১.
আলি এঁ কালি এঁ বাট রুন্ধেলা। তা দেখি কাহ্ন বিমনা ভইলা।" উক্তিটি কার রচনা ?
ব্যাখ্যা
কাহ্নপা:
- তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদকর্তা ছিলেন।
- প্রকৃত নাম কৃষ্ণাচার্য পাদ, অপভ্রংশে হয়েছে কাহ্নপা, কনহপা, কাহ্নিল পা ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিগোষ্ঠীর মধ্যে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ।
- পালরাজ দেবপালের রাজত্বকালে (আনু. ৯০০-৫০) তিনি বর্তমান ছিলেন।
- চর্যাপদের ২৩জন কবির মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যা সর্বাধিক, মোট ১৩টি।
- তাঁর নামে প্রচলিত কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছে:
-কাহ্নপাদগীতিকা,
- শ্রীহেবজ্রপঞ্জিকা যোগরত্নমালা,
- হেবজ্রসাধন তত্ত্বোদ্যোৎকর,
- বহেবজ্রপদ্ধতি মন্ডলবিধি ইত্যাদি।
কাহ্ন পা রচিত চর্যাগীতির একটি নিদর্শন:
এবংকার দৃঢ় বাখোড় মোড়িউ ।
বিবিহ বিআপক বান্ধণ তোড়িউ ॥
কাহ্ল বিলসঅ আসব মাতা ৷
সহজ নলিনীবণ পইসি নিবিতা ॥
জিম জিম করিণা করিণিরে রিসঅ ।
তিম তিম তথতা মঅগল বরিসঅ ॥
ছড়গই সঅল সহাবে সুধ ।
ভাবাভাব বলাগ ন ছুধা ।।
দশবর রঅণ হরিঅ দশ দিসে।
বিদ্যাকরি দম জা অহিলেসেঁ ॥
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
- তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদকর্তা ছিলেন।
- প্রকৃত নাম কৃষ্ণাচার্য পাদ, অপভ্রংশে হয়েছে কাহ্নপা, কনহপা, কাহ্নিল পা ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিগোষ্ঠীর মধ্যে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ।
- পালরাজ দেবপালের রাজত্বকালে (আনু. ৯০০-৫০) তিনি বর্তমান ছিলেন।
- চর্যাপদের ২৩জন কবির মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যা সর্বাধিক, মোট ১৩টি।
- তাঁর নামে প্রচলিত কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছে:
-কাহ্নপাদগীতিকা,
- শ্রীহেবজ্রপঞ্জিকা যোগরত্নমালা,
- হেবজ্রসাধন তত্ত্বোদ্যোৎকর,
- বহেবজ্রপদ্ধতি মন্ডলবিধি ইত্যাদি।
কাহ্ন পা রচিত চর্যাগীতির একটি নিদর্শন:
এবংকার দৃঢ় বাখোড় মোড়িউ ।
বিবিহ বিআপক বান্ধণ তোড়িউ ॥
কাহ্ল বিলসঅ আসব মাতা ৷
সহজ নলিনীবণ পইসি নিবিতা ॥
জিম জিম করিণা করিণিরে রিসঅ ।
তিম তিম তথতা মঅগল বরিসঅ ॥
ছড়গই সঅল সহাবে সুধ ।
ভাবাভাব বলাগ ন ছুধা ।।
দশবর রঅণ হরিঅ দশ দিসে।
বিদ্যাকরি দম জা অহিলেসেঁ ॥
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।