পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes৩৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পদ, সন্ধি, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সর্বনামের অবস্থান সঠিক নয়?
  1. ক) বিশেষ্যের পরিবর্তে
  2. খ) বিশেষ্যপদবন্ধের পরিবর্তে
  3. গ) বাক্যের পরিবর্তে
  4. ঘ) নাম বিশেষণের পরিবর্তে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাম বিশেষণের পরিবর্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাম বিশেষণের পরিবর্তে
ব্যাখ্যা

সর্বনাম অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ্য, বিশেষ্যপদবন্ধ, বিশেষ্যস্থানীয় বাক্যাংশের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
বিশেষ্যের পরিবর্তে -ডাক্তার অসুস্থ, তিনি রোগী দেখতে আসবেন না।
(বিশেষ্য: ডাক্তার। সর্বনাম: তিনি)

বিশেষ্যপদবন্ধের পরিবর্তে - আমাদের স্কুলের বিতার্কিকরা ঢাকা চলে গেছে। তারা টিভি বিতর্কে অংশ নেবে।

বাক্যের পরিবর্তে - প্রশ্ন: তুমি কী টের পেয়েছিলে?
লোকটা পালিয়ে যাবে, আমি আগেই টের পেয়েছিলাম।
ওই লোকটাই যে যত নষ্টের গোড়া, তা কারও বুঝতে বাকি ছিল না।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ।

.
পক্ষভেদে (পুরুষভেদে) সর্বনাম পদ কয় প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
ব্যাখ্যা

'পক্ষ' হল নাম শব্দের এমন এক ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য, যা দিয়ে বক্তা, বক্তার সামনের শ্রোতা, এবং যার কথা বলা হচ্ছে এমন উপস্থিত সত্তা নির্দেশ করা হয়।
প্রচলিত ব্যাকরণে এটি 'পুরুষ' নামে পরিচিত। 

পক্ষভেদে বা পুরুষভেদে সর্বনাম পদ ৩ প্রকার।
১. বক্তাপক্ষ (উত্তম পুরুষ) : আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যাদি।
২. শ্রোতাপক্ষ (মধ্যম পুরুষ) : তুমি, আপনি, তুই, ইত্যাদি।
৩. অন্যপক্ষ (প্রথম পুরুষ) : সে, তারা, তিনি, ওড়া, এদের ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, সর্বনাম পদ মোট ৯ প্রকার; অর্থগত দিক থেকে ৭ প্রকার।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ।

.
বাংলা ‘ধীর’ শব্দটির বিশেষ্য রূপ কি?
  1. ক) ধৈর্য
  2. খ) ধীরস্থির
  3. গ) ধীরস্থিরতা
  4. ঘ) ধীরতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরতা
ব্যাখ্যা

ধীর [ধির্‌](বিশেষণ) {(তৎসম বা সংস্কৃত) ধী+√রা+অ(ক)}
১ ধৈর্যশীল; সহিষ্ণু; শোক ও ক্লেমাদিতে অভিভূত (ধীরচিত্ত)।
২ মন্থর; মৃদু; মৃদুমন্দ; অল্প; সামান্য (ধীরগতি, ধীরচলন)।
৩ স্থির; চঞ্চলতাশূন্য (ধীরভাব)।
৪ শান্ত; নম্র; বিনীত (ধীরস্বভাব)।
৫ স্থিরবুদ্ধি (ধীর ব্যক্তি)।
৬ পণ্ডিত; জ্ঞানী; বিজ্ঞ (পরস্পর শাস্ত্রকথা কহে ধীরগণ-ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর)।

অধীর বিপরীতার্থক শব্দ।
ধীরতা, ধীরত্ব (বিশেষ্য)
১ ধৈর্য; ধৃতি (সকল ধীরতা শিক্ষা রসেতে পণ্ডিত-দৌকা)।
২ স্থিরচিত্ততা।
৩ গাম্ভীর্য।
৪ পাণ্ডিত্য।
৫ বুদ্ধিমত্তা।
ধীরপ্রশান্ত (বিশেষ্য) ১ ধীর ও শান্ত।
২ নায়কবিশেষ, যার অনেক গুণ আছে।
ধীরললিত (বিশেষ্য) মৃদু প্রকৃতির নায়কবিশেষ; যে নায়ক নম্র প্রফুল্ল ও নৃত্যগীতাদি প্রিয়।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) ধী+√রা+অ(ক)}

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান

.
‘দহন’ শব্দের বিশেষণ রূপ কোনটি?
  1. ক) দাহ্য
  2. খ) দহনকারী
  3. গ) দগ্ধ
  4. ঘ) দাহ্যনীয়
সঠিক উত্তর:
ক) দাহ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দাহ্য
ব্যাখ্যা

দহন [দহোন্‌] (বিশেষ্য)
১ দগ্ধকরণ; জ্বালা; পোড়া; দাহ।
২ অগ্নি (বেহান বিকাল যায় দহন সেবনে-কবি কঙ্কণ কুমুন্দরাম চক্রবর্তী)।
৩ ((আলঙ্কারিক)) যন্ত্রণা (হিয়ায় লইতে দহন দ্বিগুণ হয়-চণ্ডীদাস)।

দাহক (বিশেষণ) ; দহনকারী (বিশ্বদহন ক্রোধ)।
দহনক্রিয়া (বিশেষ্য) জ্বলনের কাজ (দহনক্রিয়ার অর্থই হল দ্রুতবেগে অক্সিজেনের সঙ্গে মিলন-শামসুল হক ফজলুর রহমান)।
দাহ্য; দহনীয় (বিশেষণ)  দহনের উপযুক্ত; দহনযোগ্য।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) √দহ্‌+অন(ল্যুট্‌)}

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান

.
কোনটি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ক) মুসলিম
  2. খ) সমিতি
  3. গ) গীতাঞ্জলি
  4. ঘ) মাটি
সঠিক উত্তর:
ক) মুসলিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুসলিম
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য সাধারণত ৬ প্রকার।
নাম-বিশেষ্য: নজরুল, ঢাকা, গীতাঞ্জলি, ইন্দোচীন, ইত্যাদি।
জাতি-বিশেষ্য: গরু, পাখি, ইংরেজ, হিন্দু, মুসলিম ইত্যাদি।
বস্তু-বিশেষ্য: ইট, লবন, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।
সমষ্টি-বিশেষ্য: জনতা, পরিবার, সমিতি, মিছিল ইত্যাদি।
গুণ-বিশেষ্য: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, ধৈর্য্য ইত্যাদি।
ক্রিয়া-বিশেষ্য: পঠন, ভোজন, শয়ন, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বই।

.
‘তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে’ - বাক্যটি তে ‘পাঠানো’ কোন পদবাচক শব্দ?
  1. ক) বিশেষ্য বাচক
  2. খ) ক্রিয়া বাচক
  3. গ) অনুসর্গ বাচক
  4. ঘ) যোজক বাচক
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য বাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য বাচক
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য সাধারণত ৬ প্রকার।
যথা -
১. নাম-বিশেষ্য: ব্যাক্তি, কাল, দেশ, স্থান, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নাম কে নাম-বিশেষ্য বলে।
যেমন:
- ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
- কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
- স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
- সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

২. জাতি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী অপ্রাণীর সাধারণ নাম কে বোঝায়।
যেমন- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল ইত্যাদি।

৩. বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে।
যেমন- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

৪. সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্যকে দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি কে বোঝায়।
যেমন- জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

৫. গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবস্থা বা ধারনার নাম কে গুণ বিশেষ্য বলে।
যেমন- সরলতা, আনন্দ, দয়া, গুরুত্ব, দীনতা, ইত্যাদি।

৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়া বিশেষ্য বলে।
যেমন- পঠন, ভোজন, শয়ন, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বই।
.
নিম্নের কোনটি 'অন্যবাচক' সর্বনামের উদাহরণ?
  1. ক) নিজেরা নিজেরা
  2. খ) যেমন
  3. গ) অপর
  4. ঘ) এই
সঠিক উত্তর:
গ) অপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপর
ব্যাখ্যা

সর্বনাম কে ৯ টি শ্রেনীতে ভাগ করা হয়।
যথা -
১. ব্যাক্তিবাচক সর্বনাম - আমি, তুমি, সে ইত্যাদি।
২. প্রশ্নবাচক সর্বনাম - কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।
৩. অনির্দিষ্ট সর্বনাম - কেউ, কোথাও, একজন, কিছু ইত্যাদি।
৪. নির্দেশবাচক সর্বনাম - এ, এই, এরা, ইনি ইত্যাদি।
৫. আত্মবাচক সর্বনাম - নিজ, স্বয়ং ইত্যাদি।
৬. সাপেক্ষ সর্বনাম - যেমন, তেমন ইত্যাদি।
৭. পারষ্পরিক সর্বনাম - পরষ্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।
৮. সকলবাচক সর্বনাম - সবাই, সকলে, সকলকে ইত্যাদি।
৯. অন্যবাচক সর্বনাম - অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।

.
গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া কয় প্রকার?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
খ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫
ব্যাখ্যা

গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া ৫ প্রকার।
যথা:
সরল ক্রিয়া: একটি মাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে তা সম্পন্ন করে তাকে সরল ক্রিয়া বলে।
যেমন: সে লিখছে, ছেলেরা খেলছে ইত্যাদি।

প্রযোজক ক্রিয়া:
কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন: তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন।

নাম ক্রিয়া: 
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক শব্দের শেষে ‘আ’ বা 'আনো' প্রত্যয় যোগ করে যে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন: মেঘের বুকে বিদ্যুৎ চমকায়। 

সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক শব্দের শেষে ‘করা', 'কাটা', 'হওয়া', 'দেওয়া' ইত্যাদি যোগ করে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন: ভাঙন ধরা, লজ্জা পাওয়া, আছাড় খাওয়া, পকেট মারা ইত্যাদি।

যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সাথে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠন করে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন: মরে যাওয়া, এগিয়ে আসা, বলে ফেলা, বুঝে নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থ সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্খল্ভাবে পদবিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ক) আকাঙ্খা
  2. খ) আসত্তি
  3. গ) আসক্তি
  4. ঘ) যোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) আসত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আসত্তি
ব্যাখ্যা

যেকোন সার্থক বাক্যের গুণ তিনটি।
যথা -
- আকাঙ্খা
- আসত্তি
- যোগ্যতা

- বাক্যের অর্থ প[অরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য একপদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙ্খা বলে।
- বাক্যের ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থ সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্খল্ভাবে পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি
- বাক্যস্থিত পদ গুলোর মাঝে অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধন এর নামই যোগ্যতা

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
নিম্নের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) তরুণি
  2. খ) শ্রীমতী
  3. গ) আরবী
  4. ঘ) মিতালী
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমতী
ব্যাখ্যা

বানানের কিছু নিয়ম নিম্নরূপ:
- কিছু স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার হবে।
যেমন: তরুনী, কল্যানী, কিশীরী, মাতামহী, বুদ্ধিমতী, যুবতী, লক্ষ্মী, শ্রীমতী, সতী ইত্যাদি।

- ভাষা ও জাতির নামের শেষে ই-কার হবে।
যেমন: আফগানি, আরবি, ইংরেজি, ইহুদি, কাশ্মিরি, জাপানি, তুর্কি ইত্যাদি।

- বিশেষণবাচক 'আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে ই-কার হয়।
যেমন: চৈতালি, পূবালি, মিতালি, সোনালি, বর্ণালি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১১.
অশুদ্ধ বানান কোনটি ?
  1. ক) উন্মীলন
  2. খ) উন্মীলিত
  3. গ) উদ্ধৃত
  4. ঘ) উপর্যোপরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপর্যোপরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপর্যোপরি
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বানানটির শুদ্ধরূপ - উপর্যুপরি 
উপর্যুপরি [উপোর্‌জুপোরি] (অব্যয়){(তৎসম বা সংস্কৃত) উপরি+উপরি}
১. একটির উপর অন্য একটি; উপরিউপরি।
২. ক্রমাগত; ক্রমান্বয়ে।

উদ্ধৃত
[উদ্‌ধৃতো] (বিশেষ্য) {(তৎসম বা সংস্কৃত) উৎ+ √হৃ/ধৃ+ত(ক্ত)}
১. কোনে রচনা বা উক্তি থেকে আহৃত।
২. উত্তোলিত; উত্থাপিত।
৩. অধিকৃত; পুনরধিকৃত।
৪. মোচিত।
উদ্ধতি(বিশেষ্য):
১. কোনো রচনা বা উক্তি থেকে আহৃত অংশ।
২. উত্তোলন; উদ্ধার।
৩. মোচন।
৪. অধিকারকরণ।
উদ্ধতি চিহ্ন, উদ্ধরণচিহ্ন, উদ্ধারচিহ্ন(বিশেষ্য)

উন্মীলন [উন্‌মিলন্] (বিশেষ্য) {(তৎসম বা সংস্কৃত) উৎ+ √মীল্+অন(ল্যুট্)}
১. চোখ মেলে চাওয়া; চোখ খোলা।
২. বিকাশ।
৩. উদ্‌ঘাটন; উন্মোচন।

উন্মীলিত (বিশেষণ):
১. উন্মীলন হয়েছে এমন।
২. প্রকাশিত।
৩. বিকশিত।
৪. উন্মোচিত; উদ্‌ঘাটিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

১২.
‘ন্যূন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) ন্যু + ন
  2. খ) ন + উন
  3. গ) নি +উন
  4. ঘ) ন + ঊন
সঠিক উত্তর:
গ) নি +উন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নি +উন
ব্যাখ্যা

‘ন্যূন’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নি + উন।
শব্দটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
সম্ভবক্ষেত্রে ঈ এর পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে মাঝখানে য় (লেখায় য ফলা) এসে যায় এবং আগের ই ঈ লোপ পায়।
ই + উ = য়ু : নি + উন= ন্যূন

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

১৩.
‘জীবন্মৃত’ শব্দের সঠিক উচ্চারন কোনটি?
  1. ক) জিবমমৃত
  2. খ) জিবম্‌মৃতো
  3. গ) জিবন্‌মৃতো
  4. ঘ) জিবন্‌মৃত
সঠিক উত্তর:
গ) জিবন্‌মৃতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিবন্‌মৃতো
ব্যাখ্যা

জীবন্মৃত [জিবন্‌মৃতো] (বিশেষণ) {(তৎসম বা সংস্কৃত) জীবৎ+ মৃত; (কর্মধারয় সমাস)}
১ জীবিত থেকেও মৃতের ন্যায় অচল-অক্ষম; জীয়ন্তে মরা।
২ নির্জীব; মনমরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

১৪.
যোজক কাকে যুক্ত করে?
  1. ক) পদ
  2. খ) বর্গ
  3. গ) বাক্য
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে তাকে যোজক বলে। যেমন: এবং, ও, আর, তবু, অথবা, সুতরাং, কারন, তবে ইত্যাদি।
বৈশিষ্ট্য অনুযায়ি যোজক কে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:

সাধারন যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে। যেমন: করিম রহিম এ কাজটি করেছে।
বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে। যেমন: চা না-হয় কফি খান।
বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে। যেমন: তাকে আসতে বললাম, তবু এলো না ।
কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন: বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন: যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
'না-হয়' কোন ধরনের যোজক-এর উদাহরণ?
  1. ক) বিকল্প যোজক
  2. খ) বিরোধ যোজক
  3. গ) কারণ যোজক
  4. ঘ) সাপেক্ষ যোজক
সঠিক উত্তর:
ক) বিকল্প যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিকল্প যোজক
ব্যাখ্যা

পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে তাকে যোজক বলে। যেমন: এবং, ও, আর, তবু, অথবা, সুতরাং, কারন, তবে ইত্যাদি।
বৈশিষ্ট্য অনুযায়ি যোজক কে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:

সাধারন যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে। যেমন: করিম রহিম এ কাজটি করেছে।
বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে। যেমন: চা না-হয় কফি খান।
বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে। যেমন: তাকে আসতে বললাম, তবু এলো না ।
কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন: বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন: যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।

১৬.
নিম্নের কোনটি অলংকার আবেগের উদাহরণ?
  1. ক) উহ! কি বিপদে পরা গেল।
  2. খ) যাকগে, ওসব কথা থাক।
  3. গ) আরে! তুমি আবার কখন এলে?
  4. ঘ) ওগো, তোরা সব জয়ধ্বনি কর।
সঠিক উত্তর:
খ) যাকগে, ওসব কথা থাক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যাকগে, ওসব কথা থাক।
ব্যাখ্যা

মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে তাকে আবেগ বলে।

নিম্নে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো:
১. সিদ্ধান্ত আবেগ: এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়।
যেমন- বেশ, তবে যাওয়াই যাক।

২. প্রশংসা আবেগ: এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- বাহ, চমৎকার লিখেছ।

৩. বিরক্তি আবেগ: এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ছি ছি! এরকম কথা মুখে মানায় না।

৪. আতঙ্ক আবেগ: এ ধরনের শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রনা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- উহ! কি বিপদে পরা গেল।

৫. বিস্ময় আবেগ: এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার  ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আরে! তুমি আবার কখন এলে?

৬. করূণা আবেগ: এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আহা! বেচারার কত কষ্ট।

৭. সম্বোধন আবেগ: এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ওগো, তোরা সব জয়ধ্বনি কর।

৮. অলংকার আবেগ: এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয় অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- যাকগে, ওসব কথা থাক। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ পায় কোন ধরনের আবেগ - এর মাধ্যমে?
  1. ক) আতঙ্ক আবেগ
  2. খ) অলংকার আবেগ
  3. গ) সিদ্ধান্ত আবেগ
  4. ঘ) প্রশংসা আবেগ
সঠিক উত্তর:
গ) সিদ্ধান্ত আবেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিদ্ধান্ত আবেগ
ব্যাখ্যা

মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে তাকে আবেগ বলে।

নিম্নে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো:
১. সিদ্ধান্ত আবেগ: এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়।
যেমন- বেশ, তবে যাওয়াই যাক।

২. প্রশংসা আবেগ: এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- বাহ, চমৎকার লিখেছ।

৩. বিরক্তি আবেগ: এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ছি ছি! এরকম কথা মুখে মানায় না।

৪. আতঙ্ক আবেগ: এ ধরনের শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রনা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- উহ! কি বিপদে পরা গেল।

৫. বিস্ময় আবেগ: এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার  ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আরে! তুমি আবার কখন এলে?

৬. করূণা আবেগ: এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আহা! বেচারার কত কষ্ট।

৭. সম্বোধন আবেগ: এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ওগো, তোরা সব জয়ধ্বনি কর।

৮. অলংকার আবেগ: এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয় অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- যাকগে, ওসব কথা থাক। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
সন্ধির ক্ষেত্রে কোন ধরনের পরিবর্তনটি সাধিত হয় না?
  1. ক) উভয় ধ্বনি মিলে একটি ধ্বনিতে রূপান্তর।
  2. খ) একটি ধ্বনির বদল বা রূপান্তর।
  3. গ) একটি বর্ণ লোপ পাওয়া।
  4. ঘ) উভয় ধ্বনির বদলে নতুন ধ্বনির সৃষ্টি হওয়া।
সঠিক উত্তর:
গ) একটি বর্ণ লোপ পাওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একটি বর্ণ লোপ পাওয়া।
ব্যাখ্যা

সন্ধির ক্ষেত্রে যেধরনের পরিবর্তন সাধিত হয় তা হল-
- উভয় ধ্বনি মিলে একটি ধ্বনি হয়।
- একটি ধ্বনি বদলে যায়।
- একটি ধ্বনি লোপ পায়।
- উভয় ধ্বনির বদলে নতুন ধ্বনির সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৯.
'তথৈব' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
  1. ক) তথা+এব
  2. খ) তাথৈ+এব
  3. গ) তথ্য+এব
  4. ঘ) ত+থৈব
সঠিক উত্তর:
ক) তথা+এব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তথা+এব
ব্যাখ্যা

তথৈব শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ তথা+এব।
এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
 সূত্র: অ/আ+এ/ঐ = ঐ

একই সূত্রের আরও কিছু উদাহরণ: 
- জন+এক= জনৈক
- মত+ঐক্য= মতৈক্য
- মহা+ঐশ্বর্য= মহৈশ্বর্য

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২০.
নিম্নের কোনটি বিসর্গ সন্ধির মাধ্যেমে গঠিত শব্দের উদাহরণ নয়?
  1. ক) নির্বাক
  2. খ) এতএব
  3. গ) অন্তর্ভুক্ত
  4. ঘ) স্বাগত
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাগত
ব্যাখ্যা

বিসর্গের(ঃ) সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যাঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
যেমন-
- নির্বাক = নিঃ+বাক্‌ 
- এতএব = অতঃ+এব
- অন্তর্ভুক্ত= অন্তঃ+ভুক্ত 
অন্যদিকে স্বাগত স্বরসন্ধির উদাহরণ। স্বাগত= সু + আগত। সূত্র: উ/ঊ+অ/আ = ব/বা


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, অষ্টম শ্রেণি।

২১.
‘দুষ্প্রাচ্য’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) দু+প্রাচ্য
  2. খ) দুশ+প্রাচ্য
  3. গ) দুঃ+প্রাচ্য
  4. ঘ) দৃ+প্রাচ্য
সঠিক উত্তর:
গ) দুঃ+প্রাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুঃ+প্রাচ্য
ব্যাখ্যা

দুষ্প্রাচ্য শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ দুঃ+প্রাচ্য।
এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
বিসর্গের(ঃ) সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যাঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
সুত্র: ই/উ ধ্বনির সঙ্গে বিসর্গ এবং ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ স্থলে ষ হয়।
একই সূত্রের আরও কিছু উদাহরণ- নিঃ+কাম=নিষ্কাম, চতুঃ+কোণ=চতুষ্কোণ। 


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, অষ্টম শ্রেণি।

২২.
বাংলা বানানে ঙ/ং এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) সন্ধিতে ( তৎসম শব্দে) প্রথম শব্দের শেষে ম্‌ থাকলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ং (অনুস্বার) হবে।
  2. খ) উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম ং (অনুস্বার) হবে।
  3. গ) প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে ং (অনুস্বার) হয়।
  4. ঘ) অনুস্বারযুক্ত শব্দে বিভক্তি বা প্রত্যয় বা স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ং এর স্থলে ঙ হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম ং (অনুস্বার) হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম ং (অনুস্বার) হবে।
ব্যাখ্যা

বাংলা বানানে ঙ/ং এর ব্যবহার:
- সন্ধিতে ( তৎসম শব্দে) প্রথম শব্দের শেষে ম্‌ থাকলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ং (অনুস্বার) হবে। যেমন: অহংকার (অহম্‌+কার), কিংকর, কিংবদন্তি, ঝংকার, ভয়ংকর ইত্যাদি। 
- উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ঙ (উয়ো) হবে। যেমন: আকাঙ্খা, অঙ্কুর, অঙ্গ, ইঙ্গিত, কঙ্কাল, পঙ্কজ ইত্যাদি। 
- প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে ং (অনুস্বার) হয়। যেমন: আড়ং, ইদানীং, এবং, ঠ্যাং, পালং ইত্যাদি। 
- অনুস্বারযুক্ত শব্দে বিভক্তি বা প্রত্যয় বা স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ং এর স্থলে ঙ হয়। যেমন: আড়ঙে, টঙে, ঢঙে, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত অষ্টম শ্রেণি।

২৩.
নিম্নের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক) আকাংখা
  2. খ) কিঙ্কর
  3. গ) ঢঙে
  4. ঘ) ঠ্যাঙ
সঠিক উত্তর:
গ) ঢঙে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢঙে
ব্যাখ্যা

বাংলা বানানে ঙ/ং এর ব্যবহার:
- সন্ধিতে ( তৎসম শব্দে) প্রথম শব্দের শেষে ম্‌ থাকলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ং (অনুস্বার) হবে।
যেমন: অহংকার (অহম্‌+কার), কিংকর, কিংবদন্তি, ঝংকার, ভয়ংকর ইত্যাদি।

- উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ঙ (উয়ো) হবে।
যেমন: আকাঙ্খা, অঙ্কুর, অঙ্গ, ইঙ্গিত, কঙ্কাল, পঙ্কজ ইত্যাদি। 

- প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে ং (অনুস্বার) হয়।
যেমন: আড়ং, ইদানীং, এবং, ঠ্যাং, পালং ইত্যাদি। 

- অনুস্বারযুক্ত শব্দে বিভক্তি বা প্রত্যয় বা স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ং এর স্থলে ঙ হয়।
যেমন: আড়ঙে, টঙে, ঢঙে, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, অষ্টম শ্রেণি।

২৪.
নিম্নের কোন বাক্যে ‘উগ্র’ অর্থে গরম শব্দের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) সরবরাহ কম থাকলে বাজার গরম থাকে।
  2. খ) তোমার গরম মেজাজ কে আমি ভয় পাই না।
  3. গ) দু নম্বরি টাকার গরমে রহিমের পা যেনো মাটিতে পরে না।
  4. ঘ) শীতকালে গরম কাপড় না হলে চলে না।
সঠিক উত্তর:
খ) তোমার গরম মেজাজ কে আমি ভয় পাই না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তোমার গরম মেজাজ কে আমি ভয় পাই না।
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় কতগুলো শব্দ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া জাতীয় এই পদগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: গরম শব্দটি বাক্যে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রকাশ পেতে পারে।

উষ্ণ - এক কাপ খুব গরম চা দাও। 
গ্রীষ্ণ - বৈশাখ জৈষ্ঠ গরমকাল। 
চড়া - সরবরাহ কম থাকলে বাজার গরম থাকে।
উগ্র - তোমার গরম মেজাজ কে আমি ভয় পাই না।
অহংকার - দু নম্বরি টাকার গরমে রহিমের পা যেনো মাটিতে পরে না।
শীত নিবারক - শীতকালে গরম কাপড় না হলে চলে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত অষ্টম শ্রেণি।

২৫.
'সন্ধি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
  1. ক) সন + ধি
  2. খ) স + ধি
  3. গ) সম্‌ + ধি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সম্‌ + ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্‌ + ধি
ব্যাখ্যা

সন্ধি শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ সম্‌ + ধি
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
ব্যঞ্জনসন্ধিতে একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনির পরিবর্তন হয়।
সূত্র: ম্‌ + ধ = ন্ধ, 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, অষ্টম শ্রেণি।

২৬.
নিম্নের বাক্যগুলোর মধ্যে অশুদ্ধ নয় কোনটি?
  1. ক) তাহার একটুও সবকাশ নাই।
  2. খ) নদীর জল হ্রাস হইয়াছে।
  3. গ) তাহারা একত্র গমন করলো।
  4. ঘ) অপমান হইবার ভয় নাই।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনের চারটি বাক্যই ভুল।

অশুদ্ধ বাক্যেগুলোর শুদ্ধ রূপ:
- তাহার একটুও অবকাশ নাই।
- নদীর জল হ্রাস পাইয়াছে
- তাহারা একত্র গমন করিলো।
- অপমানিত হইবার ভয় নাই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।

যেহেতু অপশনে সঠিক উত্তর নেই, তাই বাতিল করা হয়েছে।

২৭.
বাংলা বানানে বিসর্গ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) পদের শুরুতে
  2. খ) পদান্তে
  3. গ) পদ মধ্যস্থানে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পদ মধ্যস্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পদ মধ্যস্থানে
ব্যাখ্যা

বাংলা বানানে বিসর্গ এর অবস্থান:
- পদান্তে বিসর্গ থাকবে না
যেমন: প্রথমত, দ্বিতীয়ত, ক্রমশ, প্রধানত, বস্তুত, মূলত।
- পদমধ্যস্থ বিসর্গ থাকবে
যেমন: অন্তঃস্থ, দুঃখ, দুঃসহ, নিঃশব্দ, পুনঃপুন, স্বতঃস্ফূর্ত। 
- আভিধানসিদ্ধ হলে পদমধ্যস্থ বিসর্গ হবে না। 
যেমন: দুস্থ, নিশ্বাস, নিস্পৃহ, বহিস্থ, মনস্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২৮.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) দ্বিতীয়ত
  2. খ) দুঃসহ
  3. গ) বহিস্থ:
  4. ঘ) পুনঃপুন
সঠিক উত্তর:
গ) বহিস্থ:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বহিস্থ:
ব্যাখ্যা

বাংলা বানানে বিসর্গ এর অবস্থান:
- পদান্তে বিসর্গ থাকবে না। যেমন: প্রথমত, দ্বিতীয়ত, ক্রমশ, প্রধানত, বস্তুত, মূলত।
- পদমধ্যস্থ বিসর্গ থাকবে। যেমন: অন্তঃস্থ, দুঃখ, দুঃসহ, নিঃশব্দ, পুনঃপুন, স্বতঃস্ফূর্ত। 
- আভিধানসিদ্ধ হলে পদমধ্যস্থ বিসর্গ হবে না। যেমন:দুস্থ, নিশ্বাস, নিস্পৃহ, বহিস্থ, মনস্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি। 

২৯.
“আমার কাঁচা ঘুম টি ভাঙালে কেন?” এখানে ‘কাঁচা’ শব্দটি কি অর্থে প্রয়োগ হয়েছে?
  1. ক) অসিদ্ধ
  2. খ) অপূর্ন
  3. গ) অদক্ষ
  4. ঘ) অপরিনত
সঠিক উত্তর:
খ) অপূর্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অপূর্ন
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় কতগুলো শব্দ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া জাতীয় এই পদগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যে কাঁচা শব্দটি বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ হতে পারে।
অপক্ব - আমটি কাঁচা হলেও খেতে মিষ্টি। 
অসিদ্ধ - কাঁচা দুধ সবার হজম হয় না। 
অপূর্ন - আমার কাঁচা ঘুম টি ভাঙালে কেন?
অদক্ষ - কাঁচা লোক দিয়ে বাড়ি বানিও না। 
অশুষ্ক - কাঁচা কাঠে আগুন জ্বলে না। 
অপরিনত - এই শক্ত কাজের জন্য ছেলেটি বড্ড কাঁচা। 
দূর্বল - ছেলেট অঙ্কে কাঁচা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি। 

৩০.
নিম্নের কোন বাক্যে ‘প্রণাম’ অর্থে মাথা শব্দটির প্রয়োগ হয়েছে?
  1. ক) রাস্তার চৌমাথায় আমাদের বাড়ি।
  2. খ) তিনি গাঁয়ের মাথা।
  3. গ) ও আমার দেশের মাটি। তোমার প’রে ঠেকাই মাথা।
  4. ঘ) শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করে।
সঠিক উত্তর:
গ) ও আমার দেশের মাটি। তোমার প’রে ঠেকাই মাথা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ও আমার দেশের মাটি। তোমার প’রে ঠেকাই মাথা।
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় কতগুলো শব্দ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া জাতীয় এই পদগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যে মাথা শব্দটি বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ হতে পারে। যেমন:
মস্তক - তার মাথায় অনেক চুল।
সংযোগস্থল - রাস্তার চৌমাথায় আমাদের বাড়ি।
প্রধান - তিনি গাঁয়ের মাথা।
প্রণাম - ও আমার দেশের মাটি। তোমার প’রে ঠেকাই মাথা
পরিশ্রমে - শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করে।
বুঝতে পারা - অঙ্কটি আমার মাথায় ঢুকছে না। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি। 

৩১.
বাংলা বানানে ‘ণ’ এর প্রয়োগ কোন ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. ক) তৎসম শব্দে
  2. খ) তদ্ভব শব্দে
  3. গ) দেশি শব্দে
  4. ঘ) বিদেশি শব্দে
সঠিক উত্তর:
ক) তৎসম শব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৎসম শব্দে
ব্যাখ্যা

১৯৯২ সালের বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের বেশ কয়েকটি নিয়ম প্রণয়ন করেছে।
তার মধ্যে একটি হলো-
তৎসম শব্দের বানানে ণ-ত্ব বিধানের শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে।
যেমন: মাণিক্য, গণ, লবণ, বেণু, কঙ্কণ, কল্যাণ, শোণিত, মণি ইত্যাদি।

অতৎসম বানানে ণ হবে না। তার বদলে হবে ন। 
যেমন: অঘ্রান, কান, গুনতি, ঝরনা, ইরান, কুরান ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, বাংলা একাডেমি অভিধান।

৩২.
'উদ্ধত' শব্দের বিশেষ্য রূপ কোনটি?
  1. ক) উদ্ধত
  2. খ) উদ্ধৃত
  3. গ) ঔদ্ধত্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ঔদ্ধত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঔদ্ধত্য
ব্যাখ্যা

উদ্ধত [উদ্‌ধতো] (বিশেষণ){(তৎসম বা সংস্কৃত ) উৎ+ √হন্+ত(ক্ত)}

১ দুর্বিনীত; ধৃষ্ট; স্পর্ধিত।
২ দুরন্ত; দুর্দান্ত; উগ্র।
৩ গর্বিত; গোঁয়ার।

ঔদ্ধত্য ( বিশেষ্য)
উদ্ধতি (বিশেষ্য)
১ ঔদ্ধত্য; উচ্ছৃঙ্খলতা; ধৃষ্টতা।
২ গর্ব; অহঙ্কার (কতকগুলি নতুন উদ্ধতি, নতুন উত্তেজনা-অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত)।
৩ উন্নতি।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

৩৩.
‘ব্রাহ্মণ’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ক) ব্রাম্‌মন্‌
  2. খ) ব্রাম্‌হন্‌
  3. গ) ব্রাহ্‌মন্‌
  4. ঘ) ব্রাহ্‌মোন্‌
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাম্‌হন্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাম্‌হন্‌
ব্যাখ্যা

ব্রাহ্মণ [ব্রাম্‌হন্‌] (বিশেষ্য){(তৎসম বা সংস্কৃত) ব্রহ্মন্‌+অ(অণ্‌)}
- যিনি ব্রহ্মকে জানেন; হিন্দুমতে উচ্চবর্ণের লোক।
- আর্যদের চারবর্ণের প্রথম বর্ণ।
- বিপ্র; বামুন।
- বেদের অংশবিশেষ।
- পুরোহিত ব্রাহ্মণ; পাচক ব্রাহ্মণ।

ব্রাহ্মণী (স্ত্রীলিঙ্গ)।
ব্রাহ্মণসমাজ (বিশেষ্য) ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

৩৪.
নিম্নের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) জিগীষা
  2. খ) জবরদস্তি
  3. গ) অনুসঙ্গ
  4. ঘ) নিশ্ছিদ্র
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসঙ্গ
ব্যাখ্যা

ই-কারান্ত, উ কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়। যেমন- সঙ্গ>অনুষঙ্গ, সেক>অভিষেক, সুপ্ত>সুষুপ্ত ইত্যাদি।

অনুষঙ্গ [ওনুশঙ্‌গো] (বিশেষ্য) {(তৎসম বা সংস্কৃত)অনু+√সন্‌জ্+অ(ঘঞ্)+ইন্} 
- প্রসঙ্গ; সম্বন্ধ।
- আসক্তি; টান;স্নেহ (আত্মীয়তার যে অনুষঙ্গে হেমলতার স্নেহ মমতাগুলি ডালপালা মেলে – বুদ্ধদেব বসু) 
-অনুগ্রহ; অনুকম্পা; দয়া (তুঁহু যদি কহসি করিঞা অনুষঙ্গ-বিদ্যাপতি )।
অনূষঙ্গী (বিশেষণ) অনুষঙ্গবিশিষ্ট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি অষ্টম শ্রেণি, বাংলা একাডেমি অভিধান। 

৩৫.
"এখানে তুমি কী মন্দটা দেখলে?" বাক্যে 'মন্দ' শব্দটি কোন পদ নির্দেশ করছে?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) যোজক
  4. ঘ) আবেগ
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য বিশেষণ উভয় রূপে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
মন্দ - এখানে তুমি কী মন্দটা দেখলে? - বিশেষ্য 
          মন্দ কথা বলতে নেই - বিশেষণ
পূণ্য - পূণ্যে মতি হোক - বিশেষ্য 
         তোমার এ পূন্য প্রচেষ্টা সফল হোক  - বিশেষণ


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
তুচ্ছার্থে কোন সর্বনামের পুরুষটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সে
  2. খ) ইনি
  3. গ) মোরা
  4. ঘ) ওদের
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওদের
ব্যাখ্যা
 
ব্যাক্তিবাচক সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে তুচ্ছার্থক বা ঘনিষ্ঠতা জ্ঞাপক রূপে উত্তম ও মধ্যম পুরুষে ব্যবহার নেই ।
কেবল নাম পুরুষের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার - ইহা, ইহারা, এই, এ, এরা, উহা, উহারা্‌, ও, ওরা, ওদের।

উৎস:  মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
নিম্নের কোন বানানটি সঠিক নয়?
  1. ক) মধ্যাহ্ণ
  2. খ) পরাহ্ণ
  3. গ) পূর্বাহ্ণ
  4. ঘ) পরাহ্ণ
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্যাহ্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্যাহ্ণ
ব্যাখ্যা

অহ্ন শব্দের আগে র-যুক্ত প্র, পরা এ দুটি উপসর্গ এবং পূর্ব ও অপর- এ দুটি শব্দ এসে জুড়ে গেলে অহ্ন এর দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয়।
যেমন- প্রাহ্ণ (হ্ণ = হ্‌ + ণ, হ্ন = হ্‌ + ন) 
পরাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ, পরাহ্ণ কিন্তু মধ্যাহ্ন, সায়াহ্ন ইত্যাদিতে ণ হবে না কারণ এসব শব্দে কোথাও র্‌ নেই।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি অভিধান। 

৩৮.
'হায়! হায়! আগুনে যে সব পুড়ে গেল" বাক্যে কী ধরনের আবেগ প্রকাশিত হয়েছে?
  1. ক) বিরক্তিবাচক
  2. খ) আতঙ্কবাচক
  3. গ) বিস্ময়বাচক
  4. ঘ) করূণাবাচক
সঠিক উত্তর:
ঘ) করূণাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করূণাবাচক
ব্যাখ্যা
মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে তাকে আবেগ বলে
নিম্নে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো:

সিদ্ধান্ত আবেগ: এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়।
যেমন- বেশ, তবে যাওয়াই যাক।

প্রশংসা আবেগ: এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- বাহ, চমৎকার লিখেছ। 

বিরক্তি আবেগ: এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ছি ছি! এরকম কথা মুখে মানায় না।

আতঙ্ক আবেগ: এ ধরনের শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রনা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- উহ! কি বিপদে পরা গেল।

বিস্ময় আবেগ: এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার  ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আরে! তুমি আবার কখন এলে?

করূণা আবেগ
: এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- হায়! হায়! আগুনে যে সব পুড়ে গেল।

সম্বোধন আবেগ: এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ওগো, তোরা সব জয়ধ্বনি কর। 

অলংকার আবেগ: এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয় অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- যাকগে, ওসব কথা থাক। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।