পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
Exam - 8 The Code of Criminal Procedure, 1898 - 2 Topic: Section 404-565
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
অতিরিক্ত দায়রা আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের আপীল শুনতে এবং নিষ্পত্তি করতে পারে?
  1. যে সকল আপীল সরাসরি অতিরিক্ত দায়রা আদালতের নিকট দায়ের করা হয়
  2. যে সকল আপীল দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  3. যে সকল আপীল সরকার বিশেষ আদেশ বলে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৯ মতে- দায়রা আদালতে বা দায়রা জজের নিকট পেশকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
• তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলেই শ্রবণ করবেন, যে গুলি সম্পর্কে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ দেন অথবা দায়রা জজ যেগুলি তার নিকট আপণ করেন।
.
আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল কী হবে?
  1. আসামির খালাস।
  2. আসামির মুক্তি।
  3. আসামির অব্যাহতি।
  4. উপরের কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৪ মতে- পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচেছ, তা যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে প্রত্যাহার করতে পারবেন।
•অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে প্রত্যাহার করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পকে আসামীকে অব্যাহতি দান করতে হবে। 
.
নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধি কত ধারায় আছে ?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৬৩
  3. ৪০৬
  4. ৪০৪
ব্যাখ্যা
•৪৩৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশনের ক্ষমতা বা নিন্ম আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা আছে হাইকোর্ট বিভাগের ও দায়রা জজ আদালতের (অতিরিক্ত দায়রা জজ)।
•হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন করেন ৪৩৯ ধারায় এবং দায়রা জজ কোর্ট রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন ৪৩৯(ক) ধারায়।
.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন কোনো সরকারী কর্মকর্তা কোন সম্পত্তি বিক্রয়ে কোন দায়িত্বে থাকলে উক্ত সরকারী কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫৬
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬০
  4. ধারা ৫৫২
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ৫৬০ মতে- কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নীলাম ডাকবেন না।
.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করার জন্য তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ,১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচারবা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন-
  1. ৫২২ ধারা
  2. ৫৫৫ ধারা
  3. ৫৪৪ ধারা
  4. ৪৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২২ ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন এবং ১৪৫ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।
.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রেফারেন্স
  2. আপীল
  3. রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
.
আগাম জামিন (anticipatory bail) দিতে পারেন-
  1. হাইকোর্ট
  2. চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. দায়রা কোর্ট
  4. হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
ব্যাখ্যা
•আগাম জামিনের বিধান ৪৯৮ ধারায়। এ ধারায় আগাম জামিন দিতে পারেন হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ আদালত। এ ধারার অধীনে আদালত যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন ও জামানত হ্রাস করতে পারেন।
.
"Remand For Fresh Trial" এর জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কতো ধারা আনুযায়ী Appeal Court নির্দেশ দিতে পারে ?
  1. ৪২৬ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪২৮ ধারায়
  4. ৪২৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮ অনুসারে আপিল আদালত আতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে। 
•এছড়াও ৪২৮ ধারামতে আপিল আদালত মামলাটি "Remand for fresh trial" বা নতুনভাবে শুনানীর জন্য ফেরত পাঠাতে পরবে । 
১০.
যুগ্ম দায়রা জজ আসামীকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে আপীল করে। এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি-
  1. খারিজ হবে
  2. পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
  3. চলমান থাকবে
  4. স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- যেহেতু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে, তাই আপীলটি করেছে আসামী। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা যাওয়া অর্থ হলো আসামী মারা যাওয়া। তাই আপীলটি বাতিল হবে।
১১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৩৯
  3. ৪২৬
  4. ৪২৮
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৬ এ বলা হয়েছে- দণ্ডিত ব্যক্তির আপীল সাপেক্ষ আপীল-আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদেশ দিতে পারবেন যে, আপীলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
১২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় অধীনস্থ আদালতের মামলা নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ-
  1. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে
  3. আসামীকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ মতে- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারী আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন অভিমত, শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার জন্য উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নথি তলব করতে ও উহা পরীক্ষা করতে পারবেন, এই নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথির পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন শাস্তি কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
১৩.
যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তিকে দন্ডিত করা হয় এবং তাদের মধ্য যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র উক্ত ব্যক্তি আপীল দায়ের করতে পারে।
  2. দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলে আপীল করতে পারে।
  3. দণ্ডিত ব্যক্তিদের যেকোনো একজন আপীল করতে পারে।
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৫ক মোতাবেক- যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তি দণ্ডিত হয় এবং তাদের মধ্যে যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ দেয়া হয়, তখন এরূপ বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলের বা যেকোন একজনের আপীল করার অধিকার থাকবে।
১৪.
ফৌজদারী মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর কোন ধরণের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে?
  1. মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  3. মূল মামলায় এবং আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  4. সি. আর মামলায়
ব্যাখ্যা
• ৪১৭ (১) ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে, তাই খালাস আদেশের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটারের দ্বিতীয় আপীল করার সুযোগ আছে। কিন্তু অভিযোগকারী বা ফরিয়াদী খালাস আদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় আপীল দায়ের করতে পারে না।
১৫.
অর্থ দন্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপীল চলাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. আদালত মাফ করে দিবেন
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
•আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
১৬.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে-
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. অভিযোগকারী
  3. অভিযুক্ত
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) ও ৪১৭ক(২) অনুসারে অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর এবং অভিযোগকারী উভয়ই আপীল দায়ের করতে পারে।
১৭.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায় না।
  1. আপীলযোগ্য মামলায়
  2. আপীলযোগ্য মামলায় আপীল না করা হলে
  3. অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৫) মতে- আপীলযোগ্য মামলায় আপীল করতে হবে রিভিশন করা যাবেনা।
• আবার যেক্ষেত্রে আপীল করার বিধান আছে, কিন্তু আপীল করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল করতে পারতো, সেইপক্ষ রিভিশন করতে পারবে না।
১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৭
  3. ধারা ৪২৮
  4. ধারা ৪২৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে।
১৯.
একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের আবেদন কখন হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যায়?
  1. সরাসরি
  2. অনুমতি সাপেক্ষে
  3. দায়রা আদালত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬খ এবং ধারা ৫২৬ মতে- একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দায়রা জজের নিকট। যদি দায়রা জজ এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, তারপর হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।
২০.
কোন ব্যক্তি কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. প্লিডার
  3. অ্যাডভোকেট
  4. সলিসিটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ মোতাবেক- পাবলিক প্রসিকিউটর কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়ায় বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবে।
২১.
ফৌজদারী আদালতের কোন রায়, মামলার কার্যক্রম বা আদেশ বাতিলের জন্য [For quashment] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১৫১
  2. ৫৬১
  3. ৫৬১ ক
  4. ৫৬০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় এবং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় সহজাত ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু পার্থক্য হলো ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগ এবং দেওয়ানী আদালত উভয়কে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
২২.
চীপ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে কোথায় আপিল করতে হয়?
  1. মহানগর দায়রা আদালত
  2. দায়রা আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক মতে- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে মহানগর দায়রা আদালতে আপিল করতে হয়।
২৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী চিকিৎসক সাক্ষীকে তলব করার জন্য আদালত সমন দিতে পারে?
  1. ৫০৯
  2. ৫০৮
  3. ৫১০ক
  4. ৫১১
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৯ মতে- আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত অথবাকমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবান বন্দী তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও এই আইন অনুসারে কোন অনুসন্ধান বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম সাক্ষ্য হিসাবে প্রদান করা যাবে। আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দীর বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
২৪.
ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী-
  1. বাতিল হবে না।
  2. বাতিল হবে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩১ মতে- ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী আদালতের কোন অনুসন্ধান, শাস্তি বা আদেশ বাতিল হবে না।
• কিন্তু এমন ভুল কার্যক্রমের কারণে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়, তাহলে উক্ত কার্যক্রম বাতিল হবে।
২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে আদালত মানহানিকর আলামত ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫১৭
  2. ৫১৯
  3. ৫২১
  4. ৫২৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২১ ধারায় বলা হয়েছে- আসামীকে দণ্ড প্রদানের পর আদালত তার হেফাজতে থাকা মানহানিকর সকল কপি এবং খাদ্য, পানীয় ঔষধ বা ঔষধ জাতীয় মিশ্রণ ধ্বংস করে ফেলার আাদেশ দিতে পারেন।
২৬.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন করতে হবে-
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, আসুস্থ বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন।
২৭.
উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অধ্যায় বত্রিশ ক
  2. অধ্যায় তেত্রিশ
  3. অধ্যায় চৌত্রিশ
  4. অধ্যায় পঁয়ত্রিশ
ব্যাখ্যা
• উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ চৌত্রিশ অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে।
২৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৩৩৯ ধারা মতে
  2. ৩৭০ ধারা মতে
  3. ৪৪২ ধারা মতে
  4. ৫১৭ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী, আদালতে পেশকৃত, বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল আদালতে ধ্বংস, জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
২৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে আপিল রিভিশন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধানটি আছ-
  1. ৪৪২ ধারায়
  2. ৪৪২-ক ধারায়
  3. ৪৪২-খ ধারায়
  4. ৪৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক মতে- কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিম্পত্তি করবেন এবং রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।
৩০.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তিসংগত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৯ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০০ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ মোতাবেক- প্রত্যেকটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং উহা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে যে কারণে নালিশকারী খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারেন?
  1. আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায়বিচার ব্যহত করে
  2. আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে
  3. আদেশটিতে যদি ঘটনাগত ভুল থাকে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) মতে- ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায় বিচার ব্যহত করে। তাহলে নালিশকারী খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারেন?
৩২.
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার নিম্নের কোন আদালতের অন্তনির্হিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপলি বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৬১ক তে বলা হয়েছে- ফৌজদারী কার্যবিধি এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোনভাবে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুন্ন বা প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
৩৩.
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোনো আসামীকে দণ্ড দিলে আপীল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ কোর্টে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. আপীল বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৭ মতে- দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডাদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল ধরণের ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে দায়রা জজের নিকট।
৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুসারে বণ্ড বাজেয়াপ্ত আদেশের বিরুদ্ধে আাপিল না করলে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. মিস আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১৫ অনুযায়ী- কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৫১৪ ধারার অধীন প্রদত্ত সকল আদেশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীলযোগ্য হবে, অথবা এরূপভাবে আপীল করা না হলে তার দ্বারা রিভাইসড হবে।
৩৫.
খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে- খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় ৬০ দিনের মধ্যে।
৩৬.
সরেজমিনে পরিদর্শন [Local inspection] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩৮
  2. ৫৩৯
  3. ৫৩৯ক
  4. ৫৩৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৩৯খ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
৩৭.
আপীলকারী কারাগারে থাকলে তখন আপীলের দরখাস্ত কার নিকট দাখিল করা যেতে পারে
  1. আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিকট
  2. সরাসরি আপীল আদালতে
  3. কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসের নিকট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের নিকট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২০ মোতাবেক- আপীলকারী কারাগারে থাকলে রায় নকলসহ আপীলের আবেদনপত্র কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পেশ করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত কর্মকর্তা উক্ত আবেদনপত্র এবং নকলসমূহ যথাযথ আপীল আদালতে দাখিল করবে।
৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হেবিয়াস কর্পাস সংক্রান্ত নির্দেশনার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. বেসরকারী হেফাজতে বেআইনি ভাবে আটককৃত কোন ব্যক্তির মুক্তি প্রদানের ।
  2. কারাগারে আটক কোন বন্দি কে সাক্ষী হিসাবে আদালতে হাজিরের।
  3. কোন বন্দি কে বিচারের জন্য এক হেফাজত থেকে অন্য হেফাজতে প্রেরণ করার।
  4. নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ উপরের উল্লেখিত অপশন ক, খ, গ এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে কিন্তু নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার আদেশ দিতে পারে না। এইক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ (২)খ (অ) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রতিকার পাওয়া যায়।
৩৯.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে কি করতে পারে
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৪) মতে- হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে দণ্ডবৃদ্ধি করতে পারে কিন্তু খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না।
৪০.
বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা বা ১৬ বছরের কম বয়সী বালিকাকে অপহরণ বা বেআইনিভাবে আটক রাখা হলে তাকে প্রত্যর্পণে বাধ্য করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে কার?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫২ মতে- কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে অথবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে বলে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সেই স্ত্রীকেকে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন ।
৪১.
যে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক ময়না তদন্তের প্রতিবেদন প্রদান করে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতিতেও উক্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. যদি তিনি মারা যায়,
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে যায়
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক মতে- এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা দরকার হয় এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন অথবা অন্য মেডিকেল অফিসার মারা গেলে অথবা সাক্ষ্য দিতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাইরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী হিসাবে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে কয়টি বিষয়ে আপিলের বিধান আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজধারী কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে ২ টি বিষয়ে আপিল করা যায়।
•১) ঘটনার প্রশ্নে ও ২) আইনের প্রশ্নে (Question of Law & Question of Fact).
৪৩.
কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৪১৩ মতে- দায়রা আদালত কেবলমাত্র অনধিক একমাত্র কারাদণ্ড দিলে অথবা দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করলে দণ্ডিত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।
৪৪.
যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটার এখনো নিযুক্ত হয়নি, সেখানে মামলা পরিচালনার জন্য কে পাবলিক প্রসিকিউটার নিয়োগ দিতে পারবেন?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্টেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে- পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হন নাই সে ক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এই সম্পর্কে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ অফিসার ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
৪৫.
চার্জ গঠন না করার কারণে কোন শাস্তি বা দণ্ড অবৈধ হবে না যদি না ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩৫ মতে- কেবল মাত্র অভিযোগ প্রণয়ন করা হয়নি বলেই ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন মনে করেন যে, উহার ফলে প্রকৃত পক্ষে ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়েছে।