পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes৫০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫১
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ১] বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫১ প্রশ্ন

.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে?
  1. One-to-one
  2. Many-to-many
  3. One-to-many
  4. Self-referencing
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড রেকর্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে যাকে One-to-many সম্পর্ক বলা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, কিন্তু প্রতিটি চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। উদাহরণ হিসেবে ধরুন একটি স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্রের সম্পর্ক, যেখানে একজন শিক্ষক অনেক ছাত্রের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে, কিন্তু প্রতিটি ছাত্রের শুধুমাত্র এক শিক্ষক থাকে। এই সম্পর্ক ডাটাবেজ ডিজাইনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ডেটার সংহতি এবং অর্গানাইজেশন সহজ করে। তাই, অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করলে তা One-to-many সম্পর্ক।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Quick Heal
  2. GIMP
  3. Sophos
  4. Comodo
সঠিক উত্তর:
GIMP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GIMP
ব্যাখ্যা
• GIMP এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Quick Heal, Sophos, এবং Comodo তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসের সুরক্ষার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে ডিভাইসকে রক্ষা করে। তবে GIMP হলো একটি গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, যা ছবি তৈরি ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি এন্টিভাইরাসের মতো সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই GIMP কে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা যায় না। 

• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট, 
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
.
নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য WAN-এ সাধারণত কোন ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. রাউটার
  2. সুইচ
  3. ব্রিজ
  4. গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
• WAN-এ নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য সাধারণত গেটওয়ে (Gateway) ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে হলো এমন একটি ডিভাইস যা বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে প্রোটোকল, ডাটা ফরম্যাট ও সিস্টেমের পার্থক্য সামঞ্জস্য করে। WAN-এ বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের জন্য প্রোটোকল ও ডাটা বিনিময়ের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। গেটওয়ে সেই ভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে পরিবর্তন করে যাতে নেটওয়ার্কগুলো একে অপরের সাথে সফলভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, রাউটার, সুইচ ও ব্রিজ সাধারণত একই প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক সংযোগের কাজ করে, তবে গেটওয়ে প্রোটোকল রূপান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই WAN-এ প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Amazon RDS কী সরবরাহ করে?
  1. রিসোর্স ডিপ্লয়মেন্ট শিডিউলার
  2. রিয়েল-টাইম ডেটা স্ট্রিমিং
  3. রিলেশনাল ডাটাবেজ সার্ভিস হিসেবে
  4. নির্ভরযোগ্য ডেটা সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ সার্ভিস হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ সার্ভিস হিসেবে
ব্যাখ্যা
• Amazon RDS মূলত একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ সার্ভিস (গ) হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের সহজে এবং দ্রুত ক্লাউডে ডাটাবেজ তৈরি, পরিচালনা ও স্কেল করার সুবিধা দেয়। RDS ডাটাবেজের ব্যাকআপ, প্যাচিং, মনিটরিং এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারীদের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জটিলতা থেকে মুক্তি দেয়। যদিও এটি নির্ভরযোগ্য ডেটা সংরক্ষণ (ঘ) করতে সাহায্য করে, মূল ফোকাস হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ সার্ভিস প্রদান। রিসোর্স ডিপ্লয়মেন্ট শিডিউলার (ক) বা রিয়েল-টাইম ডেটা স্ট্রিমিং (খ) এর মতো ফিচার Amazon RDS সরবরাহ করে না। তাই RDS হলো ক্লাউড ভিত্তিক রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),  
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS), এবং 
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)। 

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. পাবলিক ক্লাউড, 
২. প্রাইভেট ক্লাউড এবং 
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
.
জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা কোন সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়?
  1. Netflix
  2. SAP
  3. Amazon
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
• জাভা প্রোগ্রামিং ভাষাটি সান মাইক্রোসিস্টেমস সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে জেমস গোসলিং ও তার দল সান মাইক্রোসিস্টেমস-এ কাজ করতে শুরু করে একটি নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করতে, যা সহজ, নিরাপদ এবং প্ল্যাটফর্ম নিরপেক্ষ হবে। এই ভাষার নাম রাখা হয় জাভা। জাভার অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো “Write Once, Run Anywhere” অর্থাৎ একবার কোড লিখলেই যেকোনো প্ল্যাটফর্মে চলবে। পরবর্তীতে সান মাইক্রোসিস্টেমসকে ওরাকল কর্পোরেশন ২০১০ সালে কিনে নেয়। তাই জাভা মূলত সান মাইক্রোসিস্টেমসের উদ্যোগে তৈরি হলেও বর্তমানে ওরাকল এর অধীনে রয়েছে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য কোন টুল ব্যবহার করা যায়?
  1. Turnitin
  2. Photoshop
  3. PowerPoint
  4. Grammarly
সঠিক উত্তর:
Turnitin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Turnitin
ব্যাখ্যা
• প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য Turnitin সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কার্যকর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত শিক্ষাবিদ্যা ও গবেষণায় ব্যবহার করা হয় যাতে লেখা বা গবেষণাপত্রে অন্যের কাজ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা যায়। Turnitin লেখার বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন উৎসের সাথে তুলনা করে কোন অংশ কোথা থেকে নকল হয়েছে তা জানিয়ে দেয়। অন্যদিকে, Photoshop একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, PowerPoint একটি উপস্থাপনা তৈরি করার সফটওয়্যার, আর Grammarly একটি গ্রামার এবং ভাষা সংশোধনের টুল, যা প্ল্যাজিয়ারিজম চেক করার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য Turnitin সবচেয়ে উপযুক্ত।

• সাইবার ক্রাইম: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে। 
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"। 
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে। 
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়। 
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে। 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। 
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
.
কোন প্রযুক্তির জন্য "ইনটেল" সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত?
  1. ফ্ল্যাশ স্টোরেজ
  2. মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ্রাফিক্যাল প্রসেসিং ইউনিট
  4. লিকুইড কুলিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
• ইনটেল সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত তার মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির জন্য। মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের হৃদয়, যা সকল প্রক্রিয়াকরণ কাজ পরিচালনা করে। ইন্টেল বিশ্বব্যাপী পিসি ও ল্যাপটপের জন্য শক্তিশালী ও দক্ষ মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে থাকে। তাদের সিপিউ ডিজাইন ও উন্নয়নে বিপ্লব ঘটিয়েছে, যা আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। ফ্ল্যাশ স্টোরেজ, গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা লিকুইড কুলিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে ইন্টেলের পরিচিতি কম। তাই ইন্টেল মূলত মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং বিখ্যাত।

• ইনটেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।

- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: Intel এর ওয়েবসাইট।
.
মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. Mouse
  2. Control Unit
  3. Keyboard
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
Control Unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Control Unit
ব্যাখ্যা
• মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে খ) Control Unit. কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মেমোরি এবং ALU-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নির্দেশাবলী গ্রহণ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ALU এবং মেমোরির মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান পরিচালনা করে। কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যাতে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে, মাউস ও কীবোর্ড ইনপুট ডিভাইস, আর RAM হলো মেমোরির ধরন, তাই এরা সরাসরি ALU ও মেমোরির সংযোগ স্থাপন করে না। তাই মেমোরি ও ALU-এর মধ্যে সংযোগের কাজ কন্ট্রোল ইউনিটের।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে তথ্যের প্রয়োজনীয়তা, সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে তথ্য নেয়া, ইনপুট হতে উপাত্ত নেয়া, ফলাফল প্রদর্শন এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনটি?
  1. Gemini
  2. Alexa
  3. Siri
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা
• গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো Gemini.গুগল তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে Gemini নামক একটি উন্নত মডেল তৈরি করেছে, যা বিভিন্ন কাজ যেমন ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, তথ্য বিশ্লেষণ এবং সমস্যা সমাধানে দক্ষ। অন্যদিকে, Alexa হলো আমাজনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভয়েস সহকারী, এবং Siri হলো অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী। সুতরাং, গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Gemini ছাড়া অন্য কোনো অপশন সঠিক নয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (ক) Gemini.

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. California
  2. San Francisco
  3. Menlo Park
  4. Florida
সঠিক উত্তর:
California
উত্তর
সঠিক উত্তর:
California
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থা যা বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং সফটওয়্যার তৈরির জন্য পরিচিত। অ্যাপলের প্রধান অফিস ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনো শহরে অবস্থিত, যা সিলিকন ভ্যালির অন্যতম কেন্দ্র। এখানে কোম্পানির প্রধান গবেষণা, উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাই, সঠিক উত্তর হচ্ছে ক) California.

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড: 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের স্লোগান Think Different. 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড সদর দপ্তর কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র। 
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১১.
বেশিরভাগ ব্রাউজার এবং কিছু সফটওয়্যারে ফুলস্ক্রিন মোডে যেতে কোন ফাংশন কী প্রেস করবেন?
  1. F2
  2. F8
  3. F11
  4. F12
সঠিক উত্তর:
F11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F11
ব্যাখ্যা
• বেশিরভাগ ব্রাউজার এবং কিছু সফটওয়্যারে ফুলস্ক্রিন মোডে যেতে সাধারণত F11 কী প্রেস করতে হয়। ফুলস্ক্রিন মোডে গেলে ব্রাউজারের টুলবার, মেনু, এবং অন্যান্য অতিরিক্ত উপাদান গোপন থাকে, ফলে পুরো স্ক্রিনটি ব্যবহার করা যায় কনটেন্ট দেখানোর জন্য। এটি বিশেষ করে ভিডিও দেখা, প্রেজেন্টেশন দেওয়া, বা ওয়েব পেজ সম্পূর্ণ আকারে দেখতে সুবিধাজনক।
- F2, F8, এবং F12 কী সাধারণত অন্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন F12 ডেভেলপার টুলস খুলতে ব্যবহৃত হয়। তাই, ব্রাউজারে ফুলস্ক্রিন মোডে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে প্রচলিত এবং সঠিক কী হল F11.


• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১২.
“Syntax error” কী?
  1. ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
  2. প্রোগ্রামের লজিকে ত্রুটি
  3. প্রোগ্রামের আউটপুটে ত্রুটি
  4. রানটাইমের সময় ত্রুটি
সঠিক উত্তর:
ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
ব্যাখ্যা
• “Syntax error” হলো প্রোগ্রামে ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে ঘটে যাওয়া ত্রুটি। অর্থাৎ, যখন কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নির্ধারিত গ্রামার বা কাঠামোর নিয়ম মেনে চলা হয় না, তখন এই ত্রুটি দেখা দেয়। যেমন, বন্ধনী না দেওয়া, ভুলভাবে কমা ব্যবহার, বা কীবোর্ডের ভুল কমান্ড ব্যবহার ইত্যাদি। এটি মূলত কোড কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করার সময় ধরা পড়ে এবং প্রোগ্রাম চলতে দেয় না যতক্ষণ না এই ত্রুটি ঠিক করা হয়। “Syntax error” লজিক বা রানটাইম ত্রুটির থেকে আলাদা, কারণ এটি শুধুমাত্র ভাষার নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি নির্দেশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
নিম্নলিখিত কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. সার্ভার
  2. সুপারকম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
সঠিক উত্তর:
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ হলো ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার। এটি একটি যান্ত্রিক বা ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস, যা ভৌত পরিমাণের পরিবর্তনকে অবিরাম সিগন্যালের মাধ্যমে হিসাব করে। অ্যানালগ কম্পিউটার ডিজিটাল কম্পিউটারের মতো সংখ্যা ব্যবহার না করে ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল তথ্য নিয়ে কাজ করে। সার্ভার, সুপারকম্পিউটার এবং স্মার্টফোন - ডিজিটাল কম্পিউটার যা ডিজিটাল তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার বিভিন্ন জটিল অঙ্কের সমাধান করতে ব্যবহৃত হত, বিশেষ করে ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য। এটি বিভিন্ন হার, ভোল্টেজ বা চাপের মাধ্যমে গণনা সম্পন্ন করত, যা আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পূর্বসূরী। তাই ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার অ্যানালগ কম্পিউটারের নিদর্শন।

• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে কোন পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Data throughput
  2. Seek time
  3. Page fault time
  4. Access time
সঠিক উত্তর:
Access time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Access time
ব্যাখ্যা
• রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে Access time শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মেমোরি অ্যাক্সেস টাইম হলো সেই সময়ের পরিমাণ যা একটি কম্পিউটার মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে ডেটা পড়া বা লেখার জন্য লাগে। এটি মেমোরির দ্রুততা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ কারণ কম অ্যাক্সেস টাইম মানে দ্রুত ডেটা পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হয়। অন্য বিকল্পগুলো যেমন Data throughput হলো ডেটা প্রেরণের হার, Seek time হলো হার্ড ডিস্কের মাথা কোন অবস্থানে পৌঁছানোর সময়, আর Page fault time হলো ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবস্থায় পেজ মিসের সময়। তাই দ্রুত মেমোরি অ্যাক্সেস বুঝাতে Access time সবচেয়ে উপযুক্ত।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে কীভাবে আলাদা?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায়
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা কখনও আইন ভঙ্গ করে না
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
ব্যাখ্যা
• গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে মূলত উদ্দেশ্য ও নৈতিকতার দিক থেকে আলাদা। গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু ক্ষতি করার পরিবর্তে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করে। তারা অনেক সময় আইন ভঙ্গ করেও থাকেন, যেমন অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করা, তবে তাদের উদ্দেশ্য হয় ক্ষতি নয়, বরং নিরাপত্তা উন্নত করা। অন্যদিকে, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ক্ষতি বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে। সুতরাং, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা সমস্যা জানায় এবং অনেক সময় সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায় না। তাই উত্তর হবে (গ)।

• হ্যাকিং: 
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। 
যথা: 
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। 

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: 
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে। 
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। 

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে। 
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬.
অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে ইন্টারফেস করে তাকে বলা হয়:
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. ইউজার ইন্টারফেস
  4. ফার্মওয়্যার
সঠিক উত্তর:
কার্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্নেল
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কার্নেল (Kernel) বলা হয়। কার্নেল হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। কার্নেল ছাড়া অপারেটিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যারের সম্পদগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে হার্ডওয়্যারের সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তাই কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.
১৭.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Seznam
  2. Qwant
  3. Neeva
  4. Pinterest
সঠিক উত্তর:
Pinterest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pinterest
ব্যাখ্যা
• Pinterest সার্চ ইঞ্জিন নয়। Seznam, Qwant, এবং Neeva সবই সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারী ওয়েব পেজ, ছবি, ভিডিও, ও বিভিন্ন তথ্য খুঁজে পেতে পারেন। Pinterest মূলত একটি ভিজ্যুয়াল ডিক্লারেশন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছবি, আইডিয়া, এবং ইনস্পিরেশন শেয়ার করে। এটি সার্চ ইঞ্জিনের মতো ওয়েব ব্রাউজিংয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়নি, বরং এটি ছবির মাধ্যমে ধারণা ও প্রেরণা সংগ্রহের জায়গা। তাই Pinterest কে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে ধরা হয় না। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীদের ছবি ও ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট অনুসন্ধান ও সঞ্চয় করার সুবিধা দেওয়া।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৮.
‘Global Village’ ধারণাটি কার দ্বারা উত্থাপিত?
  1. Marshall McLuhan
  2. Alvin Toffler
  3. Noam Chomsky
  4. Herbert Marshall
সঠিক উত্তর:
Marshall McLuhan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Marshall McLuhan
ব্যাখ্যা
• ‘Global Village’ ধারণাটি মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) নামের একজন কানাডিয়ান গণমাধ্যম তত্ত্ববিদ ১৯৬০-এর দশকে উত্থাপিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবী একটি ছোট গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হচ্ছে। অর্থাৎ, টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ দূরবর্তী স্থানে বসেও দ্রুত এবং সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, যা সময় ও দূরত্বের বাধা কমিয়ে দেয়। এই ধারণা বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে এবং বুঝায় কিভাবে প্রযুক্তি বিশ্বকে একত্রিত করছে।

• Global Village:
- মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) ইংরেজি সাহিত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক  ছিলেন। তাকে 'বিশ্বগ্রাম ধারণার জনক বা প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
ত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তার বিখ্যাত বই "The Gutenberg Garany: The Making of Typographic Man" (প্রকাশিত ১৯৬২) এই বইতেই প্রথম 'Global Village' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি মানুষকে এমনভাবে সংযুক্ত করছে, যেন পুরো পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তন সমাজের চিন্তাভাবনা, আচরণ, ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে।

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়‍্যার,
- ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি,
- ডেটা,
- মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
সাধারণভাবে, হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর কত বাইট ধারণ করতে পারে?
  1. 1 byte
  2. 2048 bytes
  3. 4 kilobytes
  4. 512 bytes
সঠিক উত্তর:
512 bytes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
512 bytes
ব্যাখ্যা
• সাধারণভাবে হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর ৫১২ বাইট তথ্য ধারণ করতে পারে। হার্ড ডিস্কের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটকে সেক্টর বলা হয়, যা একটি ছোট অংশ। প্রতিটি সেক্টরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা থাকে এবং হার্ড ডিস্কের ডেটা পড়া বা লেখা হয় সেক্টর ভিত্তিতে। যদিও আধুনিক প্রযুক্তিতে সেক্টরের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু ঐতিহ্যবাহী হার্ড ডিস্কে এক সেক্টর সাধারণত ৫১২ বাইটের সমান। এটি ডেটা স্টোরেজ এবং রিড-রাইট অপারেশনের জন্য এক মৌলিক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। তাই, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে ঘ) ৫১২ বাইট।

• হার্ডডিস্ক: 
- হার্ডডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। 
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ডডিস্ক। 
- হার্ডডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়। 
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ডডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়। 
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট। 
- হার্ডডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয় IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়। 
- তবে তখনকার সময়ে হার্ডডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ডডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়। 
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০.
ARPANET-এ সনাক্ত হওয়া প্রথম ভাইরাস কোনটি ছিল?
  1. Creeper
  2. ILoveYou
  3. Melissa
  4. Blaster
সঠিক উত্তর:
Creeper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Creeper
ব্যাখ্যা
• ARPANET-এ সনাক্ত হওয়া প্রথম ভাইরাস ছিল Creeper. এটি ১৯৭০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং এটি একটি পরীক্ষা ধরণের প্রোগ্রাম ছিল যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংক্রমণ ঘটাতো। Creeper ভাইরাসটি মূলত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রোগ্রাম যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ত এবং "I’m the creeper, catch me if you can!" বার্তা প্রদর্শন করত। এটি কোন ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি, বরং নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির পরীক্ষার জন্য ছিল। এরপরের সময়ে ভাইরাসগুলো অনেক বেশি জটিল এবং ক্ষতিকর হয়ে উঠেছিল, তবে Creeper ছিল প্রথম ভাইরাস যা ARPANET নেটওয়ার্কে সনাক্ত হয়। তাই এর গুরুত্ব প্রযুক্তি ইতিহাসে অনেক বেশি।
 
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।

- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২১.
NAND গেটকে কেন "Universal Gate" বলা হয়?
  1. এটি সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত গেট
  2. এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
  3. এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে
  4. এটি তৈরি করা সহজ
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
ব্যাখ্যা
• NAND গেটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেটের সাহায্যে AND, OR, NOT, NOR, XOR প্রভৃতি সকল লজিক গেট ডিজাইন করা সম্ভব। এই গেটটি এতই কার্যকরী যে, শুধুমাত্র NAND গেট দিয়েই একটি পূর্ণ লজিক সার্কিট নির্মাণ করা যায়। তাই, এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে, 
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২.
রিং টপোলজিতে, একটি নোড কতগুলো অন্যান্য নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
• রিং টপোলজিতে, প্রতিটি নোড ঠিক দুইটি অন্যান্য নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি নোড তার পাশের দুইটি নোডের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, একটি তার বাম পাশে এবং অন্যটি তার ডান পাশে। এই সংযোগের ফলে নোডগুলো একটি বন্ধ চক্র বা রিং তৈরি করে, যেখানে প্রথম নোড শেষ নোডের সাথে যুক্ত থাকে এবং শেষ নোড আবার প্রথম নোডের সাথে যুক্ত থাকে। তাই রিং টপোলজির মূল বৈশিষ্ট্য হলো, প্রতিটি নোডের সংযোগের সংখ্যা ঠিক দুইটি। এই কাঠামো নেটওয়ার্কে তথ্য প্রবাহকে সহজ ও সুশৃঙ্খল রাখে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে - খ) দুইটি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোন কী টাইপ দুই বা অধিক অ্যাট্রিবিউট একসাথে নিয়ে একটি ইউনিক আইডি গঠন করে?
  1. Composite key
  2. Secondary key
  3. Simple key
  4. Foreign key
সঠিক উত্তর:
Composite key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Composite key
ব্যাখ্যা
• কোন কী টাইপ যখন দুই বা তার বেশি অ্যাট্রিবিউট একসাথে নিয়ে একটি ইউনিক আইডি গঠন করে, তাকে Composite key বলা হয়। এটি একটি টেবিলের রেকর্ডগুলোকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত, একক অ্যাট্রিবিউট যদি ইউনিক না হয়, তখন দুটি বা তার বেশি অ্যাট্রিবিউট মিলিয়ে ইউনিক আইডি তৈরি করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি টেবিলের জন্য “Student_ID” বা “Course_ID” একা ইউনিক না হয়, তবে “Student_ID” এবং “Course_ID” দুটো মিলিয়ে একটি Composite key তৈরি করা হয়। এই কী ডাটাবেজে ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানে সাহায্য করে। তাই, Composite key একাধিক অ্যাট্রিবিউটের সমন্বয়ে গঠিত ইউনিক চিহ্ন।

• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
NFC কোন প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশী সম্পর্কিত?
  1. Infrared
  2. RFID
  3. Wi-Fi
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা
• NFC (Near Field Communication) মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। NFC হলো একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা দুইটি ডিভাইস খুব কাছাকাছি আনার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে। এটি RFID-এর একটি উন্নত এবং ছোট রেঞ্জের সংস্করণ বলা যায়, যা প্রায় ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাজ করে। Infrared ও Wi-Fi প্রযুক্তি NFC এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ Infrared লাইন-অফ-সাইট কমিউনিকেশন ব্যবহার করে আর Wi-Fi দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, NFC প্রযুক্তি RFID-এর সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫.
দাবা খেলার জন্য আইবিএম তৈরি করা বিখ্যাত কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. Deep Blue
  2. DeepMind
  3. Watson
  4. Blue Brain
সঠিক উত্তর:
Deep Blue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deep Blue
ব্যাখ্যা
• দাবা খেলার জন্য আইবিএম তৈরি করা বিখ্যাত কম্পিউটারটির নাম Deep Blue. এটি ১৯৯০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং বিশেষভাবে দাবা খেলায় মানুষের চ্যাম্পিয়নকে হারানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে, Deep Blue বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়ন গ্যারী কাসপারভকে পরাজিত করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। Deep Blue’র শক্তিশালী প্রসেসিং ক্ষমতা এবং উন্নত অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এটি অনেকগুলি সম্ভাব্য চাল বিশ্লেষণ করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়। এই যন্ত্রটির সাফল্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, DeepMind, Watson, এবং Blue Brain ভিন্ন উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে এবং দাবা খেলার জন্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো Deep Blue.

• আইবিএম (IBM): 
- IBM হচ্ছে একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- IBM ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷ 
- IBM কোম্পানিকে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার হলো- IBM 5150. 
- IBM কোম্পানির বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হলো- ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হলো একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

উৎস: IBM Website.
২৬.
লাইটপেনের প্রধান কাজ কী?
  1. তথ্য প্রদর্শন করা
  2. ডিজিটাল কনটেন্ট সংরক্ষণ করা
  3. ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
  4. প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
ব্যাখ্যা
• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের স্ক্রীনে সরাসরি লেখা বা ছবি আঁকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা, অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্ক্রীনের নির্দিষ্ট স্থানে লাইটপেন স্পর্শ করলে সেটি সেই অবস্থানের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। লাইটপেনের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং সম্পাদনা করা সহজ হয়। এটি তথ্য প্রদর্শন বা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই লাইটপেনের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশনা বা ড্রয়িং ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করা।

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
(4851)10 = ?
  1. (11363)8
  2. (11F3)16
  3. (1101011001011)2
  4. (12F3)16
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) (11363)8 ও ঘ) (12F3)16
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------- 

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ A, ১১ → B, ১২ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।

আবার, (4851)10 = (11363)8 

২৮.
ROM- এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
  2. ক্লাউডে চলা সফটওয়্যার
  3. RAM-এ সংরক্ষিত অস্থায়ী ডেটা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM-এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো: ক) হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার। ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং এটি সাধারণত ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া এবং হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার স্থায়ী বা সেমি-স্থায়ী হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন করতে পারে না। এর উদাহরণ হলো BIOS বা UEFI, যা কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যারের কাজ শুরু করে। তাই ফার্মওয়্যারকে হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার হিসেবে ধরা হয়।

• ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
২৯.
VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Paint
  3. Blender
  4. Vuforia
সঠিক উত্তর:
Blender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blender
ব্যাখ্যা
• VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে গ) Blender ব্যবহৃত হয়। Blender একটি ওপেন-সোর্স থ্রিডি মডেলিং এবং অ্যানিমেশন সফটওয়্যার, যা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কনটেন্ট তৈরি করতে অত্যন্ত কার্যকর। এতে থ্রিডি অবজেক্ট তৈরি, রিগিং, টেক্সচারিং, রেন্ডারিং এবং অ্যানিমেশন করার সুবিধা রয়েছে, যা VR পরিবেশের জন্য বাস্তবসম্মত দৃশ্য তৈরি করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, PowerPoint এবং Paint মূলত 2D কনটেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং Vuforia একটি AR (Augmented Reality) প্ল্যাটফর্ম, যা বাস্তব জগতের উপরে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরির জন্য Blender-ই উপযুক্ত।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৩০.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মান কত?
  1. D
  2. 10
  3. E
  4. F
সঠিক উত্তর:
F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি সংখ্যার সঙ্গে অতিরিক্ত ছয়টি অক্ষর A, B, C, D, E, এবং F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫ বোঝায়। অর্থাৎ, একক অঙ্কের মধ্যে সর্বোচ্চ মান হচ্ছে F, যা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৫ এর সমান। তাই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে ‘ঘ) F’, কারণ এটি হেক্সাডেসিমেল একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মানকে উপস্থাপন করে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
- (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
ফোনের IMEI দেখতে হলে কোন কোড ডায়াল করা উচিত?
  1. *#911#
  2. *#IMEI#
  3. *#06#
  4. *#123#
সঠিক উত্তর:
*#06#
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06#
ব্যাখ্যা
• ফোনের IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার দেখতে হলে সঠিক কোড হলো *#06#। এটি একটি ইউনিক নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য নির্দিষ্ট এবং ফোন হারিয়ে গেলে সেটি শনাক্ত করতে বা ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারীকে ফোনের ডায়াল প্যাডে *#06# টাইপ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে IMEI নম্বরটি প্রদর্শিত হয়। এটি কোনো এসএমএস বা কল প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি সিস্টেম-নির্ধারিত শর্টকোড। অন্যান্য অপশন যেমন *#911#, *#IMEI# বা *#123# এই কাজে সঠিক নয় এবং কাজও করবে না। তাই IMEI জানার জন্য সঠিক উত্তর: গ) *#06#.

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Chrome
  2. Bitdefender
  3. Kaspersky
  4. AVG
সঠিক উত্তর:
Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chrome
ব্যাখ্যা
• Chrome এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Google দ্বারা তৈরি। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে সাহায্য করে। তবে এটি কোনো ভাইরাস শনাক্ত বা দূর করতে পারে না। অন্যদিকে, Bitdefender, Kaspersky এবং AVG — এই তিনটি হলো জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই, তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Chrome এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
কোন ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়?
  1. আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. প্যাকেট সুইচিং
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা ট্রান্সমিট হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার আলাদাভাবে পাঠানো হয় এবং প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি বা একাধিক স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর ফলে প্রাপক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টারের সীমা নির্ধারণ করতে পারে, যদিও এতে অতিরিক্ত বিট যুক্ত হওয়ায় ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা কিছুটা কমে যায়। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের প্রধান সুবিধা হলো, এটি সিম্পল এবং কম জটিল ডিভাইস বা ছোট ব্যবস্থার জন্য উপযোগী। এই কারণে এটি সাধারণত কীবোর্ড, মাউস, অথবা সিরিয়াল পোর্টে ব্যবহৃত হয়।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়।
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি।
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

• আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়ােজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৪.
ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চাইলে আপনি কোন সার্ভিস ব্যবহার করবেন?
  1. Amazon EC2
  2. Amazon RDS
  3. Google Workspace
  4. Salesforce
সঠিক উত্তর:
Amazon EC2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon EC2
ব্যাখ্যা
• আপনি যদি ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চান, তবে Amazon EC2 ব্যবহার করাই উপযুক্ত হবে। Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud) হলো একটি IaaS (Infrastructure as a Service) সার্ভিস যা আপনাকে ভার্চুয়াল সার্ভার চালানোর সুযোগ দেয়। এখানে আপনি নিজে পছন্দমতো অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করতে পারেন এবং নিজের অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল ও কনফিগার করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে কাস্টমাইজযোগ্য এবং স্কেলযোগ্য, ফলে আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজনে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো যায়। অন্যদিকে, Amazon RDS একটি ম্যানেজড ডেটাবেস সার্ভিস, Google Workspace অফিস টুলসের সমষ্টি, আর Salesforce একটি CRM প্ল্যাটফর্ম - এসব দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম বা কাস্টম অ্যাপ ডিপ্লয় করা যায় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৫.
কোন মেমোরি টাইপ পাওয়ার বন্ধ হলে তার তথ্য হারিয়ে যায়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমোরি
  2. ইইপ্রম
  3. র‍্যাম
  4. চুম্বকীয় টেপ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM) হলো এমন একটি মেমোরি টাইপ যা পাওয়ার বন্ধ করলে তার মধ্যে থাকা সব তথ্য হারিয়ে যায়। র‍্যামকে ভলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এটি বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর নির্ভরশীল। যখন কম্পিউটার চালু থাকে, তখন র‍্যাম ডেটা দ্রুত পড়া ও লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পাওয়ার কেটে গেলে র‍্যামে থাকা সব তথ্য মুছে যায়। অন্যদিকে, ফ্ল্যাশ মেমোরি, ইইপ্রম, এবং চুম্বকীয় টেপ হল নন-ভলাটাইল মেমোরি, যা পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। তাই র‍্যাম পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারিয়ে যাওয়ার কারণে অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM।

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে 9 এর ডাটা টাইপ কোনটি?
  1. bool
  2. int
  3. float
  4. str
সঠিক উত্তর:
int
উত্তর
সঠিক উত্তর:
int
ব্যাখ্যা
• পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে ৯ সংখ্যাটির ডাটা টাইপ হলো int অর্থাৎ integer. Integer হলো এমন একটি ডাটা টাইপ যা পূর্ণসংখ্যা (যেমন ১, ৯, ১০০) সংরক্ষণ করে। পাইথনে যখন আমরা ৯ লিখি, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে integer হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে, bool ডাটা টাইপ শুধু True অথবা False মান ধারণ করে, float ডাটা টাইপ দশমিক সংখ্যাগুলো যেমন ৯.০ বা ৩.১৪ ধারণ করে এবং str ডাটা টাইপ অক্ষর বা শব্দের সারি যেমন "বাংলাদেশ" ধারণ করে। তাই ৯ একটি পূর্ণসংখ্যা হওয়ায় এর ডাটা টাইপ হবে int.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

• Python-এ 9 এর ডেটা টাইপ হলো int.

কারণ:
• int মানে ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা। 5 একটি পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকবিহীন এবং এতে কোনো ভগ্নাংশ নেই। Python সংখ্যাগুলোকে ডেটা টাইপ অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করে।

এছাড়াও,
- str (স্ট্রিং): এটি টেক্সট বা অক্ষরযুক্ত মানের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: '5' বা "Hello".
- float: এটি দশমিক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: 5.0.
- bool: এটি বুলিয়ান মানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন True বা False.
- তাই, 5 একটি পূর্ণসংখ্যা এবং এর ডেটা টাইপ int।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৩৭.
অক্টাল সংখ্যা 531.24 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত মান পাওয়া যায়?
  1. 260.50
  2. 220
  3. 169.50
  4. 159.50
সঠিক উত্তর:
159.50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
159.50
ব্যাখ্যা
• অক্ট্যাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
অক্ট্যাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্ট্যাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৩ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৪ বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে উক্ত অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।
৩৮.
AGP পোর্ট কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক সংযোগ
  2. অডিও আউটপুট
  3. উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
• AGP (Accelerated Graphics Port) পোর্ট ব্যবহৃত হয় উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন (গ) এর জন্য। এটি একটি বিশেষ ধরনের পোর্ট যা মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে এবং গ্রাফিক্স কার্ড সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। AGP পোর্ট মূলত এমন সব কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দ্রুত গতির গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, যেমন ৩ডি গেম, গ্রাফিক ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। এই পোর্ট PCI পোর্টের তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে, ফলে ছবির গুণমান উন্নত হয় এবং গ্রাফিক্স বেশি স্বচ্ছ ও মসৃণভাবে প্রদর্শিত হয়। যদিও বর্তমানে PCI Express (PCIe) এর জনপ্রিয়তার কারণে AGP পোর্টের ব্যবহার অনেক কমে গেছে, তবুও এটি গ্রাফিক্স ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
একটি ২ GHz CPU-এর এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল আনুমানিক:
  1. ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
  2. ২ ন্যানোসেকেন্ড
  3. ৫০০ ন্যানোসেকেন্ড
  4. ২ মিলিসেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• একটি ২ GHz CPU-এর অর্থ হলো এটি প্রতি সেকেন্ডে ২ বিলিয়ন (২ × ১০) ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। তাই এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল হবে ১ সেকেন্ড ÷ ২ × ১০= ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। অর্থাৎ, প্রতি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড সময় লাগে। GHz মানে হলো গিগাহার্টজ, যা একক সময়ের মধ্যে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হয় তা বোঝায়। তাই ঘড়ির স্পিড যত বেশি, প্রতি সাইকেলের সময়কাল তত কম। এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে বোঝা যায় ক্লক স্পিড ও সময়ের সম্পর্ক বিপরীতমুখী।

• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে বলা হয়:
  1. আপডেট
  2. সর্টিং
  3. সেভিং
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে কুয়েরি (ঘ) বলা হয়। কুয়েরি হল একটি নির্দিষ্ট অনুরোধ যা ডেটাবেজে পাঠানো হয়, যাতে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি জানতে চান কোন ছাত্রদের নম্বর ৮০-এর বেশি, তাহলে আপনি সেই শর্ত অনুযায়ী একটি কুয়েরি চালাবেন। কুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজে থাকা লক্ষ লক্ষ রেকর্ড থেকে খুব সহজেই প্রাসঙ্গিক ডেটা বের করা যায়। এটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তথ্য বিশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪১.
NVMe উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Ethernet
  2. PCIe
  3. HDMI
  4. Thunderbolt
সঠিক উত্তর:
PCIe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PCIe
ব্যাখ্যা
• NVMe (Non-Volatile Memory Express) উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি একটি হাই-স্পিড ইন্টারফেস যা কম ল্যাটেন্সি ও উচ্চ ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করে। NVMe SSD গুলো PCIe লেন ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারের প্রসেসরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, ফলে SATA ভিত্তিক SSD বা হার্ড ড্রাইভের তুলনায় অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম হয়। PCIe প্রযুক্তির মাধ্যমে NVMe ড্রাইভগুলো বেশি সংখ্যক কমান্ড সমান্তরালভাবে প্রক্রিয়া করতে পারে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে। এই কারণে, উচ্চ পারফরম্যান্স প্রয়োজন হয় এমন কাজের ক্ষেত্রে NVMe ড্রাইভগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়।

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ Non-Volatile Memory Express.
- এটি SSD- র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: techtarget.com
৪২.
IEEE 802.11 কোন সাধারণ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NFC
  2. Zigbee
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 একটি সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি মানদণ্ড যা মূলত Wi-Fi এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) তৈরি ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ব্যবহারকারীদেরকে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও ডেটা সংযোগের সুবিধা দেয়। IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) এই মানটি নির্ধারণ করে, যা বিভিন্ন সংস্করণে (যেমন 802.11a/b/g/n/ac/ax) আপডেট হয়েছে উচ্চ গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। NFC, Zigbee এবং Bluetooth ওয়্যারলেস প্রযুক্তি হলেও, এদের নিজস্ব আলাদা মান রয়েছে, এবং IEEE 802.11 এর আওতাভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: গ) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
পৃথিবীতে ল্যাপটপ কম্পিউটার কোন সময় আবিষ্কৃত হয় এবং কোন কোম্পনি এটি তৈরি করে?
  1. ১৯৮০, অ্যাপল
  2. ১৯৭২, আইবিএম
  3. ১৯৮১, কমপ্যাক
  4. ১৯৮১, এপসন
সঠিক উত্তর:
১৯৮১, এপসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১, এপসন
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয় ১৯৮১ সালে এবং এটি তৈরি করে জাপানি কোম্পানি এপসন (Epson)। এপসনের তৈরি "Epson HX-20" ছিল বিশ্বের প্রথম ব্যাটারি চালিত, পোর্টেবল কম্পিউটার যা ল্যাপটপের আদলে তৈরি হয়েছিল। এতে ছিল একটি ছোট LCD ডিসপ্লে, বিল্ট-ইন প্রিন্টার ও রিচার্জেবল ব্যাটারি, যা একে অন্যান্য ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে ভিন্ন করে তোলে। যদিও এটি আধুনিক ল্যাপটপের মতো শক্তিশালী ছিল না, তবুও এটি প্রযুক্তির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং ভবিষ্যতের ল্যাপটপ উদ্ভাবনের পথ তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) এপসন, ১৯৮১।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪.
ওয়াকিটকিতে কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ট্রিপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. ফুল ডুপ্লেক্স
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ওয়াকিটকিতে হাফ ডুপ্লেক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়। হাফ ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একসাথে দুইজন কথা বলতে পারে না; একজন কথা বললে অন্যজনকে শুনতে হয় এবং পালাক্রমে কথা বলতে হয়। এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে অডিও ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। ওয়াকিটকির ব্যবহারকারীরা “push-to-talk” (PTT) বোতাম চাপলে তাদের ভয়েস ট্রান্সমিট হয়, এবং বোতাম ছাড়লে তারা অন্য পক্ষের ভয়েস রিসিভ করতে পারে। এই কারণে, হাফ ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় ডেটা একই সময়ে দু'দিক থেকে যাওয়া বা আসা সম্ভব নয়। সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হওয়ায় এটি বিভিন্ন নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।


• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) I

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন- টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি ইন্টেল ৮০১৮৬-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. এটি ৮-বিট মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. এটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর
  3. এটি ৩২-বিট প্রসেসর
  4. এটি ৬৪-বিট RISC প্রসেসর
সঠিক উত্তর:
এটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
• ইন্টেল ৮০১৮৬ একটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর। এটি ১৯৮২ সালে ইন্টেল কর্তৃক বাজারে আনা হয় এবং এটি ৮০৮৬ প্রসেসরের উন্নত সংস্করণ। এতে ইন্টিগ্রেটেড ক্লক জেনারেটর, ইন্টারাপ্ট কন্ট্রোলার, টাইমার এবং ডাইরেক্ট মেমোরি অ্যাক্সেস (DMA) কন্ট্রোলার অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা একে একক চিপে আরো কার্যক্ষম করে তোলে। ইন্টেল ৮০১৮৬ মূলত এমবেডেড সিস্টেমে বেশি ব্যবহৃত হতো, কারণ এটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং কার্যকর হার্ডওয়্যার সমাধান দিত। এটি ৮-বিট মাইক্রোকন্ট্রোলার বা ৩২/৬৪-বিট প্রসেসর নয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  
৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮,
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়?
  1. Registers
  2. ALU
  3. Control Unit
  4. GPU
সঠিক উত্তর:
GPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GPU
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট যা কম্পিউটারের সকল প্রধান কার্য সম্পাদন করে। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান অংশগুলো হলো রেজিস্টারস, যা তথ্য সংরক্ষণ করে; ALU (Arithmetic Logic Unit), যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশন করে; এবং কন্ট্রোল ইউনিট, যা মাইক্রোপ্রসেসরের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দেশনা অনুসরণ করে। তবে GPU (Graphics Processing Unit) মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়। GPU হলো একটি পৃথক প্রসেসর যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ হিসেবে GPU অন্তর্ভুক্ত নয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
কোন ডিভাইসটি ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা দেয়?
  1. মাউস
  2. স্পিকার
  3. স্ক্যানার
  4. টাচস্ক্রিন
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা প্রদান করে। এটি একটি ইন্টারেক্টিভ পর্দা যেখানে ব্যবহারকারী আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে স্পর্শ করে কমান্ড দিতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রতিক্রিয়া বা ফলাফল দেখতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন মাউস শুধুমাত্র ইনপুট দেয়, কিন্তু ফলাফল মনিটরে দেখা হয়। স্পিকার শব্দ আউটপুট করে, ইনপুট নয়। স্ক্যানার কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ফলাফল দেখায় না। তাই, টাচস্ক্রিন একক ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট উভয়ই সরবরাহ করে।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
৪৮.
কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl + X এর কাজ কী?
  1. নির্বাচিত টেক্সট পেস্ট করা
  2. নির্বাচিত টেক্সট কপি করা
  3. নির্বাচিত টেক্সট কাট করা
  4. শেষ কাজ বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
নির্বাচিত টেক্সট কাট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচিত টেক্সট কাট করা
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl + X এর কাজ হলো নির্বাচিত টেক্সট বা আইটেম কাট করা। যখন আমরা কোনো ডকুমেন্ট বা ফাইল থেকে কিছু অংশ নির্বাচন করে Ctrl + X চাপি, তখন সেটি কেটে নেওয়া হয় এবং কম্পিউটারের ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষণ করা হয়। অর্থাৎ, নির্বাচিত অংশটি আসলে মুছে যায় কিন্তু সেটি কিছুক্ষণের জন্য ক্লিপবোর্ডে থাকে যাতে আমরা পরে সেটি অন্য কোথাও পেস্ট করতে পারি। এটি কপি করার থেকে আলাদা, কারণ কপি করার সময় মূল অংশ থেকে কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু কাট করার সময় নির্বাচিত অংশটি মূল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো - গ) নির্বাচিত টেক্সট কাট করা।

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।

Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
ই-মেইল প্রেরণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SMTP
  2. TCP/IP
  3. FTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
SMTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMTP
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল প্রেরণ করার জন্য প্রধানত SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয়। SMTP হল একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে। এটি ই-মেইল প্রেরণ প্রক্রিয়াকে সহজ এবং দ্রুত করে তোলে। TCP/IP একটি নেটওয়ার্ক যোগাযোগ প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে, তবে সরাসরি ই-মেইল প্রেরণের জন্য নয়। FTP মূলত ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং HTTP ওয়েব পেজ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, ই-মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে SMTP সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যবহৃত প্রোটোকল।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
৫০.
দশমিক 0.15 কে অক্টাল ফরম্যাটে পরিবর্তন করলে সংখ্যাটি কত হবে?
  1. 0.21356
  2. 0.15472
  3. 0.11463
  4. 0.22403
সঠিক উত্তর:
0.11463
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.11463
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ) হয়।
৩. অতঃপর উপরে দিক থেকে নিচের দিকের পূর্ণ অংশগুলো বাম থেকে ডান দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখতে হবে।

৫১.
কোন ধরনের ফায়ারওয়াল অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে?
  1. Application-layer firewall
  2. Packet-filtering firewall
  3. Circuit-level gateway
  4. Stateless firewall
সঠিক উত্তর:
Application-layer firewall
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Application-layer firewall
ব্যাখ্যা
• Application-layer firewall হল এমন একটি ফায়ারওয়াল যা অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে। এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের ডেটা প্যাকেটের কন্টেন্ট পরীক্ষা করে এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকলের নিয়মাবলী অনুসারে ট্রাফিককে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করে। এটি ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফার ইত্যাদি সেবা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Packet-filtering firewall শুধুমাত্র প্যাকেটের হেডার তথ্য যেমন সোর্স এবং ডেস্টিনেশন আইপি ঠিকানা, পোর্ট নম্বর দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। Circuit-level gateway সেশন লেভেলে কাজ করে এবং Stateless firewall পূর্ববর্তী অবস্থা বিবেচনা না করে শুধুমাত্র প্যাকেটের তথ্য দেখে কাজ করে। তাই, অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করার জন্য Application-layer firewall ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।