পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) কত সালে নোবেল পুরস্কার পায়?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৮
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০০৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা
- Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC)  জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের প্যানেল।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে ডব্লিউএমও-এর সদর দপ্তর, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল (IPCC)।
- ২০০৭ সালে (আইপিসিসি) মানব-সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সাথে সম্পর্কিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নির্ধারণের জন্য পিয়ার-পর্যালোচিত সাহিত্য এবং শিল্প অনুশীলনগুলি মূল্যায়ন করে।
- যদিও এটি নিজস্ব কোনো গবেষণা তৈরি করে না, এর সদস্যরা—তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপে বিভক্ত এবং একটি টাস্ক ফোর্স—বিশ্বব্যাপী শত শত বিজ্ঞানী এবং নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
.
রাসায়নিক দূষণ কোন প্রকারের দুর্যোগ?
  1. ক) মহাকাশীয় দুর্যোগ
  2. খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
  3. গ) প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  4. ঘ) ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ 
সঠিক উত্তর:
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচন্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
- ক্ষতিগ্রস্থ সমাজের পক্ষে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এই ক্ষতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন: ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা,
ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড,
রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান এবং নিয়ামক?
  1. ক) আর্দ্রতা
  2. খ) বায়ুর চাপ
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ
  4. ঘ) বায়ুর তাপ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান যেমন : 
- বায়ুর তাপ। 
- চাপ।
- বারিপাত।
-  আর্দ্রতা ও 
- বায়ুপ্রবাহ
 - বায়ুপ্রবাহ : বায়ুপ্রবাহের জন্য কোনো এলাকার জলবায়ুতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় যেমন :
- কোনো এলাকায় যদি জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হয় তবে ঐ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- আমাদের দেশে বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ হওয়ায় বর্ষাকালে এদেশে প্রচুর বৃষ্টি হয় কিন্তু শীতকালে শুষ্ক মহাদেশীয় বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি প্রায় হয় না বললেই চলে।
• জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ : 
- অক্ষাংশ
- উচ্চতা
- বায়ুপ্রবাহ
- সমুদ্রস্রোত
- পর্বতের অবস্থান
- ভুমির ঢাল 
- মৃত্তিকার গঠন ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।
 
 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
SMOG কীভাবে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ধোঁয়া ও বায়ু
  2. খ) কুয়াশা ও বায়ু
  3. গ) কালোধোঁয়া ও বাতাস
  4. ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
ব্যাখ্যা
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে  SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভূতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়।

 উৎস : National Geographic Society.
.
বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয় বাষ্পের পরিমান-
  1. ক) সমান
  2. খ) বাড়ে
  3. গ) কোনটি নয়
  4. ঘ) কমে
সঠিক উত্তর:
খ) বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাড়ে
ব্যাখ্যা
- বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয়বাষ্পের পরিমান বাড়ে।
- যদিও বায়ু নিদির্ষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে।
- কোন নিদির্ষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে, সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্পে বায়ুতে থাকলে বায়ু আর অধিক জলীয়বাষ্পে গ্রহণ করতে পারে না, তখন তাকে সম্পৃক্ত বা পরিপৃক্ত বায়ু বলে।
- বায়ু যে উষ্ণতায় জলীয়বাষ্পে ঘনীভূত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
- তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেলে তখন ঘণীভূত জলীয়বাষ্পে কঠিন আকার ধারণ করে এবং তুষার ও বরফ ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 
.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়?
  1. ক) বায়ু দূষণ
  2. খ) অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) ভূমিকম্প
  4. ঘ) বন্যা
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
- বায়ু দূষণ এটি মানব-সৃষ্ট বিপর্যয় কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়।
- বিপর্যয় : বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়।
- যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে। 
• বিপর্যয় দুই ধরনের হতে পারে যেমন :
- প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন-ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
- মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন-পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, রাসায়নিক বিষক্রিয়া, যুদ্ধ ইত্যাদি।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
স্পারসো কী?
  1. ক) ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
  2. খ) মহাকাশ গবেষণাকারী বেসরকারি সংস্থা
  3. গ) একটি আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি
  4. ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
- স্পারসো (Space Research and Remote Sensing Organisation-SPARRSO)  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে জড়িত।
- পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-র ক্যাম্পাসে ১৯৬৮ সালে একটি অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন-এপিটি (Automatic Picture Transmission-APT) গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করে। 
- এই গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে আবহাওয়া উপগ্রহ থেকে সরাসরি প্রকৃত আবহাওয়া চিত্র লাভ করা হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কত মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী বৃষ্টি বলা হয়?
  1. ক) ৪-১৬ মিলিমিটার
  2. খ) ৪-২৫  মিলিমিটার 
  3. গ) ১৬-৫০  মিলিমিটার
  4. ঘ) ৫০-৭০  মিলিমিটার 
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬-৫০  মিলিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬-৫০  মিলিমিটার
ব্যাখ্যা
- ১৬-৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী বৃষ্টি বলা হয়।
- সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ থেকে এক মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতকে হালকা বৃষ্টিপাত বলে।
- চার থেকে ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে ভারী বৃষ্টিপাত।
- ১৬ থেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এবং 
- ৫০ মিলিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাতকে চরম বৃষ্টি বলা হয়।

উৎস : প্রথম আলো।
.
বায়ুমন্ডলের প্রধান উপাদান দুটি কী কী?
  1. ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন ও মিথেন
  3. গ) নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) অক্সিজেন ও আরগন
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন।
- বায়ুমন্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে।
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে।
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎ কে রক্ষা করে।
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেন এর পরিমান শতকরা ৭৮.০২।
- বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন এর পরিমান শতকরা ২০.৭১।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন-
  1. ক) ১৬° থেকে ২৬° সেলসিয়াস
  2. খ) ৩০° থেকে ৪৫ ° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৬° থেকে ৪৬° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
- ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন  ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস।
- ধান চাষের জন্য ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি প্রবণ এলাকা ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এ জন্য বাংলাদেশের সর্বত্র ধান জন্মে।
- বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান।
- এ দেশে আইশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধান চাষ হয়।

  উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে  মহীসোপন বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
১২.
ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক)  ৮৬ শতাংশ
  2. খ)  ৬৫ শতাংশ
  3. গ)  ৪৫ শতাংশ
  4. ঘ)  ৫৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক)  ৮৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক)  ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে।
- অথচ চার বছর আগেও বিশ্বের মোট ইলিশের উৎপাদনের ৬৫ শতাংশ আসত বাংলাদেশ থেকে।
- বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো। তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে।
- মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে।

 (উৎস: প্রথম আলো)।
১৩.
কোনটি অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলাফল?
  1. ক) আধুনিক যানবাহন
  2. খ) অধিক কৃষি ফলন
  3. গ) জলাবদ্ধতা
  4. ঘ) উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) জলাবদ্ধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জলাবদ্ধতা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য পরিবেশ ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
-যেমন- পরিবেশ দূষণ, বাসস্থান ও খাদ্যের অভাব, পরিবহন সংকট, যানবাহন সংকট ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র অভাব সমস্যা দেখা দেয়।
- ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও সন্তোষজনক নয় এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক নিয়ম-কানুন মেনে না চলার জন্য পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। 
- অপরিকল্পিত নগরায়ন যেমন- নগরবাসীর জন্য নিরাপদ বাসস্থানের সংকট তৈরি করছে।
- ঢাকা শহরে অপরিকল্পিত রাস্তা-ঘাট, বাড়ি-ঘর ও স্থাপনা নির্মানের কারণই জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ।
- প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জানমালের রক্ষার দিকে সবার সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে।
- অপরিকল্পিত নগরায়ন নগরজীবনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিবেশের মানকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে।

 উৎস:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি. -
  1. ক) ৫ নিউটন
  2. খ) ১০ নিউটন
  3. গ) ১০ কি.মি
  4. ঘ) ৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতিবর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন বা ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটারের বা ৬.৭ কেজি।
- ভূ পৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।

(উৎস : এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)