পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং পত্রিকা ও সাময়িকী। পার্ট-২) ১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, লাল নীল দীপাবলি, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য পেয়েছে-
  1. ক) ডাকের বচনে
  2. খ) খনার বচনে
  3. গ) কবিগানে
  4. ঘ) দোহাকোষে
সঠিক উত্তর:
খ) খনার বচনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খনার বচনে
ব্যাখ্যা
ডাক ও খনার  বচনকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি  বলে বিবেচনা করা হয়। 
- তবে এগুলো যে রূপে সৃষ্টি হয়েছে তাঁর কোন লিখিত নিদর্শন নেই এবং তা মুখে মুখে প্রচলিত থাকার ফলে তার ভাষাও হয়ে পরেছে আধুনিক যুগের মত। 
- ছড়া জাতীয় এসব নমুনাকে লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ডাক ও খনার  বচন রচনার কাল অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক বিবেচনা করেছেন।
- ডাক ও খনার  বচনের বিষয়বস্তুর মধ্যে ঐক্য থাকলেও ডাকের বচনে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা প্রাধান্য পেয়েছে।
- খনার বচনে কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য পেয়েছে। 

খনার বচনের একটি উদাহরণ নিম্নরূপ- 
'খাটে খাটায় লাভের গাঁতি।
তার অর্ধেক কাঁধে ছাতি।।
ঘরে বসে পুছে বাত।
তার ভাগ্যে হাভাত।।"

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
The Origin and Development of the Bengali Language গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. ঘ) স্যার জর্জ গ্রিয়ারসন
সঠিক উত্তর:
খ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
শিক্ষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং সকল পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- ১৯১৯ সালে তিনি ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে লন্ডন যান এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফোনেটিক্সে ডিপ্লোমা ও ডিলিট (১৯২১) ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘Origin and Development of Bengali Language’। 
- তিনি তাঁর ‘Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL)  নামক বিখ্যাত গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রথম আলোচনা করেন। 
- সুনীতিকুমার ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৩৮০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো ‘Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL) এটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভাষাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো:
- Bengali Phonetic Reader (১৯২৮),
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা (১৯২৯),
- পশ্চিমের যাত্রী (১৯৩৮),
- ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা (১৯৪৪),
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ (১৯৪৫),
- ভারত সংস্কৃতি (১৯৫৭),
- সংস্কৃতি কী (১৯৬১),
- Languages and Literatures of Modern India (১৯৬৩),
- World Literature and Tagore (১৯৭১),
- রবীন্দ্রসঙ্গমে,
- ইউরোপ ভ্রমণ,
- দ্বীপময় ভারত ও শ্যামদেশ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।
.
নিম্নের কোনটি মহাকবি আলাওল রচিত নয়?
  1. ক) তোহফা
  2. খ) সিকান্দারনামা
  3. গ) লালমোতি সয়ফুলমুলুক
  4. ঘ) রাগতালনামা
সঠিক উত্তর:
গ) লালমোতি সয়ফুলমুলুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লালমোতি সয়ফুলমুলুক
ব্যাখ্যা

 মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ।
-  আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার ফতেয়াবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রধান অমাত্য কোরেশী মাগন ঠাকুরের (১৬৪৫-৫৮) আনুকূল্যে তিনি আরাকানের অমাত্যসভায় স্থান পান।
- আলাওল মধ্যযুগের সর্বাধিক গ্রন্থপ্রণেতা। তাঁর মোট কাব্যসংখ্যা সাত।

সেগুলো হচ্ছে
- পদ্মাবতী (১৬৪৮),
- সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী (১৬৫৯),
- সপ্তপয়কর (১৬৬৫),
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল (১৬৬৯) ও
- সিকান্দরনামা (১৬৭৩);
- নীতিকাব্য - তোহফা (১৬৬৪) এবং
- সঙ্গীতবিষয়ক কাব্য - রাগতালনামা।

- এ ছাড়াও বৈষ্ণবপদের অনুরূপ তাঁর কিছু গীতিকবিতা আছে। রাগতালনামা ও গীতিকবিতাগুলি তাঁর মৌলিক রচনা, অন্যগুলি অনুবাদমূলক।
- পদ্মাবতী মালিক মুহম্মদ জায়সীকৃত হিন্দি পদুমাবত, সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী সাধনকৃত মৈনাসত, সপ্তপয়কর নিজামী গঞ্জভীকৃত ফারসি হফত্ পয়কর, তোহফা ইউসুফ গদাকৃত ফারসি তুহুফ-ই-নসাঈহ, সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল গাওয়াসীকৃত ফারসি সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল এবং সিকান্দরনামা নিজামী গঞ্জভীকৃত ফারসি সিকান্দরনামা অনুসরণে রচিত।

উল্লেখ্য, লালমোতি সয়ফুলমুলুক আবদুল হাকিম রচিত কাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

.
শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় কোন পত্রিকা সম্পাদনার করেন?
  1. ক) সন্দেশ
  2. খ) সাহিত্য পত্রিকা
  3. গ) বিচিত্রা
  4. ঘ) কল্লোল
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দেশ
ব্যাখ্যা
শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায়ের জন্ম ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায়।
-  বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী  উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী তাঁর পিতা এবং অস্কারপ্রাপ্ত  চলচ্চিত্রকার  সত্যজিৎ রায় তাঁর পুত্র।
- পিতার মৃত্যুর পর তিনি পিতৃপ্রতিষ্ঠিত সন্দেশ পত্রিকা পরিচালনা ও সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। বিলেতে থাকা অবস্থায় তিনি এ পত্রিকার জন্য নিয়মিত গল্প, কবিতা ও নিজের আঁকা ছবি পাঠাতেন। 
- সুকুমার রায় প্রেসিডেন্সিতে ছাত্র থাকাকালে ‘ননসেন্স ক্লাব’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যার মুখপত্র ছিল সাড়ে-বত্রিশ-ভাজা।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে অগ্রনী ভূমিকা রাখে কোন পত্রিকা?
  1. ক) ভারতী
  2. খ) তত্ত্ববোধনী
  3. গ) কল্লোল
  4. ঘ) সবুজপত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজপত্র
ব্যাখ্যা
চৌধুরী, প্রমথ (১৮৬৮-১৯৪৬)  সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। 
- সবুজপত্র  বিংশ শতাব্দীর বাংলায় আধুনিকতার বাহন বাংলা সাময়িকী। 
- প্রথম পর্যায়ে এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দ (১৯২২ সাল) পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সবুজপত্রের প্রকাশনা শুরু হয় ১৩৩২ বঙ্গাব্দ থেকে। সাময়িকীটি শেষ পর্যন্ত ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে (১৯২৭ সালে) বন্ধ হয়ে যায়।
-  প্রমথ চৌধুরী নতুন সাহিত্য রীতি প্রবর্তনের চেষ্টা হিসেবে কথ্য বাংলাকে অগ্রাধিকার দেন, যা ‘বীরবলী’ ভাষা (তাঁর ছদ্মনাম ‘বীরবল’ থেকে) রূপে পরিচিতি লাভ করে। 
- এরপর থেকে বাংলা সাহিত্যে কথ্য বাংলা প্রাধান্য লাভ করে। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ লিখিত গদ্য এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্য সবুজপত্রের সফলতা যথেষ্টভাবে প্রমাণ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ক) সংবাদ প্রভাকর - রাজা রামমহন রায়
  2. খ) সাধনা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) মোসলেম ভারত - মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  4. ঘ) কবিতা - বিষ্ণু দে
সঠিক উত্তর:
খ) সাধনা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাধনা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
নিম্নে কয়েকটি পত্রিকার নাম এবং তাদের সম্পাদকের নাম দেয়া হল:
সংবাদ প্রভাকর - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 
মোসলেম ভারত - মোজাম্মেল হক
কবিতা - বুদ্ধদেব বসু
সম্বাদ কৌমুদী - ভবানীচরন বন্দ্যোপাধ্যায়
বঙ্গদর্শন - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সাধনা: ১৮১১ সালে রবীন্দ্র-ভ্রাতুষ্পুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় 'সাধনা' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। মূলত ঠাকুরবাড়ি কেন্দ্রিক লেখকদের দ্বারা পরিচালিত। তবে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন এ পত্রিকার প্রাণ। রবিন্দ্র- প্রতিভা বিকাশ ও প্রাকাশের ক্ষেত্রে এ পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পত্রিকা প্রকাশের ৩ বছর পরে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে 'সাধনা' পত্রিকার সম্পাদক হয়েছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
pH স্কেলের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ০-১৪
  2. খ) ১-১৪
  3. গ) ১-৭
  4. ঘ) ৭-১৪
সঠিক উত্তর:
ক) ০-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০-১৪
ব্যাখ্যা
- pH এর মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়।
- নিরপেক্ষ কোনো দ্রবণের pH এর মান ৭।
- এসিড দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে কম হয় এবং ক্ষারের দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে বেশি হয়।
- pH স্কেলে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের pH এর মান ০ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষারের pH এর মান ১৪।

সূত্রঃ রসায়নবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি
.
উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ হচ্ছে -
  1. ক) ডিটারজেন্ট
  2. খ) খাবার লবণ
  3. গ) সাবান
  4. ঘ) বেকিং সোডা
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
ব্যাখ্যা
সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।
সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
.
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) অ্যাকোয়া রেজিয়া
  2. খ) সালফিউরিক এসিড
  3. গ) ইথানয়িক এসিড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাকোয়া রেজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাকোয়া রেজিয়া
ব্যাখ্যা
এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও তিন মোল গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের (HCl) আনুপাতিক মিশ্রণ হল রাজঅম্ল বা অ্যাকুয়া রেজিয়া।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়। 

Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+). The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.

Source: MIT
১০.
মৌলের স্থায়ী কণিকা কোনটি?
  1. ক) পজিট্রন
  2. খ) নিউট্রিনো
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- যে সকল মূল কণিকা সকল মৌলের পরমাণুতেই উপস্থিত থাকে, তাকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে। 
- স্থায়ী মূল কণিকা হলো ৩ টি, যেমন- ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। 

- যে সকল মূল কণিকা কোনো কোনো মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে অবস্থান করে, তাকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। এদের সংখ্যা প্রায় ১০০।
- নিউট্রিনো, অ্যান্টিনিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন ইত্যাদি হলো অস্থায়ী মূল কণিকা। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ নয়?
  1. ক) ম্যাঙ্গানিজ
  2. খ) টিন
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) জিপসাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিপসাম
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।


অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- কয়লা
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র
১২.
ইউরিয়া সার তৈরিতে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা



সূত্র: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি যুগপৎ বিক্রিয়া?
  1. ক) প্রশমন
  2. খ) সংযোজন
  3. গ) বিয়োজন
  4. ঘ) জারণ-বিজারণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারণ-বিজারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারণ-বিজারণ
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 =2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
এটি বিজারণ বিক্রিয়ার সাথে একইসাথে সংঘটিত হয়।
যেমন উপরের উদাহরণে একইসাথে ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)

Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১৪.
মোমবাতি জ্বালালে মোমের কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) ভৌত পরিবর্তন
  2. খ) রাসায়নিক পরিবর্তন
  3. গ) উভয়টিই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
ব্যাখ্যা
মােম হলাে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলাে হাইড্রোকার্বন।

মােমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলাে তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। ঐ তরল মােম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়; পরে ঐ বাষ্পীয় মােম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলাে এবং তাপ উৎপন্ন করে যা একটি রাসায়নিক পরিবর্তন

অন্যদিকে তরল মােমের কিছু অংশ ঠাণ্ডা হলে কঠিন মােমে পরিণত হয় যা ভৌত পরিবর্তন
১৫.
জৈব যৌগে কোনটি অবশ্যই থাকবে?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) কার্বন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) হ্যালোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
ব্যাখ্যা
উৎস বা প্রস্তুত পদ্ধতি যাই হোক না কেন সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। তাই বলা যায় জৈব যৌগ মূলত কার্বন যৌগ।
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।

বর্তমানে জৈব যৌগকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় ‘কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।’

যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

সূত্রঃ রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইউরেনিয়াম
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties.
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials.

- অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১৭.
জিংক এর খনিজ উৎস কোনটি?
  1. ক) গ্যালেনা
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) ক্যালামাইন
  4. ঘ) সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা
• গ্যালেনা - সীসা এর খনিজ উৎস।
• বক্সাইট - অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
• ক্যালামাইন - জিংক এর খনিজ উৎস।
• সিন্নাবার - মার্কারির খনিজ উৎস।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১৮.
জীব ও জড় এর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) ফাঙ্গাস
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে।
তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম।
নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে।

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত।
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

প্রাণ-রসায়নবিদগণ ভাইরাসের জড়-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন, আর অনুজীব বিজ্ঞানিগণ ভাইরাসের জীব-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন। এজন্য ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)
১৯.
সাধারণভাবে প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত কয়টি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
সাধারণভাবে প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত।
যথা -
- প্রােটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও
- নিউক্লিক এসিড।

ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রােটিন আবরণটি হলাে ক্যাপসিড। এ প্রােটিন আবরণটি অসংখ্য প্রােটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রােটিন অণুকে ক্যাপসােমিয়ার (capsomere) বলে।
এ ক্যাপসােমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের।
কোনাে কোনাে প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপােপ্রােটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলােমার (peplomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপপাভাইরাস (lipovirus) বলে।

নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড।
নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা DNA (ডি অক্সিরাইবাে নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবাে নিউক্লিক এসিড)।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)
২০.
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে থাকে -
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) ফ্ল্যাজেলা
  3. গ) প্লাজমিড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন:
ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলাে থাকে তা হলাে -
(ক) ফ্ল্যাজেলা
(খ) ক্যাপসিউল
(গ) কোষ প্রাচীর
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন
(ঙ) মেসােসােম
(চ) সাইটোপ্লাজম
(ছ) ক্রোমােসােম এবং
(জ) প্লাজমিড

উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২১.
মানুষের হৃদপিণ্ডের নিচের দুটি প্রকোষ্ঠকে কী বলে?
  1. ক) অলিন্দ
  2. খ) নিলয়
  3. গ) এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. ঘ) এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) নিলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিলয়
ব্যাখ্যা
- মানুষের হৃদপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরে দুই পাশে দুইটি অলিন্দ এবং নিচে দুই পাশে দুইটি নিলয়।
- হৃদপিণ্ডের স্তর ৩টি। যথা- এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম ও এন্ডোকার্ডিয়াম।
- হৃদপিণ্ডের বাইরের আবরণকে পেরিকার্ডিয়াম বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কোনটি?
  1. ক) High Density Lipoprotein
  2. খ) Low Density Lipoprotein
  3. গ) Triglyceride
  4. ঘ) Very Low Density Lipoprotein
সঠিক উত্তর:
ক) High Density Lipoprotein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) High Density Lipoprotein
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রায় প্রত্যেক কোষ ও টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে।
- LDL (Low Density Lipoprotein)-কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- সাধারণত মানুষের রক্তে ৭০% LDL থাকে।
- HDL (High Density Lipoprotein)-কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
- আর ট্রাই-গ্লিসারাইড চর্বি হিসেবে রক্তের প্লাজমায় অবস্থান করে।
- ট্রাই-গ্লিসারাইড মানুষের খাদ্যের প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২৩.
মানুষের সুষুম্না স্নায়ুর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ২৪টি
  3. গ) ৩১টি
  4. ঘ) ৬২টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬২টি
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো স্নায়ুকোষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া বা ২৪টি।
- মানুষের সুষুম্না স্নায়ু ৩১ জোড়া বা ৬২টি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
নিচের কোনটি স্নায়ু রোগ?
  1. ক) উচ্চ রক্তচাপ
  2. খ) সিওপিডি
  3. গ) মেনিনজাইটিস
  4. ঘ) নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মেনিনজাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেনিনজাইটিস
ব্যাখ্যা
• স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, পারকিনসন'স ডিজিজ, আলঝেইমার'স ডিজিজ, GBS, মেনিনজাইটিস প্রভৃতি স্নায়ুরোগ হিসাবে পরিচিত।
• হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা, মায়োকার্ডাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি হৃদরোগ হিসাবে পরিচিত।
• নিউমোনিয়া, অ্যজমা, সিওপিডি, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস ইত্যাদি ফুসফুসের রোগ হিসাবে পরিচিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৫.
মানবদেহে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সরবরাহ করে -
  1. ক) কার্বহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। সালফার, ফসফরাস ও আয়রন সামান্য পরিমাণে থাকে।
শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২৬.
খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে কোন ভিটামিন?
  1. ক) ভিটামিন সি
  2. খ) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
  3. গ) ভিটামিন ই
  4. ঘ) ভিটামিন কে
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
আটটি বি ভিটামিনকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এগুলোর মধ্যে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, বি সিক্স, বি টুয়েলভ, ফলিক এসিড ও প্যানথোনিক এসিড। এরা খাদ্যকে এনার্জিতে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে।

সঠিক বৃদ্ধির জন্য রক্তকোষ, হরমোন ও নার্ভাস সিস্টেমের জন্য ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অত্যাবশ্যকীয়। এসব ভিটামিন পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, এবং প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকা আবশ্যক। শরীরে এসব ভিটামিন এর অভাবে হতে পারে বিভিন্ন রোগব্যাধি।
২৭.
টেট্রাসাইক্লিন এন্টিবায়োটিক উৎপাদনে কোন অণুজীবটি ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) Penicillium sp
  2. খ) Streptomyces griseus
  3. গ) Streptomyces rimosus
  4. ঘ) Streptomyces fradic
সঠিক উত্তর:
গ) Streptomyces rimosus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Streptomyces rimosus
ব্যাখ্যা
অনুজীব দ্বারা তৈরি বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক:
- Penicillium sp - পেনিসিলিন।
- Streptomyces griseus - স্ট্রেপটোমাইসিন।
- Streptomyces rimosus - ট্রেট্রাসাইক্লিন। 
- Bacillus polymyxa - পলিমিক্সন।
- Streptomyces fradic - নিউমাইসিন।