পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৭: পরিবেশ (বাস্তুসংস্থান, ভূতত্ত্ব, আবহাওয়া ও জলবায়ু) পৃথিবীর গতি, কাল্পনিক রেখাসমূহ, প্রাকৃতিক দূর্যোগ। (Live Interactive Class – 39, 40, 41)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি বায়োমের উদাহরণ?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) তৃণভূমি
  3. গ) মেরু অঞ্চল
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের জীবগোষ্ঠীর জীবগুলি যখন ক্রম পরিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে থেকেও সহনশীলভাবে ও শৃঙ্খলা বদ্ধভাবে বসবাস করে তখন সে জীবগোষ্ঠীকে বায়োম বলে।
অন্যভাবে বলা যায়, জলবায়ু প্রভাবিত এক একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জীব-সম্প্রদায়কে বায়োম বলে। বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে একটি বায়োমের জীবগোষ্ঠী অন্য একটি বায়োমের জীবগোষ্ঠী থেকে আলাদা এবং প্রত্যেকেরই ভিন্ন ও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থাকে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে- সুন্দরবন অঞ্চলের আবহাওয়া ও পরিবেশ ভিন্ন ধরনের, সে কারণে সেখানে গড়ে উঠেছে একটি স্বতন্ত্র বায়োম। এমনিভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু ও মাটির প্রভাবে গড়ে উঠেছে ভিন্ন ভিন্ন বায়োম । যেমন-অরণ্য, মরুভূমি, তৃণভূমি, মেরুঅঞ্চল ইত্যাদি ।

 উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন?
  1. ক) বায়ুপ্রবাহ
  2. খ) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) ভূকম্পন
  4. ঘ) পৃথিবীর অভ্যন্তরে সংকোচন
ব্যাখ্যা
ধীর পরিবর্তন :
ধীর পরিবর্তন হলো আকস্মিক পরিবর্তনের একেবারেই বিপরীত অবস্থা।
অনেকগুলো প্রাকৃতিক শক্তি যেমন— সূর্যতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদী, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা যে পরিবর্তন ধীরে ধীরে সংঘটিত হয় তাকে ধীর পরিবর্তন বলে।

আকস্মিক পরিবর্তন :
পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ এখনও উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় রয়েছে। এসব উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে। 
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূকম্পন, পৃথিবীর অভ্যন্তরের সংকোচন, ভূগর্ভের তাপ ও অন্যান্য প্রচণ্ড শক্তির ফলে ভূপৃষ্ঠে হঠাৎ যে পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকে আকস্মিক পরিবর্তন বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পরিবেশ অনুসারে বাস্তুসংস্থান প্রধানত কয় প্রকারের হয়ে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জড় পরিবেশ ও জীব সম্প্রদায়ের মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত এরূপ আন্তঃসম্পর্ককে বলা হয় বাস্তুসংস্থান। 
বাস্তুসংস্থানকে আবার বাস্তুতন্ত্র বা প্রকৃতি বলেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। তবে বাস্তুসংস্থানকে সচরাচর প্রকৃতি বলা হয় ৷
 পরিবেশ অনুসারে বাস্তুসংস্থান প্রধানত দু'ধরনের। যথা-
১. স্থলজ বাস্তুসংস্থান
২. জলজ বাস্তুসংস্থান 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোনটি আহ্নিক গতির ফলাফল নয়?
  1. ক) দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
  2. খ) জোয়ার ভাটার সৃষ্টি
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি
  4. ঘ) দিবা-রাত্রির সংঘটন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে আহ্নিক গতির ফলাফল:
দিবা-রাত্রির সংঘটন
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি
জোয়ার ভাটার সৃষ্টি
তাপমাত্রার সৃষ্টি ইত্যাদি

বার্ষিক গতির ফলাফল:
দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
ঋতু পরিবর্তন

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি আবর্জনাভূক প্রাণি?
  1. ক) শালিক
  2. খ) শকুন
  3. গ) ঘুঘু
  4. ঘ) দোয়েল
ব্যাখ্যা
আবর্জনাভুক (Scavenger) :
• কতিপয় মাংসাশী প্রাণি আছে যারা শুধুমাত্র তৃণভোজী প্রাণি খেয়ে বেঁচে থাকে না, এদের পাশাপাশি মাংসাশী প্রাণিও খায়। যেমন- হায়েনা, কুকুর, শিয়াল, শুকুন, কাক প্রভৃতি প্রাণি যে কোনো প্রাণির মৃতদেহকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
• এ জন্য এদেরকে বলা হয় আবর্জনাভুক।
• এরাও তৃতীয় স্তরের খাদক দলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের বরেন্দ্রভূমি কোন ধরণের ভূমি?
  1. ক) পাদদেশীয় মালভূমি
  2. খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
  3. গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সমভূমি (Plains )
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন— নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়। 
উৎপত্তির ধরনের ভিত্তিতে সমভূমিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় যেমন—
ক্ষয়জাত সমভূমি 
সঞ্চয়জাত সমভূমি।

ক্ষয়জাত সমভূমি (Erosional plains ) :
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির যেমন- নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি, ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও সাইবেরিয়া সমভূমি এ ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি দুটি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ।

সঞ্চয়জাত সমভূমি (Depositional plains ) :
নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা পলি, বালুকণা, ধূলিকণা কোনো নিম্ন অঞ্চলে সঞ্চিত হয়ে কালক্রমে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাকে সঞ্চয়জাত সমভূমি বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি উৎপাদক হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) শেওলা
  3. গ) মানুষ
  4. ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
উৎপাদক (Producer) :
• সাধারণত উচ্চতর উদ্ভিদ ও শেওলা জাতীয় সবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এ প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
• এ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন তৈরি হয়, যা জীব পরিবেশের জন্য অপরিহার্য। এক্ষেত্রে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং শর্করা খাদ্যে আবদ্ধ থাকে ।
• যে সকল উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটনে সক্ষম তাদেরকে প্রাথমিক উৎপাদক (primary producer) বলে।

খাদক (Consumer) : বাস্তুসংস্থানের পরভোজী জীবগুলিকে খাদক বলা হয়। এরা সবুজ উদ্ভিদ কর্তৃক তৈরিকৃত শর্করা জাতীয় খাদ্যকে নিজেদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। খাদক হিসেবে প্রধানত প্রাণিদেরকে বুঝানো হয়ে থাকে, কেননা প্রাণিরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরিতে অক্ষম। ফলে খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল । খাদককে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা হয়ে থাকে, যথা-
প্রথম স্তরের খাদক
দ্বিতীয় স্তরের খাদক
তৃতীয় স্তরের খাদক


উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ উভমুখী
  2. খ) বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ চক্রাকার
  3. গ) বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ একমুখী
  4. ঘ) বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ অনুপস্থিত
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য বাস্তুসংস্থানে শক্তির প্রবাহ একমুখী। শক্তির উৎস সূর্য। এ উৎস থেকে শক্তি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদক তথা সবুজ উদ্ভিদে প্রবাহিত হয়। উৎপাদক থেকে তা পর্যায়ক্রমে উচ্চশ্রেণীর খাদকের কাছে যায়। খাদকের দেহ থেকে শক্তি পরিবেশে মুক্ত হয়। শক্তি প্রাথমিক উৎসের কাছে আর ফিরে যায় না।
অর্থাৎ বাস্তুসংস্থানে শক্তির প্রবাহ একমুখী।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রকৃতিতে কয় ধরণের খাদ্যশৃঙ্খল দেখা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
বাস্তুসংস্থানে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশৃংখল থাকতে পারে। প্রকৃতিতে তিন ধরনের শৃঙ্খল দেখা যায়। যেমন-
১. পরভোজী শৃঙ্খল
২. পরজীবী শৃঙ্খল
৩. মৃতজীবী শৃঙ্খল

• পরভোজী শৃঙ্খল (Predator chain) : যে খাদ্যশৃঙ্খল উদ্ভিদ থেকে শুরু করে ক্রমপর্যায়ে ছোট থেকে বৃহৎ জীবে চালিত হয় তাকে পরভোজী শৃঙ্খল বলে। উদ্ভিদ উৎস থেকে ক্রমে ক্রমে বড় প্রাণির মধ্যে এ শৃঙ্খলটি গড়ে ওঠে। যেমন- হরিণ ঘাস খায়, বাঘ হরিণকে খায় (ঘাস→হরিণ→বাঘ), একটি পরভোজী শৃঙ্খল ৷
• পরজীবী শৃঙ্খল (Parasitic chain) : যে খাদ্যশৃঙ্খল বড় জীব থেকে শুরু করে ক্রমে ছোট জীবের মধ্যে গঠিত হয় তাকে পরজীবী শৃঙ্খল বলে। পরজীবীরা বিভিন্ন জীবের কোষ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। ম্যালেরিয়া রোগজীবাণু বহণকারী মশা মানুষকে দংশন করলে রোগ ছড়ায়, (মানুষ→মশা→ম্যালেরিয়া জীবাণু), এটি একটি পরজীবী শৃঙ্খল।
• মৃতজীবী শৃঙ্খল (Saprophytic chain) : যে খাদ্যশৃঙ্খল উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ থেকে বিভিন্ন অণুজীবের (যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি) দিকে চালিত হয়, তাকে মৃতজীবী শৃঙ্খল বলে। উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহের সঙ্গে বিভিন্ন অণুজীব এবং প্রাণির মধ্যে এ ধরনের শৃঙ্খল গড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে মৃতজীবীরা বিভিন্ন জীবের মৃতদেহ থেকে খাদ্য আহরণ করে। উদাহরণ : মৃতদেহ→অণুজীব→কেঁচো।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন বায়ু সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ক) নিয়ত বায়ু
  2. খ) সাময়িক বায়ু
  3. গ) স্থানীয় বায়ু
  4. ঘ) অনিয়মিত বায়ু
ব্যাখ্যা
১. নিয়ত বায়ু (Planatary Winds) :
নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয় । এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -অয়ন বায়ু,পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু 

২. সাময়িক বায়ু :
কোনো নিদিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নিদিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু।
সাময়িক বায়ু দুই ধরনের যথা মৌসুমি বায়ু এবং স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।

৩. স্থানীয় বায়ু : স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু,  আরব মালভূমির সাইমন মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের  কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

৪. অনিয়মিত বায়ু : কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।
এই অনিয়মিত বায়ু মূলত দুই প্রকার যথা ঘূর্ণিবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. ক) অক্ষাংশ
  2. খ) উচ্চতা
  3. গ) সমুদ্রসোত
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল:
• অক্ষাংশ
• উচ্চতা
• সমুদ্র থেকে দূরত্ব
• বায়ুপ্রবাহ
• সমুদ্রস্রোত
• পর্বতের অবস্থান
• ভূমির ঢাল
• মৃত্তিকার অবস্থান
• বনভূমির অবস্থান

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।