সামরিক সাহায্য গ্রহণে আগ্রহী ও উৎসাহী দেখে লর্ড ওয়েলেসলি তাঁদেরকে পুরোপুরি ইংরেজ সাহায্যের উপর নির্ভরশীল করে তুলতে চাইলেন।
এ নীতি ওয়েলেসলির আগে ক্লাইভ এবং বিশেষ করে হেস্টিংস কর্তৃক অনুসৃত হয়েছিল। তবে ওয়েলেসলি এ নীতিকে নিপুণতার সাথে ব্যাপকভাবে কার্যকর করেছিলেন। তাই তিনি স্যার জন শোরের নিরপেক্ষ নীতি ত্যাগ করে সামরিক অধীনতার ভিত্তিতে গঠিত এ নীতির নামকরণ করলেন ‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (১ম পত্র) বই (উন্মুক্ত।
উপমহাদেশে কোম্পানীর শাসনকাল ১৭৬৫ সাল থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত।
- ১৭৬৫ সালে বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সম্রাট শাহ আলমের সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ''এলাহাবাদ চুক্তি'' স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানী লাভ করে। এর মাধ্যমেই উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত ''সিপাহী বিদ্রোহ'' - এর ফলে উপমহাদেশের শাসনভার বৃটিশ রাজ ও পার্লামেন্টের হাতে অর্পিত হয়। বৃটিশ কেবিনেটের একজন সদস্য ভারত সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত হয় শাসনকার্যে তাঁকে সাহায্য করবে ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল। বৃটিশ সরকার সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির অবসান ঘোষণা করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
ঠগীদের কথা বহু আগে থেকে জানা যায়। ঠগীরা ছদ্মবেশে হঠাৎ করে এসে নিরীহ পথিকদের, তীর্থযাত্রীদের ও ভ্রমণকারীদের গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে তাদের সবকিছু লুঠ করে নিয়ে যেতো। এটা ছিল ঠগীদের পেশা। কথিত আছে যে মোগল সম্রাট আকবর এটোয়া জেলাতে প্রায় পাঁচশো ঠগীকে হত্যা করেন। বিদেশি ভ্রমণকারীদের কাছ থেকেও জানা যায় যে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়েও ঠগীদের বেশ উৎপাত ছিল।
সম্ভবত ইংরেজ আমলে এদের দৌড়াত্ম বেড়ে গিয়েছিল। ঠগীরা ছিল অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ডাকাতদল। এ দলে হিন্দু-মুসলিম উভয় গোত্রের লোক ছিল। এরা পুরোহিত, দরবেশ ইত্যাদি ছদ্মবেশে ডাকাতি করতো। হায়দ্রাবাদ থেকে অযোধ্যা, রাজপুতানা ও বুন্দেলখন্ডে ঠগীদের আস্তানা ছিল। তারা সাংকেতিক ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতো।
তাই জনগণের নিরাপত্তার জন্য ''লর্ড বেন্টিঙ্ক'' কর্ণেল পীমানের উপর ঠগী দমনের ভার দেন। কর্নেল পীমান ঠগীদের ভাষা আয়ত্ব করে এবং ফেরিঘিয়া নামে একজন ঠগীর কাছে থেকে ঠগীদের কৌশল ও গোপন আস্তানাগুলোর খবর জেনে নিয়ে প্রায় পনেরশ ঠগীকে ধরে ফেলেন এবং তাদের কঠোর শাস্তি দেন (১৮৩০ খ্রি:)।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
দিউয়ানী লাভের পর ক্লাইভ এদেশ শাসনের জন্য যে শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন তা দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত।
এ ব্যবস্থায় কোম্পানির হাতে ছিল -
- ‘রাজস্ব-আদায়’ ও
- ‘দেশ রক্ষার ভার’
আর নবারের হাতে ছিল -
- 'বিচার ও শাসনের ভার'।
এভাবে ধীরে ধীরে এদেশে ইংরেজ শাসন ব্যবস্থার পথ সুগম হতে থাকে। ক্লাইভই ছিলেন ইংরেজ শাসনের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড উলিয়াম বেন্টিঙ্ক এদেশের বড়লাট হয়ে আসেন। প্রথমেই তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার সাধনে মনোযোগী হন।
- বেন্টিঙ্কই সর্বপ্রথমে এদেশীয়দের শাসন ও বিচার সংক্রান্ত উচ্চপদে নিয়োগ করেন। তিনি কর্ণওয়ালিস প্রবর্তিত প্রাদেশিক আদালতগুলো তুলে দিয়ে জেলা কালেকটরের উপর ফৌজদারী মামলার বিচারের দায়িত্ব দেন।
- তিনি কয়েকটি জেলাকে একত্রিত করে একটি বিভাগ গঠন করেন। প্রতিটি বিভাগে একজন করে কমিশনার নিযুক্ত করেন। ডেপুটি ও জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেটের পদও সৃষ্টি করা হয়।
- অতঃপর বেন্টিঙ্ক সমাজ সংস্কারের প্রতি দৃষ্টি দেন। প্রথমেই তিনি ‘সতীদাহ প্রথা’ ও ‘অনুমরণ’ প্রথার বিলোপ সাধন করেন। এছাড়াও বেন্টিংক আরও অনেক অমানবিক প্রথা বাতিল করেন।
- তিনি ঠগী দস্যুদেরও দমন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১৮৫৭ সালে সংঘটিত ''সিপাহী বিদ্রোহ'' নানা কারনে তাৎপর্যপূর্ণ। সিপাহী বিদ্রোহের ফলে উপমহাদেশের শাসন ব্যবস্থায় বড় ধরণের পরিবর্তন হয়। কোম্পানির শাসনের অবসান ও ব্রিটিশ রাজের শাসন শুরু হয়। সিপাহী বিদ্রোহকে উপমহাদেশের প্রথম সশস্ত্র বিদ্রোহ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।
১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পান্ডে নামে এক সিপাহী প্রকাশ্যভাবে বিদ্রোহ করে। বৃটিশ কর্তৃপক্ষ মঙ্গল পান্ডে এবং তার একজন সমর্থককে প্রাণদন্ডে দন্ডিত করে বিদ্রোহের আগুন নেভাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
এরপর মে মাসে বড় আকারের বিদ্রোহ দেখা দেয় মীরাটের সেনা ছাউনিতে। সিপাহীরা সরকারী নির্দেশ অমান্য করে এবং কর্নেল ফিনিসকে গুলি করে হত্যা করার পর প্রকৃত বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
বঙ্গভঙ্গের পর,
- নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার এবং
- 'পশ্চিমবঙ্গ' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন এনড্রু ফ্রেজার।
লর্ড কার্জন ছিলেন তৎকালীন সমগ্র ভারতবর্ষের বড় লাট।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯০৮ সালে ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড কে হত্যার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী বোমা হামলা করেন।
কিংসফর্ড গাড়ীতে না থাকায় বেচে গেলেও অন্য দুইজন ব্রিটিশ নাগরিক মারা যায়। ক্ষুদিরাম গ্রেপ্তার হলেও প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন।
পরবর্তীতে, ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ক্ষুদিরামের ফাঁসি হয়।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস বোর্ড বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত তাহরিক-ই-মুহাম্মদীয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার।
পরবর্তিতে এটি কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়। যা শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র সংগ্রামে পরিণত হয়।
১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন এবং নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত বাঁশের কেল্লা।
১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে ওয়াহাবি আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
গিগা - 109
মেগা - 106
কিলো - 103
হেক্টো - 102
ডেকা - 101
ডেসি - 10-1
সেন্টি - 10-2
মিলি - 10-3
সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী।
বেগের মাত্রা: সময় / দূরত্ব = L/T = LT-1
ত্বরণের মাত্রা: সময় / দূরত্ব২ = L/T2 = LT-2
সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী।
তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ বেগ বলে।
তরঙ্গ বেগ = কম্পাঙ্ক × তরঙ্গদৈর্ঘ্য
সূত্রঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী পদার্থ বিজ্ঞান।
একটি মাত্র কম্পাঙ্ক থাকলে তাকে সুর বলে।
একাধিক কম্পাঙ্ক থাকলে তাকে স্বর বলে।
কোনো স্বরের মধ্য বিদ্যমান সুরগুলোর মধ্যে যার কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম তাকে মূল সুর বা মৌলিক সুর বলে। অন্য সকল কম্পাঙ্ক মূল সুরের কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি তাদের উপসুর বলে। আবার উপসুর এর কম্পাঙ্ক মূল সুরের সরল গুণিতক হলে তাদের হারমোনিক বলে। সকল হারমোনিক উপসুর, কিন্তু সকল উপসুর হারমোনিক নয়।
সূত্রঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী পদার্থ বিজ্ঞান।
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সঙ্গে বেল ল্যাবরেটরির তিনজন উদ্ভাবকের নাম জড়িত উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।
From Bell Laboratory Official Site:
December 16, 1947, Bardeen, Brattain and Shockley managed to make the first working transistor, now known as the point-contact transistor.
যেহেতু, এই বেল ল্যাবেই ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই, ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে এর থেকে যথাযথ রেফারেন্স আর হয় না।
তাই, ট্রানজিস্টর কত সালে আবিস্কার হয়?
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, নিঃসন্দেহে ১৯৪৭ সাল হবে।
এছাড়াও, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) বইয়ে ১৯৪৭ এর কথাই বলা আছে।
তবে, অপশনে ১৯৪৭ না থাকলে ১৯৪৮ কে উত্তর হিসেবে নিতে হবে।
বিস্তারিতঃ Live MCQ Premium Section -> তথ্যকলদ্রুম অপশনের পোস্ট-০০৫ দেখুন।
এক্স-রে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পাল্লা - 5 x 10-8 থেকে 5 x 10-15।
গামা-রে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পাল্লা 5 x 10-11 থেকে 5 x 10-15 বা এর চেয়ে কম।
সূত্রঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী পদার্থ বিজ্ঞান।