পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত
মোট প্রশ্ন১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস' কী?
  1. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে চলচ্চিত্র
  2. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে লিখা বই
  3. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
  4. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ ৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস:

- দেশের শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার সাহস, দৃঢ়তা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানী ফার্মগেটে প্রদর্শনী আয়োজন করেছে।
- প্রদর্শনীতে ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোকচিত্র, স্লোগান, গ্রাফিতি ও সংবাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
- "৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস" প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১-৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ডেইলি স্টার সেন্টারে।
- এটি ছাত্র-জনতার সাহসিকতা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত।
- আলোচনায় মিলান কুন্ডেরার "বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই" উদ্ধৃত করা হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা স্মৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব ও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, 
- গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কমিটির আহ্বায়ক: ড. এবাদুর রহমান।
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও আত্মত্যাগ নিয়ে নির্মিত ভিডিওচিত্র: ‘জুলাই অনির্বাণ’।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক: সারজিস আলম।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
.
সম্প্রতি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কে কমলা বাসিন পুরস্কার পেয়েছেন? [ডিসেম্বর ২০২৪]
  1. জয়া চাকমা
  2. রূপনা চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. সাবিনা খাতুন
সঠিক উত্তর:
জয়া চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়া চাকমা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

কমলা বাসিন পুরস্কার: 
- সম্প্রতি ভারতের কমলা বাসিন স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দেশের প্রথম ফিফা নারী রেফারি ও বিকেএসপির ফুটবল কোচ জয়া চাকমা।
- বাংলাদেশের জয়া চাকমা পেয়েছেন স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড। প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে ভারতের এই অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিনি।
- এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য দক্ষিণ এশিয়া থেকে মোট ৯০টি আবেদন জমা পড়ে।
- সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে দুজনকে কমলা বাসিন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।
- আর দুজনকে দেওয়া হয়েছে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড।
- মোট চারজনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
- পুরস্কার পাওয়া অন্য তিনজনের দুজন ভারতের ও একজন শ্রীলংকার।

উল্লেখ্য, 
- কমলা ভাসিন পুরস্কার দক্ষিণ এশিয়ার নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং শান্তি ও সামাজিক ন্যায়ের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব কমলা ভাসিনের স্মরণে প্রতিষ্ঠিত একটি বার্ষিক পুরস্কার।
- ভারতের প্রখ্যাত নারীবাদী লেখক, প্রশিক্ষক ও অধিকারকর্মী কমলা ভাসিন ২০২১ সালে মারা গেছেন,  তার মৃত্যুর পর থেকে দেওয়া হচ্ছে কমলা ভাসিন পুরস্কার।
- পুরস্কারটির লক্ষ্য হলো জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং উৎসাহিত করা।
- ১৯৭০ সাল থেকে ভারতসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে নারীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন কমলা ভাসিন।
- তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘সতরঙ্গি লাড়কে’, ‘সতরঙ্গি লাড়কিয়া’ ইত্যাদি। এসব বইয়ে পিতৃতান্ত্রিক সমাজকাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন কমলা।
- ২০০২ সালে তিনি ‘সংগত’ নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা প্রত্যন্ত ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিয়ে কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
.
‘ইউএনসিসিডি কপ-১৬’ কোথায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. লিমা, পেরু
  2. রিয়াদ, সৌদি আরব
  3. কাজান, রাশিয়া
  4. বাকু, আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ, সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ, সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ ‘ইউএনসিসিডি কপ-১৬’
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শুরু হয়েছে জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন (UNCCD) এর ১৬তম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিজ (COP16)।
- এই সম্মেলন ২ থেকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
- এর মূল থিম "Our Land. Our Future." (আমাদের ভূমি, আমাদের ভবিষ্যৎ) যা ভূমি পুনরুদ্ধার ও খরা প্রতিরোধে বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি বহন করে।
- এটি জাতিসংঘের রিও কনভেনশনের একটি প্রধান অংশ, যা জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য এবং ভূমি বিষয়ক সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে কাজ করে।
- এবারকার COP16, UNCCD-এর ইতিহাসে বৃহত্তম সম্মেলন, যেখানে ১৯৭টি পক্ষ অংশ নেবে।
- এর ১৯৭টি পক্ষ হলো-১৯৬টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা।
- সম্মেলনে ভূমি পুনরুদ্ধার, খরা প্রতিরোধ, এবং টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্বারোপ করা হবে।
- এটি সৌদি আরবের সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও মিডল ইস্ট গ্রিন ইনিশিয়েটিভ সম্পর্কেও আলোকপাত করবে।
- সৌদি আরবের মতো জলস্বল্পতা ও মরুকরণের সমস্যায় আক্রান্ত অঞ্চলে এই আয়োজন বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
- সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন সরকার, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং সম্প্রদায়কে ভূমি পুনরুদ্ধার ও খরা মোকাবিলায় একত্রিত করার লক্ষ্য রয়েছে। 

উল্লেখ্য, 
২০২৪ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক শীর্ষ সম্মেলন (এপেক) ১৬ নভেম্বর, পেরুর রাজধানী লিমাতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
২০২৪ সালে ১১ থেকে ২২ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) কপ-২৯ সম্মেলন,
- যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
⇒ ১৬ তম BRICS শীর্ষ সম্মেলন: ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত হয় ব্রিকসের ১৬তম শীর্ষ সম্মেলন।
- ৩৬টি দেশের অংশগ্রহণে এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
.
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:

- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিতে ৭২টি ধারা আছে। এর মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৭ বছর পূর্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
.
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন কে? [ডিসেম্বর ২০২৪]
  1. মাসাতো কান্ডা
  2. ফ্যাবিও প্যানেটা
  3. হিরোশি মাতসুমোতো
  4. মাসাতসুগু আসাকাওয়া
সঠিক উত্তর:
মাসাতো কান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসাতো কান্ডা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) এর নতুন প্রেসিডেন্ট:

- জাপানের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা মাসাতো কান্ডা এডিবির ১১তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
- ADB এর বোর্ড অব গভর্নরস তাকে সর্বসম্মতিক্রমে ১১তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
- তিনি মাসাতসুগু আসাকাওয়ার স্থলাভিষিক্ত হবেন, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
- কান্ডার দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।

⇒ উল্লেখ্য, 
- ADB- এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য ৬৮টি (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৩১টি) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে - এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ ৪৯টি এবং এশিয়ার বাইরের দেশ ১৯টি।
- সাধারণত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাপান থেকে।

তথ্যসূত্র: এডিবি ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
.
বিশ্বের কোন দেশ সর্বপ্রথম স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা প্রদান করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
⇒ স্বেচ্ছামৃত্যুর মৃত্যুর অধিকার বৈধতা সংক্রান্ত বিল:
- ১৯৪২ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে 'মৃত্যুর অধিকার' নামে একটি বিল পাসের মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা দেয় সুইজারল্যান্ড।
- সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা সংক্রান্ত বিল ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
- বিলটি পাস হলে যুক্তরাজ্যই হবে স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা থাকা দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল দেশ। 
-৩৩০ জন এমপি পক্ষে এবং ২৭৫ জন বিপক্ষে ভোট দেন।
- গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি, যাদের ছয় মাসের বেশি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই, কেবল তারাই এই সুবিধা পাবেন।
- রোগীদের যন্ত্রণা লাঘব এবং মৃত্যুর সময় ও পদ্ধতি নির্ধারণের স্বাধীনতা প্রদান।
- সমর্থকরা এটিকে মানবিক হিসেবে দেখছেন, কিন্তু বিরোধীরা সম্ভাব্য সামাজিক চাপ ও অপব্যবহার নিয়ে উদ্বিগ্ন।

উল্লেখ্য,
- সুইজারল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ যেখানে স্বেচ্ছামৃত্যুর (assisted suicide) বৈধতা প্রদান করা হয়। ১৯৪২ সালে এটি আইনত বৈধ করা হয়, তবে এটি কিছু নির্দিষ্ট শর্তের উপর নির্ভরশীল।
- তবে, যদি ইউথানেশিয়ার (euthanasia) কথা বলা হয়, তাহলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নেদারল্যান্ডস ২০০২ সালে এটিকে আইনসম্মত করে।
- কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্পেন এবং অস্ট্রিয়ায় ইতোমধ্যেই স্বেচ্ছামৃত্যু বৈধ।
- এটি যুক্তরাজ্যে বৈধতা পেলে সেই তালিকায় যুক্ত হবে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
.
এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার- ২০২৪ পেয়েছে কোন সংস্থা?
  1. অধিকার
  2. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  3. মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
  4. বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার-২০২৪

- ২০২৪ সালের এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশি মানবাধিকার সংস্থা অধিকার (Odhikar)।
-
এই পুরস্কার প্রদান করেছে তাইওয়ান ফাউন্ডেশন ফর ডেমোক্রেসি (TFD)
- ২৭ নভেম্বর ২০২৪ এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- পুরস্কার প্রদান করা হবে ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে।
- অধিকার তিন দশকের বেশি সময় ধরে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়েছে।
- তাইওয়ান ফাউন্ডেশন ফর ডেমোক্রেসি (TFD), এ প্রতিবছর মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেয়।
- গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের সঙ্গে একটি ট্রফি এবং $১,০০,০০০ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে।

⇒ উল্লেখ্য, 
- অধিকার ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন।
- অধিকারের নেতৃত্বে আছেন মানবাধিকারকর্মী আদিলুর রহমান খান।
- এটি মূলত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি নথিভুক্ত ও প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কাজ করে।
- অন্যন কাজ- মানবাধিকার গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীদের প্রশিক্ষণ।

⇒ অধিকার (Odhikar) এর কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ:

- রোম স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরে বাংলাদেশকে উদ্বুদ্ধ করা।
- রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্তে ভূমিকা।
- প্রতিবছর মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ (১৯৯৬ সাল থেকে)।

এছাড়াও,
⇒ মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (MHRC) প্রতিষ্ঠা ২০০১ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধি।

⇒ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) প্রতিষ্ঠা ১৯৮৬ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: নারী অধিকার, শিশু অধিকার এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষা।

⇒ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা (BHRC) প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনি সহায়তা প্রদান।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) প্রতিষ্ঠা ১৯৯৩ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: আইনি সহায়তা প্রদান এবং বিচার ব্যবস্থার সংস্কারে কাজ।

⇒ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC) প্রতিষ্ঠা ২০০৯ সালে
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং পরামর্শমূলক ভূমিকা পালন।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ওয়েবসাইট । [লিঙ্ক]
.
'বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি' এর প্রধান কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. হুসনে আরা শিখা
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. সালেহউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ও প্রতিবেদন: 
- দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৯ আগস্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
- শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রতিবেদনটি জমা দেয়।

⇒ প্রস্তাবিত শ্বেতপত্রে যেসব বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো-
- সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা- অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি এবং ঋণ), বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন।
-  মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা- উৎপাদন, সরকারি সংগ্রহ এবং খাদ্য বণ্টন।
 - রপ্তানি, আমদানি, রেমিটেন্স, এফডিআই, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ এবং ঋণ।
-  চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ, খরচ এবং ক্রয় চুক্তি।
 - ব্যক্তিগত বিনিয়োগ- ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, সংযোগ এবং লজিস্টিকসে অ্যাক্সেস।
 - দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক মজুরি; যুব কর্মসংস্থান।

⇒ প্রতিবেদনটি থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- অবৈধ অর্থ পাচার: ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২৮ উপায়ে পাচার। প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার তছরূপ ও পাচার হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্প খরচ গড়ে ৭০% বেড়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হতে গড়ে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এডিপি বিনিয়োগের ১৪-২৪ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে অপচয়।
- ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি: মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে বিপুল আর্থিক সংকট।
- দুর্নীতির কেন্দ্র: সামরিক ও বেসামরিক আমলারা প্রধান দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

⇒ এছাড়াও প্রতিবেদনে সুপারিশ স্বরুপ বলা হয়েছে:
- স্বল্পমেয়াদী (২-৩ বছর) পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিদেশি সাহায্যের বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ।
- বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক জোরদার করা।

তথ্যসূত্র: শ্বেতপত্র প্রতিবেদন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
.
সম্প্রতি G-7 জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ডিসেম্বর ২০২৪]
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ G-7 পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন:

- বিশ্বের সবচেয়ে ধনী সাত দেশের অর্থনৈতিক জোট জি৭।
- সম্প্রতি G-7 জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইতালির আনাগনি এবং ফিউজ্জি শহরে ২৫-২৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
- এই বৈঠকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ, মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক সংকট, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা, এবং আফ্রিকা ও হাইতির পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
- এছাড়া, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সম্মিলিত কার্যক্রমের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে​

⇒ এক নজরে G-7
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

⇒ উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা নিউজ, g7italy.it [লিঙ্ক] ও ইতালির সংশ্লিষ্ট সরকারী ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
১০.
কোন পদ্ধতিতে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
  1. CATI
  2. CAPI
  3. PAPI
  4. Online Surveys
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪:
- আগামী ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হবে।
- অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এ তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হবে "ক্যাপি" (CAPI) পদ্ধতি।
- এতে দেশে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ই-কমার্স তথ্য।
-এই অর্থনৈতিক শুমারিতে ৬৫টি প্রশ্ন উঠে আসবে।
- দেশের প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে।
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সম্মেলন কক্ষে শুমারির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
- কর্মশালায় জানানো হয়, ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ CAPI (Computer-Assisted Personal Interviewing) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে তথ্য সংগ্রহকারীরা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস, যেমন ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। এতে সময় বাঁচে এবং তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হয়।
⇒ Online Surveys- অনলাইন সার্ভে একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
⇒ পেন অ্যান্ড পেপার ইন্টারভিউ- Pen and Paper Interview (PAPI) পদ্ধতিতে প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, যেখানে তথ্য সংগ্রহকারী মাঠে গিয়ে হাতে লেখা রেকর্ডে বা কাগজে তথ্য সংগ্রহ করেন।
⇒ টেলিফোন সাক্ষাৎকার-Computer Assisted Telephone Interviewing (CATI) হলো একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারভিউয়াররা ফোনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এবং একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন

তথ্যসূত্র: কালবেলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।
১১.
"তাম্বোরা মাউন্ট আগ্নেয়গিরি" কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফিলিপাইন
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
⇒ তাম্বোরা মাউন্ট আগ্নেয়গিরি:
- তাম্বোরা আগ্নেয়গিরির ১৮১৫ সালের অগ্ন্যুৎপাত মানব ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার সুম্বাওয়া দ্বীপে অবস্থিত। ১৮১৫ সালের এই ঘটনা কেবল স্থানীয় অঞ্চলে নয়, বৈশ্বিক পর্যায়েও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
- ১৮১৫ সালের ৫ এপ্রিল প্রথম অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। চার মাস ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে অগ্ন্যুৎপাত চলতে থাকে, চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১০ এপ্রিল।
- তাম্বোরা পর্বতের উচ্চতা প্রায় ৪,৩০০ মিটার থেকে ২,৮৫০ মিটারে নেমে আসে।
- বিস্ফোরণের ফলে ৪১ কিউবিক কিলোমিটার লাভা, ছাই, ও গ্যাস নির্গত হয়েছিল।
- আশপাশের ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ধ্বংস হয়েছিল।
- বায়ুমণ্ডলে সৃষ্ট ছাই ও গ্যাস সূর্যের আলো প্রতিহত করে, যা বিশ্বব্যাপী জলবায়ুতে পরিবর্তন আনে।
- ১৮১৬ সালটি "গ্রীষ্মকালবিহীন বছর" নামে পরিচিত হয়।
- খাদ্যসংকট, ফসলহানি, ও তীব্র ঠান্ডার কারণে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

উল্লেখ্য,
⇒ অবস্থান ও সালসহ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কিছু অগ্ন্যুৎপাতের তালিকা:
- তাম্বোরা আগ্নেয়গিরি (১৮১৫): ইন্দোনেশিয়ার সুম্বাওয়া দ্বীপে।
- নোভারুপতা আগ্নেয়গিরি (১৯১২): যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়।
- ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি (১৮৮৩): ইন্দোনেশিয়ার সুন্দা প্রণালীতে।
- সান্তা মারিয়া আগ্নেয়গিরি (১৯০২): গুয়াতেমালায়।
- পিনাতুবো আগ্নেয়গিরি (১৯৯১): ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপে।
- হুনগা টোঙ্গা-হাপাই আগ্নেয়গিরি (২০২২): টোঙ্গার উপকূলে।
- কুইজাপু আগ্নেয়গিরি (১৯৩২): চিলির দক্ষিণ আন্দেসে।
- মাউন্ট হাডসন আগ্নেয়গিরি (১৯৯১): চিলির দক্ষিণাঞ্চলে।
- এল চিচন আগ্নেয়গিরি (১৯৮২): মেক্সিকোর চিয়াপাস রাজ্যে।
- মাউন্ট সেন্ট হেলেনস আগ্নেয়গিরি (১৯৮০): যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।

তথ্যসূত্র: NASA ও Smithsonian-এর জিওলজিকাল রিপোর্ট ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১২.
ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ নামকরণ করেছে কোন দেশ?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ওমান
  3. মাল দ্বীপ
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ ঘূর্ণিঝড় 'ফেনজল':
- ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ নামকরণ করেছে 'সৌদি আরব'।

- বর্ষা–পরবর্তী মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে ‘ফেনজল’।
-  দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে 'ফেনজল'।
- আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছিল , ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’।]
- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছিল।
- উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছিল।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি প্রতিটি ঝড়ের একটি নাম দিয়ে থাকে।
- এ দেশগুলোর প্যানেলকে বলা হয় ডব্লিউএমও/এসক্যাপ (WMO/ESCAP)।
- অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে ঝড়ের নামকরণ করা হলেও,
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয় ২০০৪ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
         ii) World Meteorological Organization (WMO)[link]
১৩.
কোন শহরকে পশ্চিমা সভ্যতার সূতিকাগার বলা হয়?
  1. রোম, ইতালি
  2. এথেন্স, গ্রিস
  3. লন্ডন, ইংল্যান্ড
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
এথেন্স, গ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স, গ্রিস
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রিসের রাজধানী এথেন্স:
- গ্রিসের রাজধানী এথেন্সকে পশ্চিমা সভ্যতার সূতিকাগার এবং গণতন্ত্রের জন্মস্থান বলা হয়।
- এথেন্স বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর, যার ইতিহাস প্রায় ৩,৪০০ বছরেরও পুরনো।
- এই শহর গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন ও অটোমান স্মৃতিচিহ্নে ভরপুর।
- অতীতে এথেন্সে একটি শক্তিশালী নগররাষ্ট্র ছিল। এটি শিল্প, শিক্ষা ও দর্শনের কেন্দ্র ছিল।
- প্লেটোর শিক্ষায়তন ও অ্যারিস্টটলের জ্ঞানার্জনের স্থান ছিল এথেন্স।] 

⇒ উল্লেখ্য,
- গ্রিসের রাষ্ট্রীয় নাম হলো ‘হেলেনিক রিপাবলিক’। ১৯৭৪ সালে এই নাম গৃহিত হয়।
- এর পূর্বে গ্রিসের রাষ্ট্রীয় নাম ছিলো ‘কিংডম অব গ্রিস’।
- গ্রিসের পূর্বনাম হেলাস থেকে হেলেনিক নামের উদ্ভব ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]