পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
মৌলিক অধিকারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সংবিধানে উল্লেখ থাকে
  2. সরকার কর্তৃক অলঙ্ঘনীয়
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. সরকার কর্তৃক লঙ্ঘনীয়
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক লঙ্ঘনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক লঙ্ঘনীয়
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার:
- যে সব অধিকার সংবিধানে উল্লেখ থাকে এবং সরকার কর্তৃক অলঙ্ঘনীয় সেগুলোকে মৌলিক অধিকার বলে।
- এসব সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার রাষ্ট্রের সংবিধানে উল্লেখ থাকে।
- মৌলিক অধিকারের মাধ্যমে নাগরিকরা সুসভ্যভাবে জীবন-যাপন করতে পারে।
- এ অধিকার সরকারের স্বৈরাচার রোধ করে।
- যে কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত থাকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রাচীনকালে গ্রীক দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' অর্থে নিচের কোন কথাটি ব্যবহার করতেন?
  1. Polis
  2. Civitas
  3. Civics
  4. State
সঠিক উত্তর:
Polis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Polis
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের ধারণা: 
- প্রাচীনকালে গ্রীক দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' অর্থে পোলিস (Polis) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- রোমান দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' বোঝাতে 'সিভিটাস' (Civitas) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- প্রাচীন গ্রীক পন্ডিত থেকে শুরু করে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে রাষ্ট্রের ধারণা বা সংজ্ঞা নিয়ে যথেষ্ট মত পার্থক্য রয়েছে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন বলেন, "রাষ্ট্র হচ্ছে আইনের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডে সংগঠিত একটি জনসমাজ।"
- অধ্যাপক জেমস গার্নার বলেন, "সুনির্দিষ্ট ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রনমুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।"
- যে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড, সুসংগঠিত সরকার, জনসমষ্টি ও সার্বভৌম ক্ষমতা রয়েছে তাকে রাষ্ট্র বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূখন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে। যথা-
(১) জনসমষ্টি,
(২) ভূ-খন্ড,
(৩) সরকার ও
(৪) সার্বভৌমত্ব।

১। জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র হতে পারে না।
তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হতে হবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। 

২। ভূখন্ড:
- রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হল ভূখন্ড।
- জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভূখন্ড আবশ্যক।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়। 

৩। সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।
- এ তিন ধরনের কাজের জন্য সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ।
- তবে বিশ্বের প্রায় সব সরকার ৩টি বিভাগ নিয়ে গঠিত হলেও সরকারের রূপ ও প্রকৃতি এক নয়।
- যেমন- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

৪। সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না।
- যেমন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে বাংলাদেশের অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে নি।

সার্বভৌমত্বের দু'টো দিক রয়েছে। যথা-
(ক) অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব:
- যার দ্বারা রাষ্ট্র তার সীমানার মধ্যে যেকোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর অবাধ ও সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী।
- এ ক্ষমতার মাধ্যমে রাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখে।

(খ) বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব:
- এ ক্ষমতা বলে রাষ্ট্র বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"কর্তব্য বলতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গীন কল্যানের জন্য কোন কিছু করা বা না করার অধিকার বোঝায়।" -কে বলেছেন?
  1. অধ্যাপক হ্যারল্ড লাস্কি
  2. অধ্যাপক ডাইসি
  3. অধ্যাপক আর. জি. গেটেল
  4. অধ্যাপক জেমস গার্নার
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক হ্যারল্ড লাস্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক হ্যারল্ড লাস্কি
ব্যাখ্যা
কর্তব্যের ধারণা:
- রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে প্রত্যেক নাগরিক তার জীবনকে পরিপূর্ণভাবে বিকাশের জন্য কতগুলো সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক অধিকার ভোগ করে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকদের আবার রাষ্ট্রের প্রতি কিছু কর্তব্য পালন করতে হয়।
- এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক হ্যারল্ড লাস্কি বলেন, "কর্তব্য বলতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গীন কল্যাণের জন্য কোন কিছু করা বা না করার অধিকারকে বোঝায়।"
- বস্তুত: কর্তব্য পালন ব্যতীত অধিকার ভোগের প্রত্যাশা করা যায় না।
- যেমন, আইন মেনে চলা নাগরিকের কর্তব্য। এ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে একজন নাগরিক তার নিজের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার প্রত্যাশা করতে পারে।

কর্তব্যের শ্রেণিবিভাগ:
বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্নভাবে কর্তব্যের শ্রেণিবিভাগ করেছেন। যেমন-
(১) নৈতিক কর্তব্য,
(২) আইনগত কর্তব্য,
(৩) সামাজিক কর্তব্য,
(৪) রাজনৈতিক কর্তব্য,
(৫) অর্থনৈতিক কর্তব্য।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোলাম মোহাম্মদ কাদের
  2. জিয়াউর রহমান
  3. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  4. আন্দালিভ রহমান
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পার্টি: 
- তৎকালীন সেনাশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মূলত সামরিক ক্ষমতার বেসামরিকীকরণের অংশ হিসেবে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি দুই বার (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এ দু'টি নির্বাচনই বর্জন করে।
- ১৯৯০ সালে অন্যান্য রাজনৈতিকগুলোর সম্মিলিত আন্দোলনে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়।
- জাতীয় পার্টির নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বৈরাচার হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ২০০০ সালে নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে জাতীয় পার্টি তিনটি অংশে ভাগ হয়ে যায়।

জাতীয় পার্টি:
প্রতীকের নাম: লাঙ্গল
চেয়ারম্যান: গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি - জেপি:
প্রতীকের নাম:  বাইসাইকেল
চেয়ারম্যান: আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এম.পি

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি:
প্রতীকের নাম: গরুরগাড়ী
চেয়ারম্যান: ব্যারিষ্টার আন্দালিভ রহমান

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
.
ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত নারী সদস্যের সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ: 
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে এক জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ন'জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) রয়েছে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
-  ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়। 
- উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা) এবং কিছু সংখ্যক সদস্য নিয়ে।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এই পরিষদের সদস্য হবেন।
- এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত পদে তিনজন নারী সদস্য মনোনীত হয়ে থাকেন।
- ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ সালে কার্যকর করা হয়।

উপজেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইনসমূহ:
- উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮
- উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পূনপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯
- উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ( ২০২৪ সনের ০৩ নং অধ্যাদেশ ) [ ১৭ আগস্ট, ২০২৪ ]

উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর উল্লেখযোগ্য ধারা: 
- ১৩ঘ। বিশেষ পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের অপসারণের ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা।
- ১৩ঙ। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগ ও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা।

উৎস: Laws of Bangladesh Website. 
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন এর কাজ নিচের কোনটি?
  1. বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দান
  2. সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান
  3. সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি করা প্রভৃতি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন:
- প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত। 
- 'সিভিল' বা 'পাবলিক' সার্ভিস কমিশন গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান এবং চাকুরি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত যাতে মেধা ও সমদর্শিতার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিতকরণ।
- বাংলাদেশে এই সংস্থা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামে অভিহিত।

উৎস: বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ওয়েবসাইট।
.
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে কী নাম রাখা হয়?
  1. শ্রম মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- প্রজাতন্ত্রের গণকর্মচারী নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ব্যবস্থা করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ।
- এ কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য গণকর্মচারী নিয়োগবিধি ও চাকরিবিধি প্রণয়নও এ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- নিয়োজিত জনবলের সংগঠিত ও প্রমিত কর্মজীবন পরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন ও প্রসারের মতো তাৎপর্যমণ্ডিত বহুমুখী দায়িত্ব পালনেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। 
- ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- এ উদ্দেশ্য সাধনে গঠিত এনাম কমিটি Establishment Division-কে পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization নামকরণের সুপারিশ করে।
- পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization-এর পরিবর্তিত নামকরণ হয় Ministry of Establishment বা সংস্থাপন মন্ত্রণালয়.
- সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮-০৪-২০১১ খ্রিষ্টাব্দে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১০.
কোন শব্দ থেকে 'Democracy' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
  1. গ্রিক শব্দ
  2. রোমান শব্দ
  3. তুর্কি শব্দ
  4. ল্যাটিন শব্দ
সঠিক উত্তর:
গ্রিক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক শব্দ
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র:
- আধুনিক যুগে বিশ্ববাসীর নিকট সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা হল গণতন্ত্র।
- বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বিশ্বে অধিকাংশ দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকে।
- এ শতাব্দীর শেষ দশকে এসে গণতন্ত্র সারা দুনিয়াতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শাসন ব্যবস্থায় পরিণত হয়।

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা:
- গণতন্ত্র বলতে জনগণের শাসনকে বুঝায়।
- গণতন্ত্র বা Democracy শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Demos' এবং 'Kratia' শব্দদ্বয় থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
- Demos শব্দের অর্থ জনগণ এবং Kratia শব্দের অর্থ শাসন বা ক্ষমতা।
- সুতরাং শব্দগত বা উৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শাসন বা ক্ষমতা।
- সাধারণভাবে গণতন্ত্র হচ্ছে এমন এক ধরনের সরকার ব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা রাষ্ট্রের জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে।
- লর্ড ব্রাইস (Lord Bryce) তাঁর 'মডার্ণ ডেমোক্র্যাসি' গ্রন্থে গণতন্ত্র সম্পর্কে বলেন, 'গণতন্ত্র হল এমন এক ধরণের সরকার যাতে রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা আইনগতভাবে কোন বিশেষ শ্রেণি বা শ্রেণি - মানুষের হাতে না থেকে সমাজের নাগরিকদের হাতে থাকে'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মত প্রকাশের অধিকার কোন অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. নৈতিক অধিকার
  2. সামাজিক অধিকার
  3. রাজনৈতিক অধিকার
  4. ব্যক্তিগত অধিকার
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা
অধিকারের শ্রেণিবিভাগ:
অধিকার প্রধানত দুই প্রকার- যথা (১) নৈতিক অধিকার ও (২) আইনগত অধিকার

নৈতিক অধিকার (Moral Rights):
- নৈতিক অধিকার নীতি এবং বিবেকদ্বারা জাগ্রত।
- ন্যায়বোধ থেকে এটি তৈরি হয়।
- নৈতিক অধিকারের আইনগত ভিত্তি নেই।
- যেমন: ভিখারীর ভিক্ষা পাবার অধিকার। 

আইনগত অধিকার (Legal Rights):
- আইনগত অধিকার নাগরিকের জীবনধারণ ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- এ অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত বা অনুমোদিত।
- এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌম কর্তৃত্ব দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- এ অধিকার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত।
- ফলে এরূপ অধিকার ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র শাস্তি বিধান করে।
- যেমন: জীবনধারণের অধিকার, অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার ইত্যাদি।
- সমাজ ও রাষ্ট্রভেদে এ অধিকারের তারতম্য ঘটে না।
- অর্থাৎ এটি সার্বজনীন। 

আইনগত অধিকারকে নিম্নরূপভাবে ভাগ করা যায়-
ক. সামাজিক অধিকার: জীবন ধারণের অধিকার, সম্পত্তি রক্ষার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি।
খ. অর্থনৈতিক অধিকার: কর্মের অধিকার, ন্যায্য মুজুরি পাবার অধিকার, পেশা পছন্দের অধিকার।
গ. রাজনৈতিক অধিকার: ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার।
ঘ. ধর্মীয় অধিকার: প্রত্যেক নাগরিকের তার নিজ ধর্ম পালন, চর্চা, আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হল ধর্মীয় অধিকার। যেমন একজন মুসলিম নাগরিকের অধিকার আছে নামায পড়ার। ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে, কেননা ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।
ঙ. সাংস্কৃতিক অধিকার: প্রত্যেক জাতিরই নিজস্ব ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছেদ থাকে। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সংস্কৃতিকে ধারণ, বাহন ও বিকাশ ঘটানোর অধিকার হল সাংস্কৃতিক অধিকার।
চ. ব্যক্তিগত অধিকার: জীবন-ধারণের অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, সুখ-স্বাচ্ছদ্যের অধিকার।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম কী?
  1. গণভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. পদ্মা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভবন:
- বঙ্গভবন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন।
- ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত।
- গোড়ার দিকে এটি ছিল ভারতের ব্রিটিশ ভাইসরয়ের অস্থায়ী সরকারি বাসভবন।
- পরে পূর্ববাংলার গভর্নরের সরকারি বাসস্থান।
- তখন এই ভবন গভর্নর হাউজ নামে পরিচিত ছিল।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় পূর্ববাংলা ও আসাম সরকার জায়গাটির একাংশ ক্রয় করে সেখানে ভারতের ভাইসরয়ের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করে।
- পূর্ববাংলায় তার সফর ও অবস্থানকালে ভাইসরয় ১৯১১ সাল পর্যন্ত এখানেই বাস করতেন।
- ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এটি গভর্নর হাউজ নামেই পরিচিত ছিল। 
- পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর এখানে বসবাস করতেন।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি এর নামকরণ হয় বঙ্গভবন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।