১.
বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের বিস্তার ছিলো -
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগের সাহিত্য:
- বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের বিস্তার ছয় শতাব্দী (১২০১ - ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ) ধরে।
- শ্রীচৈতন্যদেবকে (জন্ম: ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দ) মাঝখানে রেখে এই যুগকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় -
১. প্রাক্-চৈতন্য যুগ (১২০৩ - ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ) এবং
২. উত্তর-চৈতন্য যুগ (১৫০০ - ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ)।
- প্রাক্-চৈতন্য যুগে রচিত হয়েছে কৃত্তিবাসি 'রামায়ণ', বড়ুচণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন', মালাধর বসুর 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়', বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাসের বৈষ্ণব পদাবলি এবং তিনটি আদি 'মনসামঙ্গলকাব্য'।
- উত্তর-চৈতন্যযুগের বিচিত্র ও প্রচুর সাহিত্যসম্ভারের মধ্যে বৃন্দাবনদাস, লোচনদাস, জয়ানন্দ এবং কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্য-জীবন-কাব্য; জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের বৈষ্ণব পদাবলি; কাশীরাম দাসের 'মহাভারত'; বহুসংখ্যক মনসা, চণ্ডী, ধর্ম ও অন্নদামঙ্গল কাব্য (কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ঘনরাম চক্রবর্তী, ভারতচন্দ্র ইত্যাদি); মুসলমান কবি দৌলত কাজী ও আলাওলের কাব্যসম্ভার এবং শাক্তপদাবলি উল্লেখযোগ্য।
- ভারতচন্দ্রের মৃত্যু (১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ) থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে যুগসন্ধিক্ষণ বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের বিস্তার ছয় শতাব্দী (১২০১ - ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ) ধরে।
- শ্রীচৈতন্যদেবকে (জন্ম: ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দ) মাঝখানে রেখে এই যুগকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় -
১. প্রাক্-চৈতন্য যুগ (১২০৩ - ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ) এবং
২. উত্তর-চৈতন্য যুগ (১৫০০ - ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ)।
- প্রাক্-চৈতন্য যুগে রচিত হয়েছে কৃত্তিবাসি 'রামায়ণ', বড়ুচণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন', মালাধর বসুর 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়', বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাসের বৈষ্ণব পদাবলি এবং তিনটি আদি 'মনসামঙ্গলকাব্য'।
- উত্তর-চৈতন্যযুগের বিচিত্র ও প্রচুর সাহিত্যসম্ভারের মধ্যে বৃন্দাবনদাস, লোচনদাস, জয়ানন্দ এবং কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্য-জীবন-কাব্য; জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের বৈষ্ণব পদাবলি; কাশীরাম দাসের 'মহাভারত'; বহুসংখ্যক মনসা, চণ্ডী, ধর্ম ও অন্নদামঙ্গল কাব্য (কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ঘনরাম চক্রবর্তী, ভারতচন্দ্র ইত্যাদি); মুসলমান কবি দৌলত কাজী ও আলাওলের কাব্যসম্ভার এবং শাক্তপদাবলি উল্লেখযোগ্য।
- ভারতচন্দ্রের মৃত্যু (১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ) থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে যুগসন্ধিক্ষণ বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।